Female লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Female লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মেয়েদের মাসিক সম্পর্কে যে কথাগুলো জেনে রাখা দরকার !

মেয়েদের মাসিক -০৫

পিরিয়ড অর্থাৎ মেয়েদের মাসিক ঋতুচক্র (Menstruation) মেয়েদের জীবনের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ । আগে ধারণা করা হতো মেয়েদের মাসিক অনেক অপবিত্র একটি বিষয়। কিন্তু বর্তমানে সবার দৃষ্টিভঙ্গি অনেক বদলেছে। কোনো নারীর নিয়মিত মাসিক হওয়ার মানে হলো তিনি স্বাভাবিকভাবে সন্তান ধারণ করতে সক্ষম। কিন্তু আজও মেয়েদের মাসিক চক্রটি সম্পর্কে অনেকেই অনেক কিছু জানেন না। এবং না জানার কারণে মাসিক বা পিরিয়ড সংক্রান্ত নানা সমস্যায় ভুগে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন অনেক নারীই। তাই উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপিকা ডঃ হালিমা বেগমের কাছ থেকে মেয়েদের মাসিক সম্পর্কে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সম্পর্কে কিছু জরুরী তথ্য আজ জেনে নিন ।
১। মেয়েদের মাসিকের সঠিক সময়
সাধারণত ১১ থেকে ১৪ বছর বয়সের মধ্যে বেশীরভাগ মেয়েদের মাসিক প্রক্রিয়াটি শুরু হয়ে যায় এবং ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত চলতে পারে। তবে ১৫ বয়সের পরও যদি নিয়মিত পিরিয়ড শুরু না হয় তবে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। পিরিয়ড সাধারণত ২৮ দিন থেকে শুরু করে ৩০/৩৫ বা ৪০ দিন পরপর পর্যন্ত হতে পারে। তবে ২৮ থেকে ৩০ দিন পরপর হওয়া ভালো লক্ষণ। পিরিয়ড যদি অনিয়মিত হয় অর্থাৎ কোনো মাস বাদ চলে যায় এবং ১০-২০ দিন পর পর হতে থাকে তাহলে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
২) মাসিকের ব্যপ্তিকাল
বয়স ভেদে এবং শারীরিক গঠনের নানা বিষয়াদি বিবেচনায় ৩ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে পিরিয়ডের সময়কাল। তবে এক্ষেত্রে প্রতি মাসেই যে একই সময়ব্যাপী চলবে তা নাও হতে পারে। আবার খুব বেশি তারতম্য হলেও অবহেলা করা উচিত নয়। যদি খুব দ্রুত অর্থাৎ ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে পিরিয়ড শুরু হয়ে যায় তাহলে তা দেহে ফাইবারয়েড, হিমোগ্লোবিনের অভাব বা আয়রনের অভাবের লক্ষণ প্রকাশ করে থাকে।
৩) মাসিকের সাথে দেহের ফ্যাটের সম্পর্ক
যদি বডি ম্যাস ইনডেক্স অনুযায়ী আপনার দেহের ফ্যাট লেভেল অনেক বেশী কমে যায় তাহলে আপনার পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাবে। আপনি যদি একেবারেই ফ্যাট মুক্ত খাবার খাওয়া শুরু করেন তখন আপনার দেহের মেদ ভাঙতে শুরু করবে দেহের মেটাবোলিক কাজের জন্য এবং এতে করে ধীরে ধীরে ফ্যাট লেভেল কমতে থাকে। যখন তা কমে ৮-১২% এর নিচে নেমে আসে তখন মাসিক বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়াও অতিরিক্ত মোটা হয়ে গেলে দেহের হরমোনের তারতম্যের কারণেও মেয়েদের মাসিক বন্ধ হয়ে যায় এবং অনিয়মিত পিরিয়ড শুরু হয়।
৪) মেয়েদের মাসিকের সময় ব্যথা
মেয়েদের মাসিক শুরুর সময় ফ্লো বেশী থাকে যার কারণে অনেক সময় নার্ভে চাপ পড়ে থাকে এবং পিঠের দিকে ও পায়ে ব্যথা অনুভব হয়। যদি অতিরিক্ত ব্যথা এবং সেই সাথে খুব বেশী অস্বস্তি অনুভব হতে থাকে তাহলে তা হরমোনের তারতম্যের কারণে হয়ে থাকে। তবে যদি কখনোই পিরিয়ডের সময় ব্যথা না হয়ে হুট করে ব্যথা শুরু হয় তাহলে তা অবশ্যই অবহেলার নয়। এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহন করা উচিত।
মেয়েদের মাসিক, নারীদের মাসিক, মহিরাদের মাসিক, মাসিকের সময়, মাসিক হয়, মাসিকের সময়, মাসিক হলে ব্যাথা, মাসিকের সময় তলপেটে ব্যাথা, মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, মাসিকের চিকিৎসা, মাসিকের ওসুধ, মাসিকের, পিরিয়ড সমস্যা, পিরিয়ডের চিকিৎসা, পিরিয়ডের ওষুধ, পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ,নারীদের পিরিয়ড, মেয়েদের পিরিয়ড, মহিলাদের পিরিয়ড,মহিলাদের ঋতুচক্র, নারীদের ঋতুচক্র, মেয়েদের ঋতুচক্র,মেয়েদের ঋতুস্রাব, নারীদের ঋতুস্রাব,মহিরাদের ঋতুস্রাব, অতিরিক্ত সাদাস্রাবের কারন, সাদাস্রাব,নারদের সাদাস্রাব, মহিলাদের সাদাস্রাব, মেয়েদের সাদাস্রাব, সাদাস্রাবের কারণ, period, period problem,period somossa, mashik hola ke korbo, mashik somossa, meyader mashik, meyeder period

মেয়েদের মাসিক বা ঋতুচক্র কেন হয়?

