male লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
male লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

পুরুষের যৌন ইচ্ছা কমিয়ে দেয় যে ৫ খাদ্য (5 foods that reduces sexual desire in men)

পুরুষের যৌন ইচ্ছা কমিয়ে দেয় যে ৫ খাদ্য (5 foods that reduces sexual desire in men)


এখনকার সময়ে অনেক পুরুষই যৌনাকাঙ্ক্ষা কম হওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই সমস্যার পিছনে খাদ্যাভাস বা যা খাওয়া হয় তার মারাত্মক প্রভাব থাকতে পারে। খাদ্যাভাস আপনার লিবিডোতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যখন বয়স বাড়তে থাকে তখন এই ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই যেসব খাবার আপনার সেক্সের ইচ্ছা কমিয়ে দেয় বা যৌন ক্ষমতা নষ্ট করে সেগুলি খাবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়াই ভালো।
টেস্টোস্টেরন নামে একধরনের হরমোনের মাত্রা কমে গেলে যৌন ইচ্ছা হ্রাস পায়। যেসব খাবারের কারণে এই হরমোনের মাত্রা কমে যায় সেসব খাবার খেলে পুরুষদের যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যেতে পারে। যৌন আকাঙ্ক্ষা স্বাভাবিক রাখতে চাইলে যেসব খাদ্য আপনার এড়িয়ে চলা উচিৎ সেরকম কয়েকটি খাদ্যের কথা এখানে থাকছে।

অতিরিক্ত সয়া খেলে পুরুষদের স্তনের আকার 
বেড়ে যায়। সয়া থেকে যেসব খাবার তৈরি হয়, যেমন সয়া মিল্ক বা সয়া সস এগুলি ব্যাপকভাবে টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যায়। এরকম একটি তথ্য দিয়েছে ইউরোপিয়ান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন।
গবেষকরা দেখেছেন যে, যারা দিনে ১২০ গ্রাম সয়া খায় তাদের শরীরে টেস্টোস্টেরোন কমে যায়। আর যেসব পুরুষ সন্তান গ্রহণের কথা ভাবছেন তারা খাদ্য তালিকা থেকে সয়া একদম বাদ দিয়ে দিন। সয়া শুক্রাণুর পরিমাণও কমিয়ে দেয়।


যেকোনো ধরনের রিফাইন কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা যৌন মিলনের সময় পুরুষদের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। ক্র্যাকার্সে এই রিফাইন শর্করা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে। অতিরিক্ত রিফাইন শর্করা টেস্টোস্টেরোনের মাত্রাও কমিয়ে দেয়। তাছাড়া রিফাইন করা শর্করায় যে চিনি থাকে তা ওজন বাড়ায়। এই চিনিও টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। বিপরীতে শরীরে এস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

অতিরিক্ত মদ খেলে তার পরিণাম সাংঘাতিক। যৌন জীবনে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে অতিরিক্ত অ্যালকোহল। ইরেক্টাইল সমস্যা সহ, ঠিকভাবে অর্গাজম না হওয়া এবং মিলনের শুরুতেই দ্রুত বীর্যপাতের যাওয়ার কারণ হতে পারে অতিরিক্ত মদ পান করা। আর তাছাড়া অ্যালকোহল আর রিচ ফুড সবসময় আপনাকে তন্দ্রাচ্ছন্ন করে রাখে, ফলে আপনি সেক্সের ব্যাপারে আর উৎসাহ বোধ করেন না।

যেসব খাবারে অতিরিক্ত হরমোন বা অ্যান্টিবায়োটিক আছে সেগুলি পরিহার করা উচিৎ। যেমন কিছু রেড মিটে প্রচুর হরমোন আছে। ফলে বেশি রেড মিট খেলে আপনার শরীরের প্রাকৃতিক হরমোনে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়।
রেড মিট নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় খেলে তা বরং উপকারেই লাগে। রেড মিট জিঙ্ক এবং প্রোটিনের অন্যতম উৎস। প্রোটিন এবং জিঙ্ক উভয়ই ফ্যাট কমায় এবং পেশী গঠন করে।
অতিরিক্ত খাওয়া দাওয়া করলে খুব স্বাভাবিকভাবেই আপনার ওজন বেড়ে যাবে। আর ওজন বেড়ে গেলে যৌনতার ইচ্ছা কমে যায়। যেকোনো ধরনের খাবার অতিরিক্ত খাওয়াই যৌন আকাঙ্ক্ষার সবচেয়ে বড় শত্রু।

