Female লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Female লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মেয়েদের মাসিক সম্পর্কে যে কথাগুলো জেনে রাখা দরকার !

মেয়েদের মাসিক -০৫

পিরিয়ড অর্থাৎ মেয়েদের মাসিক ঋতুচক্র (Menstruation) মেয়েদের জীবনের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ । আগে ধারণা করা হতো মেয়েদের মাসিক অনেক অপবিত্র একটি বিষয়। কিন্তু বর্তমানে সবার দৃষ্টিভঙ্গি অনেক বদলেছে। কোনো নারীর নিয়মিত মাসিক হওয়ার মানে হলো তিনি স্বাভাবিকভাবে সন্তান ধারণ করতে সক্ষম। কিন্তু আজও মেয়েদের মাসিক চক্রটি সম্পর্কে অনেকেই অনেক কিছু জানেন না। এবং না জানার কারণে মাসিক বা পিরিয়ড সংক্রান্ত নানা সমস্যায় ভুগে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন অনেক নারীই। তাই উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপিকা ডঃ হালিমা বেগমের কাছ থেকে মেয়েদের মাসিক সম্পর্কে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সম্পর্কে কিছু জরুরী তথ্য আজ জেনে নিন ।
১। মেয়েদের মাসিকের সঠিক সময়
সাধারণত ১১ থেকে ১৪ বছর বয়সের মধ্যে বেশীরভাগ মেয়েদের মাসিক প্রক্রিয়াটি শুরু হয়ে যায় এবং ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত চলতে পারে। তবে ১৫ বয়সের পরও যদি নিয়মিত পিরিয়ড শুরু না হয় তবে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। পিরিয়ড সাধারণত ২৮ দিন থেকে শুরু করে ৩০/৩৫ বা ৪০ দিন পরপর পর্যন্ত হতে পারে। তবে ২৮ থেকে ৩০ দিন পরপর হওয়া ভালো লক্ষণ। পিরিয়ড যদি অনিয়মিত হয় অর্থাৎ কোনো মাস বাদ চলে যায় এবং ১০-২০ দিন পর পর হতে থাকে তাহলে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
২) মাসিকের ব্যপ্তিকাল
বয়স ভেদে এবং শারীরিক গঠনের নানা বিষয়াদি বিবেচনায় ৩ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে পিরিয়ডের সময়কাল। তবে এক্ষেত্রে প্রতি মাসেই যে একই সময়ব্যাপী চলবে তা নাও হতে পারে। আবার খুব বেশি তারতম্য হলেও অবহেলা করা উচিত নয়। যদি খুব দ্রুত অর্থাৎ ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে পিরিয়ড শুরু হয়ে যায় তাহলে তা দেহে ফাইবারয়েড, হিমোগ্লোবিনের অভাব বা আয়রনের অভাবের লক্ষণ প্রকাশ করে থাকে।
৩) মাসিকের সাথে দেহের ফ্যাটের সম্পর্ক
যদি বডি ম্যাস ইনডেক্স অনুযায়ী আপনার দেহের ফ্যাট লেভেল অনেক বেশী কমে যায় তাহলে আপনার পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাবে। আপনি যদি একেবারেই ফ্যাট মুক্ত খাবার খাওয়া শুরু করেন তখন আপনার দেহের মেদ ভাঙতে শুরু করবে দেহের মেটাবোলিক কাজের জন্য এবং এতে করে ধীরে ধীরে ফ্যাট লেভেল কমতে থাকে। যখন তা কমে ৮-১২% এর নিচে নেমে আসে তখন মাসিক বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়াও অতিরিক্ত মোটা হয়ে গেলে দেহের হরমোনের তারতম্যের কারণেও মেয়েদের মাসিক বন্ধ হয়ে যায় এবং অনিয়মিত পিরিয়ড শুরু হয়।
৪) মেয়েদের মাসিকের সময় ব্যথা
মেয়েদের মাসিক শুরুর সময় ফ্লো বেশী থাকে যার কারণে অনেক সময় নার্ভে চাপ পড়ে থাকে এবং পিঠের দিকে ও পায়ে ব্যথা অনুভব হয়। যদি অতিরিক্ত ব্যথা এবং সেই সাথে খুব বেশী অস্বস্তি অনুভব হতে থাকে তাহলে তা হরমোনের তারতম্যের কারণে হয়ে থাকে। তবে যদি কখনোই পিরিয়ডের সময় ব্যথা না হয়ে হুট করে ব্যথা শুরু হয় তাহলে তা অবশ্যই অবহেলার নয়। এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহন করা উচিত।
মেয়েদের মাসিক, নারীদের মাসিক, মহিরাদের মাসিক, মাসিকের সময়, মাসিক হয়, মাসিকের সময়, মাসিক হলে ব্যাথা, মাসিকের সময় তলপেটে ব্যাথা, মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, মাসিকের চিকিৎসা, মাসিকের ওসুধ, মাসিকের, পিরিয়ড সমস্যা, পিরিয়ডের চিকিৎসা, পিরিয়ডের ওষুধ, পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ,নারীদের পিরিয়ড, মেয়েদের পিরিয়ড, মহিলাদের পিরিয়ড,মহিলাদের ঋতুচক্র, নারীদের ঋতুচক্র, মেয়েদের ঋতুচক্র,মেয়েদের ঋতুস্রাব, নারীদের ঋতুস্রাব,মহিরাদের ঋতুস্রাব, অতিরিক্ত সাদাস্রাবের কারন, সাদাস্রাব,নারদের সাদাস্রাব, মহিলাদের সাদাস্রাব, মেয়েদের সাদাস্রাব, সাদাস্রাবের কারণ, period, period problem,period somossa, mashik hola ke korbo, mashik somossa, meyader mashik, meyeder period

মেয়েদের মাসিক বা ঋতুচক্র কেন হয়?

মেয়েদের মাসিক-০৪
প্রতি চন্দ্রমাস পরপর হরমোনের প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত অংশ যোনিপথে বের হয়ে আসে তাকেই মেয়েদের মাসিক বা ঋতুচক্র বলে।

মেয়েদের মাসিক এর তিনটি অংশ, ১মটি চারদিন স্থায়ী হয় (৪-৭ দিন) এবং একে মিনস্ট্রাল ফেজ, ২য়টি ১০দিন (৮-১০ দিন) একে প্রলিফারেটিভ ফেজ এবং ৩য়টি ১৪ দিন (১০-১৪ দিন) স্থায়ী হয় একে সেক্রেটরি ফেজ বলা হয়।

মিনস্ট্রাল ফেজ এই যোনি পথে রক্ত বের হয়। ৪-৭ দিন স্থায়ী এই রক্তপাতে ভেঙ্গে যাওয়া রক্তকনিকা ছাড়াও এর সাথে শ্বেত কনিকা, জরায়ুমুখের মিউকাস, জরায়ুর নিঃসৃত আবরনি, ব্যাকটেরিয়া, প্লাজমিন, প্রস্টাগ্লানডিন এবং অনিষিক্ত ডিম্বানু থেকে থাকে। ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোনের যৌথ ক্রিয়ার মেয়েদের মাসিক এর এই পর্বটি ঘটে।

প্রলিফারেটিভ ফেজ ৮-১০ দিন স্থায়ী হতে পারে। শুধু ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাবে এটি হয়। এই সময় জরায়ু নিষিক্ত ডিম্বানুকে গ্রহন করার জন্য প্রস্ততি নেয়।

মেয়েদের মাসিক এর সেক্রেটরি ফেজ টা সবচেয়ে দীর্ঘ, প্রায় ১০ থেকে ১৪ দিন। একে প্রজেস্টেরন বা লুটিয়াল ফেজ ও বলা হয়। এটিও ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন উভয় হরমোনের যৌথ কারনে হয়। এই সময় নিষিক্ত ডিম্বানুর বৃদ্ধির জন্য জরায়ু সর্বোচ্চ প্রস্ততি নিয়ে থাকে।

ডিম্বাশয়ের কোনো ডিম্বানু শুক্রানু দ্বারা নিষিক্ত না হলে জরায়ু আবার মিনস্ট্রাল ফেজে চলে যায়। এভাবেই পূর্ন বয়স্ক মেয়েদের মাসিক বা ঋতুচক্র চলতে থাকে।
আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটে কোন প্রকার অশ্লীল আর্টিকেল দেওয়া হয় না। মূলত যৌন জীবনকে সুস্থ্য, সুন্দর ও সুখময় করে তোলার জন্য জানা অজানা অনেক কিছু তুলে ধরা হয়।এরপরও আপনাদের কোর প্রকার অভিযোগ থাকলে Contact Us মেনুতে আপনার অভিযোগ জানাতে পারেন, আমরা আপনাদের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করব। ধণ্যবাদ আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটের সাথে থাকার জন্য।

মেয়েদের মাসিক, নারীদের মাসিক, মহিরাদের মাসিক, মাসিকের সময়, মাসিক হয়, মাসিকের সময়, মাসিক হলে ব্যাথা, মাসিকের সময় তলপেটে ব্যাথা, মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, মাসিকের চিকিৎসা, মাসিকের ওসুধ, মাসিকের, পিরিয়ড সমস্যা, পিরিয়ডের চিকিৎসা, পিরিয়ডের ওষুধ, পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ,নারীদের পিরিয়ড, মেয়েদের পিরিয়ড, মহিলাদের পিরিয়ড,মহিলাদের ঋতুচক্র, নারীদের ঋতুচক্র, মেয়েদের ঋতুচক্র,মেয়েদের ঋতুস্রাব, নারীদের ঋতুস্রাব,মহিরাদের ঋতুস্রাব, অতিরিক্ত সাদাস্রাবের কারন, সাদাস্রাব,নারদের সাদাস্রাব, মহিলাদের সাদাস্রাব, মেয়েদের সাদাস্রাব, সাদাস্রাবের কারণ, period, period problem,period somossa, mashik hola ke korbo, mashik somossa, meyader mashik, meyeder period

মেয়েদের মাসিক/ঋতুস্রাব চক্র:

