male লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
male লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

পুরুষের যৌন ইচ্ছা কমিয়ে দেয় যে ৫ খাদ্য (5 foods that reduces sexual desire in men)

পুরুষের যৌন ইচ্ছা কমিয়ে দেয় যে ৫ খাদ্য (5 foods that reduces sexual desire in men)


এখনকার সময়ে অনেক পুরুষই যৌনাকাঙ্ক্ষা কম হওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই সমস্যার পিছনে খাদ্যাভাস বা যা খাওয়া হয় তার মারাত্মক প্রভাব থাকতে পারে। খাদ্যাভাস আপনার লিবিডোতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যখন বয়স বাড়তে থাকে তখন এই ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই যেসব খাবার আপনার সেক্সের ইচ্ছা কমিয়ে দেয় বা যৌন ক্ষমতা নষ্ট করে সেগুলি খাবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়াই ভালো।
টেস্টোস্টেরন নামে একধরনের হরমোনের মাত্রা কমে গেলে যৌন ইচ্ছা হ্রাস পায়। যেসব খাবারের কারণে এই হরমোনের মাত্রা কমে যায় সেসব খাবার খেলে পুরুষদের যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যেতে পারে। যৌন আকাঙ্ক্ষা স্বাভাবিক রাখতে চাইলে যেসব খাদ্য আপনার এড়িয়ে চলা উচিৎ সেরকম কয়েকটি খাদ্যের কথা এখানে থাকছে।

অতিরিক্ত সয়া খেলে পুরুষদের স্তনের আকার 
বেড়ে যায়। সয়া থেকে যেসব খাবার তৈরি হয়, যেমন সয়া মিল্ক বা সয়া সস এগুলি ব্যাপকভাবে টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যায়। এরকম একটি তথ্য দিয়েছে ইউরোপিয়ান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন।
গবেষকরা দেখেছেন যে, যারা দিনে ১২০ গ্রাম সয়া খায় তাদের শরীরে টেস্টোস্টেরোন কমে যায়। আর যেসব পুরুষ সন্তান গ্রহণের কথা ভাবছেন তারা খাদ্য তালিকা থেকে সয়া একদম বাদ দিয়ে দিন। সয়া শুক্রাণুর পরিমাণও কমিয়ে দেয়।


যেকোনো ধরনের রিফাইন কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা যৌন মিলনের সময় পুরুষদের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। ক্র্যাকার্সে এই রিফাইন শর্করা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে। অতিরিক্ত রিফাইন শর্করা টেস্টোস্টেরোনের মাত্রাও কমিয়ে দেয়। তাছাড়া রিফাইন করা শর্করায় যে চিনি থাকে তা ওজন বাড়ায়। এই চিনিও টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। বিপরীতে শরীরে এস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

অতিরিক্ত মদ খেলে তার পরিণাম সাংঘাতিক। যৌন জীবনে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে অতিরিক্ত অ্যালকোহল। ইরেক্টাইল সমস্যা সহ, ঠিকভাবে অর্গাজম না হওয়া এবং মিলনের শুরুতেই দ্রুত বীর্যপাতের যাওয়ার কারণ হতে পারে অতিরিক্ত মদ পান করা। আর তাছাড়া অ্যালকোহল আর রিচ ফুড সবসময় আপনাকে তন্দ্রাচ্ছন্ন করে রাখে, ফলে আপনি সেক্সের ব্যাপারে আর উৎসাহ বোধ করেন না।

যেসব খাবারে অতিরিক্ত হরমোন বা অ্যান্টিবায়োটিক আছে সেগুলি পরিহার করা উচিৎ। যেমন কিছু রেড মিটে প্রচুর হরমোন আছে। ফলে বেশি রেড মিট খেলে আপনার শরীরের প্রাকৃতিক হরমোনে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়।
রেড মিট নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় খেলে তা বরং উপকারেই লাগে। রেড মিট জিঙ্ক এবং প্রোটিনের অন্যতম উৎস। প্রোটিন এবং জিঙ্ক উভয়ই ফ্যাট কমায় এবং পেশী গঠন করে।
অতিরিক্ত খাওয়া দাওয়া করলে খুব স্বাভাবিকভাবেই আপনার ওজন বেড়ে যাবে। আর ওজন বেড়ে গেলে যৌনতার ইচ্ছা কমে যায়। যেকোনো ধরনের খাবার অতিরিক্ত খাওয়াই যৌন আকাঙ্ক্ষার সবচেয়ে বড় শত্রু।