মেয়েদের মাসিক-০৪
প্রতি চন্দ্রমাস পরপর হরমোনের প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত অংশ যোনিপথে বের হয়ে আসে তাকেই মেয়েদের মাসিক বা ঋতুচক্র বলে।

মেয়েদের মাসিক এর তিনটি অংশ, ১মটি চারদিন স্থায়ী হয় (৪-৭ দিন) এবং একে মিনস্ট্রাল ফেজ, ২য়টি ১০দিন (৮-১০ দিন) একে প্রলিফারেটিভ ফেজ এবং ৩য়টি ১৪ দিন (১০-১৪ দিন) স্থায়ী হয় একে সেক্রেটরি ফেজ বলা হয়।

মিনস্ট্রাল ফেজ এই যোনি পথে রক্ত বের হয়। ৪-৭ দিন স্থায়ী এই রক্তপাতে ভেঙ্গে যাওয়া রক্তকনিকা ছাড়াও এর সাথে শ্বেত কনিকা, জরায়ুমুখের মিউকাস, জরায়ুর নিঃসৃত আবরনি, ব্যাকটেরিয়া, প্লাজমিন, প্রস্টাগ্লানডিন এবং অনিষিক্ত ডিম্বানু থেকে থাকে। ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোনের যৌথ ক্রিয়ার মেয়েদের মাসিক এর এই পর্বটি ঘটে।

প্রলিফারেটিভ ফেজ ৮-১০ দিন স্থায়ী হতে পারে। শুধু ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাবে এটি হয়। এই সময় জরায়ু নিষিক্ত ডিম্বানুকে গ্রহন করার জন্য প্রস্ততি নেয়।

মেয়েদের মাসিক এর সেক্রেটরি ফেজ টা সবচেয়ে দীর্ঘ, প্রায় ১০ থেকে ১৪ দিন। একে প্রজেস্টেরন বা লুটিয়াল ফেজ ও বলা হয়। এটিও ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন উভয় হরমোনের যৌথ কারনে হয়। এই সময় নিষিক্ত ডিম্বানুর বৃদ্ধির জন্য জরায়ু সর্বোচ্চ প্রস্ততি নিয়ে থাকে।

ডিম্বাশয়ের কোনো ডিম্বানু শুক্রানু দ্বারা নিষিক্ত না হলে জরায়ু আবার মিনস্ট্রাল ফেজে চলে যায়। এভাবেই পূর্ন বয়স্ক মেয়েদের মাসিক বা ঋতুচক্র চলতে থাকে।
আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটে কোন প্রকার অশ্লীল আর্টিকেল দেওয়া হয় না। মূলত যৌন জীবনকে সুস্থ্য, সুন্দর ও সুখময় করে তোলার জন্য জানা অজানা অনেক কিছু তুলে ধরা হয়।এরপরও আপনাদের কোর প্রকার অভিযোগ থাকলে Contact Us মেনুতে আপনার অভিযোগ জানাতে পারেন, আমরা আপনাদের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করব। ধণ্যবাদ আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটের সাথে থাকার জন্য।

মেয়েদের মাসিক, নারীদের মাসিক, মহিরাদের মাসিক, মাসিকের সময়, মাসিক হয়, মাসিকের সময়, মাসিক হলে ব্যাথা, মাসিকের সময় তলপেটে ব্যাথা, মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, মাসিকের চিকিৎসা, মাসিকের ওসুধ, মাসিকের, পিরিয়ড সমস্যা, পিরিয়ডের চিকিৎসা, পিরিয়ডের ওষুধ, পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ,নারীদের পিরিয়ড, মেয়েদের পিরিয়ড, মহিলাদের পিরিয়ড,মহিলাদের ঋতুচক্র, নারীদের ঋতুচক্র, মেয়েদের ঋতুচক্র,মেয়েদের ঋতুস্রাব, নারীদের ঋতুস্রাব,মহিরাদের ঋতুস্রাব, অতিরিক্ত সাদাস্রাবের কারন, সাদাস্রাব,নারদের সাদাস্রাব, মহিলাদের সাদাস্রাব, মেয়েদের সাদাস্রাব, সাদাস্রাবের কারণ, period, period problem,period somossa, mashik hola ke korbo, mashik somossa, meyader mashik, meyeder period

মেয়েদের মাসিক/ঋতুস্রাব চক্র:

মেয়েদের মাসিক-০৩

সাধারণতঃ ১০-১২বছর বয়সে মাসিক শুরু হয় এবং ৪৯ বছরের পর স্বাভাবিক নিয়মেই তা বন্ধ হয়ে যায় । তবে কারো কারো ক্ষেত্রে এর আগে বা পরেও হতে পারে । গড়ে প্রতি ২৮দিন পর পর মেয়েদের যোনিপথ দিয়ে যে রক্তস্রাব হয় তাকে মাসিক বা ঋতুস্রাব চক্র বলে ।মাসিক সাধারণত ৪-৫দিন থাকে (তবে কারো কারো ক্ষেত্রে এর স্থায়িত্ব কম-বেশি হতে পারে) এবং মাসিক হওয়ার দিন থেকেই মাসিক চক্র শুরু হয় । মাসিক মেয়েদের দেহের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ।
কেন মাসিক হয় :
মস্তিকে পিটুইটারী গ্লান্ডে তৈরি হরমোন নামক এক প্রকার জৈব রাসায়নিক পদার্থ নালীহীন গ্রন্থি থেকে রক্তে মিশে ক্রিয়া করে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের পরিবর্তন ঘটায় । মেয়েদের ক্ষেত্রে এমট্রেজেন ও প্রজেসস্ট্রেজন হরমোনের প্রভাবে প্রতিমাসে একটি ডিম্ব পরিপক্ক হয় । ডিম্ব ফ্যালোপিয়ান টিউব দিয়ে জরায়ুর দিকে যেতে থাকে, এসময় পুরুষের সাথে যৌন মিলন না হলে ডিম্ব ফেঁটে যায় এবং জরায়ুর গায়ে জমা রক্তসহ বেরিয়ে আসাকে মাসিক বলে । মাসিক শুরু হলে একজন মেয়ের সন্তান ধারনের ক্ষমতা হয় ।
মাসিক নিয়ে কিছু ভুল ধারণা আছে যা সঠিক নয়
ভুল ধারণা সঠিক ধারণা
মাসিক লজ্জার বিষয় মাসিক লজ্জার বিষয় নয়
মাসিক সব মেয়েরই হয় ।
মাসিকের রক্ত দূষিত হয় মাসিকের রক্ত কোন প্রকার দূষিত
রক্ত নয়, হরমোনের প্রভাবে
প্রতিমাসে জরায়ুতে এই রক্ত তৈরী হয়
এবং স্বাভাবিক নিয়মে বের হয়ে যায় ।
মাসিকের সময় টক বা মাছ খাওয়া যায় না এ সময় শরীর থেকে প্রচুর
রক্ত বের হয়ে যা তাই এসময়
বেশি বেশি খাবার খেতে হয়।শরীরের
ক্ষয় পূরণ হয় এমন খাবার যেমন
মাছ,মাংস,ডিম,দুধ,ডাল,শাক-সবজি ও ফলমূল
ইত্যাদি বেশি করে খেতে হয় ।
মাসিক চলাকালে সব ধরণের কাজ করা যায় না সব ধরণের কাজ করা যায়
মাসিকের সময় কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয় :
১. মাসিক শুরু হলে ভয় না পেয়ে প্রথমে পরিবারের মা, ভাবি বা বড় বোনকে জানাতে হবে ।
২. পরিষ্কার ও শুকনো কাপড়/প্যাড ব্যবহার করতে হবে । কাপড়/প্যাড ভিজে গেলেই বদলাতে হবে । বদলানোর পর অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে ।
৩. বদলানো কাপড় যদি কেউ পুনরায় ব্যবহার করতে চায় তাহলে কাপড় সাবান দিয়ে ধুয়ে কড়া রোদে শুকাতে হবে ।তাহলে রোগ জীবানু ভালভাবে ধ্বংস হয় ।
৪. মাসিকের সময় পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে ।
৫. মাসিকের সময় প্রতিদিন গোসল করতে হবে ।
মেয়েদের ঋতুস্রাব
মেয়েদের ঋতুস্রাব যখন আগে হয়ঃ নয় দশ বছর বয়সে ঋতুমতী হওয়া বা তারও আগে শরীরের যৌবনের লক্ষণগুলো দেখা দেয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সুতরাং অহেতুক চিন্তার কোন কারণ নেই । পরিবারের বয়স্করা তাকে এ সময় আশ্বস্ত করবে যে এটা কোন রোগ নয় বরং প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম । হাজারো মাত্র দুই জনের ক্ষেত্রে খুব কম বয়সে ঋতুস্রাব হতে পারে শারীরিক রোগের জন্য । জন্মগত ক্রটি মেনিনজাইটিস বা মস্তিষ্কের অন্য কোনও রোগ, পিটুইটারি বা ডিম্বাশয়ের কিছু টিউমার হলে এরকম হতে পারে । ঋতুস্রাবের সঙ্গে সঙ্গে রোগটার অন্য উপর্সগগুলোও দেখা দেয় । উপর্সগগুলোও দেখা দিলে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরার্মশ নেয়া জরুরী ।
মেয়েদের ঋতুস্রাব যখন দেরিতে হয়ঃ অনেক সময় মেয়েদের ঋতুস্রাব ১৫/১৬ বছর বয়সে হয় না । হয়তো তার শরীরে যৌবনের অন্য লক্ষণগুলো আসে দেরি করে । যেসব মেয়েদের ঋতুস্রাব ১৫/১৬ বছর বয়সে হয় না, বমেন মেয়েদের শতকরা ৯৯ জনই ১৮ বছর বয়সের ভেতর ঋতুমতী হয় । পরবর্তী জীবনে স্বাভাবিক সন্তান জন্ম দেন । ১৮ বছর বয়স পেরিয়ে গেলে ঋতুস্রাব না হলে দেখতে হবে শরীরে অন্যান্য রোগের উপসর্গ রয়েছে কিনা । এরকম হলে বিশেষজ্ঞের পরার্মশ নিতে হবে । তবে চিন্তার কোন কারন নেই, হয়তো কোন হরমোন সংক্রান্ত জটিলতায় এমনটি ঘটেছে । সাধারণ মাত্রার ওষুধ খেলেই এটা ঠিক হয়ে যাবে । তবে অপেক্ষা করবেন শেষ সময় পর্যন্ত ।
ঋতুস্রাব অসহনীয় ব্যথাঃ এটি অনেকের হয়ে থাকে । তবে ব্যথা অসহনীয় হলে ‘RENOVA’ (Paracitamol BP 500mg) খাওয়া যেতে পারে ।
অনিয়মিত ঋতুস্রাবঃ
• ঋতুস্রাব ২৮-৩০ দিনের বদলে ২ থেকে ৩ মাস বাদে বাদে স্রাব হলে ।
• কখনও একটানা ৫ থেকে ৬মাস ঋতুস্রাব বন্ধ থাকলে ।
• কিছু ক্ষেত্রে কখনও ১০ থেকে ১৫ দিন বাদে, কখনও ২ থেকে ৩ মাস বাদে স্রাব হচ্ছে – এই ধরনের চুড়ান্ত অনিয়ম দেখা যায় ।
অনিয়মিত ঋতুস্রাব কারনঃ অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক চাপ, অতিরিক্ত ভাবনা চিন্তা থেকে হতে পারে ।
অনিয়মিত ঋতুস্রাবে করণীয়ঃ অনিয়ম চুড়ান্ত পর্যায় হলে স্ত্রী বিশেষজ্ঞ পরার্মশ নিতে হবে
ঋতুস্রাব যখন খুব বেশি
যৌবনের শুরুতে এটাও অনেক মেয়েদের সাধারণ একটা সমস্যা । মাসিক ৪ থেকে ৫ দিনের বদলে ৭/৮ বা ১৪/১৫ দিন পর্যন্ত হতে পারে । কখনও বা ৪/৬ দিনই স্রাব হয়, পরিমানে খুব বেশি হচ্ছে কিনা তা বুঝতে হলে নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য করুন ।