মেয়েদের মাসিক-০৩

সাধারণতঃ ১০-১২বছর বয়সে মাসিক শুরু হয় এবং ৪৯ বছরের পর স্বাভাবিক নিয়মেই তা বন্ধ হয়ে যায় । তবে কারো কারো ক্ষেত্রে এর আগে বা পরেও হতে পারে । গড়ে প্রতি ২৮দিন পর পর মেয়েদের যোনিপথ দিয়ে যে রক্তস্রাব হয় তাকে মাসিক বা ঋতুস্রাব চক্র বলে ।মাসিক সাধারণত ৪-৫দিন থাকে (তবে কারো কারো ক্ষেত্রে এর স্থায়িত্ব কম-বেশি হতে পারে) এবং মাসিক হওয়ার দিন থেকেই মাসিক চক্র শুরু হয় । মাসিক মেয়েদের দেহের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ।
কেন মাসিক হয় :
মস্তিকে পিটুইটারী গ্লান্ডে তৈরি হরমোন নামক এক প্রকার জৈব রাসায়নিক পদার্থ নালীহীন গ্রন্থি থেকে রক্তে মিশে ক্রিয়া করে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের পরিবর্তন ঘটায় । মেয়েদের ক্ষেত্রে এমট্রেজেন ও প্রজেসস্ট্রেজন হরমোনের প্রভাবে প্রতিমাসে একটি ডিম্ব পরিপক্ক হয় । ডিম্ব ফ্যালোপিয়ান টিউব দিয়ে জরায়ুর দিকে যেতে থাকে, এসময় পুরুষের সাথে যৌন মিলন না হলে ডিম্ব ফেঁটে যায় এবং জরায়ুর গায়ে জমা রক্তসহ বেরিয়ে আসাকে মাসিক বলে । মাসিক শুরু হলে একজন মেয়ের সন্তান ধারনের ক্ষমতা হয় ।
মাসিক নিয়ে কিছু ভুল ধারণা আছে যা সঠিক নয়
ভুল ধারণা সঠিক ধারণা
মাসিক লজ্জার বিষয় মাসিক লজ্জার বিষয় নয়
মাসিক সব মেয়েরই হয় ।
মাসিকের রক্ত দূষিত হয় মাসিকের রক্ত কোন প্রকার দূষিত
রক্ত নয়, হরমোনের প্রভাবে
প্রতিমাসে জরায়ুতে এই রক্ত তৈরী হয়
এবং স্বাভাবিক নিয়মে বের হয়ে যায় ।
মাসিকের সময় টক বা মাছ খাওয়া যায় না এ সময় শরীর থেকে প্রচুর
রক্ত বের হয়ে যা তাই এসময়
বেশি বেশি খাবার খেতে হয়।শরীরের
ক্ষয় পূরণ হয় এমন খাবার যেমন
মাছ,মাংস,ডিম,দুধ,ডাল,শাক-সবজি ও ফলমূল
ইত্যাদি বেশি করে খেতে হয় ।
মাসিক চলাকালে সব ধরণের কাজ করা যায় না সব ধরণের কাজ করা যায়
মাসিকের সময় কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয় :
১. মাসিক শুরু হলে ভয় না পেয়ে প্রথমে পরিবারের মা, ভাবি বা বড় বোনকে জানাতে হবে ।
২. পরিষ্কার ও শুকনো কাপড়/প্যাড ব্যবহার করতে হবে । কাপড়/প্যাড ভিজে গেলেই বদলাতে হবে । বদলানোর পর অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে ।
৩. বদলানো কাপড় যদি কেউ পুনরায় ব্যবহার করতে চায় তাহলে কাপড় সাবান দিয়ে ধুয়ে কড়া রোদে শুকাতে হবে ।তাহলে রোগ জীবানু ভালভাবে ধ্বংস হয় ।
৪. মাসিকের সময় পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে ।
৫. মাসিকের সময় প্রতিদিন গোসল করতে হবে ।
মেয়েদের ঋতুস্রাব
মেয়েদের ঋতুস্রাব যখন আগে হয়ঃ নয় দশ বছর বয়সে ঋতুমতী হওয়া বা তারও আগে শরীরের যৌবনের লক্ষণগুলো দেখা দেয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সুতরাং অহেতুক চিন্তার কোন কারণ নেই । পরিবারের বয়স্করা তাকে এ সময় আশ্বস্ত করবে যে এটা কোন রোগ নয় বরং প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম । হাজারো মাত্র দুই জনের ক্ষেত্রে খুব কম বয়সে ঋতুস্রাব হতে পারে শারীরিক রোগের জন্য । জন্মগত ক্রটি মেনিনজাইটিস বা মস্তিষ্কের অন্য কোনও রোগ, পিটুইটারি বা ডিম্বাশয়ের কিছু টিউমার হলে এরকম হতে পারে । ঋতুস্রাবের সঙ্গে সঙ্গে রোগটার অন্য উপর্সগগুলোও দেখা দেয় । উপর্সগগুলোও দেখা দিলে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরার্মশ নেয়া জরুরী ।
মেয়েদের ঋতুস্রাব যখন দেরিতে হয়ঃ অনেক সময় মেয়েদের ঋতুস্রাব ১৫/১৬ বছর বয়সে হয় না । হয়তো তার শরীরে যৌবনের অন্য লক্ষণগুলো আসে দেরি করে । যেসব মেয়েদের ঋতুস্রাব ১৫/১৬ বছর বয়সে হয় না, বমেন মেয়েদের শতকরা ৯৯ জনই ১৮ বছর বয়সের ভেতর ঋতুমতী হয় । পরবর্তী জীবনে স্বাভাবিক সন্তান জন্ম দেন । ১৮ বছর বয়স পেরিয়ে গেলে ঋতুস্রাব না হলে দেখতে হবে শরীরে অন্যান্য রোগের উপসর্গ রয়েছে কিনা । এরকম হলে বিশেষজ্ঞের পরার্মশ নিতে হবে । তবে চিন্তার কোন কারন নেই, হয়তো কোন হরমোন সংক্রান্ত জটিলতায় এমনটি ঘটেছে । সাধারণ মাত্রার ওষুধ খেলেই এটা ঠিক হয়ে যাবে । তবে অপেক্ষা করবেন শেষ সময় পর্যন্ত ।
ঋতুস্রাব অসহনীয় ব্যথাঃ এটি অনেকের হয়ে থাকে । তবে ব্যথা অসহনীয় হলে ‘RENOVA’ (Paracitamol BP 500mg) খাওয়া যেতে পারে ।
অনিয়মিত ঋতুস্রাবঃ
• ঋতুস্রাব ২৮-৩০ দিনের বদলে ২ থেকে ৩ মাস বাদে বাদে স্রাব হলে ।
• কখনও একটানা ৫ থেকে ৬মাস ঋতুস্রাব বন্ধ থাকলে ।
• কিছু ক্ষেত্রে কখনও ১০ থেকে ১৫ দিন বাদে, কখনও ২ থেকে ৩ মাস বাদে স্রাব হচ্ছে – এই ধরনের চুড়ান্ত অনিয়ম দেখা যায় ।
অনিয়মিত ঋতুস্রাব কারনঃ অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক চাপ, অতিরিক্ত ভাবনা চিন্তা থেকে হতে পারে ।
অনিয়মিত ঋতুস্রাবে করণীয়ঃ অনিয়ম চুড়ান্ত পর্যায় হলে স্ত্রী বিশেষজ্ঞ পরার্মশ নিতে হবে
ঋতুস্রাব যখন খুব বেশি
যৌবনের শুরুতে এটাও অনেক মেয়েদের সাধারণ একটা সমস্যা । মাসিক ৪ থেকে ৫ দিনের বদলে ৭/৮ বা ১৪/১৫ দিন পর্যন্ত হতে পারে । কখনও বা ৪/৬ দিনই স্রাব হয়, পরিমানে খুব বেশি হচ্ছে কিনা তা বুঝতে হলে নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য করুন ।
• ২৪ ঘন্টায় ৪/৫টার বেশি ‘ন্যাপকিন’ বা ন্যাকড়া (গ্রামাঞ্চলের মেয়েরা যা ব্যবহার করে) পুরোপুরি ভিজে গেলে পরবর্তী সেগুলো বদল করার জরুরী প্রয়োজন হলে ঋতুস্রাব বেশি হচ্ছে বলে বুঝতে হবে ।
• ঋতুস্রাব একটানা ৭/৮ দিনের বেশি চলতে থাকলে ।
• স্রাবের সঙ্গে রক্তের ছোট বড় চাকা বা ডেলা বের হতে থাকলে । ফাইব্রিনোলাইসিন নামের তঞ্চনরোধী পর্দাথের উপস্থিতির জন্য ঋতুস্রাবের রক্ত তরল থাকে, জমাট বাধে না । রক্তস্রাবের পরিমান খুব বেশি হলে এই তঞ্চনরোধক পুরো রক্তটাকে তরল রাখতে পারে না । কিছুটা রক্ত জমাট বেঁধে স্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে ।
শতকরা ৯০ জনের ক্ষেত্রে এটা কোন কোন রোগের জন্য হয় না । কিছু হরমোনের অনিয়মিত নিঃসরনের এর জন্য দায়ী । শতকরা দশের জনের ক্ষেত্রে এরকম হতে পারে কোন রোগের কারনে । বিশেষ করে যক্ষা, লিউকোমিয়া বা রক্ততঞ্চন ধরনের বিশেষ কোন রোগের কারনে । এই সময় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরার্মশ নেয়া প্রয়োজন । ডাক্তারের পরামর্শে রক্ত পরীক্ষাসহ অন্যান্য পরীক্ষা করার পর কোন রোগ ধরা না পড়ে । তবে বিষয়টিকে হরমোনঘটিত বলে ধরে নেয়া হয় । এই সমস্যাটিকে ‘puberty Menorrhagia’ বলা হয় । এই সময় পরিবারের মা, বড় বোন বা পরিবারের অন্যান্য বয়স্কা আত্নীয়দের আক্রান্ত মেয়েটিকে বারবার বোঝাতে হবে, ওর তেমন কিছু হয়নি এরকম অনেকেরই হয় ।
ঋতুস্রাব যখন একেবারেই কম হয়
সাধারণত এ্যানেমিয়া বা রক্তস্বল্পতা হলে মাসিকের পরিমান কমে যেতে পারে । অর্থাৎ ১/২দিন স্রাব থাকলে । তবে সবার ক্ষেত্রে তা ঠিক নয় । চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন, বিশেষ করে কর্মরত বা শহরাঞ্চলের মেয়েদের ঋতুস্রাব কমেছে, এটা অস্বাভাবিক নয় ।
সাধারণত ঋতুস্রাবের পরিমাণ বা সময় কমে গেলে ‘মাসিক পরিষ্কার হয় না’- এই রকম ধারণা রয়েছে অনেকের । এই রক্ত শরীরের রয়ে গেলে শরীরের ব্যাপক ক্ষতি হয় । এগুলো ভুল ধারনা । মাসিকের সময় যে রক্তস্রাব হয়, তা শরীরের সাধারণ রক্ত । হাত কেটে গেলে বা মাথা ফেটে গেলে রক্তবাহী নালিকা ছিঁড়ে যে রক্ত বের হয়-মাসিকের রক্ত অনেকটা সেরকম । জরায়ুর শে-ষ্মাঝিলি-বা এন্ড্রোমেট্রিয়াম-এর ভেতরকার রক্তবাহী নালিকাগুলো ছিঁড়ে রক্তস্রাব হয় এই কয়দিন । এর শরীরের কোনও দূষিত পদার্থ বাইরে বের হয়ে আসে না ।
ঋতু কালে সর্তকর্তা
১. ঋতুর কয়েকটি দিন অন্তত প্রথম তিনটি দিন কঠিন পরিশ্রমের কাজ থেকে বিশ্রাম নেয়াই উচিত ।
২. এই সময় বেশি শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম করা উচিত নয় ।
৩. ঠান্ডা লাগানো, বৃষ্টির পানিতে ভেজা ঠিক নয় । বেপরোয়া লাফালাফি করা মোটেই উচিত নয় ।
৪. জীবাণুমুক্ত তোয়ালে বা তুলো ব্যবহার করতে হবে । তা না হলে পরিষ্কার কাপড় ফুটন্ত পানিতে সিদ্ধ করে শুকিয়ে ব্যবহার করতে হবে ।
৫. খুব বেশিক্ষণ এক কাপড় বা প্যাড যোনিমুখে লাগিয়ে রাখা স্বাস্হ্যসম্মত নয় । তাই মাঝে মাঝেই সেটি বদলাতে হবে ।
৬. মূত্রত্যাগের সময় অবশ্যই যৌনাঙ্গ এবং তার চারপাশে ডেটল মেশানো পানি দিয়ে ধুতে হবে । মনে রাখতে হবে এইসময় যৌনাঙ্গ বিভিন্ন রোগ সংক্রমণের উপযুক্ত সময় ।
মেনোপেজ বা রজনীবৃওি বা ঋতুস্রাব বন্ধ
কোন মহিলার জবিনে একটা বয়সে ঋতুস্রাব চিরদিনের জন্য বন্ধ হয়ে যায় । এই অবস্থার নাম রজনীবৃত্তি বা মেনোপেজ । সাধারনত ৪৫-৪৭ বছর বয়সে এরকম হয় । তবে কারো ৪০-এ বন্ধ হয়, আবার কারো বা ৫২-৫৩ বছর বয়স পর্যন্ত বন্ধ হয় না । মেনোপেজ – কথাটি আরেক অর্থ হলো জীবনের পরিবর্তন । মেনোপেজের ২-৫ বছর আগে বা ২/৩ বছর পর পর্যন্ত এই পরিবর্তনের জন্য শরীর – মনের নানা সমস্যায় ভুগতে পারেন ।
ক) যৌবন শেষ হবার বছরগুলোতে বেশিরভাগ মহিলা যে উপসর্গে কষ্ট পান, তা হল “হট -ফ্ল্যাশ” । এতে কান, মাথা জুড়ে হঠাৎ করে খুব গরম লাগতে থাকে । মাথা কিংবা কান থেকে যেন আগুনের হালকা বের হতে থাকে । সেই সাথে সারা শরীর জুড়ে ঘাম দেখা দিতে পারে । কেউ কেউ এই উপসর্গ এত কষ্ট পান যে রাতে ভালো করে ঘুমাতে পারেন না ।
খ) বুক ধড় পড় করা, কোষ্ঠকাঠিন্য, হজমের গোলমাল, পেটভার, বুকে অল্প অল্প ব্যথা -এই উপসর্গ দেখা দেয় ।
গ) অল্প অল্প পরিশ্রমে বেশি ক্লান্তি, শরীরের চামড়ার টান টান ভাব চলে গিয়ে চামড়ার রুক্ষতা, ভাজঁ পড়া, বেশি চুল পড়তে থাকা, শরীরের মেদ বেড়ে ওজন বেড়ে যাবার কষ্ট – এগুলো এসময়কার সাধারণ সমস্যা ।
ঘ) ৪০ – পর থেকে অনেক মহিলারা গেটেঁ বাত, চলাফেরায় পায়ের গোড়ালি ব্যথা, কোমর – পিঠে ব্যথা – এসব কষ্ট পান ।
রজঃনিবৃওির পর শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে ইস্ট্রোজেন হরমোনের অভাবের ছাপ পড়ে । যেমন:
হৃদরোগ : ইস্ট্রোজেন কমে যাওয়ার ফলে পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার পর হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায় ।
অস্থি ভঙ্গুরতা : মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার পর প্রথম কয়েক বছর অতি দ্রুত অস্থির ঘনত্ব কমে যায় যা অস্থিক্ষয় নামে পরিচিত । এর ফলে হাড় নরম এবং ভঙ্গুর হয়ে পড়ে । সাধারণত মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার পর মেয়েদের নিতম্ব, কবজি, শিরদাঁড়া ইত্যাদি হাড় ভাঙ্গার প্রবণতা অনেকগুণ বেড়ে যায় ।
মূএ ধারণে সমস্যা : মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার পর মূএনালী এবং যৌনাঙ্গের আবরণ এবং ইলাস্টিক কলা অনেক দুর্বল হয়ে যায় । ফলে মূএথলিতে মূএ ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায় । হাসি – কাশি কিংবা ভারী জিনিসপএ ওঠানো নামানো করতে গেলেই অনেকের মূএ নিঃসরণ হয়ে যায় ।
স্থুলকায় : মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার সময় অনেক মহিলার ওজন বেড়ে যায় ।
সুতরাং মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার সঙ্গে হৃদরোগ, হাড়ের সমস্যা ইত্যাদি জটিলতা রয়েছে কিনা তা শনাক্ত করার জন্য কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার প্রয়োজন হতে পারে ।
এই সমস্যাগুলো সবার ক্ষেত্রে আসবে তবে একে পাশ কাটানোর চেষ্টা করতে হবে ।
ক) মানসিক বিনোদনে সময় বাড়ান । গান – বাজনা, সেলাই, বাগান করা, পড়াশোনা, চাকরি – যে কাজে আনন্দ খুজেঁ পান, তাতেই নিয়ম করে সময় দেন ।
খ) এসময় ঔষধ খাবারের অভ্যাস তৈরি হয় সহজেই । সুতরাং সর্তক থাকুন ।
গ) পুষ্টিকর খাবার খান । নিয়মিত ডাক্তারের ভিজিট করুন ।
ঘ) অস্বাভাবিক কোন স্ত্রীরোগ উপসর্গ দেখা দিলে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেন ।
ঙ) স্ত্রী বা মায়ের ভুমিকা থেকে নানী, দাদির ভূমিকা কম গুরুত্বপূর্ন নয় । তাই নতুন সর্ম্পক গুলোতে সময় দেন, সময় সুন্দর কেটে যাবে ।
চ) এই সময় নানা সামাজিক কাজকর্মে, বা গঠনমূলক কাজে জড়িত হওয়া যেতে পারে । আজকাল নানা বিনোদনমূলক ক্লাব গড়ে ওঠেছে এগুলোতে যোগ দেওয়া যেতে পারে ।
মেনোপেজের আগে – পরে নানা সমস্যা
১) একটানা বেশ কিছুদিন রক্তস্রাব হতে থাকা ।
২) একটানা ছয়মাস বন্ধ থাকার পর আবার রক্তস্রাব দেখা দেয় ।
৩) প্রত্যেক মাসে বা অনিয়মিতভাবে খুব বেশি স্রাব হতে থাকা ।
৪) দুটো স্বাভাবিক পিরিয়ড এর মাঝে রক্তস্রাব হয় ।
৫) সহবাসের পর রক্তস্রাব হয় ।
৬) মেনোপেজ হয়ে যাবার পর হঠাৎ খুব বেশি সাদা স্রাব ।
উপরোক্ত সমস্যাগুলোতে ডাক্তারে পরামর্শ অনুযায়ী সাইটোলজি ডায়াগনস্টিক কিউরেটাজ বা বায়োপসির মত পরীক্ষা করাতে দেরি করবেন না । গোড়াতে ধরা পড়লে জরায়ুর মুখে ক্যানসার বা জরায়ুর ক্যানসার বেশি ছড়িয়ে পড়ার আগে অস্ত্রোপচারে ভালো কাজ হয় । রোগটা অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে না ।
ঋতুকালীন মিলন
ঋতু চলাকালীন সময়ে যৌনমিলন করলে নিচের সমস্যা দেখা দিতে পারে ।
১) ঋতুকালে জরায়ু ও যোনির অম্লভাব থাকে না – তাই এটি রোগজীবানু দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে ।
২) জরায়ুতে ব্যথা লাগতে পারে । অনেক সময় যোনিতে প্রবিষ্ট উত্তেজিত লিঙ্গের পুনঃ পুনঃ ধাক্কায় ভেতরের ইউটেরাসের মুখ ঘুরে যেতে পারে । এতে করে পরবর্তী মারাত্মক কুফল নেমে আসে মেয়েটির জীবনে ।
৩) মিলন পরবর্তী মুহূর্তে জরায়ুতে প্রচন্ড ব্যথা অনুভূত হতে পারে । সেই সাথে তলপেটে চিনচিনে ব্যথা অনুভূত হতে পারে । অনেক সময় দেখা গেছে ঋতুকালীন অবস্থায় যৌনমিলনের প্রায় সাত থেকে আট ঘন্টা পর প্রচন্ড পেট ব্যথায় নারী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে ।
৪) রক্তপাত বেশি হতে পারে ।
৫) দেহ অপবিত্র লাগে । মানসিক অরুচি সৃষ্টি হতে পারে ।
৬) সঙ্গী পুরুষের লিঙ্গে রক্ত লেগে যৌনমিলনের প্রতি তার বিতৃষ্ণা জন্মাতে পারে ।
৭) পুরুষের লিঙ্গে কোন অসুখ থাকলে এইসময় তা অতিদ্রুত নারীর যোনিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং নারীর যোনি এই সময় অতি সহজে আক্রান্ত হতে পারে ।
৮) শুধু পুরুষ লিঙ্গই নয় । নারীদেহে যদি কোন সংক্রামক রোগ থাকে – তাহলে এইসময় সেটা অতিদ্রুত পুরুষদেহে সংক্রামিত হতে পারে ।
................................................................................................................................................
মেয়েদের মাসিক, নারীদের মাসিক, মহিরাদের মাসিক, মাসিকের সময়, মাসিক হয়, মাসিকের সময়, মাসিক হলে ব্যাথা, মাসিকের সময় তলপেটে ব্যাথা, মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, মাসিকের চিকিৎসা, মাসিকের ওসুধ, মাসিকের, পিরিয়ড সমস্যা, পিরিয়ডের চিকিৎসা, পিরিয়ডের ওষুধ, পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ,নারীদের পিরিয়ড, মেয়েদের পিরিয়ড, মহিলাদের পিরিয়ড,মহিলাদের ঋতুচক্র, নারীদের ঋতুচক্র, মেয়েদের ঋতুচক্র,মেয়েদের ঋতুস্রাব, নারীদের ঋতুস্রাব,মহিরাদের ঋতুস্রাব, অতিরিক্ত সাদাস্রাবের কারন, সাদাস্রাব,নারদের সাদাস্রাব, মহিলাদের সাদাস্রাব, মেয়েদের সাদাস্রাব, সাদাস্রাবের কারণ, period, period problem,period somossa, mashik hola ke korbo, mashik somossa, meyader mashik, meyeder period
..........................................................................................................................................