খাওয়া দাওয়ার ওপরে মানুষের বয়স বাড়াটাও নির্ভর করে। যাদের ওজন বেশি, ৩৫ থেকে ৬০ বছরে তাদের বয়স দ্রুত বেড়ে যায়। শরীর সময়ের আগেই বৃদ্ধ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে যারা অতিরিক্ত চাপে থাকেন, অনিয়মিত ও অনিয়ন্ত্রিত খাবার খান, ব্যায়াম করেন না তাদের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটা বেশি ঘটে।
একটি ভালো ডায়েট সমান সমান ভালো সেক্স। যার ডায়েট সিস্টেম যত উন্নত সে যৌনতায়ও ততটাই সুখী।
তাছাড়া কিছু কিছু খাবার বীর্য, ঘাম, প্রস্রাব, নিঃশ্বাস এইসব ব্যাপারে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এসপারাগাস, রসুন, কিছু কিছু মসলা, দুগ্ধজাত সামগ্রীও এইক্ষেত্রে ক্ষতিকর ভূমিকা রাখে।
আনারস, ভ্যানিলা ফ্লেভার দেওয়া খাদ্যদ্রব্য আবার নারী এবং পুরুষ উভয়ের মধ্যেই পারস্পারিক আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়।


মেয়েদের দুধ, মেয়ে, মেয়েদের মাসিক, লিংগ ছবি, চটি গল্প, চটি বই, গল্প, কৌতুক, নতুন চটি, বোনের সাথে সেক্সে, বাংগালী মেয়ের দুধের ছবি, choti bangla, বাঙলা চটী, বাংলা xxx, বাংলা চটি গল্প, চোদাচুদির গল্প, সানি লিওন

পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কে যা জানা জরুরী।

Which is important to know about men's sexual health.