• ২৪ ঘন্টায় ৪/৫টার বেশি ‘ন্যাপকিন’ বা ন্যাকড়া (গ্রামাঞ্চলের মেয়েরা যা ব্যবহার করে) পুরোপুরি ভিজে গেলে পরবর্তী সেগুলো বদল করার জরুরী প্রয়োজন হলে ঋতুস্রাব বেশি হচ্ছে বলে বুঝতে হবে ।
• ঋতুস্রাব একটানা ৭/৮ দিনের বেশি চলতে থাকলে ।
• স্রাবের সঙ্গে রক্তের ছোট বড় চাকা বা ডেলা বের হতে থাকলে । ফাইব্রিনোলাইসিন নামের তঞ্চনরোধী পর্দাথের উপস্থিতির জন্য ঋতুস্রাবের রক্ত তরল থাকে, জমাট বাধে না । রক্তস্রাবের পরিমান খুব বেশি হলে এই তঞ্চনরোধক পুরো রক্তটাকে তরল রাখতে পারে না । কিছুটা রক্ত জমাট বেঁধে স্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে ।
শতকরা ৯০ জনের ক্ষেত্রে এটা কোন কোন রোগের জন্য হয় না । কিছু হরমোনের অনিয়মিত নিঃসরনের এর জন্য দায়ী । শতকরা দশের জনের ক্ষেত্রে এরকম হতে পারে কোন রোগের কারনে । বিশেষ করে যক্ষা, লিউকোমিয়া বা রক্ততঞ্চন ধরনের বিশেষ কোন রোগের কারনে । এই সময় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরার্মশ নেয়া প্রয়োজন । ডাক্তারের পরামর্শে রক্ত পরীক্ষাসহ অন্যান্য পরীক্ষা করার পর কোন রোগ ধরা না পড়ে । তবে বিষয়টিকে হরমোনঘটিত বলে ধরে নেয়া হয় । এই সমস্যাটিকে ‘puberty Menorrhagia’ বলা হয় । এই সময় পরিবারের মা, বড় বোন বা পরিবারের অন্যান্য বয়স্কা আত্নীয়দের আক্রান্ত মেয়েটিকে বারবার বোঝাতে হবে, ওর তেমন কিছু হয়নি এরকম অনেকেরই হয় ।
ঋতুস্রাব যখন একেবারেই কম হয়
সাধারণত এ্যানেমিয়া বা রক্তস্বল্পতা হলে মাসিকের পরিমান কমে যেতে পারে । অর্থাৎ ১/২দিন স্রাব থাকলে । তবে সবার ক্ষেত্রে তা ঠিক নয় । চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন, বিশেষ করে কর্মরত বা শহরাঞ্চলের মেয়েদের ঋতুস্রাব কমেছে, এটা অস্বাভাবিক নয় ।
সাধারণত ঋতুস্রাবের পরিমাণ বা সময় কমে গেলে ‘মাসিক পরিষ্কার হয় না’- এই রকম ধারণা রয়েছে অনেকের । এই রক্ত শরীরের রয়ে গেলে শরীরের ব্যাপক ক্ষতি হয় । এগুলো ভুল ধারনা । মাসিকের সময় যে রক্তস্রাব হয়, তা শরীরের সাধারণ রক্ত । হাত কেটে গেলে বা মাথা ফেটে গেলে রক্তবাহী নালিকা ছিঁড়ে যে রক্ত বের হয়-মাসিকের রক্ত অনেকটা সেরকম । জরায়ুর শে-ষ্মাঝিলি-বা এন্ড্রোমেট্রিয়াম-এর ভেতরকার রক্তবাহী নালিকাগুলো ছিঁড়ে রক্তস্রাব হয় এই কয়দিন । এর শরীরের কোনও দূষিত পদার্থ বাইরে বের হয়ে আসে না ।
ঋতু কালে সর্তকর্তা
১. ঋতুর কয়েকটি দিন অন্তত প্রথম তিনটি দিন কঠিন পরিশ্রমের কাজ থেকে বিশ্রাম নেয়াই উচিত ।
২. এই সময় বেশি শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম করা উচিত নয় ।
৩. ঠান্ডা লাগানো, বৃষ্টির পানিতে ভেজা ঠিক নয় । বেপরোয়া লাফালাফি করা মোটেই উচিত নয় ।
৪. জীবাণুমুক্ত তোয়ালে বা তুলো ব্যবহার করতে হবে । তা না হলে পরিষ্কার কাপড় ফুটন্ত পানিতে সিদ্ধ করে শুকিয়ে ব্যবহার করতে হবে ।
৫. খুব বেশিক্ষণ এক কাপড় বা প্যাড যোনিমুখে লাগিয়ে রাখা স্বাস্হ্যসম্মত নয় । তাই মাঝে মাঝেই সেটি বদলাতে হবে ।
৬. মূত্রত্যাগের সময় অবশ্যই যৌনাঙ্গ এবং তার চারপাশে ডেটল মেশানো পানি দিয়ে ধুতে হবে । মনে রাখতে হবে এইসময় যৌনাঙ্গ বিভিন্ন রোগ সংক্রমণের উপযুক্ত সময় ।
মেনোপেজ বা রজনীবৃওি বা ঋতুস্রাব বন্ধ
কোন মহিলার জবিনে একটা বয়সে ঋতুস্রাব চিরদিনের জন্য বন্ধ হয়ে যায় । এই অবস্থার নাম রজনীবৃত্তি বা মেনোপেজ । সাধারনত ৪৫-৪৭ বছর বয়সে এরকম হয় । তবে কারো ৪০-এ বন্ধ হয়, আবার কারো বা ৫২-৫৩ বছর বয়স পর্যন্ত বন্ধ হয় না । মেনোপেজ – কথাটি আরেক অর্থ হলো জীবনের পরিবর্তন । মেনোপেজের ২-৫ বছর আগে বা ২/৩ বছর পর পর্যন্ত এই পরিবর্তনের জন্য শরীর – মনের নানা সমস্যায় ভুগতে পারেন ।
ক) যৌবন শেষ হবার বছরগুলোতে বেশিরভাগ মহিলা যে উপসর্গে কষ্ট পান, তা হল “হট -ফ্ল্যাশ” । এতে কান, মাথা জুড়ে হঠাৎ করে খুব গরম লাগতে থাকে । মাথা কিংবা কান থেকে যেন আগুনের হালকা বের হতে থাকে । সেই সাথে সারা শরীর জুড়ে ঘাম দেখা দিতে পারে । কেউ কেউ এই উপসর্গ এত কষ্ট পান যে রাতে ভালো করে ঘুমাতে পারেন না ।
খ) বুক ধড় পড় করা, কোষ্ঠকাঠিন্য, হজমের গোলমাল, পেটভার, বুকে অল্প অল্প ব্যথা -এই উপসর্গ দেখা দেয় ।
গ) অল্প অল্প পরিশ্রমে বেশি ক্লান্তি, শরীরের চামড়ার টান টান ভাব চলে গিয়ে চামড়ার রুক্ষতা, ভাজঁ পড়া, বেশি চুল পড়তে থাকা, শরীরের মেদ বেড়ে ওজন বেড়ে যাবার কষ্ট – এগুলো এসময়কার সাধারণ সমস্যা ।
ঘ) ৪০ – পর থেকে অনেক মহিলারা গেটেঁ বাত, চলাফেরায় পায়ের গোড়ালি ব্যথা, কোমর – পিঠে ব্যথা – এসব কষ্ট পান ।
রজঃনিবৃওির পর শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে ইস্ট্রোজেন হরমোনের অভাবের ছাপ পড়ে । যেমন:
হৃদরোগ : ইস্ট্রোজেন কমে যাওয়ার ফলে পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার পর হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায় ।
অস্থি ভঙ্গুরতা : মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার পর প্রথম কয়েক বছর অতি দ্রুত অস্থির ঘনত্ব কমে যায় যা অস্থিক্ষয় নামে পরিচিত । এর ফলে হাড় নরম এবং ভঙ্গুর হয়ে পড়ে । সাধারণত মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার পর মেয়েদের নিতম্ব, কবজি, শিরদাঁড়া ইত্যাদি হাড় ভাঙ্গার প্রবণতা অনেকগুণ বেড়ে যায় ।