মেয়েদের মাসিক কেন হয়?

মেয়েদের মাসিক-০২

প্রতি চন্দ্রমাস পরপর হরমোনের প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত অংশ যোনিপথে বের হয়ে আসে তাকেই ঋতুচক্র বলে।
এর তিনটি অংশ, ১মটি চারদিন স্থায়ী হয় (৪-৭ দিন) এবং একে মিনস্ট্রাল ফেজ, ২য়টি ১০দিন (৮-১০ দিন) একে প্রলিফারেটিভ ফেজ এবং ৩য়টি ১৪ দিন (১০-১৪ দিন) স্থায়ী হয় একে সেক্রেটরি ফেজ বলা হয়।
মিনস্ট্রাল ফেজ এই যোনি পথে রক্ত বের হয়। ৪-৭ দিন স্থায়ী এই রক্তপাতে ভেঙ্গে যাওয়া রক্তকনিকা ছাড়াও এর সাথে শ্বেত কনিকা, জরায়ুমুখের মিউকাস, জরায়ুর নিঃসৃত আবরনি, ব্যাকটেরিয়া, প্লাজমিন, প্রস্টাগ্লানডিন এবং অনিষিক্ত ডিম্বানু থেকে থাকে। ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোনের যৌথ ক্রিয়ার এই পর্বটি ঘটে।
প্রলিফারেটিভ ফেজ ৮-১০ দিন স্থায়ী হতে পারে। শুধু ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাবে এটি হয়। এই সময় জরায়ু নিষিক্ত ডিম্বানুকে গ্রহন করার জন্য প্রস্ততি নেয়।
সেক্রেটরি ফেজ টা সবচেয়ে দীর্ঘ, প্রায় ১০ থেকে ১৪ দিন। একে প্রজেস্টেরন বা লুটিয়াল ফেজ ও বলা হয়। এটিও ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন উভয় হরমোনের যৌথ কারনে হয়। এই সময় নিষিক্ত ডিম্বানুর বৃদ্ধির জন্য জরায়ু সর্বোচ্চ প্রস্ততি নিয়ে থাকে।
ডিম্বাশয়ের কোনো ডিম্বানু শুক্রানু দ্বারা নিষিক্ত না হলে জরায়ু আবার মিনস্ট্রাল ফেজে চলে যায়। এভাবেই পূর্ন বয়স্ক মেয়েদের ঋতুচক্র চলতে থাকে।