আমাদের সমাজে পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলাকে অসৌজন্য বা লজ্জার ব্যাপার হিসেবেই দেখা হয়। কিন্তু পুরুষদের এমন অনেক যৌন সমস্যা বা অবস্থা থাকে যেগুলোর জন্য জীবনের কোন না কোন সময়ে তাকে ভুগতে হয়। Erectile Dysfunction বা লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যা এমন একটি অবস্থা। ভয়, হীনমন্যতা, লজ্জা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে এসব সমস্যা লুকিয়ে রেখে হতাশায় জীবন যাপন করেন অগণিত পুরুষ। আবার ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়াকেও বাড়াবাড়ি মনে করেন অনেকে।
লিঙ্গ জনিত এই সমস্যার সমাধান ঘরোয়া ভাবেই করা সম্ভব। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শারীরিক থেকে মানসিক ও জীবন যাত্রার প্রভাব এই সমস্যার জন্য দায়ী হয়।
লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যা কী?
এ রোগ ED (Erectile Dysfunction) / ধ্বজভঙ্গ বা যৌন মিলনে অক্ষমতা (Impotence, Sexual Impotence) এবং পুরুষাঙ্গের উত্থান জনিত ব্যাধি (Male Erectile Disorder) নামেও পরিচিত।
ED অনিয়মিতভাবে দেখা দিলে তা কোনো চিন্তার বিষয় না। তবে এ সমস্যা বারবার দেখা দিলে অবশ্যই বুঝতে হবে এটি কোনো গুরুতর রোগের লক্ষণ এবং পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্য এর ফলে হুমকির মুখে পড়তে পারে। এক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যার কারণ কী?
পুরুষের যৌন উত্তেজনার সৃষ্টি একটি জটিল প্রক্রিয়া এবং এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক, হরমোন, রক্তবাহী নালী, স্নায়ু, মাংসপেশী, আবেগ ও অনুভূতি সব একসাথে কাজ করে। এগুলোর মধ্যে একটিতেও অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে পুরুষাঙ্গ উত্থানে এবং পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্য জনিত সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।
শারীরিক ও মানসিক অসুস্থার জন্য এই সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং দুশ্চিন্তা ও অন্যান্য মানসিক অসুস্থার জন্য এ সমস্যার আরও অবনতি হতে পারে। নিম্নে এ রোগের কারণগুলো আলোচনা করা হলোঃ
শারীরিক কারণ
যেসকল শারীরিক সমস্যার ফলে লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যার কারণে পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ে তা হলঃ
  • হৃদরোগ।
  • Atherosclerosis বা রক্তনালী বন্ধ হয়ে যাওয়া।
  • রক্তে কোলেস্টরলের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া।
  • ডায়াবেটিস।
  • অতিরিক্ত মেদ।
  • একই সাথে কয়েকটি লক্ষণ (উচ্চ রক্তচাপ, ইনসুলিন ও কোলেস্টরলের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া এবং কোমরের কাছে মেদ জমা) দেখা দেওয়া (Metabolic Syndrome)।
  • পারকিনসন রোগ।
  • টেসটোস্টেরনের পরিমাণ কমে যাওয়া ।
  • পেরোনিজ ডিজিজ (Peyronie’s disease)
  • নির্দিষ্ট কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ।
  • তামাকের ব্যাবহার ।
  • মদ্যপান ও অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার ।
  • প্রোস্টেট (Prostate) বড় হয়ে গেলে/ ফুলে গেলে বা প্রোস্টেট ক্যান্সারের জন্য চিকিৎসা করানোর ফলে ।
  • কোনো অপারেশন বা আঘাতের জন্য শ্রোনীচক্র (Pelvic) ও স্পাইনাল কর্ডের কোনো ক্ষতি হলে ।
মানসিক কারণ
যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে আমাদের মস্তিষ্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বিভিন্ন মানসিক সমস্যার জন্যও এ রোগ দেখা দিতে পারে। যেমনঃ
  • হতাশা, দুশ্চিন্তাসহ অন্যান্য মানসিক অশান্তি থাকলে হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ এবং অবসাদ বেড়ে যায়, যা আপানার যৌন জীবনে প্রভাব ফেলে।
  • মানসিক চাপ।
  • সুম্পর্কের অভাব বা সম্পর্কে টানাপোড়েন।
  • আপনি আপনার সঙ্গীর যৌন চাহিদা পূরণ করতে পারছেন না এই ভয় আপনার শারীরিক সমসস্যার জন্য দায়ী হতে পারে।
  • আপনার মানসিক অবস্থা আপনার যৌন জীবনের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলে। মানসিকভাবে হাসিখুশি না থাকলে যৌন উত্তেজনাও কমতে শুরু করে।
  • অনেক সময় যৌনতার ব্যাপারে মানুষ উদাসীন হয়ে পড়ে। সে সময় এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।
  • লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যা দেখা দিলে ব্যক্তি আরও বেশি আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়েন। অথবা প্রথম বার যৌন সম্পর্ক স্থাপন করার সময় ব্যক্তি ভয় বা দুশ্চিন্তার কারণে লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যার সম্মুখীন হন।
কোন কোন বিষয়গুলো এই রোগের ঝুঁকি বাড়ায়?
বয়স বাড়ার সাথে সাথে পুরুষাঙ্গের উত্থান ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং এটি দৃঢ় হতে বেশি সময় নেয় ও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। তবে শুধুমাত্র বয়সের কারণেই এ সমস্যাটি হয় না। বয়সের সাথে সাথে অন্যান্য শারীরিক সমস্যা ও ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলেও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ রোগের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো হলঃ
  • লিঙ্গের উত্থান ক্ষমতা যেসকল স্নায়ু বা নার্ভের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় সেগুলো কোনো আঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হলে এ রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ যেমনঃ এ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট (Antidepressants), এ্যান্টিহিসটামিন (Antihistamines) এবং উচ্চ রক্তচাপ, ব্যাথা ও Prostate ক্যান্সারের জন্য যেসকল ঔষধ দেওয়া হয় তা ব্যবহারের কারণে এ রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • মদ্যপান ও মাদক সেবনের জন্য এ রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • দীর্ঘদিন সাইকেল চালানোর জন্য স্নায়ু সংকুচিত হয়ে যায় এবং লিঙ্গে রক্তপ্রবাহ কমে যায়। যার ফলে কিছু সময়ের জন্য লিঙ্গের উত্থান ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
ED এর জন্য যে ঔষধ দেওয়া হয় তাতে কি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে?
ভায়াগ্রা (Viagra) এবং এই ধরণের ঔষধের সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হল মাথাব্যথা যা ১৬ শতাংশ ব্যবহারকারীর মধ্যে দেখা যায়। ১০ শতাংশ ব্যবহারকারীর রক্তচাপ কমে যায়, মাথা ঝিমঝিম করে ও মুখে লাল ভাব দেখা দেয়। ১০ শতাংশ ব্যবহারকারীর খাবার হজমে অসুবিধা দেখা দেয়। ১০ শতাংশ ব্যবহারকারীর নাক বন্ধ হয়ে যায়। Viagra ব্যবহারকারীদের মধ্যে কারও কারও দৃষ্টি সমস্যা দেখা দেয়। এসব ঔষধের প্রভাবে পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
এ রোগের ক্ষেত্রে সার্জারি করা কতটা প্রয়োজনীয়?
পূর্বে এ রোগের শুধুমাত্র একটিই চিকিৎসা ছিল আর তা হল অপারেশনের সাহায্যে লিঙ্গের মধ্যে প্রোসথেটিক ডিভাইস স্থাপন করা। তবে এখন ঔষধের সাহায্যে এ রোগের চিকিৎসা সম্ভব এবং ঔষধের সাহায্যে চিকিৎসা সম্ভব না হলে শুধুমাত্র তখনই অপারেশন করা হয়। শুধুমাত্র একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারই নির্ধারণ করবে আপনার ঔষধ খাওয়ার বা সার্জারি করার প্রয়োজন আছে কিনা।
হেলথ টিপস্
  • ব্যায়াম করতে হবে বা ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে।
  • ধূমপান ত্যাগ করতে হবে।
  • মদ্যপান এড়িয়ে চলতে হবে।
  • পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে।
  • রক্তচাপ ও কোলেস্টরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে।
  • দুশ্চিন্তা কমিয়ে আনতে হবে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে, (রাতে কমপক্ষে ৭ ঘন্টা) ।
  • তরমুজের জুস খেতে পারেন।
  • বেদানা বা ডালিমের জুস উপকারী।
  • হীনমন্যতায় ভুগবেন না।
  • কাছের মানুষের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলুন।
পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্য ঠিক থাকার পিছনে মানসিক অবস্থার প্রভাব উল্লেখযোগ্য। লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যা খুব-ই সাধারণ। শতকরা ৯০% মানুষ এই বিষয়টি নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগেন, বিষয়টি চেপে যান এবং লজ্জায় সঙ্গীর সাথে আলোচনা করেন না। জ্বর হলে আপনি যেমন ডাক্তারের কাছে যান, সঙ্গীর সেবা শুশ্রূষা নেন, তেমনি এই ধরনের সমস্যার ক্ষেত্রেও আপনাকে কথা বলতে হবে; আপনার সঙ্গীর সাথেই কথা বলতে হবে। উপরে উল্লিখিত ঘরোয়া নিয়ম কানুন মেনে এবং মানসিক অবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে সহজেই লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