মূএ ধারণে সমস্যা : মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার পর মূএনালী এবং যৌনাঙ্গের আবরণ এবং ইলাস্টিক কলা অনেক দুর্বল হয়ে যায় । ফলে মূএথলিতে মূএ ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায় । হাসি – কাশি কিংবা ভারী জিনিসপএ ওঠানো নামানো করতে গেলেই অনেকের মূএ নিঃসরণ হয়ে যায় ।
স্থুলকায় : মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার সময় অনেক মহিলার ওজন বেড়ে যায় ।
সুতরাং মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার সঙ্গে হৃদরোগ, হাড়ের সমস্যা ইত্যাদি জটিলতা রয়েছে কিনা তা শনাক্ত করার জন্য কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার প্রয়োজন হতে পারে ।
এই সমস্যাগুলো সবার ক্ষেত্রে আসবে তবে একে পাশ কাটানোর চেষ্টা করতে হবে ।
ক) মানসিক বিনোদনে সময় বাড়ান । গান – বাজনা, সেলাই, বাগান করা, পড়াশোনা, চাকরি – যে কাজে আনন্দ খুজেঁ পান, তাতেই নিয়ম করে সময় দেন ।
খ) এসময় ঔষধ খাবারের অভ্যাস তৈরি হয় সহজেই । সুতরাং সর্তক থাকুন ।
গ) পুষ্টিকর খাবার খান । নিয়মিত ডাক্তারের ভিজিট করুন ।
ঘ) অস্বাভাবিক কোন স্ত্রীরোগ উপসর্গ দেখা দিলে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেন ।
ঙ) স্ত্রী বা মায়ের ভুমিকা থেকে নানী, দাদির ভূমিকা কম গুরুত্বপূর্ন নয় । তাই নতুন সর্ম্পক গুলোতে সময় দেন, সময় সুন্দর কেটে যাবে ।
চ) এই সময় নানা সামাজিক কাজকর্মে, বা গঠনমূলক কাজে জড়িত হওয়া যেতে পারে । আজকাল নানা বিনোদনমূলক ক্লাব গড়ে ওঠেছে এগুলোতে যোগ দেওয়া যেতে পারে ।
মেনোপেজের আগে – পরে নানা সমস্যা
১) একটানা বেশ কিছুদিন রক্তস্রাব হতে থাকা ।
২) একটানা ছয়মাস বন্ধ থাকার পর আবার রক্তস্রাব দেখা দেয় ।
৩) প্রত্যেক মাসে বা অনিয়মিতভাবে খুব বেশি স্রাব হতে থাকা ।
৪) দুটো স্বাভাবিক পিরিয়ড এর মাঝে রক্তস্রাব হয় ।
৫) সহবাসের পর রক্তস্রাব হয় ।
৬) মেনোপেজ হয়ে যাবার পর হঠাৎ খুব বেশি সাদা স্রাব ।
উপরোক্ত সমস্যাগুলোতে ডাক্তারে পরামর্শ অনুযায়ী সাইটোলজি ডায়াগনস্টিক কিউরেটাজ বা বায়োপসির মত পরীক্ষা করাতে দেরি করবেন না । গোড়াতে ধরা পড়লে জরায়ুর মুখে ক্যানসার বা জরায়ুর ক্যানসার বেশি ছড়িয়ে পড়ার আগে অস্ত্রোপচারে ভালো কাজ হয় । রোগটা অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে না ।
ঋতুকালীন মিলন
ঋতু চলাকালীন সময়ে যৌনমিলন করলে নিচের সমস্যা দেখা দিতে পারে ।
১) ঋতুকালে জরায়ু ও যোনির অম্লভাব থাকে না – তাই এটি রোগজীবানু দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে ।
২) জরায়ুতে ব্যথা লাগতে পারে । অনেক সময় যোনিতে প্রবিষ্ট উত্তেজিত লিঙ্গের পুনঃ পুনঃ ধাক্কায় ভেতরের ইউটেরাসের মুখ ঘুরে যেতে পারে । এতে করে পরবর্তী মারাত্মক কুফল নেমে আসে মেয়েটির জীবনে ।
৩) মিলন পরবর্তী মুহূর্তে জরায়ুতে প্রচন্ড ব্যথা অনুভূত হতে পারে । সেই সাথে তলপেটে চিনচিনে ব্যথা অনুভূত হতে পারে । অনেক সময় দেখা গেছে ঋতুকালীন অবস্থায় যৌনমিলনের প্রায় সাত থেকে আট ঘন্টা পর প্রচন্ড পেট ব্যথায় নারী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে ।
৪) রক্তপাত বেশি হতে পারে ।
৫) দেহ অপবিত্র লাগে । মানসিক অরুচি সৃষ্টি হতে পারে ।
৬) সঙ্গী পুরুষের লিঙ্গে রক্ত লেগে যৌনমিলনের প্রতি তার বিতৃষ্ণা জন্মাতে পারে ।
৭) পুরুষের লিঙ্গে কোন অসুখ থাকলে এইসময় তা অতিদ্রুত নারীর যোনিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং নারীর যোনি এই সময় অতি সহজে আক্রান্ত হতে পারে ।
৮) শুধু পুরুষ লিঙ্গই নয় । নারীদেহে যদি কোন সংক্রামক রোগ থাকে – তাহলে এইসময় সেটা অতিদ্রুত পুরুষদেহে সংক্রামিত হতে পারে ।
................................................................................................................................................
মেয়েদের মাসিক, নারীদের মাসিক, মহিরাদের মাসিক, মাসিকের সময়, মাসিক হয়, মাসিকের সময়, মাসিক হলে ব্যাথা, মাসিকের সময় তলপেটে ব্যাথা, মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, মাসিকের চিকিৎসা, মাসিকের ওসুধ, মাসিকের, পিরিয়ড সমস্যা, পিরিয়ডের চিকিৎসা, পিরিয়ডের ওষুধ, পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ,নারীদের পিরিয়ড, মেয়েদের পিরিয়ড, মহিলাদের পিরিয়ড,মহিলাদের ঋতুচক্র, নারীদের ঋতুচক্র, মেয়েদের ঋতুচক্র,মেয়েদের ঋতুস্রাব, নারীদের ঋতুস্রাব,মহিরাদের ঋতুস্রাব, অতিরিক্ত সাদাস্রাবের কারন, সাদাস্রাব,নারদের সাদাস্রাব, মহিলাদের সাদাস্রাব, মেয়েদের সাদাস্রাব, সাদাস্রাবের কারণ, period, period problem,period somossa, mashik hola ke korbo, mashik somossa, meyader mashik, meyeder period
..........................................................................................................................................