মেয়েদের মাসিক, নারীদের মাসিক, মহিরাদের মাসিক, মাসিকের সময়, মাসিক হয়, মাসিকের সময়, মাসিক হলে ব্যাথা, মাসিকের সময় তলপেটে ব্যাথা, মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, মাসিকের চিকিৎসা, মাসিকের ওসুধ, মাসিকের, পিরিয়ড সমস্যা, পিরিয়ডের চিকিৎসা, পিরিয়ডের ওষুধ, পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ,নারীদের পিরিয়ড, মেয়েদের পিরিয়ড, মহিলাদের পিরিয়ড,মহিলাদের ঋতুচক্র, নারীদের ঋতুচক্র, মেয়েদের ঋতুচক্র,মেয়েদের ঋতুস্রাব, নারীদের ঋতুস্রাব,মহিরাদের ঋতুস্রাব, অতিরিক্ত সাদাস্রাবের কারন, সাদাস্রাব,নারদের সাদাস্রাব, মহিলাদের সাদাস্রাব, মেয়েদের সাদাস্রাব, সাদাস্রাবের কারণ, period, period problem,period somossa, mashik hola ke korbo, mashik somossa, meyader mashik, meyeder period

অনিয়মিত মাসিক সমস্যার সমাধান

মেয়েদের মাসিক-০১

অনিয়মিত মাসিক (Menstrual Regulation)। এটা মেয়েদের সাধারণ সমস্যার একটি। মাসিক প্রক্রিয়ার এই অনিয়মকে চিকিত্সা বিজ্ঞানের ভাষায় অ্যামেনোরিয়া বলা হয়। প্রতি মাসে এটি হয় বলে এটিকে বাংলায় সচরাচর মাসিক বলেও অভিহিত করা হয়। মাসিক রজঃস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া নারীর গর্ভধারণের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। স্বাভাবিক ক্ষেত্রে এই মাসিক রজঃস্রাব আটাশ দিন পর পর হবে। তবে দু-একদিন আগে-পরে হতে পারে। দু-একদিনের হের-ফের স্বাভাবিক। ঋতুস্রাব সমস্যা শুরু হলে প্রথমে গর্ভধারণ টেস্ট (প্রেগনেন্সি টেস্ট) করা দরকার। শারীরিক ওজন বাড়লে বা কমলে অনিয়মিত ঋতুস্রাব হতে পারে। মেয়েদের মাসিক হওয়ার পর শরীরে নানান ধরনের পরিবর্তন আসে। 

নারীর বয়স ৪০ পার হওয়ার পর থেকে ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতা আস্তে আস্তে কমতে থাকে। প্রত্যেক মহিলার তলপেটে জরায়ুর দু’ধারে দুটি ডিম্বাশয় থাকে। এর কাজ হল ডিম্বস্ফুটন এবং হরমোন নিঃসরণ। কমপক্ষে সাধারণত ছয় মাস একটানা রক্তস্রাব বন্ধ থাকলে ধরে নেয়া যায় যে মেনোপজ হয়ে গেছে। মাসিক চক্রের সময় শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে হরমোন নিঃসৃত হয়। মাসিকের সময় তলপেট তীব্র ব্যথা হয়। একে ডিজমেনোরিয়া বলে। তলপেটে হালকা মেসেজ করলে ব্যথা কমে যাবে। প্রতি তিন বা চার ঘন্টা পর প্যাড পরিবর্তন করতে হবে। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে যেমন হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার ইত্যাদি। নারীদের মধ্যে অনেকেই অনিয়মিত ঋতুস্রাব সমস্যায় ভোগেন।

মাসিকের প্রথম দিন গুলোতে প্রতি ঘন্টায় কাপড় বদল করতে হয়। অতিরিক্ত রক্তপাত হলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম করতে হবে। মাসিক যাদের অনিয়মিত হয় তাদের এভাবে ২-৩ মাস পরে মাসিক হতে পারে যদিও তারা প্রেগ্নান্ট না। অনিয়মিত মাসিক হয় তাহলে তার PCOS বা অন্য সমস্যা থাকতে পারে। মাসিকের আগে বা পরে হরমোনের কারণে স্তন ব্যথা হতে পারে। এটা কোনো রোগ নয়, পেইনকিলার মাঝেমধ্যে খেতে পারেন। স্তন ব্যথাকে স্বাভাবিক ধরে নিলেই ভালো। মাসিক অনিয়মিত হওয়ার জন্য আপনাকে কিছু হরমোন টেস্ট করতে হবে। যেসব যুবতীর মাসিক নিয়মিত হয় বুঝতে হবে তাদের ডিমগুলো সময়মতো ফুটে থাকে। আমাদের দেশে শতকরা ৩০ থেকে ৪০ জন মহিলার নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে মাসিক আরম্ভ হয় না।
৬ মাসের বেশি সময় ধরে মাসিক না হয় অথবা বয়স ১৬ হওয়ার পরেও মাসিক শুরুই না হয়ে থাকে তাহলে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। কারন বিষয়টিকে অবহেলা করলে শরীরের গ্রোথ হরমোন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটবে এবং শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্থ হবে। জন্ম থেকেই কোন কোন মহিলার যোনিতে ত্রুটি থাকে । এর ফলে মাসিক অনিয়মিত হয়। হরমোণের পরিবর্তনের ফলে ডিম্বস্ফোটনে (Ovulation) সমস্যা হতে পারে। মেয়েরা পিরিয়ড কবে হবে তার জন্য এমন ভাবে অপেক্ষা করেন, পরীক্ষার রেজাল্টের জন্যও বোধহয় তা করেন না। যে কোনও রকম চিন্তা, যেমন সামনে পরীক্ষার দুশ্চিন্তা থাকলে, বাড়িতে কোনও রকম দুর্ঘটনা ঘটলে বা কোনও খারাপ খবর পেলে খেয়াল করে দেখবেন, পিরিয়ডের গোলমাল শুরু হয়। ২০ থেকে ৪০ বছরের মহিলার ক্ষেত্রে পিরিয়ড অনিয়মত হলে বা বেশি হলে অবশ্যই ধরে নিতে হবে, তার মধ্যে অস্বাভিকতা আছে। 

অনিয়মিত ঋতুস্রাব বন্ধে যা করা উচিতঃ 
প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন এবং নিজেকে ঠান্ডা রাখুন। শারীরিক এবং মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলুন। নিয়মিত শরীর চর্চা, সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন এবং ক্যাফেইন জাতীয় খাবার পরিহার করুন। ওজন বেশি থাকলে ওজনও কমাতে হবে। নিয়মিত কাঁচা পেপে খেলে অনিয়মিত মাসিকের জন্য অনেক উপকারী। তবে যারা গর্ভবতী তাদের কাঁচা পেপে না খাওয়াই ভাল, এতে গর্ভপাত হতে পারে। জননাঙ্গের যক্ষা, গণোরিয়া, সিফিলিস, এইডস, ডায়াবেটিস প্রভৃতির কারণে হতে পারে। মাসিকের সময় প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম ও আয়রনের চাহিদা তৈরি করে। পিরিয়ড এক বা দুই সপ্তাহ আগে হলে গাজর, কলা, আপেল, পেয়ারা, শসা খাবেন এবং এই সমস্যা দূর করার জন্যই অল্প অল্প বারে বারে খাবার খান। ত্যাগ করুন সফট-ডিঙ্ক, কফি ও চা। 

আঙুর ফলও পিরিয়ড রেগুলার করার জন্য খুবই কার্যকরী। প্রতিদিন আঙুরের জুস খেলে বা খাবারের তালিকায় আঙুর থাকলে ভবিষ্যতে মাসিক নিয়মিত রাখতে সহায়তা করে। গাজরে রয়েছে প্রচুর বেটা ক্যরোটিন, যা মাসিক নিয়মিত করতে সাহায্য করে। এলোভেরা বা ঘৃতকুমারীর শাস রূপচর্চার পাশাপাশি মাসিক নিয়মিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যারা অযথাই টেনশন বেশি করে তাদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা বেশি হয়। কলা, তিল, তিসি বীজ, সবুজ শাকসবজি বেশি করে খাওয়া উচিত। প্রতিদিন ১০-১২ গ্লাস পানি পান করা উচিত। পিরিয়ডের সময় হরমনের অনুপাত ঠিক থাকে না। তাই পিরিয়ড পিছিয়ে যায়। যখনই পিরিয়ড পিছিয়ে যায় তখনই আপনি খেতে পারেন দুধ যা পিরিয়ডের অনুপাত ঠিক রাখে। তবে পরিহার করতে হয় তেলজাতীয় খাবার ও ডিমের কুসুম। 

এক মহিলা ডাক্তার মাসিক-এর সময় খুবই কষ্ট পেতেন। পেইন কিলারেও স্বস্তি মিলতো না। যেহেতু জরায়ু ও তলপেটের সকল রক্ত পরিবাহী শিরা ও ধমনী সম্পর্কে তার ভালো ধারণা ছিলো, তাই তিনি মনছবি দেখা শুরু করেন যে, তলপেট ও জরায়ুতে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে চমৎকারভাবে। পাতলা লাল রক্ত তলপেটে ও জরায়ুতে যাচ্ছে এবং সেখানকার সকল অবাঞ্ছিত ও অপ্রয়োজনীয় বস্তুকে ভাসিয়ে নিয়ে আসছে। সুন্দর রক্ত সঞ্চালনের এই মনছবি দেখার তৃতীয় দিন থেকেই তার সকল ব্যথা ও অস্বস্তি দূর হয়ে যায়। এরপর মাসিকের সময় হওয়ার আগেই তিনি সুন্দর রক্ত সঞ্চালনের মনছবি দেখা শুরু করেন এবং মাসিককালীন অস্বস্তি ও কষ্ট থেকে পুরোপুরি মুক্তি লাভ করেন।
আপনিও মেয়েলি যেকোনো জটিলতার জন্যে নিরাময়ের মনছবিকে প্রয়োগ করতে পারেন।

জরায়ু ও তলপেটের শিরা ও ধমনীকে কল্পনা করুন অনেকগুলো পানিবাহী নালা হিসেবে। দেখুন সবগুলো নালা বড় একটি পুকুরে গিয়ে মিশেছে। পুকুর থেকে আরেকটি নালা দূষিত পানি বের করে নিয়ে যাচ্ছে। প্রত্যেকটি নালায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে চমৎকার ভাবে- কোথাও কোনো অপ্রয়োজনীয় বস্তু বা বাধা থাকলে বিশুদ্ধ পানির প্রবাহ তা ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে বড় পুকুরের পানি সবসময় থাকছে টলটলে ও স্বচ্ছ।
সুন্দর রক্ত সঞ্চালনের এই মনছবি দেখার সাথে সাথে অবলোকন করুন আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন আপনি। ঐ সময়ের ব্যথা বা অস্বস্তি কোনোটাই আর নেই। চমৎকারভাবে কাজকর্ম করতে পারছেন আপনি। 

মেয়েদের মাসিক, নারীদের মাসিক, মহিরাদের মাসিক, মাসিকের সময়, মাসিক হয়, মাসিকের সময়, মাসিক হলে ব্যাথা, মাসিকের সময় তলপেটে ব্যাথা, মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, মাসিকের চিকিৎসা, মাসিকের ওসুধ, মাসিকের, পিরিয়ড সমস্যা, পিরিয়ডের চিকিৎসা, পিরিয়ডের ওষুধ, পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ,নারীদের পিরিয়ড, মেয়েদের পিরিয়ড, মহিলাদের পিরিয়ড,মহিলাদের ঋতুচক্র, নারীদের ঋতুচক্র, মেয়েদের ঋতুচক্র,মেয়েদের ঋতুস্রাব, নারীদের ঋতুস্রাব,মহিরাদের ঋতুস্রাব, অতিরিক্ত সাদাস্রাবের কারন, সাদাস্রাব,নারদের সাদাস্রাব, মহিলাদের সাদাস্রাব, মেয়েদের সাদাস্রাব, সাদাস্রাবের কারণ, period, period problem,period somossa, mashik hola ke korbo, mashik somossa, meyader mashik, meyeder period
0

মেয়ের প্রথম মাসিক ; প্রস্তুত তো?