খাওয়া দাওয়ার ওপরে মানুষের বয়স বাড়াটাও নির্ভর করে। যাদের ওজন বেশি, ৩৫ থেকে ৬০ বছরে তাদের বয়স দ্রুত বেড়ে যায়। শরীর সময়ের আগেই বৃদ্ধ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে যারা অতিরিক্ত চাপে থাকেন, অনিয়মিত ও অনিয়ন্ত্রিত খাবার খান, ব্যায়াম করেন না তাদের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটা বেশি ঘটে।
একটি ভালো ডায়েট সমান সমান ভালো সেক্স। যার ডায়েট সিস্টেম যত উন্নত সে যৌনতায়ও ততটাই সুখী।
তাছাড়া কিছু কিছু খাবার বীর্য, ঘাম, প্রস্রাব, নিঃশ্বাস এইসব ব্যাপারে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এসপারাগাস, রসুন, কিছু কিছু মসলা, দুগ্ধজাত সামগ্রীও এইক্ষেত্রে ক্ষতিকর ভূমিকা রাখে।
আনারস, ভ্যানিলা ফ্লেভার দেওয়া খাদ্যদ্রব্য আবার নারী এবং পুরুষ উভয়ের মধ্যেই পারস্পারিক আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়।


মেয়েদের দুধ, মেয়ে, মেয়েদের মাসিক, লিংগ ছবি, চটি গল্প, চটি বই, গল্প, কৌতুক, নতুন চটি, বোনের সাথে সেক্সে, বাংগালী মেয়ের দুধের ছবি, choti bangla, বাঙলা চটী, বাংলা xxx, বাংলা চটি গল্প, চোদাচুদির গল্প, সানি লিওন

পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কে যা জানা জরুরী।

Which is important to know about men's sexual health.

আমাদের সমাজে পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলাকে অসৌজন্য বা লজ্জার ব্যাপার হিসেবেই দেখা হয়। কিন্তু পুরুষদের এমন অনেক যৌন সমস্যা বা অবস্থা থাকে যেগুলোর জন্য জীবনের কোন না কোন সময়ে তাকে ভুগতে হয়। Erectile Dysfunction বা লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যা এমন একটি অবস্থা। ভয়, হীনমন্যতা, লজ্জা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে এসব সমস্যা লুকিয়ে রেখে হতাশায় জীবন যাপন করেন অগণিত পুরুষ। আবার ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়াকেও বাড়াবাড়ি মনে করেন অনেকে।
লিঙ্গ জনিত এই সমস্যার সমাধান ঘরোয়া ভাবেই করা সম্ভব। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শারীরিক থেকে মানসিক ও জীবন যাত্রার প্রভাব এই সমস্যার জন্য দায়ী হয়।
লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যা কী?
এ রোগ ED (Erectile Dysfunction) / ধ্বজভঙ্গ বা যৌন মিলনে অক্ষমতা (Impotence, Sexual Impotence) এবং পুরুষাঙ্গের উত্থান জনিত ব্যাধি (Male Erectile Disorder) নামেও পরিচিত।
ED অনিয়মিতভাবে দেখা দিলে তা কোনো চিন্তার বিষয় না। তবে এ সমস্যা বারবার দেখা দিলে অবশ্যই বুঝতে হবে এটি কোনো গুরুতর রোগের লক্ষণ এবং পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্য এর ফলে হুমকির মুখে পড়তে পারে। এক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যার কারণ কী?
পুরুষের যৌন উত্তেজনার সৃষ্টি একটি জটিল প্রক্রিয়া এবং এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক, হরমোন, রক্তবাহী নালী, স্নায়ু, মাংসপেশী, আবেগ ও অনুভূতি সব একসাথে কাজ করে। এগুলোর মধ্যে একটিতেও অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে পুরুষাঙ্গ উত্থানে এবং পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্য জনিত সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।
শারীরিক ও মানসিক অসুস্থার জন্য এই সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং দুশ্চিন্তা ও অন্যান্য মানসিক অসুস্থার জন্য এ সমস্যার আরও অবনতি হতে পারে। নিম্নে এ রোগের কারণগুলো আলোচনা করা হলোঃ
শারীরিক কারণ
যেসকল শারীরিক সমস্যার ফলে লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যার কারণে পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ে তা হলঃ
  • হৃদরোগ।
  • Atherosclerosis বা রক্তনালী বন্ধ হয়ে যাওয়া।
  • রক্তে কোলেস্টরলের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া।
  • ডায়াবেটিস।
  • অতিরিক্ত মেদ।
  • একই সাথে কয়েকটি লক্ষণ (উচ্চ রক্তচাপ, ইনসুলিন ও কোলেস্টরলের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া এবং কোমরের কাছে মেদ জমা) দেখা দেওয়া (Metabolic Syndrome)।
  • পারকিনসন রোগ।
  • টেসটোস্টেরনের পরিমাণ কমে যাওয়া ।
  • পেরোনিজ ডিজিজ (Peyronie’s disease)
  • নির্দিষ্ট কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ।
  • তামাকের ব্যাবহার ।
  • মদ্যপান ও অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার ।
  • প্রোস্টেট (Prostate) বড় হয়ে গেলে/ ফুলে গেলে বা প্রোস্টেট ক্যান্সারের জন্য চিকিৎসা করানোর ফলে ।
  • কোনো অপারেশন বা আঘাতের জন্য শ্রোনীচক্র (Pelvic) ও স্পাইনাল কর্ডের কোনো ক্ষতি হলে ।
মানসিক কারণ
যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে আমাদের মস্তিষ্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বিভিন্ন মানসিক সমস্যার জন্যও এ রোগ দেখা দিতে পারে। যেমনঃ
  • হতাশা, দুশ্চিন্তাসহ অন্যান্য মানসিক অশান্তি থাকলে হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ এবং অবসাদ বেড়ে যায়, যা আপানার যৌন জীবনে প্রভাব ফেলে।
  • মানসিক চাপ।
  • সুম্পর্কের অভাব বা সম্পর্কে টানাপোড়েন।
  • আপনি আপনার সঙ্গীর যৌন চাহিদা পূরণ করতে পারছেন না এই ভয় আপনার শারীরিক সমসস্যার জন্য দায়ী হতে পারে।
  • আপনার মানসিক অবস্থা আপনার যৌন জীবনের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলে। মানসিকভাবে হাসিখুশি না থাকলে যৌন উত্তেজনাও কমতে শুরু করে।
  • অনেক সময় যৌনতার ব্যাপারে মানুষ উদাসীন হয়ে পড়ে। সে সময় এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।
  • লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যা দেখা দিলে ব্যক্তি আরও বেশি আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়েন। অথবা প্রথম বার যৌন সম্পর্ক স্থাপন করার সময় ব্যক্তি ভয় বা দুশ্চিন্তার কারণে লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যার সম্মুখীন হন।
কোন কোন বিষয়গুলো এই রোগের ঝুঁকি বাড়ায়?
বয়স বাড়ার সাথে সাথে পুরুষাঙ্গের উত্থান ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং এটি দৃঢ় হতে বেশি সময় নেয় ও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। তবে শুধুমাত্র বয়সের কারণেই এ সমস্যাটি হয় না। বয়সের সাথে সাথে অন্যান্য শারীরিক সমস্যা ও ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলেও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ রোগের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো হলঃ
  • লিঙ্গের উত্থান ক্ষমতা যেসকল স্নায়ু বা নার্ভের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় সেগুলো কোনো আঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হলে এ রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ যেমনঃ এ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট (Antidepressants), এ্যান্টিহিসটামিন (Antihistamines) এবং উচ্চ রক্তচাপ, ব্যাথা ও Prostate ক্যান্সারের জন্য যেসকল ঔষধ দেওয়া হয় তা ব্যবহারের কারণে এ রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • মদ্যপান ও মাদক সেবনের জন্য এ রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • দীর্ঘদিন সাইকেল চালানোর জন্য স্নায়ু সংকুচিত হয়ে যায় এবং লিঙ্গে রক্তপ্রবাহ কমে যায়। যার ফলে কিছু সময়ের জন্য লিঙ্গের উত্থান ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
ED এর জন্য যে ঔষধ দেওয়া হয় তাতে কি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে?
ভায়াগ্রা (Viagra) এবং এই ধরণের ঔষধের সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হল মাথাব্যথা যা ১৬ শতাংশ ব্যবহারকারীর মধ্যে দেখা যায়। ১০ শতাংশ ব্যবহারকারীর রক্তচাপ কমে যায়, মাথা ঝিমঝিম করে ও মুখে লাল ভাব দেখা দেয়। ১০ শতাংশ ব্যবহারকারীর খাবার হজমে অসুবিধা দেখা দেয়। ১০ শতাংশ ব্যবহারকারীর নাক বন্ধ হয়ে যায়। Viagra ব্যবহারকারীদের মধ্যে কারও কারও দৃষ্টি সমস্যা দেখা দেয়। এসব ঔষধের প্রভাবে পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
এ রোগের ক্ষেত্রে সার্জারি করা কতটা প্রয়োজনীয়?
পূর্বে এ রোগের শুধুমাত্র একটিই চিকিৎসা ছিল আর তা হল অপারেশনের সাহায্যে লিঙ্গের মধ্যে প্রোসথেটিক ডিভাইস স্থাপন করা। তবে এখন ঔষধের সাহায্যে এ রোগের চিকিৎসা সম্ভব এবং ঔষধের সাহায্যে চিকিৎসা সম্ভব না হলে শুধুমাত্র তখনই অপারেশন করা হয়। শুধুমাত্র একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারই নির্ধারণ করবে আপনার ঔষধ খাওয়ার বা সার্জারি করার প্রয়োজন আছে কিনা।
হেলথ টিপস্
  • ব্যায়াম করতে হবে বা ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে।
  • ধূমপান ত্যাগ করতে হবে।
  • মদ্যপান এড়িয়ে চলতে হবে।
  • পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে।
  • রক্তচাপ ও কোলেস্টরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে।
  • দুশ্চিন্তা কমিয়ে আনতে হবে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে, (রাতে কমপক্ষে ৭ ঘন্টা) ।
  • তরমুজের জুস খেতে পারেন।
  • বেদানা বা ডালিমের জুস উপকারী।
  • হীনমন্যতায় ভুগবেন না।
  • কাছের মানুষের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলুন।
পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্য ঠিক থাকার পিছনে মানসিক অবস্থার প্রভাব উল্লেখযোগ্য। লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যা খুব-ই সাধারণ। শতকরা ৯০% মানুষ এই বিষয়টি নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগেন, বিষয়টি চেপে যান এবং লজ্জায় সঙ্গীর সাথে আলোচনা করেন না। জ্বর হলে আপনি যেমন ডাক্তারের কাছে যান, সঙ্গীর সেবা শুশ্রূষা নেন, তেমনি এই ধরনের সমস্যার ক্ষেত্রেও আপনাকে কথা বলতে হবে; আপনার সঙ্গীর সাথেই কথা বলতে হবে। উপরে উল্লিখিত ঘরোয়া নিয়ম কানুন মেনে এবং মানসিক অবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে সহজেই লিঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