মেয়েদের মাসিক কেন হয়?

মেয়েদের মাসিক-০২

প্রতি চন্দ্রমাস পরপর হরমোনের প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত অংশ যোনিপথে বের হয়ে আসে তাকেই ঋতুচক্র বলে।
এর তিনটি অংশ, ১মটি চারদিন স্থায়ী হয় (৪-৭ দিন) এবং একে মিনস্ট্রাল ফেজ, ২য়টি ১০দিন (৮-১০ দিন) একে প্রলিফারেটিভ ফেজ এবং ৩য়টি ১৪ দিন (১০-১৪ দিন) স্থায়ী হয় একে সেক্রেটরি ফেজ বলা হয়।
মিনস্ট্রাল ফেজ এই যোনি পথে রক্ত বের হয়। ৪-৭ দিন স্থায়ী এই রক্তপাতে ভেঙ্গে যাওয়া রক্তকনিকা ছাড়াও এর সাথে শ্বেত কনিকা, জরায়ুমুখের মিউকাস, জরায়ুর নিঃসৃত আবরনি, ব্যাকটেরিয়া, প্লাজমিন, প্রস্টাগ্লানডিন এবং অনিষিক্ত ডিম্বানু থেকে থাকে। ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোনের যৌথ ক্রিয়ার এই পর্বটি ঘটে।
প্রলিফারেটিভ ফেজ ৮-১০ দিন স্থায়ী হতে পারে। শুধু ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাবে এটি হয়। এই সময় জরায়ু নিষিক্ত ডিম্বানুকে গ্রহন করার জন্য প্রস্ততি নেয়।
সেক্রেটরি ফেজ টা সবচেয়ে দীর্ঘ, প্রায় ১০ থেকে ১৪ দিন। একে প্রজেস্টেরন বা লুটিয়াল ফেজ ও বলা হয়। এটিও ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন উভয় হরমোনের যৌথ কারনে হয়। এই সময় নিষিক্ত ডিম্বানুর বৃদ্ধির জন্য জরায়ু সর্বোচ্চ প্রস্ততি নিয়ে থাকে।
ডিম্বাশয়ের কোনো ডিম্বানু শুক্রানু দ্বারা নিষিক্ত না হলে জরায়ু আবার মিনস্ট্রাল ফেজে চলে যায়। এভাবেই পূর্ন বয়স্ক মেয়েদের ঋতুচক্র চলতে থাকে।

মেয়েদের মাসিক, নারীদের মাসিক, মহিরাদের মাসিক, মাসিকের সময়, মাসিক হয়, মাসিকের সময়, মাসিক হলে ব্যাথা, মাসিকের সময় তলপেটে ব্যাথা, মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, মাসিকের চিকিৎসা, মাসিকের ওসুধ, মাসিকের, পিরিয়ড সমস্যা, পিরিয়ডের চিকিৎসা, পিরিয়ডের ওষুধ, পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ,নারীদের পিরিয়ড, মেয়েদের পিরিয়ড, মহিলাদের পিরিয়ড,মহিলাদের ঋতুচক্র, নারীদের ঋতুচক্র, মেয়েদের ঋতুচক্র,মেয়েদের ঋতুস্রাব, নারীদের ঋতুস্রাব,মহিরাদের ঋতুস্রাব, অতিরিক্ত সাদাস্রাবের কারন, সাদাস্রাব,নারদের সাদাস্রাব, মহিলাদের সাদাস্রাব, মেয়েদের সাদাস্রাব, সাদাস্রাবের কারণ, period, period problem,period somossa, mashik hola ke korbo, mashik somossa, meyader mashik, meyeder period

অনিয়মিত মাসিক সমস্যার সমাধান

মেয়েদের মাসিক-০১

অনিয়মিত মাসিক (Menstrual Regulation)। এটা মেয়েদের সাধারণ সমস্যার একটি। মাসিক প্রক্রিয়ার এই অনিয়মকে চিকিত্সা বিজ্ঞানের ভাষায় অ্যামেনোরিয়া বলা হয়। প্রতি মাসে এটি হয় বলে এটিকে বাংলায় সচরাচর মাসিক বলেও অভিহিত করা হয়। মাসিক রজঃস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া নারীর গর্ভধারণের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। স্বাভাবিক ক্ষেত্রে এই মাসিক রজঃস্রাব আটাশ দিন পর পর হবে। তবে দু-একদিন আগে-পরে হতে পারে। দু-একদিনের হের-ফের স্বাভাবিক। ঋতুস্রাব সমস্যা শুরু হলে প্রথমে গর্ভধারণ টেস্ট (প্রেগনেন্সি টেস্ট) করা দরকার। শারীরিক ওজন বাড়লে বা কমলে অনিয়মিত ঋতুস্রাব হতে পারে। মেয়েদের মাসিক হওয়ার পর শরীরে নানান ধরনের পরিবর্তন আসে। 

নারীর বয়স ৪০ পার হওয়ার পর থেকে ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতা আস্তে আস্তে কমতে থাকে। প্রত্যেক মহিলার তলপেটে জরায়ুর দু’ধারে দুটি ডিম্বাশয় থাকে। এর কাজ হল ডিম্বস্ফুটন এবং হরমোন নিঃসরণ। কমপক্ষে সাধারণত ছয় মাস একটানা রক্তস্রাব বন্ধ থাকলে ধরে নেয়া যায় যে মেনোপজ হয়ে গেছে। মাসিক চক্রের সময় শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে হরমোন নিঃসৃত হয়। মাসিকের সময় তলপেট তীব্র ব্যথা হয়। একে ডিজমেনোরিয়া বলে। তলপেটে হালকা মেসেজ করলে ব্যথা কমে যাবে। প্রতি তিন বা চার ঘন্টা পর প্যাড পরিবর্তন করতে হবে। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে যেমন হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার ইত্যাদি। নারীদের মধ্যে অনেকেই অনিয়মিত ঋতুস্রাব সমস্যায় ভোগেন।