The first monthly daughter; Ready?

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের কাছে মাসিক যতটা সাধারণ ও নিয়মিত ব্যাপার; বয়ঃসন্ধিকালে সেই মেয়েটির প্রথম মাসিক ছিল ততটাই আতংকের। এ সময় মেয়েদের শরীরে আসে আমূল পরিবর্তন যার সাথে শারীরিক ও মানসিকভাবে খাপ খাইয়ে নেয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।
সাধারণত ১২-১৩ বছর বয়স থেকে মাসিক শুরু হয়ে যায়। অনেকের ক্ষেত্রে ৮-৯ বছরেও শুরু হয়ে যেতে পারে আবার অনেকের ১৫-১৬ বছর বয়সে মাসিক শুরু নাও হতে পারে। তাই প্রথম মাসিক হওয়ার আগের কিছু লক্ষণ জেনে রাখা ভাল।
প্রথম মাসিকের লক্ষণ কী?
  • সাধারণত মায়ের যে বয়সে প্রথম মাসিক হয়েছিল, মেয়েদেরও ওই বয়সে প্রথম মাসিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে আগে বা পরে হতে পারে।
  • মাসিক শুরু হওয়ার প্রায় ৩ বছর আগে থেকে স্তনের বৃদ্ধি শুরু হয়। সাধারণত স্তনের বৃদ্ধির ৪ বছরের মধ্যে মাসিক শুরু হয়।
  • শরীরের পিউবিক হেয়ার বৃদ্ধি পায়। পিউবিক হেয়ার বৃদ্ধির ২ বছরের মধ্যে প্রথম মাসিক হয়।
  • প্রথম মাসিক হওয়ার আগে যোনি দিয়ে সাদা বা হলুদাভ স্রাব নির্গত হবে। স্রাব নির্গত হওয়ার ৬-১২ মাসের মধ্যে প্রথম মাসিক হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে ১৮ মাস লেগে যেতে পারে।
প্রথম মাসিকের প্রস্তুতি নেবেন কীভাবে?
  • সাধারণত ২-৭ দিন পর্যন্ত মাসিক স্থায়ী হয়। সেভাবে প্রস্তুতি নিয়ে রাখবেন।
  • যেহেতু ১২-১৩ বছরের সময় বেশির ভাগ মেয়েদের মাসিক হয়ে যায়। তাই এই সময়ে মেয়েদের মাসিকের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সাথে রাখা ভাল।
  • স্কুলে বা অন্য কোন পাবলিক স্থানে প্রথম মাসিক হলে ঘাবড়ে না যেয়ে আশেপাশের কারো সাহায্য নিন।
অভিভাবকদের কর্তব্য
মেয়ের সাথে কথা বলুন। তাকে জানান যে এটি খুবই স্বাভাবিক একটি নিয়ম। কোন চিন্তার বিষয় নেই।
নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে মেয়েকে জানান। তাকে আশ্বস্ত করুন যে ভয় পাবার কিছুই নেই। স্যানিটারি ন্যাপকিন সম্পর্কে ধারণা দিন।
মাসিকের সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে একটু বাড়তি নজর দেয়া উচিৎ।
মাসিক সম্বন্ধে পড়তে আগ্রহী করুন। ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই মাসিক সম্বন্ধে জানতে পারবেন। এছাড়া বিভিন্ন বই পাওয়া যায়। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া শ্রেয়।
মাসিক নিয়ে কথা বলতে লজ্জা পাবেন না। এই সময়ে আপনার মেয়ের ডাক্তার হচ্ছেন আপনি। প্রথম মাসিক প্রত্যেকটি মেয়ের জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। নিজের সম্পর্কে সচেতন হন।

মেয়েদের দুধ, মেয়ে, মেয়েদের মাসিক, লিংগ ছবি, চটি গল্প, চটি বই, গল্প, কৌতুক, নতুন চটি, বোনের সাথে সেক্সে, বাংগালী মেয়ের দুধের ছবি, choti bangla, বাঙলা চটী, বাংলা xxx, বাংলা চটি গল্প, চোদাচুদির গল্প, সানি লিওন
0

ঋতুকালীন ব্যথাযুক্ত ঋতুস্রাব – প্রতিকার ও চিকিৎসা

ঋতুস্রাব কিংবা মাসিকের সময় তল পেটে কোনো ব্যথা বা কষ্ট দায়ক অনুভূতি হয় না, এমন নারীর সংখ্যা কম, পরিমাণগত দিক থেকে এই ব্যথা সামান্য থেকে তীব্র যেকোনো মাত্রায় হতে পারে। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় এই ব্যথার পরিমাণ যখন এমন হয় যে তা দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত করে, তখন কেবল এটাকে অসুস্থতা বা ডিজমেনোরিয়া বলে গণ্য করা হয়। ডিজমেনোরিয়া দুই ধরনের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি। প্রাইমারি ডিজমেনোরিয়া সাধারণত ১৮ থেকে ২৪ বছরের তরুণীরা এতে বেশি ভোগেন। এর নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা নেই, তবু কারণ হিসেবে কিছু বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়ে থাকে, যেমনঃ মাসিকের সময় ব্যথার প্রতি সংবেদন শীলতা বেড়ে যাওয়া, ঘরে বাইরে অশান্তি, পরীক্ষার চাপ, বেকারত্ব, ভগ্ন-স্বাস্থ্য ইত্যাদি, এছাড়া গবেষণায় কিছু হরমোনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে, যেমনঃ প্রোজেস্টেরন, প্রোস্টাগ্লান্ডিন, ভেসোপ্রেসিন ইত্যাদি। আরেকটি চমক প্রদ তথ্য হলো, অন্তত একবার গর্ভধারণ এবং স্বাভাবিক প্রসবের পর এ সমস্যাটি আপনা-আপনি সেরে যায়। গর্ভধারণ ও প্রসবের মাধ্যমে জরায়ু পরিপক্বতা লাভ করে এবং সাধারণত এরপর ডিজমেনোরিয়া হয় না।


মাসিক শুরুর সঙ্গে এই ব্যথা শুরু হয় এবং প্রথম দিনের পর আর ব্যথা থাকে না। তল পেটে মোচড়ানো ধরনের ব্যথা হয়, কোমরে ব্যথা হতে পারে, ঊরু কিংবা থাইয়ের ভেতরের অংশে ব্যথা হতে পারে, এই ব্যথা কখনো ঊরুর পেছনে কিংবা হাঁটুর নিচে যায় না, তেমন ক্ষেত্রে বুঝতে হবে অন্য সমস্যা রয়েছে,  এসময় ব্যথার প্রভাবে রোগীকে বিমর্ষ দেখায়, তার বমি ভাব অথবা বমি হতে পারে। ডায়রিয়া কিংবা প্রস্রাবে ব্যথা হতে পারে, প্রতিকার কিশোরী বয়সে মাসিক সম্পর্কে সামান্য ধারণা দেওয়া জরুরি। এক্ষেত্রে মা, বড় বোন, কিংবা অন্য নিকট আত্মীয়র দায়িত্ব অনেক,  বিষয়টি সেকেন্ডারি স্কুল পর্যায়ে পাঠ্য রয়েছে ঠিকই, তবে শ্রেণী কক্ষে শিক্ষিকার খোলা মেলা বৈজ্ঞানিক আলোচনা খুব গুরুত্ব পূর্ণ। সঠিক তথ্য জানা থাকলে ভীতি কমবে আর ভীতি কমলে ব্যথার তীব্রতা কম অনুভূত হবে, এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম, ভগ্ন স্বাস্থ্যের উন্নয়ন,অশান্তির সঠিক সমাধান ইত্যাদি বিষয় আমলে আনতে হবে। চিকিৎসা বাজারে যেসব ব্যথা নাশক (NSAID) ওষুধ পাওয়া যায়, তার সব শরীরে প্রোস্টাগ্লান্ডিন উৎপাদন কমায় এবং ডিজমেনোরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর। তবে গাইনি ডাক্তারদের প্রথম পছন্দ (mefenamic acid) ট্যাবলেট। আজকাল ল্যাপারোস্কোপির মাধ্যমে এই রোগের বিবিধ চিকিৎসা রয়েছে, সেকেন্ডারি ডিজমেনোরিয়া।
অনেক গাইনি রোগের কারণে মাসিকের সময় ব্যথা হতে পারে, যেমনঃ তল পেটের ইনফেকশন, জরায়ুর টিউমার, পলিপ, জন্মগত ত্রুটি, এন্ডোমেট্রিয়োসিস ইত্যাদি। বিবিধ কারণ থাকায় মাসিকের সময় ব্যথার ধরন ভিন্ন হয়ে থাকে, সাধারণত মাসিক চক্রের শেষ সপ্তাহে তল পেটে ভার ভার অনুভূত হয়,  মাসিক শুরুর তিন-চার দিন আগে থেকে ব্যথা হয়,  মাসিক শুরু হলে ব্যথা কমতে থাকে। সেকেন্ডারি ডিজমেনোরিয়ার জন্য আলাদা কোনো চিকিৎসা নেই, প্রথমে অন্তর্নিহিত রোগটি সঠিক ভাবে নির্ণয় করতে হবে। এরপর সে রোগের চিকিৎসাতে ভালো হবে প্রতি মাসের এই যন্ত্রণা


মেয়েদের দুধ, মেয়ে, মেয়েদের মাসিক, লিংগ ছবি, চটি গল্প, চটি বই, গল্প, কৌতুক, নতুন চটি, বোনের সাথে সেক্সে, বাংগালী মেয়ের দুধের ছবি, choti bangla, বাঙলা চটী, বাংলা xxx, বাংলা চটি গল্প, চোদাচুদির গল্প, সানি লিওন