মেয়েদের দুধ, মেয়ে, মেয়েদের মাসিক, লিংগ ছবি, চটি গল্প, চটি বই, গল্প, কৌতুক, নতুন চটি, বোনের সাথে সেক্সে, বাংগালী মেয়ের দুধের ছবি, choti bangla, বাঙলা চটী, বাংলা xxx, বাংলা চটি গল্প, চোদাচুদির গল্প, সানি লিওন

হস্ত মৈথুন সম্পর্কে প্রচলিত কিছু ভুল ধারনা

Some common misconceptions about coitus hand

নারী ও পুরুষ উভয় গোত্রের মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময় হস্ত মৈথুন এর মাধ্যমে নিজেদের যৌন চাহিদা পূরণ করে থাকে। যদিও এটি খুবি স্বাভাবিক একটি যৌনাচার, তবুও আমাদের মধ্যে এর সম্পর্কে কিছু ভুল ধারনা প্রচলিত আছে। এই ভুল ধারনা গুলির মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারনা নিয়ে আমরা আজ আলোকপাত করব।
ভুল ধারনাঃ হস্ত মৈথুন শুধু কম বয়স্ক দের জন্য হস্ত মৈথুন একটি সারা জীবন চলমান ক্রিয়া। পরিসংখ্যানে দেখা যায় ৭০ থকে ৯০ ভাগ নারী পুরুষ হস্ত মৈথুন করে থকেন।
ভুল ধারনাঃ হস্ত মৈথুন কারনে চোখের জতি কমে যাওয়া, চুল পড়া, ব্রন ওঠা, দীর্ঘ মেয়াদি দুর্বলতা, ক্যান্সার ইত্যাদি হতে পারে। ভুল, এমনকি ডাক্তার বলে থাকেন, হস্ত মৈথুনের কিছু মেডিক্যাল সুবিধা রয়েছে। যেমনঃ হস্ত মৈথুনের ফলে দুশ্চিন্তা, মাথা ব্যথা, নিদ্রা হিনতা ইত্যাদি সমস্যা কমে যেতে পারে।
ভুল ধারনাঃ হস্ত মৈথুন আসল যৌন ক্রিয়া নয়, হস্ত মৈথুন এর মাধ্যমে পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি সম্বব, যা সঙ্গম কালে পাওয়া যায়।
ভুল ধারনাঃ বিবাহিত মানুষরা হস্ত মৈথুন করে না, গবেষণায় দেখা গ্যাছে বিবাহিত নারী পুরুষ অবিবাহিত দের চেয়ে বেশি হস্ত মৈথুন করে।
ভুল ধারনাঃ পুরুষদের’ই শুধু হস্ত মৈথুন করতে হয়, নারী দের নয় নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবাই হস্ত মৈথুন করে থাকে।
ভুল ধারনাঃ হস্ত মৈথুন কারনে যৌন বাহিত রোগ হতে পারে, ভু, সমেহনে যৌন রোগ হবার সম্ভাবনা নেই।
ভুল ধারনাঃ হস্তম মৈথুনের ফলে মেয়েদের সন্তান ধারন ক্ষমতা ও পুরুশের বীর্য উৎপাদন কমে যায়, হস্ত মৈথুন একটি সম্পূর্ণ নিরাপদ যৌন ক্রিয়া, এর ফলে নারী পুরুষের সন্তান ধারন বা বীর্য উৎপাদনে ব্যঘাত ঘটে না।