মাসিকের প্রথম দিন গুলোতে প্রতি ঘন্টায় কাপড় বদল করতে হয়। অতিরিক্ত রক্তপাত হলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম করতে হবে। মাসিক যাদের অনিয়মিত হয় তাদের এভাবে ২-৩ মাস পরে মাসিক হতে পারে যদিও তারা প্রেগ্নান্ট না। অনিয়মিত মাসিক হয় তাহলে তার PCOS বা অন্য সমস্যা থাকতে পারে। মাসিকের আগে বা পরে হরমোনের কারণে স্তন ব্যথা হতে পারে। এটা কোনো রোগ নয়, পেইনকিলার মাঝেমধ্যে খেতে পারেন। স্তন ব্যথাকে স্বাভাবিক ধরে নিলেই ভালো। মাসিক অনিয়মিত হওয়ার জন্য আপনাকে কিছু হরমোন টেস্ট করতে হবে। যেসব যুবতীর মাসিক নিয়মিত হয় বুঝতে হবে তাদের ডিমগুলো সময়মতো ফুটে থাকে। আমাদের দেশে শতকরা ৩০ থেকে ৪০ জন মহিলার নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে মাসিক আরম্ভ হয় না।
৬ মাসের বেশি সময় ধরে মাসিক না হয় অথবা বয়স ১৬ হওয়ার পরেও মাসিক শুরুই না হয়ে থাকে তাহলে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। কারন বিষয়টিকে অবহেলা করলে শরীরের গ্রোথ হরমোন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটবে এবং শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্থ হবে। জন্ম থেকেই কোন কোন মহিলার যোনিতে ত্রুটি থাকে । এর ফলে মাসিক অনিয়মিত হয়। হরমোণের পরিবর্তনের ফলে ডিম্বস্ফোটনে (Ovulation) সমস্যা হতে পারে। মেয়েরা পিরিয়ড কবে হবে তার জন্য এমন ভাবে অপেক্ষা করেন, পরীক্ষার রেজাল্টের জন্যও বোধহয় তা করেন না। যে কোনও রকম চিন্তা, যেমন সামনে পরীক্ষার দুশ্চিন্তা থাকলে, বাড়িতে কোনও রকম দুর্ঘটনা ঘটলে বা কোনও খারাপ খবর পেলে খেয়াল করে দেখবেন, পিরিয়ডের গোলমাল শুরু হয়। ২০ থেকে ৪০ বছরের মহিলার ক্ষেত্রে পিরিয়ড অনিয়মত হলে বা বেশি হলে অবশ্যই ধরে নিতে হবে, তার মধ্যে অস্বাভিকতা আছে। 

অনিয়মিত ঋতুস্রাব বন্ধে যা করা উচিতঃ 
প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন এবং নিজেকে ঠান্ডা রাখুন। শারীরিক এবং মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলুন। নিয়মিত শরীর চর্চা, সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন এবং ক্যাফেইন জাতীয় খাবার পরিহার করুন। ওজন বেশি থাকলে ওজনও কমাতে হবে। নিয়মিত কাঁচা পেপে খেলে অনিয়মিত মাসিকের জন্য অনেক উপকারী। তবে যারা গর্ভবতী তাদের কাঁচা পেপে না খাওয়াই ভাল, এতে গর্ভপাত হতে পারে। জননাঙ্গের যক্ষা, গণোরিয়া, সিফিলিস, এইডস, ডায়াবেটিস প্রভৃতির কারণে হতে পারে। মাসিকের সময় প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম ও আয়রনের চাহিদা তৈরি করে। পিরিয়ড এক বা দুই সপ্তাহ আগে হলে গাজর, কলা, আপেল, পেয়ারা, শসা খাবেন এবং এই সমস্যা দূর করার জন্যই অল্প অল্প বারে বারে খাবার খান। ত্যাগ করুন সফট-ডিঙ্ক, কফি ও চা। 

আঙুর ফলও পিরিয়ড রেগুলার করার জন্য খুবই কার্যকরী। প্রতিদিন আঙুরের জুস খেলে বা খাবারের তালিকায় আঙুর থাকলে ভবিষ্যতে মাসিক নিয়মিত রাখতে সহায়তা করে। গাজরে রয়েছে প্রচুর বেটা ক্যরোটিন, যা মাসিক নিয়মিত করতে সাহায্য করে। এলোভেরা বা ঘৃতকুমারীর শাস রূপচর্চার পাশাপাশি মাসিক নিয়মিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যারা অযথাই টেনশন বেশি করে তাদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা বেশি হয়। কলা, তিল, তিসি বীজ, সবুজ শাকসবজি বেশি করে খাওয়া উচিত। প্রতিদিন ১০-১২ গ্লাস পানি পান করা উচিত। পিরিয়ডের সময় হরমনের অনুপাত ঠিক থাকে না। তাই পিরিয়ড পিছিয়ে যায়। যখনই পিরিয়ড পিছিয়ে যায় তখনই আপনি খেতে পারেন দুধ যা পিরিয়ডের অনুপাত ঠিক রাখে। তবে পরিহার করতে হয় তেলজাতীয় খাবার ও ডিমের কুসুম। 

এক মহিলা ডাক্তার মাসিক-এর সময় খুবই কষ্ট পেতেন। পেইন কিলারেও স্বস্তি মিলতো না। যেহেতু জরায়ু ও তলপেটের সকল রক্ত পরিবাহী শিরা ও ধমনী সম্পর্কে তার ভালো ধারণা ছিলো, তাই তিনি মনছবি দেখা শুরু করেন যে, তলপেট ও জরায়ুতে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে চমৎকারভাবে। পাতলা লাল রক্ত তলপেটে ও জরায়ুতে যাচ্ছে এবং সেখানকার সকল অবাঞ্ছিত ও অপ্রয়োজনীয় বস্তুকে ভাসিয়ে নিয়ে আসছে। সুন্দর রক্ত সঞ্চালনের এই মনছবি দেখার তৃতীয় দিন থেকেই তার সকল ব্যথা ও অস্বস্তি দূর হয়ে যায়। এরপর মাসিকের সময় হওয়ার আগেই তিনি সুন্দর রক্ত সঞ্চালনের মনছবি দেখা শুরু করেন এবং মাসিককালীন অস্বস্তি ও কষ্ট থেকে পুরোপুরি মুক্তি লাভ করেন।
আপনিও মেয়েলি যেকোনো জটিলতার জন্যে নিরাময়ের মনছবিকে প্রয়োগ করতে পারেন।