যোনিতে ব্যাথা এবং যোন সংক্রান্ত সমস্যা

Pain in the vagina and sexually transmitted error

যৌনতার ব্যাপারে আলোচনা করতে গেলে যৌন সংক্রান্ত নারী এবং পুরুষের বিভিন্ন্‌ প্রকার সমস্যার বিষয়ে কিচ্ছু আলোচনার প্রয়োজন হয়। পুরুষের পাশাপাশি নারীর বিভিন্ন প্রকার সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। এই সমস্যা গুলোর অধিকাংশ নারীর যৌন জীবনের উপর প্রভাব ফেলে। এটি বলা উচিত যে যৌনতার ব্যাপারে যে কোনো প্রকার সমস্যা হলো তা দীর্ঘস্থায়ী যৌন সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। এর আগে আমরা পুরুষের অকাল বীর্যপাত এবং ফোঁটা ফোঁটা বীর্যপাত এর সমস্যার ব্যাপারে আলোচনা করেছি। শুধুমাত্র এই সমস্যা গুলোর বাইরের পুরুষের বিভিন্ন প্রকার শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা জনিত কারণে যৌনতা সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দেয়।
যৌনতার বিষয়ে নারীর প্রধান সমস্যা হলো নারীর যৌন মিলনের ব্যাপারে অনীহা। নারীর যৌনতার বিষয়ে এই অনাগ্রহের বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। নারীর শারীরিক কোনো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা থেকে থাকলে নারীকে যৌন বিমুখ করে তুলতে পারে। আবার মানসিক কোনো অসুবিধা নারীকে যৌনতার ব্যাপারে নিরুৎসাহ যোগায়। শৈশবকালীন মানসিক কিংবা শারীরিক যৌন উৎপীড়ন অনেক ক্ষেত্রে নারীকে যৌন নানা সমস্যার সম্মুখীন করে তোলে। আবার প্রচুর পরিমানে স্বমেহন নারীর যৌন তিগ্রস্ত করতে পারে। পুরুষের ক্ষেত্রে এবং অনেক সময় হস্তমৈথুনের মাত্রাতিরিক্ত প্রভাবে পুরুষের যৌন জড়তা দেখা দিতে পারে। যেকোনো কোনো সময় পুরুষত্বহীনতা পর্যন্ত যেতে পারে। যৌন গবেষকরা গবেষনা করে দেখছেন নারী যৌনতা বিষয়ক সমস্যা গুলো সৃষ্টি হয় মূলত যৌন অনিচ্ছা থেকে। নারীর সমস্যার মধ্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো যৌন মিলনের সময়ে নারীর যৌনাঙ্গে ব্যাথা। কোনো ক্ষেত্রে নারী এই ব্যাথার তীব্রতার জন্য যৌন মিলনকে ভয়ের চোখে দেখে। যৌন মিলনে এরকম ব্যাথার ডাক্তারী নাম হলো dyspareunia দুটো কারণ থাকতে পারে, একটি কারণ হলো শারীরিক এবং অপরটি হলো মানসিক।
Dyspareunia
এটি নারীদের একটি যৌন সমস্যা। একে ব্যাথাযুক্ত যৌন মিলন সমস্যা বলা হয়। তবে dyspareunia পুরুষের হতে পারে। নারীর dyspareunia এর কিছু উপসর্গ হলো লিঙ্গ প্রবেশের সময় যৌনিতে ব্যথা। তলপেটে ব্যথা, ঘন ঘন লিঙ্গ সঞ্চালনের সময় নারী প্রচন্ড ব্যাথা পেতে পারে। যৌন মিলনের ব্যাপারে ভীতির সৃষ্টি। কারণ gynecological এবং psychological কারণে dyspareunia হতে পারে। যোনির ভেতরে কিংবা বাইরে দুই প্রকার সমস্যা এই সময় দেখা দেয়। এছাড়াও শারীরিক বিভিন্ন কারণে যৌন মিলনের সময় নারীর যোনিতে ব্যাথার সৃষ্টি হয়।
আবার মানসিক নানা কারণে যৌন মিলনের সময় নারীর যোনিতে ব্যাথার উদ্রেক হতে পারে। এই কারণ গুলোর মধ্যে যৌন শীতলতা, যৌনতা সর্ম্পকে কুসংস্কার, ধর্মীয় কুসংস্কারের প্রভাব, যৌন অজানা বিষয় কিংবা শৈশবকালীন এবং পরবর্তী সময়ে যৌন নিপীড়িত হলে নারীর যৌন মিলন কালীন ব্যাথার সৃষ্টি কিংবা Dyspareunia হতে পারে। যোনির বাইরে যে কারণে সমস্যা হয় তা হলো সতীচ্ছেদ ছিঁড়ে যাওয়া। episiotomy ছিঁড়ে যাওয়া। bartholin gland স্ফীতি। কিটোরিসে ব্যথা। এছাড়াও যোনির ভেতরে যে কারণে ব্যাথার সৃষ্টি হয় সেগুলো হলো পর্যাপ্ত পিচ্ছিলতা না থাকা। যোনির ইনফেকশন। যোনিতে সেপ্র কিংবা ফোম ব্যবহার। senile vaginitis। অন্যান্য কারণ uterine লিগামেন্ট ছিড়ে যাওয়া। শ্রোণী সংক্রমণ। যোনির স্ফীতি। মূত্রথলির সমস্যা। ধর্মীয় চাপ। তিক্ত যৌন ইতিহাস। পিচ্ছিলতা কমে যাওয়া ইত্যাদি।
চিকিৎসা
মনোদৈহিক কিংবা শারীরিক যে কারণে Dyspareunia হোক না কেন। একে যদি নির্ণয় করা যায় তবে এই সমস্যাকে ওষুধে এবং সার্জারিতে ভালো করে তোলা সম্ভব। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই বিষয়টি ঘটে যোনির শুষ্কতা। যৌন মিলনের প্রথম দিকে যোনির এই সমস্যার জন্য অনেক নারী যোনিতে ব্যাথা অনুভব করে। অনেক নারীর যোনি অধিক পরিমানে শুষ্ক থাকে। এক্ষেত্রে মিলনের সময় lubricant gel ব্যবহার করা যেতে পারে এই জাতীয় জেলী যোন মিলন উপযোগী এবং পিচ্ছিল করে তোলে। শারীরিক কোনো কারণে যদি Dyspareunia হয়ে থাকে তবে এর জন্য উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত। নারীর যৌন সমস্যা গুলোকে অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিত্ব সমস্যা হিসাবে গণ্য করা হয়ে থাকে। নারীর যৌনতার বিষয় গুলো নিয়ে আড়ষ্টতার ফলে এই সমস্যা গুলোর কথা অনেক সময়ে অন্যকে জনানো সম্ভব হয়ে উঠে না এবং সমস্যা গোপন থাকার কারণে তা উত্তর বেড়ে চলে। আবার অহেতুক বিলম্বের কারণে অনেক সময় চিকিৎসা জটিল হয়ে উঠে। Dyspareunia চিকিৎসার ব্যাপারে নারীদের উচিত gynecologist এর পরামর্শ নেওয়া এবং পুরুষদের উচিত urologist এর পরামর্শ নেওয়া।

মেয়েদের যৌনতা নিয়ে কিছু তথ্য

Some of the girls about sex

ছেলেরা মেয়েদের যৌনতা নিয়ে খুব কম তথ্য জানে। চটিগুলো পড়লে সেটা বোঝা যায়। চটি লেখক এবং মন্তব্যকারীদের অনেকে মেয়েদের সাথে যৌনকর্ম দুরের কথা কোনদিন মেয়েদের বাস্তব যৌনাংগ দেখেছে কি না সন্দেহ। মেয়েদের সমন্ধে ওনাদের জ্ঞান মনে হয় পর্ন আর ইন্টারনেটের চটি থেকে নেওয়া। যাহোক সবার সুবিধার্থে কিছু তথ্য দিলামঃ
১. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়।
২. ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।
৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীরভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়।
৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন মাল বের হয় না। তবে পেটে প্রস্রাব থাকলে উত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে।
৫. ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য যৌনকর্মের কোন দরকার নেই।
৬. যৌনি পথে পুরুষ লিংজ্ঞ ঢুকালে মেয়েরা মজা পায় ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।
৭. লম্বা লিংজ্ঞের চেয়ে মোটা লিংজ্ঞে মজা বেশী। লম্বা লিংজ্ঞে বেশীরভাগ মেয়ে ব্যাথা পায়।
৮. মেয়েদের যৌনিতে সামান্য ভেতরেই খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, লিংজ্ঞের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় লিংজ্ঞের দরকার হয় না।
0