মেয়েদের দুধ, মেয়ে, মেয়েদের মাসিক, লিংগ ছবি, চটি গল্প, চটি বই, গল্প, কৌতুক, নতুন চটি, বোনের সাথে সেক্সে, বাংগালী মেয়ের দুধের ছবি, choti bangla, বাঙলা চটী, বাংলা xxx, বাংলা চটি গল্প, চোদাচুদির গল্প, সানি লিওন

পুরুষদের কিছু সমস্যা এবং তার কারন


Some of the problem and its causes men

১. আগের মত আর উত্তেজিত না হওয়া,
২. লিংগ যথেষ্ট শক্ত না হওয়া,
৩. মিলনের স্থায়িত্ব আগের চেয়ে কমে আসা,
৪. দেরিতে বীর্যপাত বা একেবারেই হল না এবং চাহিদা মিটে গেল, পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে ইচ্ছে না করা।
কারন শতকরা ৯৮ ভাগ ক্ষেত্রে এগুলো মানসিক সমস্যা যেমন উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা এবং বিষন্নতা থেকে হয় আর অরগানিক কারনের মাঝে ডায়াবেটিস, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও অন্যান্য এন্ডোক্রাইন সমস্যা থেকে হতে পারে।

যৌন দুর্বলতা, দ্রুত বীর্যপাত এবং তার হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা

Sexual weakness, rapid ejaculating and its homeopathic treatment

বাংলাদেশের রাস্তাঘাটের দেয়ালে দেয়ালে যে-সব চটকদার ডাক্তারী বিজ্ঞাপন দেখা যায়তা দেখে মনে হয় আমাদের দেশে সকল পুরুষ যেন যৌন দুবর্লতায় ভুগছেন। কারণ রোগী না থাকলে তো এত বেশি বিজ্ঞাপন নজরে আসতো না। এই সমস্যাটি মনে হয় খুবই বেশী তাই এত বেশি পোস্টার লিফলেট, ও বাসের জানালা দিয়ে অভদ্রভাবে ছুড়ে দেয়া ভিজিটিং কার্ড আবার এসব বিজ্ঞাপনের বেশীর ভাগই দেখা যায় হারবাল এবং হোমিও ডাক্তারদের বিজ্ঞাপন। তাই স্বাভাবিকভাবেই এতে অনেকের নিকট মনে হতে পারে যেসম্ভবত হারবাল ও হোমিওপ্যাথিতে যৌন রোগের সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে। হ্যাঁঅবশ্যই! বাস্তবে কথাটি সত্য। অন্যান্য সকল ধরনের রোগের পাশাপাশি যৌনরোগেরও সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে হোমিওপ্যাথিতে। আমাদের নিকট যৌন দুবর্লতার যত রোগী এযাবৎ পর্যন্ত এসেছেতাদের প্রত্যেকেই বলেছেন যেএলোপ্যাথিকবিরাজি বা হকার ডাক্তারদের চিকিৎসায় তারা কোন সত্যিকারভাবে উপকৃত হননি। যতদিন ঔষধ সেবন করেছেন ততদিনই ভাল থেকেছেন; ঔষধ খাওয়া বন্ধ করলেই অবস্থাযা তাই।

অন্যদিকে মহিলাদেরও যৌন দুরবলতা কম নয় এবং একজন মহিলারও যৌনকর্মে ‍অনীহা থাকতে পারে এবং হোমিওপ্যাথি পদ্ধতি অনুযায়ী চমৎকার চিকিৎসা রয়েছে। আবার নারী,পুরুষ অথবা নারী-পুরুষ উভয়েরই যৌনশক্তি মাত্রাতিরিক্ত হতে পারে এবং অনেকে সময়মতো বিয়ে করতে না পারার কারণে অথবা অকালে স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যু-তালাক-বিধবা হওয়া ইত্যাদী গুরুত্বপূর্ণ কারণে তাদের যৌন চাহিদা পূরণ করতে না পারেন এবং এই ধরণের সমস্যা নিয়ে তারা বিপদে পড়েন। এসব ক্ষেত্রে হোমিও ঔষধের মাধ্যমে অন্ততঃ কিছুদিনের জন্য হলেও যৌনশক্তি কমিয়ে রাখা যায় এবং এতে নারী বা পুরুষ কারোরই শরীরের বা যৌনশক্তির কোন ক্ষতির সম্ভাবনা নাই।