জরায়ু ও তলপেটের শিরা ও ধমনীকে কল্পনা করুন অনেকগুলো পানিবাহী নালা হিসেবে। দেখুন সবগুলো নালা বড় একটি পুকুরে গিয়ে মিশেছে। পুকুর থেকে আরেকটি নালা দূষিত পানি বের করে নিয়ে যাচ্ছে। প্রত্যেকটি নালায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে চমৎকার ভাবে- কোথাও কোনো অপ্রয়োজনীয় বস্তু বা বাধা থাকলে বিশুদ্ধ পানির প্রবাহ তা ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে বড় পুকুরের পানি সবসময় থাকছে টলটলে ও স্বচ্ছ।
সুন্দর রক্ত সঞ্চালনের এই মনছবি দেখার সাথে সাথে অবলোকন করুন আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন আপনি। ঐ সময়ের ব্যথা বা অস্বস্তি কোনোটাই আর নেই। চমৎকারভাবে কাজকর্ম করতে পারছেন আপনি। 

মেয়েদের মাসিক, নারীদের মাসিক, মহিরাদের মাসিক, মাসিকের সময়, মাসিক হয়, মাসিকের সময়, মাসিক হলে ব্যাথা, মাসিকের সময় তলপেটে ব্যাথা, মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, মাসিকের চিকিৎসা, মাসিকের ওসুধ, মাসিকের, পিরিয়ড সমস্যা, পিরিয়ডের চিকিৎসা, পিরিয়ডের ওষুধ, পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ,নারীদের পিরিয়ড, মেয়েদের পিরিয়ড, মহিলাদের পিরিয়ড,মহিলাদের ঋতুচক্র, নারীদের ঋতুচক্র, মেয়েদের ঋতুচক্র,মেয়েদের ঋতুস্রাব, নারীদের ঋতুস্রাব,মহিরাদের ঋতুস্রাব, অতিরিক্ত সাদাস্রাবের কারন, সাদাস্রাব,নারদের সাদাস্রাব, মহিলাদের সাদাস্রাব, মেয়েদের সাদাস্রাব, সাদাস্রাবের কারণ, period, period problem,period somossa, mashik hola ke korbo, mashik somossa, meyader mashik, meyeder period
0

মেয়ের প্রথম মাসিক ; প্রস্তুত তো?

The first monthly daughter; Ready?

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের কাছে মাসিক যতটা সাধারণ ও নিয়মিত ব্যাপার; বয়ঃসন্ধিকালে সেই মেয়েটির প্রথম মাসিক ছিল ততটাই আতংকের। এ সময় মেয়েদের শরীরে আসে আমূল পরিবর্তন যার সাথে শারীরিক ও মানসিকভাবে খাপ খাইয়ে নেয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।
সাধারণত ১২-১৩ বছর বয়স থেকে মাসিক শুরু হয়ে যায়। অনেকের ক্ষেত্রে ৮-৯ বছরেও শুরু হয়ে যেতে পারে আবার অনেকের ১৫-১৬ বছর বয়সে মাসিক শুরু নাও হতে পারে। তাই প্রথম মাসিক হওয়ার আগের কিছু লক্ষণ জেনে রাখা ভাল।
প্রথম মাসিকের লক্ষণ কী?
  • সাধারণত মায়ের যে বয়সে প্রথম মাসিক হয়েছিল, মেয়েদেরও ওই বয়সে প্রথম মাসিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে আগে বা পরে হতে পারে।
  • মাসিক শুরু হওয়ার প্রায় ৩ বছর আগে থেকে স্তনের বৃদ্ধি শুরু হয়। সাধারণত স্তনের বৃদ্ধির ৪ বছরের মধ্যে মাসিক শুরু হয়।
  • শরীরের পিউবিক হেয়ার বৃদ্ধি পায়। পিউবিক হেয়ার বৃদ্ধির ২ বছরের মধ্যে প্রথম মাসিক হয়।
  • প্রথম মাসিক হওয়ার আগে যোনি দিয়ে সাদা বা হলুদাভ স্রাব নির্গত হবে। স্রাব নির্গত হওয়ার ৬-১২ মাসের মধ্যে প্রথম মাসিক হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে ১৮ মাস লেগে যেতে পারে।
প্রথম মাসিকের প্রস্তুতি নেবেন কীভাবে?
  • সাধারণত ২-৭ দিন পর্যন্ত মাসিক স্থায়ী হয়। সেভাবে প্রস্তুতি নিয়ে রাখবেন।
  • যেহেতু ১২-১৩ বছরের সময় বেশির ভাগ মেয়েদের মাসিক হয়ে যায়। তাই এই সময়ে মেয়েদের মাসিকের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সাথে রাখা ভাল।
  • স্কুলে বা অন্য কোন পাবলিক স্থানে প্রথম মাসিক হলে ঘাবড়ে না যেয়ে আশেপাশের কারো সাহায্য নিন।
অভিভাবকদের কর্তব্য
মেয়ের সাথে কথা বলুন। তাকে জানান যে এটি খুবই স্বাভাবিক একটি নিয়ম। কোন চিন্তার বিষয় নেই।
নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে মেয়েকে জানান। তাকে আশ্বস্ত করুন যে ভয় পাবার কিছুই নেই। স্যানিটারি ন্যাপকিন সম্পর্কে ধারণা দিন।
মাসিকের সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে একটু বাড়তি নজর দেয়া উচিৎ।
মাসিক সম্বন্ধে পড়তে আগ্রহী করুন। ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই মাসিক সম্বন্ধে জানতে পারবেন। এছাড়া বিভিন্ন বই পাওয়া যায়। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া শ্রেয়।
মাসিক নিয়ে কথা বলতে লজ্জা পাবেন না। এই সময়ে আপনার মেয়ের ডাক্তার হচ্ছেন আপনি। প্রথম মাসিক প্রত্যেকটি মেয়ের জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। নিজের সম্পর্কে সচেতন হন।

মেয়েদের দুধ, মেয়ে, মেয়েদের মাসিক, লিংগ ছবি, চটি গল্প, চটি বই, গল্প, কৌতুক, নতুন চটি, বোনের সাথে সেক্সে, বাংগালী মেয়ের দুধের ছবি, choti bangla, বাঙলা চটী, বাংলা xxx, বাংলা চটি গল্প, চোদাচুদির গল্প, সানি লিওন