মেয়েদের দুধ, মেয়ে, মেয়েদের মাসিক, লিংগ ছবি, চটি গল্প, চটি বই, গল্প, কৌতুক, নতুন চটি, বোনের সাথে সেক্সে, বাংগালী মেয়ের দুধের ছবি, choti bangla, বাঙলা চটী, বাংলা xxx, বাংলা চটি গল্প, চোদাচুদির গল্প, সানি লিওন

হস্ত মৈথুন সম্পর্কে প্রচলিত কিছু ভুল ধারনা

Some common misconceptions about coitus hand

নারী ও পুরুষ উভয় গোত্রের মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময় হস্ত মৈথুন এর মাধ্যমে নিজেদের যৌন চাহিদা পূরণ করে থাকে। যদিও এটি খুবি স্বাভাবিক একটি যৌনাচার, তবুও আমাদের মধ্যে এর সম্পর্কে কিছু ভুল ধারনা প্রচলিত আছে। এই ভুল ধারনা গুলির মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারনা নিয়ে আমরা আজ আলোকপাত করব।
ভুল ধারনাঃ হস্ত মৈথুন শুধু কম বয়স্ক দের জন্য হস্ত মৈথুন একটি সারা জীবন চলমান ক্রিয়া। পরিসংখ্যানে দেখা যায় ৭০ থকে ৯০ ভাগ নারী পুরুষ হস্ত মৈথুন করে থকেন।
ভুল ধারনাঃ হস্ত মৈথুন কারনে চোখের জতি কমে যাওয়া, চুল পড়া, ব্রন ওঠা, দীর্ঘ মেয়াদি দুর্বলতা, ক্যান্সার ইত্যাদি হতে পারে। ভুল, এমনকি ডাক্তার বলে থাকেন, হস্ত মৈথুনের কিছু মেডিক্যাল সুবিধা রয়েছে। যেমনঃ হস্ত মৈথুনের ফলে দুশ্চিন্তা, মাথা ব্যথা, নিদ্রা হিনতা ইত্যাদি সমস্যা কমে যেতে পারে।
ভুল ধারনাঃ হস্ত মৈথুন আসল যৌন ক্রিয়া নয়, হস্ত মৈথুন এর মাধ্যমে পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি সম্বব, যা সঙ্গম কালে পাওয়া যায়।
ভুল ধারনাঃ বিবাহিত মানুষরা হস্ত মৈথুন করে না, গবেষণায় দেখা গ্যাছে বিবাহিত নারী পুরুষ অবিবাহিত দের চেয়ে বেশি হস্ত মৈথুন করে।
ভুল ধারনাঃ পুরুষদের’ই শুধু হস্ত মৈথুন করতে হয়, নারী দের নয় নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবাই হস্ত মৈথুন করে থাকে।
ভুল ধারনাঃ হস্ত মৈথুন কারনে যৌন বাহিত রোগ হতে পারে, ভু, সমেহনে যৌন রোগ হবার সম্ভাবনা নেই।
ভুল ধারনাঃ হস্তম মৈথুনের ফলে মেয়েদের সন্তান ধারন ক্ষমতা ও পুরুশের বীর্য উৎপাদন কমে যায়, হস্ত মৈথুন একটি সম্পূর্ণ নিরাপদ যৌন ক্রিয়া, এর ফলে নারী পুরুষের সন্তান ধারন বা বীর্য উৎপাদনে ব্যঘাত ঘটে না।


মেয়েদের দুধ, মেয়ে, মেয়েদের মাসিক, লিংগ ছবি, চটি গল্প, চটি বই, গল্প, কৌতুক, নতুন চটি, বোনের সাথে সেক্সে, বাংগালী মেয়ের দুধের ছবি, choti bangla, বাঙলা চটী, বাংলা xxx, বাংলা চটি গল্প, চোদাচুদির গল্প, সানি লিওন

পুরুষদের কিছু সমস্যা এবং তার কারন


Some of the problem and its causes men

১. আগের মত আর উত্তেজিত না হওয়া,
২. লিংগ যথেষ্ট শক্ত না হওয়া,
৩. মিলনের স্থায়িত্ব আগের চেয়ে কমে আসা,
৪. দেরিতে বীর্যপাত বা একেবারেই হল না এবং চাহিদা মিটে গেল, পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে ইচ্ছে না করা।
কারন শতকরা ৯৮ ভাগ ক্ষেত্রে এগুলো মানসিক সমস্যা যেমন উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা এবং বিষন্নতা থেকে হয় আর অরগানিক কারনের মাঝে ডায়াবেটিস, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও অন্যান্য এন্ডোক্রাইন সমস্যা থেকে হতে পারে।