Origanum marjorana : হোমিওপ্যাথিতে ওরিগ্যানাম ঔষধটি পুরুষ এবং নারীদের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। তবে এটি নিম্নশক্তিতে খাওয়া শুরু করা উচিত ক্রমান্বয়েউচ্চশক্তিতে যাওয়া যেতে পারে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।

Moschus Moschiferus : যে সকল ধ্বজভঙ্গ রোগীর ডায়াবেটিস আছে এটি তাদের জন্য ভালো কাজ করে। ক্ষুদ্রাকৃতি পুরুষাঙ্গকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এই ঔষধটি সহায়তা করে।

Kali Bromatum : বিষন্নতা জনিত কারণে কেউ যদি যৌন দুর্বলতা অনুভব করেন তাহলে তার জন্য এটি প্রযোজ্য। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণগুলি হলো স্মরণশক্তির কমে যাওয়া, স্মায়বিক দুর্বলতাহাত দুটিকে সর্বদাই ব্যস্ত রাখামৃগীরোগ ইত্যাদি।

Staphisagria : স্টেফিসেগ্রিয়া পুরুষদের যৌন দুর্বলতা দূর করার ক্ষেত্রে একটি শ্রেষ্ট ও অব্যর্থঔষধ। বিশেষভাবে অতিরিক্ত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়ার কারণে বা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুনেরঅভ্যাস থাকার কারণে যাদের ধ্বজভঙ্গ হয়ে গিয়েছেতাদের ক্ষেত্রে এই ঔষধটি বেশী প্রযোজ্য। এটি Q, ৩০২০০ ইত্যাদি যে-কোন শক্তিতে খাওয়া যেতে পারেকিন্তু যত নিম্নশক্তি থেকেখাওয়া শুরু করা যায় তত উত্তম। প্রতিদিন পাঁচ ফোটা করে সকালে এবং সন্ধ্যাবেলা দুবার। বিয়ের প্রথম দিকে কিছুদি মেয়েদের প্রস্রাব বা যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত কোন সমস্যা হলে নিশ্চিন্তে স্টেফিসেগ্রিয়া নামক ঔষধটি সেবন করা যেতে পারে। কারণ স্টেফিসেগ্রিয়া একই সাথে যৌনাঙ্গ এবং আঘাতজনিত রোগে সমান কাযর্করী ভূমিকা পালন করে।

Salix nigra : স্যালিক্স নাইগ্রা হোমিওপ্যাথিতে একটি শ্রেষ্ট ঔষধের কাতারে আসে। যাদেরমাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্মহস্তমৈথুন করার অভ্যাস ছাড়াও স্বপ্নদোষ নিয়মিত ভাবে হয় তারা এই ঔষধ ব্যবহার করতে পারেন। উক্ত কারণসমূহে সৃষ্ট পুরুষদের যৌনকর্মে দুর্বলতা বা অক্ষমতাতৈরি হয়েছে এবং এসব কারণে যাদের ওজন কমে গিয়েছেএই ঔষধ যৌনদূর্বলতা সারানোর পাশাপাশি তদের ওজনও বাড়াতেও সহায়তা করবে।  আবার অবিবাহিত যুবক-যুবতী বা যাদের স্বামী-স্ত্রী দেশের বাইরে থাকেন অথবা ইহকাল ত্যাগ করেছেনএই ঔষধ তাদের মাত্রাতিরিক্তযৌন উত্তেজনা কমিয়ে দিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় জীবনযাপনে সাহায্য করবে।

Sabal serrulata : সেবাল সেরুলেটা পুরুষদের যৌনশক্তি বৃদ্ধি করার পাশাপাশি তাদেরহজমশক্তিঘুমশারীরিক শক্তিওজন ইত্যাদি কম থাকলে তাও বৃদ্ধি করে। এটি মহিলাদেরওযৌন উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলে এবং ক্ষুদ্রাকৃতির স্তনবিশিষ্ট মেয়েদের স্তনের আকৃতি পরিবর্তন করে বৃদ্ধি করে থাকে। বয়ষ্ক পুরুষদের প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধিজনিত যে-কোন ধরণের সমস্যা এবং ব্রঙ্কাইটিস নির্মূল করতে সহায়তা করে।