দাম্পত্য জীবনে সুগন্ধি

Marriage perfume

আজ আলোচনা করা হবে সুগন্ধি নিয়ে। (দ্রষ্টব্য : এই লেখা কোনোক্রমেই ডাক্তারি কোনো ব্যবস্থাপত্র নয়, সাম্প্রতিক গবেষণালব্ধ তথ্য-উপাত্তের উপস্থাপনামাত্র)। আমাদের সমাজে যৌণবিষয়ক আলোচনা যেন ব্রাত্য। কিন্তু দাম্পত্য জীবনে যৌণ রোগ একটি বড় সমস্যা। এ বিষয়ে সম্যক জ্ঞানের অভাব দাম্পত্য জীবনে কলহ ডেকে আনতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিবাহ-বিচ্ছেদ পর্যন্ত ঘটাতে পারে। সংসারে নিত্য মন কষাকষিতো আছেই। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যৌণতার সম্পর্ক স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। কিন্তু এ ক্ষেত্রে দুজনের কারো যদি সমস্যা থেকে থাকে সেটার জন্য ব্যবস্থা নেয়া আবশ্যক। অনেকের শারিরীক সমস্যা না থাকলেও এ ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে পারেন। ধরুন, আপনি আপনার সঙ্গীর কাছে বসলেন, কিন্তু তার মুখ থেকে রেরিয়ে এলো উৎকট দূর্গন্ধ। মুহুর্তেই কিন্তু সব ইচ্ছে উবে যাবে। অথচ একটু সচেতন হলে, নিজেকে দূর্গন্ধমুক্ত করে নিলেই কিন্তু ল্যাঠা চুকে যেতো। আর বিশেষ ধরণের সুগন্ধিও কিন্তু এ ক্ষেত্রে তেলেসমাতির মতো কাজে দেয়। মন ফুরফুরে করে। তবে সাবধান, দুর্গন্ধ ঢাকতে যেন সুগন্ধি না মাখেন। খোশবু, ঘ্রাণ, মনোহর আঘ্রাণ, আতর-সেন্ট, পারফিউম, সুগন্ধি- যে নামেই ডাকুন না কেন-মানুষের জীবনে এর বিস্ময়কর ভূমিকা রয়েছে। আমাদের বাহ্যিক জ্ঞান লাভের জন্য পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের (চক্ষু-কর্ণ-নাসিকা-জিহ্বা ও ত্বক) একটি হলো নাসিকা বা নাক। শ্বাস-প্রশ্বাসের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এটি ঘ্রাণেন্দ্রিয়। এই ইন্দ্রিয় আমাদের শরীরের জন্য উপকারি বিষয়-আশয় নির্ধারণ করতে অন্যান্য ইন্দ্রিয়ের সহায়ক। মনোমুগ্ধকর ঘ্রাণ পেলে সকল জাতির, সকল বয়সের মানুষের মন আনন্দে নেচে ওঠে! সুগন্ধির মূল রসায়ণ কি আসলে? বা কেন সুগন্ধি আমাদের এতটা মুগ্ধ করে? সুগন্ধির রসায়ন শুরু হয় আমাদের নাক থেকে, তাই কি? আসলে এর মূল প্রোথিত আরও গভীরে। সুগন্ধিতে উদ্বায়ী পদার্থ ব্যাবহার করা হয় যা ধর্মমতে সাধারণ তাপমাত্রায় দ্রূত উবে যায়, আর তাই সুগন্ধি ব্যাবহারের সাথে সাথে তার গন্ধ ছড়িয়ে পরে এই উদ্বায়ী অনু আমাদের নাকের ভিতর দিয়ে যেয়ে আমাদের গন্ধ সংবেদনশীল কোষে পৌঁছে যায় ও এদের লক্ষ লক্ষ অনু আমাদের কোষের রিসেপটরকে উজ্জীবিত করে মেমরি সেল তৈরি করে। তাই এটা আমাদের স্মৃতিতে জড়িয়ে যায়। আমাদের নাকের রিসেপটর সংখ্যা ১০০ যা আমাদের জিনের ১ %। অথচ চোখের রিসেপটর মাত্র ৩টি। মজার ব্যাপার হলো পারফিউম এ কারণেই আমাদের উজ্জীবিত করে মনে করিয়ে দেয় আমাদের মিলন বা বিচ্ছেদের স্মৃতি, আর এই রসায়নকে কাজে লাগিয়ে সেক্স আ্যাপিল পারফিউমগুলো কাজ করে। প্রাচীন কাল থেকে মানুষ সুগন্ধি ব্যাবহার করে আসছে নিজেদের শরীরের গন্ধ লুকাতে,মানুষের ভিন্ন ভিন্ন রসায়ণের জন্য মানুষভেদে একই সুগন্ধি ভিন্ন ভিন্ন সৌরভ ছড়ায়। পারফিউম শব্দটি এসেছে লাতিন শব্দ পার (মধ্য দিয়ে) আর ফুমুম (ধোয়া) থেকে [per fumum, meaning “through smoke]। প্রাচীন যুগে সুগন্ধি তৈরি হত গাছ গাছড়ার ছাল,বাকল পেষণ ও সিদ্ধ করে। পরবর্তীতে এটা বিভিন্ন নির্যাসের সাথে তেল ও এলকোহলের বিভিন্ন মাত্রায় মিশ্রনের ফলে তৈরি হয়ে থাকে। মিশরীয় ইতিহাসে পাওয়া যায়-তারাই প্রথম সুগন্ধি নিজেদের ব্যাবহারের জন্য। শুরু করে প্রথম দিকে শুধু মাত্র ধর্মযাজকরাই সুগন্ধি ব্যাবহার করত। এমনকি সুগন্ধি তাদের উপসানালয়তেই তৈরি হত। ধীরে ধীরে তা রাজা ও রাজপরিবারের দখলে চলে আসে। মিশরীয়রা মমি তৈরির সময় বিভিন্নজাতীয় সুগন্ধি মশলা ব্যাবহার করতো। কিন্তু সুগন্ধি জল বা পারফিউম খুব পবিত্র আত্মার সাথেই দেয়া হত। ১৯৯২ সালে যখন তুতেনকখামেনের মমি আবিষ্কার হয় তখন সেখানে সুগন্ধি রাখার পাত্রও পাওয়া যায়। গ্রীস পরবর্তীতে মিশরীয় সুগন্ধিগুলোকে আরও উন্নত করে। তার পরে রোমানরাও সুগন্ধি নিয়ে মেতে উঠে। সুগন্ধির মোট তিনটি নোট থাকে (মানে ব্যবহারের সময়ের সাথে সাথে গন্ধ পরিবর্তন হবার তিনটি পর্যায় থাকে )। * টপ নোট বা নোটস ডি টেট- ইটা ব্যাবহারের সাথে সাথে যা সুগন্ধি ছড়ায় তাকে বলা হয়। আমরা সাধারণত সুগন্ধি কেনার সময় টপ নোট টা দেখেই কিনি। যা তাৎক্ষণিক ঘ্রাণ দেয়। *সেন্ট্রাল, মিডল বা হার্ট নোট- এটা সাধারণত টপ নোট সম্পূর্ন উবে গেলে পাওয়া যায়। এবং অনেকক্ষণ ধরে আমাদের শরীরে থাকে ও টপ নোটের ঝাঝালো গন্ধটিকে স্মিমিত করে। *বেস নোট বা নোট ডি ফন্ড- এটা অনেক দিন যাবৎ থাকতে পারে। দেখা যায় পারফিউম ব্যাবহার করে কোন শার্ট বা শাড়ি উঠিয়ে রাখা হলে অনেক দিন পর খুললে একটা সুগন্ধ পাওয়া যায়। এটাই হলো বেস নোট। সুগন্ধি আজো উপসাগরীয় আরবদের কাছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মতো। বিশেষ কিছু সুগন্ধ, যা ওরিয়েন্টাল খোশবুর অন্তর্ভূক্ত, আরবদের ঐতিহ্যের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে আছে। চার-পাঁচ হাজার ডলার দামের এক বোতল আগরকাঠের আতর এই আরবে বিক্রি হয়। শুধু যে আরব শেখরা এতো দামের আতর-খোশবু ব্যবহার করে তা নয়। জাপানের টেম্পলগুলোতে এর চাইতেইও অনেক দামী আগর সুগন্ধ জ্বালানো হয়। Perfume: The Story of a Murderer (film) সম্পর্কে অনেকেই জানেন হয়তো। একটা পারফেক্ট সেন্ট বানানোর জন্য খুনের ঘটনা হয়। অষ্টাদশ শতকের একটি ফরাসি কাহিনী অবলম্বনে। লোমহর্ষক ট্রাজেডি অথচ অসাধারণ এক সুগন্ধ তৈরির গল্প! এরপরও বলব, সুগন্ধি নিয়ে কম-ই বলা হলো। আরবের বাজারে সোনার চাইতেও অনেক গুণ বেশি দাম সুগন্ধের। উপসাগরীয় আরব কনের জন্য বরপক্ষকে দিতে হয় বিশেষ সুগন্ধি বা এর মূল্য। এই সুগন্ধিতে থাকবে আতর (অয়েল), সেন্ট (স্প্রে) নানা প্রকার এবং বুখুর বা জ্বালাবার সুগন্ধি। সুদান ও সোমালিয়ার নববধুদের জন্য তো খোশবু একেবারে মাথা খারাপ অবস্থা! গরীব এই দেশ দু’টির সংস্কৃতিতে এতো দামি সুগন্ধ কনেদের জন্য রীতিমতো ঘোড়া রোগ! এই যে সুগন্ধি নিয়ে এতো মাতামাতি এর নেপথ্যেই কিন্তু এর উপযোগিতাটা প্রমাণ করে। সুগন্ধি কি শুধু মন প্রশান্তিতে ভরিয়ে দেয়? জৈবিক তাড়না ফিরিয়ে আনে? এর রয়েছে হরেক গুণ। মানুষের শরীরেরও ঘ্রাণ আছে, ভিন্ন ভিন্ন। সম্ভবত এই ভিন্নতা খাদ্যাভ্যাস ও জেনেটিক কারণে। একটা পিউর ফ্রেগরেন্স শরীরে লাগালে পরে শরীরের খুশবোর সাথে মিশে একেকজনের শরীর থেকে আলাদা আলাদা ঘ্রাণ আসে। তাছাড়া ছোট্ট শিশুদের মুখমণ্ডলে থেকে প্রাকৃতিকভাবে কি মধুর খুশবো বের হয়! একটি ফ্রেঞ্চ পারফিউমে একেবারে ওই বাচ্চাদের খুশবোর মতো ঘ্রাণ বেরোয়। সম্প্রতি জার্মান গবেষকদের গবেষণার জানা যায়, দুর্গন্ধ হতাশার সৃষ্টি করে। হতাশ মানুষ কোন কাজেই আনন্দ পায় না এবং সব কাজই তাদের কাছে বোঝা মনে হয়। তাই কাজে উদ্যমী হতে হলে, মুড ভাল রাখতে হলে সুগন্ধির ব্যবহার অনিবার্য। সেটা দাম্পত্য জীবনে হোক আর কর্মস্থলে হোক। লেখা বড় হয়ে গেল। যাওয়ার আগে ছোট্ট একটি সত্যি গল্প দিয়ে শেষ করছি। সালটা ১৯৫৪। হলিউড কুইন মেরিলিন মনরো তখন যুবকদের স্বপ্নসুন্দরী। মিডিয়ার আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই তার ব্যাপারে অতিমাত্রায়। অনেক স্টাডি-ফাডি করে এক ‘সাহসী’ সাংবাদিক গেছেন তার সাক্ষাৎকার নিতে। মনরোকে ওই সাংবাদিকের প্রথম প্রশ্নটা ছিল, ”আচ্ছা, রাতে আপনি কি পড়ে ঘুমাতে যান।” (সাংবাদিক ভেবেছিলেন আচ্ছা একটা প্রশ্ন করা গেছে।) কিন্তু মনরোর সাবলীল জবাবটা ছিল: ”ফাইভ ড্রপস অব শ্যানেল নাম্বার ফাইভ।” এরপরই ফরাসি এই পারফিউমটি নিয়ে মহাতুলকালাম পড়ে যায় গোটা বিশ্বে।

নিয়মিত যৌনসম্পর্কে নারীরা সুন্দরী হয়

Regular sexual relations are beautiful women

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত ব্যায়াম করার চেয়ে নিয়মিত সেক্স লাইফ ভাল। যদি আপনি নিজেকে ফিট, সুন্দরী ও এবং কম বয়সী হিসেবে দেখতে চান তাহলে আপনার জন্য নিয়মিত যৌনজীবন খুবই দরকারি।একটি স্কটিশ গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষের মতো উন্নত যৌন জীবন নারীদেরকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করে তোলে। এতে নারীদের ত্বক আরো মসৃণ ও সতেজ হয়। যখন আপনি দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত থাকেন, তখন আপনার শরীর থেকে তিন ধরনের হরমন কাজ করে।
স্কটিশ ঐ গবেষণার সঙ্গে যুক্ত গবেষকদের মতে, এই তিন ধরনের হরমোন সূর্যের তাপ থেকে শরীরের ত্বকে যে ক্ষতগুলো হয় তা পূরণ করে দেয়।
এছাড়াও এ সময় যে ঘাম বের হয় তার মাধ্যমে একধরনের এসিড বের হয়ে যায়, যেটা সুন্দর মলিন ঠোট ও উজ্জ্বল চোখ তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
0

পুরুষদের অশ্লীল টিপ্পনীর প্রতিবাদে ‘ভয়ংকর’ জবাব দিয়ে সাড়া ফেললো স্কুল ছাত্রী এক কিশোরী !

তুমুল আলোচনার পেছনে যে ঘটনা

এবাআর ঋতুস্রাবের রক্তের দাগ সহ ট্রাউজার এবং পাশে পড়ে থাকা স্যানিটরি ন্যাপকিন-এর ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন কলকাতার এক স্কুল ছাত্রী।  সঙ্গে ক্ষুব্ধ একটা স্টাটাস।  জনমনে বেশ নাড়া দিয়েছে সেই লেখা। ব্যাপক লাইক কমেন্ট আর শেয়ারের ছড়াছড়ি এই ঘটনাকে ঘিরে।
ভারতের গনমাধ্যমগুলোতেও এই নিয়ে চলছে ব্যাপক চর্চা । একইসাথে বাংলাদেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যেও ব্যপক ভাইরাল হয়ে পড়েছে ঐ কিশোরীর ব্যতিক্রমি এমন প্রতিবাদের গল্প।
দশম শ্রেণীর ওই ছাত্রীর নাম আনুস্কা দাশগুপ্ত ( মিথি )। ঘটনার শুরুটা জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে প্রাইভেট শেষে রোজকার মত বাড়ি  ফিরছিল মিথি। সময় রাত আটটার কিছু পরে।  কিছুটা হাঁটা‚ তারপর মেট্রো‚ তারপর ১০ মিনিটের বাসপথ । এই ছিল মিথির সম্পূর্ণ যাত্রাপথ
রাত আটটার পরে মিথি  দাঁড়িয়েছিল এসস্প্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে। হঠাৎ আবিষ্কার করে‚ নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই তার দিকে অদ্ভুত চোখে তাকাচ্ছে।  ভেসে আসছে পুরুষদের অশ্লীল টিপ্পনী। কিছুটা বিব্রত হলেও  বুঝতে পারছিলনা মিথি ‚ কী হয়ে গেছে !
কেনইবা  সে সবার নজরের কেন্দ্রবিন্দু ? একমাত্র শিশুরাই দ্বিতীয়বার ফিরছে না তার দিকে । অনেক মহিলা আবার এসে মিথিকে কাছে এসে ফিস ফিস করে বলে যান‚ ‘ তুমি জামাটা নামিয়ে নাও‘ ।
শুনে ভাবতে থাকে কিশোরী‚ তাহলে তার জামার ঝুল নিয়েই এত সমস্যা !কিন্তু এমন কিছু খাটো পোশাক তো সে পরেনি | ভুল ভাঙল আর এক মহিলার দৌলতে | তিনি এসে সরাসরি মিথিকে একটি স্যানিটরি ন্যাপকিন দেন | এতক্ষণে বুঝতে পারে মিথি ‚ কী হয়েছে ! দেখে‚ তার ট্রাউজারের পিছনে অনেকটা অংশ জুড়ে লাল দাগ | কিশোরী বুঝতেই পারেনি‚ কখন শুরু হয়ে গেছে পিরিয়ডস |
Image
নিজের সেদিনের হেনস্থার জবাব দিতে ফেসবুককেই বেছে নেয় নামী স্কুলের এই ছাত্রী | রক্তমাখা ট্রাউজার আর ন্যাপকিনের ছবি পোস্ট করে সে | লেখে‚ যেসব মহিলা আমাকে এসে জামা নামাতে বলেছিলেন‚ তাঁদের বলছি‚ আমি ওই রক্তের দাগ বা আমার নারীত্ব নিয়ে আদৌ লজ্জিত নই |
এরপর তোপ দাগে পুরুষদের প্রতি | মিথি  বলে‚ যেসব পুরুষরা টিপ্পনী দিয়েছেন তাঁদের বলছি‚ যত খুশি আমাকে দেখুন | আমি লজ্জিত নই | কেন লজ্জা পাব ? আমি আপনাদের শেখাবো কী করে স্যানিটরি ন্যাপকিন ব্যবহার করতে হয় ।
আর শিশুদের উদ্দেশে মিথি  বলেছে‚ তোমরা জীবনে কোনওদিন যেন রক্তের দাগ নিয়ে লজ্জা পেয়ো না।  এরকম দাগ অনেক বার অনেক জায়গায় লাগবে ।  এমনকী যুদ্ধক্ষেত্রেও ।  তোমরা সব দ্বিধা সরিয়ে সমাজের কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়বে ।  লজ্জা পেয়ে গেলে কিন্তু সেটা সম্ভব হবে না ।
মিথি জানিয়েছে তার সঙ্গে ন্যাপকিন ছিল না | কিন্তু সাহসী কিশোরীর প্রশ্ন‚ থাকলেই বা কী হত ? রাস্তাঘাটে মেয়েদের জন্য পরিচ্ছন্ন টয়লেট থাকে? মেট্রো স্টেশনে আছে ? তাহলে সঙ্গে ন্যাপকিন থেকে কী লাভ ? নোংরা টয়লেটে যাওয়ার থেকে জামায় রক্তের দাগ লাগা ভাল ।
সার্বিক ভাবে মহিলাদের উদ্দেশে মিথি বলতে চায়‚ কোনও মেয়ের পোশাকে রক্তের দাগ থাকলে তাকে প্লিজ স্পষ্ট করে বলুন | সম্ভব হলে এগিয়ে দিন স্যানিটরি ন্যাপকিন | শুধু গিয়ে রক্তের দাগ ঢাকতে পরামর্শ দেবেন না | সাহসিনীর ভাইরাল পোস্ট শেষ হয়েছে এই বলে ‘I AM NOT ASHAMED. I AM NOT ON MY *period*. I AM ON MY PERIOD…
সোশ্যাল সাইটে প্রশংসায় ভেসে গেছে অনুষ্কার বলিষ্ঠ বক্তব্য | আবার এসেছে পাল্টা সমালোচনাও | অনুষ্কা জানিয়েছে‚ তিনি খুশি যে মহিলাদের ঋতুস্রাবের মতো ট্যাবু নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা হচ্ছে | এবং তার সূত্রপাত তার লেখা ঘিরে |
মিথির পোস্টকে ঘিরে  প্রগতিশীল ভাবনার বাংলাদেশি একজন জনপ্রিয় ফেসবুকার ক্যামেলিয়ার মন্তব্য, ‘আমাদের দেশেও এই রকম সাহসী সতেচন মেয়ে আছে , চুড়া নামের একটি মেয়ের লেখা পড়ে ছিলাম এই বিষয়ে , ১৭ বছরের ইতু কে লিখতে দেখছি সমাজের অন্ধতার বিরুদ্ধে।প্রীতি তো রিতিমত লড়াই করা মেয়ে।
এই কিশোরীরা আজকাল বেশ প্রতিবাদ করে । অথচ এই বয়সে এত সাহস আমার ছিল না। সমাজটা সাহসী মেয়েতে ভরে উঠুক। ভীরের মাঝে নোংরা হাতগুলো ভেঙে দেবার মত শক্তি অর্জন করুক। আর স্পস্ট করে বলুক , মাতৃত্বে প্রক্রিয়া লজ্জার হলে জন্মটাও লজ্জার । সেই অর্থে মানুষগুলোও সব অপবিত্র ।’
0

নারীদের স্তনের বোটা ভেতরে ঢুকে যাওয়ার কারণ ও সামাধান !

Women's breasts and nipples because they went to the solution!

একথা কারো অজানা নয় যে - স্বাভাবিকভাবেই একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারীর দেহে সমস্যা একটু বেশিই হয়ে থাকে। আর এটি হওয়াটাই স্বভাবিক। কারণ একজন নারীর দেহে বহু রকমের কার্যাদি সম্পন্ন হয়। আর অন্য দিকে পুরুষের ক্ষেত্রে তা অতি নগন্য। বিশেষ করে বয়োঃসন্ধিকালে ও সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রক্রিয়া বহু ধরণের সমস্যার সম্মখীন হতে হয়।
লক্ষ্য করলে দেখা যায় অনেক মেয়েদের স্তনগত সমস্যার ভিতর একটি হলো স্তনের বোট ভিতরের দিকে ঢুকে যায়।এটি একটু গুরুতর সমস্যা।মেয়েদের বয়োঃসন্ধিকালে বিশেষ বিশেষ পরিবর্তন দেখা দেয়।শরীরের বিভিন্ন ইন্দ্রিয়গুলো পরিস্ফুটিত হয় এই সময়ে।বিশেষ পরিবর্তনের ভিতর তাদের স্তন ও এই সময়ে বড় হয়ে ভিন্ন রূপ ধারণ করে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এই সময়ে স্তনের বৃদ্ধি অতিরিক্ত হয় যেটা একটা রোগ বটে। 

তাছাড়া স্বভাবিক ভাবে বাড়লে ও সমস্যা দেখা দেয় স্তনের নিপল বা বোটাতে। স্তনের বোট বাইরের দিকে স্বভাবিকভাবে না এসে ভিতরের দিকে ঢুকে যায়। তবে এই সমস্যা দুটি স্তনের ক্ষেত্রে খুব কমই হয়। বিশেষ করে একটি স্তনের ক্ষেত্রে এমনটি বেশি হয়। তবে ভয়ের তেমন কিছু নেই, কারণ সমস্যাটি বেশি ভয়াবহ না। ট্রিটমেন্ট না নিলে ও চলে । কারণ মেয়েরা যখন মা হয় তখন আপনা আপনি আথবা বাচ্চাকে বুকের দুধ খেতে দিলে সমস্যাটির সমাধান হয়।

তবে শিশুর দুধ পানের সময় এই সমস্যা দূর না হয় তবে শিশু ঠিকমত দুধ টেনে খেতে পারে না।তখন সমস্যাটি প্রকট হয়। মেকানিকাল সাকশন ডিভাইস নামে এক ধরনের যন্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমেে এই সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে। এরপরও যদি সমস্যার সমাধান না হয় তবে কসমেটিক সার্জারির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হয়। কসমেটিক সার্জারি করলে অনেক সময় স্তনের ডাক্ট ছিড়ে যেতে পারে।

আর একটি ব্যাপার কারো যদি পরিণত বয়সে স্তনের বোটা ক্রমশ ভিতরের দিকে যেতে থাকে তাহলে সেটি স্তনের অভ্যন্তরীন জটিল কোন রোগ বলে বিবেচিত হবে। তখন এই সমস্যাটি ডাক্ট এক্টেশিয়া, মাসটাইটিস বা টিউমারের মত কোন রোগ নির্দেশ করে।

মাঝে মাঝে স্তন ক্যান্সার হলে ঐ বয়সেই নতুন করে স্তনের স্বাভাবিক বোটা ভিতরের দিকে ঢুকতে থাকে । তাই মনে রাখবেন পরিণত বয়সের কোন মেয়ের যদি এই সমস্যা দেখা দেয় তাহলে তাকে অবশ্যই ভাল মানের কোন রেজিস্টার হোমিও ডাক্তারের কাছে যেতে হবে । বিলম্ব করা ঠিক হবে না। মরে রাখবেন সামান্য একটু অলসতাই হতে পারে আপনার জীবনকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়ার পক্ষে যথেষ্ট ।

নারীদের যৌন ক্ষমতা বাড়াতে আপেলের ভুমিকা

The role of women's sexual power to raise the apple

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাস্থ্যবতী মহিলারা দিনে একটি করে আপেল খেলে তাদের যৌন ক্ষমতা বেড়ে যায়। আপেলে পলিফেনলস ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা জননেন্দ্রিয়র মধ্যে রক্তপ্রবাহকে উত্তেজিত করে তোলে। এই কারণেই মহিলারা যৌনতা বেশি করে উপভোগ করতে পারেন।
সম্প্রতি আপকাইভ অফ গাইনোকলজি অ্যান্ড অবস্টোট্রিক্স জার্নালে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকেরা পরীক্ষার জন্য ১৮ থেকে ৪৩ বছর বয়সি ৭৩১ জন মহিলার উপর একটি গবেষণা চালান। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মহিলাদের কাছ থেকেই ফিমেল সেক্সুয়াল ইনডেস্ক সম্বন্ধে বিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে৷ গবেষকেরা দেখেছেন, যে মহিলারা দিনে একটা থেকে দুটো আপেল খান তাদের যৌন ক্ষমতা খুবই ভাল থাকে। আপেলের মধ্যে প্লরিডজিন বা ফিটোএস্ট্রাজেন থাকে৷ এই উপাদানটি এসট্রাডিওলের সমতুল্য। এসট্রাডিওল হল মহিলাদের দেহের সেক্স হরমোন যা মহিলাদের যৌন ক্ষমতা বাড়ায়৷

0

যে লক্ষণে বুঝবেন - জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলটি আপনার দেহের উপযোগী নয়

জন্মনিয়ন্ত্রণে নারীদের বহুলপ্রচলিত একটি পদ্ধতি পিল। তবে সব ধরনের পিল সবার দেহের জন্যে উপযোগী হয়ে ওঠে না। এন্ডোমেট্রিয়াল টিস্যু জরায়ু থেকে বেরিয়ে আসা, জরায়ুত ফিব্রোয়াস টিস্যুতে টিউমার, পিরিয়ড চলাকালীন অতি রক্তপাত ইত্যাদি কারণে অনেক জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল আপনাকে গর্ভধারণ থেকে রক্ষা করতে পারবে না। বর্তমানে যে পিলটি খাচ্ছেন তা যদি আপনার দেহের জন্যে উপযোগী না হয়ে থাকে, তবে বেশ কিছু লক্ষণ প্রকাশ পাবে। জেনে নিন এমনই ৭টি লক্ষণ। 

SYMPTOMS understand that - your body is not suitable for contraception pil