Lycopodium clavatum : লাইকোপোডিয়াম পুরুষাঙ্গ ধ্বজভঙ্গের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। যাদেরমাত্রাতিরিক্ত ধূমপানের অভ্যাসের কারণে ধ্বজভঙ্গ হয়েছে তারা এটি খেতে পারেন। লাইকোপোডিয়ামের প্রধান লক্ষণ হলো এদের পেটে প্রচুর গ্যাস তৈরি হয়এদের মাথার ব্রেন খুব ভালো কিন্তু স্বাস্থ্য খুব জীর্ণ শীর্ণএদের প্রস্রাব অথবা পাকস্থলী সংক্রান্ত কিছু না কিছু সমস্যা থাকবেইঅকালে বার্ধক্যসকাল বেলা বেশি দুর্বলতা ইত্যাদি।

Calcarea Carbonica : যৌনশক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ক্যালকেরিয়া কার্ব একটি উৎকৃষ্ট বা শ্রেষ্ঠ ঔষধ।যারা মোটা এবং থলথলে স্বাস্থ্যের অধিকারী তাদের বেলায় এই ঔষধটি ভালো কাজ করে।

Natrum carbonicum : পুরুষরা যে-সব নারীদেরকে আলিঙ্গন করলেই বীযর্পাত হয়ে যায়(সহবাস ছাড়াই) অর্থাৎ অল্পতেই তাদের আত্মতৃপ্তি হয়ে যায় এবং পরে আর কোন সঙ্গমে আগ্রহথাকে নাতাদের জন্য নেট্রাম কার্ব একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। এবং এই কারণে যদি তাদের কোনসন্তানাদি না হয় (অর্থাৎ বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়)তবে নেট্রাম কার্বে সেই বন্ধ্যাত্বও সেরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Caladium seguinum : যে সকল ব্যক্তিগণ যৌনমিলনে কোন ধরণের আনন্দ পান না বা যৌনমিলনের পর বীরয নির্গত হয় না এবং যাদের বীরয অতি দ্রুত নির্গত হয়ে যায় বা যারামাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন করার কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছেনতাদের জন্য এই ঔষধটি অনেককার্যকরী।

Agnus Castus : কিছু কিছু মানুষের গনোরিয়া রোগের পরে এই ধরনের যৌন দুর্বলতা দেখা দিলেএই ঔষধটি ভালো কাজ করে। পুরুষাঙ্গ আকারে ছোট এবং খুবই নরম হয়ে যায়পায়খানা এবং প্রস্রাবের আগে-পরে নিয়মিতভাবে আঠালো পদার্থ নির্গত হয়এবং ঘনঘন স্বপ্নদোষ হওয়ার অভ্যাস আছে তাদের জন্য এই ঐষধটি কার্যকর।

Nux Vomica : যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে নাক্স ভমিকা ঔষধটি একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ বিশেষত যারাশীতকালে কাতরযাদের পেটের যে কোন সমস্যা বেশী হয়সারাক্ষণ শুয়ে-বসে থাকতে ইচ্ছা করে, কায়িক পরিশ্রম কম করে এবং মানসিক পরিশ্রম বেশী করার অভ্যাস আছে ইত্যাদি। নিম্নশক্তিতে এই ঔষধটি ঘনঘন খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

Phosphoricum Acidum : সাধারণত টাইফয়েড জাতীয় মারাত্মক কোন রোগে ভোগার কারণে,স্বপ্নদোষমাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম ও হস্তমৈথুন ইত্যাদি কারণে যৌন ক্ষমতা কমে গিয়েছে অথবা যৌনক্ষমতা একেবারে নষ্ট হয়ে গিয়েছে (এবং সাথে অন্য যে-কোন ধরণের সমস্যা হউক নাকেন) এসিড ফস আপনাকে সব পুনরায় ফিরিয়ে দিবে।

Selenium : মাথার চুল পড়ে যাওয়াযৌনশক্তির দুর্বলতাঅতি দ্রুত বীর্য নির্গত হওয়াস্বপ্নদোষইত্যাদি সমস্যার কারণে সেলিনিয়াম একটি প্রথম শ্রেণীর ঔষধ। বিশেষত যাদের কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা প্রকট আকারে ধারন করেছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি উত্তম ঔষধ হিসেবে কাজ করে।

বি:দ্র: আপনি যদি ব্যক্তিগতভাবে ডাক্তার না হয়ে ঔষধ নির্বাচন করে থাকেন তাহলে অন্ততঃ কোন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ঔষধ ব্যবহার করলে শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে না।

পুরুষ লিঙ্গের সমস্যা ও ঘরোয়া সমাধান

    Male sex and domestic solution to the problem

এই বর্তমান যুগে বেশীর ভাগ পুরুষের মধ্যে একটা সমস্যা বেশ প্রকট হয়ে উঠছে, দিন যত যাচ্ছে পুরুষের মধ্যে নপুংসকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষের যৌণ ইচ্ছা ক্রমশঃ কমে যাচ্ছে, কাজে আপনার যৌন চাহিদা কমে যাওয়ার আগে থেকে আপনি সচেতন হয়ে যান। জেনে নিন কেন আপনার মধ্যে থেকে এই চাহিদা ক্রমঃ ক্ষয়মান। এই কারণে ডাক্তারের কাছে যেতে কুন্ঠিত বোধ করছেন? তবে চিন্তা করবেন না কারণ এর চিকিত্সা আপনি এখন আপনার বাড়িতেও করতে পারেন। আর আপনি একবার এই সমস্যার সন্মুখীন হলে পরবর্তী সম্পূর্ণ জীবন আপনাকে এভাবে কাটাতে হবে এমন কোন আশঙ্কাতে আপনি থাকবেন না।
হোম রেমেডি পুরুষের এই সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে এসেছে। তারা যাতে আবার তাদের পূর্ণ যৌন ইচ্ছা ফিরে পায় তার উপায় বার করেছে হোম রেমেডি, যাদের মধ্যে এই অসুবিধা সবে মাত্র দেখা দিয়েছে তাদের ক্ষত্রে হোম রেমেডি কার্যকরী হতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হোম রেমেডি দ্বারা চিকিত্সা করা যায় কিন্তু সব ক্ষেত্রে হোম রেমেডি প্রযোজ্য নয়, এবার আসুন জানা যাক যৌন অক্ষমতার প্রথম ধাপের চিকিত্সাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য কি কি সামগ্র্রী কাজে লাগতে পারে কিংবা তা ব্যবহারে কি উপকার সাধিত হয়

রসুন

যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে। রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়। কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং immune booster হিসাবে কাজ করে আর এটি অতি সহজলভ্য সব্জী যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়ত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে থকি। আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুব কার্যকরী, কোন রোগের কারণে কিংবা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে, এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় কিংবা তা মাত্রা অতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে  রসুন খুব কার্যকরী। 
প্রতিদিন দুই থেকে তিনটি রসুনের কোয়া কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খাবেন, এতে আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে এছাড়া গমের তৈরি রুটির সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা আপনার শরীরে স্পার্ম উত্পাদনের মাত্রা বাড়ায় এবং সুস্থ স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করে।

পেঁয়াজ

কাম উত্তেজক ও কামনা বৃদ্ধিকারী হিসাবে পেঁয়াজ বহুদিন থেকে ব্যবহূত হয়ে আসছে। কিন্তু এটি কিভাবে এই বিষয়ে কার্যকরীতা এখনও পর্যন্ত সঠিক ভাবে জানা যায়নি, সাদা পেঁয়াজ পিষে নিয়ে তাকে মাখনের মধ্যে ভালো করে ভেঁজে নিয়ে প্রতিদিন মধুর সঙ্গে খেলে তা থেকে উপকার পাওয়া যায়। কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন এটি খাওয়ার আগে ঘণ্টা দুয়েক সময় আপনার পেট খালি রাখবেন, এভাবে প্রতিদিন খেলে স্খলন, শীঘ্রপতন বা ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন (যাকে এক কথায় spermatorrhea বলা হয়) ইত্যাদি সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব৷। এছাড়া পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কালো খোসা সমেত বিউলির ডালের গুঁড়ো সাত দিন পর্যন্ত ভিজিয়ে রেখে তাকে শুকিয়ে নিন। এটি নিয়মিত ব্যবহারে আপনার কাম উত্তেজনা বজায় রাখবে এবং শারীরিক মিলন কালীন সুদৃঢ়তা বজায় রাখবে৷

গাজর 

১৫০ গ্রাম গাজর কুঁচি এক টেবিল চামচ মধু এবং হাফ-বয়েল ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে দুই মাস খেলে আপনার শারীরিক এই অক্ষমতা কম হতে পারে। কাজেই এখন আর দুরচিন্তা করবেন না। সমস্যার একেবারে প্রথম ধাপে আপনি বাড়িতে এই পদ্ধতি গুলি মেনে চলে দেখুন হয়ত প্রাথমিক ধাপে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে।