মামীকে ঘুমের ওষুধ দিয়ে

মামীকে ঘুমের ওষুধ দিয়ে

ছোটমামী সম্ভবত প্রথম নারী যাকে দেখে আমি উত্তেজিত হতে শিখেছি। ওনার বিয়ের সময় আমি ফোরে পরি। ওই বয়সে শরীরে যৌন চেতনা থাকার কথা না। কিন্তু কেন যেন ছোট মামা বিয়ে করবেন শোনার পর থেকেই আমি বালিশের কোনাটা আমার বুকে চেপে কল্পনা করতাম ছোটমামী তার বাচ্চাকে কীভাবে দুধ খাওয়াচ্ছে। আশ্চর্য এটা কেন যে কল্পনা করতাম এখনও মাথায় আসেনা। ওনাকে ভালো করে দেখার আগে থেকেই ওনার দুধের প্রতি আমার একটা আগ্রহ চলে আসে। সেই আগ্রহের মধ্যে কিছুটা হলেও লালসা ছিল। নয় বছরের একটা কিশোর এরকম কিছু ভাবছে, কেউ বিশ্বাস করবে? কিন্তু এটা খুব সত্যি। ছোটমামী আমার দেখা প্রথম নববধু। উনি আসলেই খুব সুন্দরী আর উদ্ভিগ্ন যৌবনা নারী ছিলেন। এরকম আর কেউ ছিল না আমার আত্মীয় স্বজনের মধ্যে। ফলে আমার মধ্যে একটা অবসেশান কাজ করতো ছেলে বেলা থেকেই।বড় হবার পরও ছিল সেটা। ছোটবেলার সেই অবসেশান বড় হবার পর চোদার খায়েশে পরিনত হয়েছিল। মামী তখন গ্রামে থাকতো। আমি যখন স্কুলের উপরের
দিকে তখন একদিন আমার স্বপ্নপুরন হয়। পুকুরে গোসল করতে যাবার আগে মামী ব্রা আর ব্লাউজ খুলে শুধু শাড়ী পরে যেতেন, সেদিনও ব্রা-ব্লাউজ খুলে আমার পাশ দিয়ে যাবার সময় অভ্যেসবশতঃ বগলের তল দিয়ে উঁকি দিলাম স্তনের আভাস দেখতে। নগ্ন স্তনের অর্ধেক দেখা যাচ্ছে দেখে আমি উত্তেজিত। আমি ছোট ছেলে বলে কাপড়চোপর আমার সামনে অত সামলে রাখতেন না। সেই সুযোগটা নিতাম আমি গোবেচারা চেহারায়। অর্ধেক দেখে আমি কাবু। কিন্তু এখুনি চলে যাবেন উনি, ফলে বেশীক্ষন দেখতে পারবো না। কিন্তু ভাগ্য আবারো প্রসন্ন। উনি বললেন, ভাত বেড়ে দেবেন কিনা। আমি বললাম হ্যা। এই হ্যা বলাতে আমি এই যুবতী নারীর সবচেয়ে সুন্দর দুটি স্তনকে পুরোপুরি কাছ থেকে নগ্ন দেখার সুযোগ পেলাম। ডেকচি থেকে ভাত বাড়ার সময় মামী নীচু হলো, অমনি বুকের শাড়ী ফাঁক হয়ে দুটি সুন্দর ফর্সা গোলগাল মাখন ফর্সা স্তন আমার সামনে দুটি বাদামী বোঁটা সহযোগে দুলতে লাগলো। আমি চোখ ফেরাতে পারলাম না। একী দেখছি। মানুষের স্তন এত সুন্দর হতে পারে? যেমন সাইজ, তেমন রং। আমার কয়েকফুট দুরে দুলছে মামীর দুইটা দুধ। আহ, আমার মামা কী ভাগ্যবান, প্রতিরাতে এদুটোকে চুষে চুষে খায়। সেদিন থেকে আমারও বাসনা হলো মামীর দুধগুলো কোন সুযোগে খাওয়া। মামী আবার নীচু হলো, আবারো দুলতে লাগলো দুটি নরম ফর্সা পাকা আম। কী সুন্দর বোঁটা। প্রানভরে উপভোগ করলাম। তারপর মামী যখন গোসল সেরে এসেছেন তখনো চোখ রাখলাম। রুমের দিকে খেয়াল করলাম। মামী ব্রা পরছে। কালো একটা ব্রা। ফর্সা দুধে কালো ব্রা যে কী জিনিস, না দেখলে বুঝবে না। সেই ব্রা পরা অবস্থায়ই কিছুক্ষন দেখলাম। পুরো নগ্ন স্তন আর কখনো দেখার সুযোগ পাইনি, কিন্তু অর্ধনগ্ন স্তন দেখেছি বহুবার, বহুবার। প্রায়ই ওনার বুকে শাড়ী থাকতো না। ব্লাউস পরতো বুকের চেয়ে ছোট, প্রায়ই ব্রা পরতো না, ফলে অর্ধেক স্তন সবসময় বের হয়ে থাকতো। আর আমি তা চোখ দিয়ে গিলে খেতাম। একবার মামীর রূমে গিয়ে একটা চটি বই পেলাম বালিশের নীচে। পড়ে দেখলাম চোদাচুদির বই। এই বই মামী কোত্থেকে পেল কে জানে। এটা দেখে আমি আরো উত্তেজিত। যখন হাত মারার অভ্যেস হয়েছিল তখন ছোটমামীকে নিয়েই বেশীরভাগ মাল বের করেছি। আরো বড় হলে ছোট মামীকে নিয়ে কল্পনা আরো বেড়েছিল। কল্পনায় চোদাচুদি চলে এসেছিল। এটা এসেছিল কতগুলো রাগের কারনে। আমি তখন কল্পনা করতাম একা পেয়ে ঘুমের ঔষধ দিয়ে অজ্ঞান করে মামীকে নেংটা করছি, দুধ টিপছি, বোঁটা চুষছি, আমার লিঙ্গটা ওনার মুখে ঢুকিয়ে দিচ্ছি, তারপর ভোদায় লিঙ্গটা ঢুকিয়ে ইচ্ছে মতো চুদছি। এই কল্পনা প্রায় রাতেই করতাম, আর মাল বের হয়ে যেত। আমি তখন ২০ বছর বয়সী। মামীর বয়স ২৬-২৭। দুপুরের পর মামীর বাসায় গিয়ে দেখি দরজা খোলা। বাসায় আর কেউ নেই। বেডরুমে মামী শুয়ে। আলমিরা হাট করে খোলা দেখে বুঝলাম মামীকে ঘুমের ওষুধ দিয়ে চোর চুরি করেছে। আমি দরজা বন্ধ করে মামীকে ডাকলাম। মামীর গভীর ঘুমের নিঃশ্বাস পড়ছে, কিন্তু ঘুম ভাঙছে না। আমি গা ধরে ঝাকালাম। তবু ওঠে না। কী করি। হঠাৎ একটা দুষ্টবুদ্ধি এলো। আমি ফিতা দিয়ে মামীর চোখ আর হাত দুটো বেঁধে ফেললাম। মামীর শরীর হাতানোর এই নিরাপদ সুযোগ হাতছাড়া করি কেন। মামী টেরও পাবে না, চোরের উপর দিয়েই দোষটা যাবে। জেগে উঠলেও দেখবে না আমি কে। খোশ মনে এবার শাড়িটা নামিয়ে দিলাম বুক থেকে। কালো ব্লাউস আর ব্রা পরনে। টাইট ব্রা। দুধের অর্ধাংশ যথারীতি বেরিয়ে আছে ব্লাউজের উপরের দিকে। আমার প্রিয় মাংস খন্ড। বহুদিন চোখ দিয়ে খেয়েছি, আজ জিব দিয়ে খাবো। দুহাতে দুই স্তন ধরে টিপাটিপি শুরু করলাম। নরোম, কোমল। কী আরাম লাগছে। ব্রা একদম নরম। বোঝাই যায় না। দুধ টিপতে টিপতে মুখটা নামিয়ে আনলাম দুই স্তনের উপরিভাগের বেরিয়ে থাকা ফর্সা অংশে। চুমু খেলাম। চেটে দেখলাম। দেরী না করে ব্লাউসের বোতাম খুলে ব্রা’র হুক আলগা করে দিলাম। তারপর ব্রা উপরে সরিয়ে স্তন দুটি উন্মুক্ত করলাম। আহ, ৫ বছর আগে দেখা সেই নগ্ন দুলতে থাকা স্তনের কথা মনে পড়লো। এই সেই স্তন। আমার প্রিয় দুটো দুধ। একদম হাতের কাছে। আজ তোমাকে চিবিয়ে খাবো চুষে চুষে। মামীর গায়ের উপর উঠে গেলাম গড়িয়ে। দুই হাতে দুই নগ্ন স্তন ধরে ছোট ছোট চাপ দিতে শুরু শুরু করলাম। ভীষন টানটান, মোলায়েম স্তনের ত্বক। হাত বুলাতে আরাম লাগে। বোঁটাটা মোহনীয় খয়েরী। জিহবা দিয়ে স্পর্শ করলাম প্রথমে। রাবারের বল। মুখে পুরে নিলাম বামস্তনের বোঁটাটা। চুষতে শুরু করলাম আস্তে আস্তে। মামী তখনো ঘুমে। আমি চুরি করে খেয়ে যাচ্ছি মোহনীয় স্তন। বামটা চুষতে চুষতে লাল হয়ে গেলে ডানপাশের স্তনে নজর দিলাম। ওই বোঁটা এখনো শুকনা। মুখে নিয়েই ভিজিয়ে চুষতে লাগলাম। কিছুক্ষন পর দুই স্তনের উপরিভাগ আমার লালায় ভরে গেল। হঠাৎ খেয়াল করলাম মামী নড়ছে। মানে জেগে উঠতে চাইছে। কিন্তু হাত বাধা অবস্থায় সুবিধা করতে পারছে না। পুরোপুরি জ্ঞান ফিরে আসার আগে প্রধান কাজ শেষ করতে হবে। নিজের প্যান্ট খুলে বিছানায় উঠে মামীর শাড়ীটা কোমর পর্যন্ত তুলে দিলাম তারপর দুই রানের মাঝখানে অবস্থান নিলাম। সোনাটা কালো ঘন বালে আবদ্ধ। ছিদ্র বা যোনীপথ দেখা যাচ্ছে না। আমার লিঙ্গ তখন টানটান শক্ত। মামী নড়ে নড়ে জেগে উঠছে। আমি দেরী না করে দুই রানের মাঝখানে হাত চালিয়ে জঙ্গলের ভেতর ছিদ্রটা আবিষ্কার করলাম। ছিদ্রের গোড়ায় লিঙ্গটা নিয়ে হাতে থু থু দিয়ে সোনায় লাগিয়ে পিছলা করলাম। ওখানে হাত লাগানো মাত্র মামী গুঙিয়ে উঠে কে কে করে উঠলো। আমি চড়ে বসলাম মামীর শরীরে আবার এক হাতে লিঙ্গটা যোনীমুখে সেট করে এক ইঞ্চির মতো ঢুকিয়ে দিলাম। মামী চিৎকার করে উঠতে চাইলে আমি ফিস ফিস করে ধমক দিলাম। “চুপ মাগী। চিৎকার করলে ছুরি দিয়ে গলা কেটে ফেলবো।” মামী চুপ করলো ভয়ে। আমি আরেক ঠেলা দিয়ে আরো এক ইঞ্চি ঢুকালাম। কঠিন কাজ। সহজে ঢুকতে চায় না। জীবনে কারো সোনায় ঢুকাইনি। তাছাড়া এটা এত টাইট আগে জানতাম না। আমি গায়ের উপর শুয়ে দুই হাতে স্তন দুটো ধরে মুখটা মামীর ঠোটের কাছে নিয়ে চুমু খেলাম। বেটির ঠোটও মিষ্টি। ওদিকে সোনা উত্তেজনায় মাল বের হবার দশা। আমি ইয়াক করে একটা জোর ঠাপ মেরে ঢুকিয়ে দিলাম পুরো লিঙ্গটা। তারপর মজার ঠাপ চলতে থাকলো মিনিট খানেক। দুমিনিট ঠাপ মারার পর মাল বেরিয়ে গেল গলগল করে। আমি নেতিয়ে শুয়ে পড়লাম মামীর গায়ের ওপর। মামী বললো এবার আমাকে ছেড়ে দাও। আমার তখনো একটা কাজ বাকী। ফিসফিস করে ধমক দিলাম, চোপ। এখন তোকে বস চুদবে। আসলে আমি এই সুযোগে আমার লিঙ্গটা ওনার মুখে দিতে চাইছিলাম। এই জিনিস ব্লু ফিল্মে দেখেছি। বাথরুমে গিয়ে ওটা ধুয়ে এনে একটু বিশ্রাম নিলাম। মাল বের হবার পর শালার ধোন থেকে সম মজা চলে যায়। ওটা আর চুদতে চায় না। কিন্তু সুযোগ আর পাবো না বলে এটা করে নিচ্ছি। আমি খাটের কিনারায় দাড়িয়ে নরম লিঙ্গটা মামীর মুখের কাছে নিয়ে ফিসফিস করে বললাম, এটা চোষ। মামী রাজী হলো না। মাথা সরিয়ে নিতে চায়। কিন্তু আমার লিঙ্গের মুন্ডিটা মামীর ঠোটের ছোয়া পেতেই টাং করে উঠলো উত্তেজনায়। আবার শক্ত হওয়া শুরু করেছে। এবার আমি মামীর মাথাটা দুহাতে চেপে ধরে, লিঙ্গের মুন্ডিটা দুঠোটের সাথে ঘষতে লাগলাম। মাগী মুখ বন্ধ করে রেখেছে। এটা আমার আরো মজা লাগছে। এবার ওনার পুরো মুখটা আমার দুই রানের মাঝখানে চেপে ধরলাম। আমার লিঙ্গ, বিচি, পুরা সেটের সাথে ঘষতে লাগলাম। খুব আরাম লাগলো। ওনার নাকের সাথে ঘসলাম মুন্ডিটা। বিচি দুইটা গালের সাথে চেপে ধরলাম। ওনার মুখটাকে যতটা সম্ভব আমার যৌনাঙ্গের সাথে ঘষে সর্বোচ্চ উত্তেজনা সৃষ্টি করলাম। ঘষতে ঘষতে এক পর্যায়ে মুখে একটা ঘুষি দিতে মুখটা ফাক করলো, তাতেই জোর করে লিঙ্গটা ঢুকিয়ে দিলাম। তার পর ননস্টপ ঠাপ মারতে মারতে আবার মাল বের করলাম। সবগুলো থক থকে মাল ছেড়ে দিলাম মুখে চোখে দাতে। আজকে আমার একটা প্রতিশোধ নেয়া হলো। শালীর উপর আমার একটা দারুন রাগ ছিল। আজ সুখ মিটিয়ে শোধ নিলাম। তারপর গালে দুটো চড় মেরে চলে এলাম। বয়স তাঁর এখন ৪৮ কিন্তু যৌবন লাবন্য এখনো রয়ে গেছে অনেকটা। কিন্তু নানান টেনশানে শরীরটা খারাপ থাকে প্রায়ই। সেদিন বাসায় গিয়ে কথা বলছিলাম এটা সেটা, হঠাৎ উনি বললেন খারাপ লাগছে, মাথা ঘুরাচ্ছে। আমি ঘাবড়ে গেলাম। ডাক্তার ডাকতে চাইলে উনি বললেন, লাগবে না, তুমি আমাকে বেডরুমের বিছানায় শুইয়ে ফ্যানটা ছেড়ে দাও। আমি ওনাকে ধরে ধরে দুপা নিতেই ঘুরে পড়ে গেলেন, তাড়াতাড়ি আমি ধরে মেঝেতে শুইয়ে দিলাম। তারপর দুহাতে কোলে নিয়ে বিছানায় নিয়ে যাবো। পিঠের নীচে একহাত দিয়ে হাটুর নীচে অন্য হাত দিয়ে তুলতে চাইলাম, বেশ ভারী, তবু কোনমতে তুলে বিছানায় নিয়ে ফেললাম। নিঃশ্বাস পড়ছে, জ্ঞান হারিয়েছে। বুঝতে পারলাম না কি করা উচিত। বাসায় আর কেউ নেই। আমি ফ্যানটা ছেড়ে বুক থেকে আচলটা সরিয়ে দিলাম। বুকের উপর চাপ দিয়ে জ্ঞান ফেরানো যায় বোধহয়, সিনেমায় দেখেছি। কিন্তু ওনার বুকের দিকে তাকিয়ে আমি টাং করে ৩০ বছর আগের অতীতে চলে গেলাম। এই সেই মহিলা, যাকে আমি চিরকাল কল্পনা করে এসেছি। যাকে যৌবনের কালে নগ্নবক্ষা দেখেছি। বড় সাধ ছিল সেই সুন্দর দুটো স্তন কোনদিন সুযোগ পেলে ধরে দেখবো। আজ সেই সুযোগ এসেছে কী? ডান হাতটা দিলাম ওনার ব্লাউজের উপর দিয়ে বুকের উপর। ব্রা নেই। নরম স্তন। বয়সের কারনে তুলতুলে হয়ে আছে। বয়স হয়েছে তাতে কী, এই তো সেই সাধের স্তন যাকে আমি কল্পনায় কত চুষেছি। এবার সত্যি সত্যি খাবো। আমি দুহাতে মামীর স্তন দুটি ব্লাউসের উপর দিয়েই কচলাতে লাগলাম। নাহ অত খারাপ না। এখনো ভালো লাগছে। আমার বউয়ের গুলার চেয়ে তাজা আছে। পটপট করে বোতাম খুলে স্তন দুটি মুক্ত করে নিলাম ব্লাউজ থেকে। কী সুন্দর। ঝুলেছে কিছুটা, কিন্তু মাখন মাখন ভাব এখনো আছে। ৩০ বছর আগের সেই ঝুলন্ত স্তনের স্মৃতি চোখো ভাসলো। স্তনের বোটা দুটো এখনো সেদিনের মতো তাজা। মুখটা নামিয়ে স্তনবোটায় চুমু খেলাম। সময় কম, জ্ঞান ফেরার আগেই খেয়ে নিতে হবে। খপ করে মুখে পুরে কামড়ে কামড়ে খেতে শুরু করলাম। ময়দার মতো হাতের মুটোয় পিষলাম। কী সুখ, মাখন মাখন দুধের নরম নরম মাংস। এত চোষাচুষি চলছে মামীর শরীরের ওপর দিয়ে কিন্তু ওনার ঘুম ভাঙে না। উত্তেজনা আরো বাড়লে গায়ের উপর উঠে বসলাম। প্যান্ট খুলে খাড়া লিঙ্গটা দুই স্তনের মাঝখানে বসালাম। তারপার ঠাপ মারতে লাগলাম। স্তন দুটো পিছলা মালে ভরে গেল। একসময় ইচ্ছে হলে মুখে পুরে দেই লিঙ্গটা। কিন্তু মালের গন্ধে কিছু টের পেয়ে যেতে পারেন উনি, তাই শুধু বিচিদুটো মুখের সাথে ঘষলাম। আমার ইচ্ছে হলো ওনাকে চুষতে চুষতে মাল ফেলবো, কিন্তু ধরা যাতে না পড়ি তা দেখতে হবে। আমি ওনার শাড়ীটা রানের উপর তুলে দিলাম। সাদা ফর্সা রান দুটো দেখে চনুটা ওখানে ঘষার ইচ্ছা হলো। লাগালাম ওখানে। আরেকটু গভীরে তাকাতে ওনার সোনাটা নজরে এল। হাত দিয়ে সোনাটা ধরলাম। বালে ভরা। শুকনা খসখসে। এত শুকনা অবস্থায় ধোন ঢুকবে না। তবু দুই রানের মাঝখান বরাবর ধোনটাকে রানের সাথে লাগিয়ে শুয়ে পড়লাম। রানের সাথে ঘষতে লাগলাম। ওদিকে দুধগুলো মুখে নিয়ে চুষছি। এই চোষা আর ঘর্ষনের দিমুখী চাপে লিঙ্গটা মালে ভরে যায়। আরো কয়েকবার ঘষা লাগতেই ফচাৎ করে মাল বের হয়ে ছড়িয়ে যায় ওনার পুরো সোনায় আর বালে। টের পাবে কিনা কে জানে। কিছুটা মুছে দিলাম সায়া দিয়ে। তারপর সোনায় দুটো টিপ মারলাম হাত দিয়ে। এটা দিয়ে মামা চুদে। আমি চুদি নাই। ঘষছি কেবল। টিস্যুপেপার নিয়ে আমার লালাগুলো মুছলাম ওনার দুধ থেকে। তারপর ব্লাউজের বোতাম লাগিয়ে, শাড়ীটা ভদ্রভাবে পড়িয়ে বাথরুমে চলে গেলাম ধোনটা ধুয়ে নিতে। মুতেও নিলাম একটু। বাথরুম থেকে মগে করে পানি নিয়ে এলাম। চোখে মুখে মারলাম মামীর। এবার জেগে ওঠো। হঠাৎ মনে হলো ঠোটদুটোর কথা। মুখ নামিয়ে ঠোটে কঠিন চুমু খেলাম। একটা দুটো তিনটে, চুমুর জোরে মামী গুঙিয়ে উঠলো আরেকটু। আমি আশাবাদী হলাম। বললাম, মামী ওঠেন। মুখে মাথায় আরো কয়েকটা ঝাকুনি দিতে মামী জেগে উঠলো। বললো, -আমি কোথায় -এইতো আপনি বাসায় -কী হয়েছে, আমার দুর্বল লাগছে -কিছু হয়নি, আপনি জ্ঞান হারিয়েছিলেন -আমাকে একটু পানি দাও(আমার গায়ে ভর দিয়ে বসলেন) -এই তো খান (আমি পানি দিলাম। এখন পালাতে পারলে বাচি। কিন্তু মামী আমাকে জড়িয়ে ধরে আছে) -ভাগ্যিস তুমি ছিলা। নইলে আমি মরে পড়ে থাকতাম। -আরে না, কিচ্ছি হয়নি। ভয় পাবেন না। -তুমি কিন্তু যাবে না। আমাকে ধরে রাখো। (আমি মামীকে ধরে রাখলাম, কিন্তু মালের গন্ধ পাচ্ছি) -আমি আছি -তুমি আমার পাশে শোও -না, ঠিক আছে -কি ঠিক আছে, লজ্জা কিসের, আসো আমার আসলে মাল পড়ে যাওয়াতে আমি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি। এখন ওনাকে বিরক্তই লাগছে। তবু জড়িয়ে ধরে রাখি। মুখে মাথায় হাত বুলাতে থাকি। উনি আমার হাতটা নিয়ে বুকের উপর রাখে। নরম বুক যা একটু আগেও খাওয়ার জন্য পাগল ছিলাম। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে গরম মাংসপিন্ড। আমি হাত সরিয়ে নিতে চাইলাম। উনি চেপে ধরে বললেন, বুকটা ধরফর করছে। তুমি এখানে চাপ দাও। আহ এরকম প্রস্তাব আগে পেলে আমি বর্তে যেতাম। এখন আমি বিরস মুখে হাসলাম। এড়াতে চাইলাম। কিন্তু মামী হাতটা নিয়ে একেবারে ব্লাউজের ভেতর ঢুকিয়ে দিলেন। আমার সংকোচ দেখে উনি বললেন, -শোন তুমি লজ্জা পাচ্ছ আমি জানি। কিন্তু রোগীর সেবার জন্য ডাক্তার যেমন লজ্জা করতে পারে না, তুমিও পারো না। তুমি আমার দুধে হাত দিলে কোন সমস্যা নাই, কারন ওটা ডাক্তারের হাত। ডাক্তারেরা মেয়েদের দুধে হাত দিতে পারে। -তা জানি -তাহলে, তুমি লজ্জা পাচ্ছো কেন। -না, এই ধরছি। -তোমার বউয়ের চেয়ে কি এগুলো বেশী বুড়ো -কী যে বলেন মামী -তোমাকে আরেকটা কথা বলিনি তুমি লজ্জা পাবে বলে (আমি চমকে গেলাম শুনে) -কী (ভয়ে ভয়ে) -বুক ধরফরানি কমাতে আমার একটা কাজ করতে হয় যেটা তুমি করতে লজ্জা পাবে না -কী কাজ -তোমার মামা হলে পারতো -মানে -মানে স্বামী স্ত্রী করে -বুঝেছি -ওটা করতে পারলে এটা কমতো -ডাক্তার কি ওটা করতে পারে -না -তাহলে? -তাহলে আর কি, আমাকে কষ্টটা পেতে হবে সারারাত -মামী -কী -আমি যদি আঙুল দিয়ে ইয়ে করে দেই তাহলে কী হবে -না, আঙুল দিয়ে উত্তেজনা আরো বাড়বে -অথবা এক কাজ করলে কেমন হয়, যাতে ব্যাপারটা খারাপ না দেখায় -কী কাজ -মুল ব্যাপার হলো ওটার ভেতর এটা ঢুকানো, আপনি সারা শরীর ঢেকে চোখ বন্ধ করে শুধু ওখানে একটা ফাক রেখে শুয়ে পড়ুন, আমিও শুধু ওইটাকে বের করে ওই জায়গা দিয়ে ঢুকিয়ে দিলাম। তাতে হবে না? -অদ্ভুত বুদ্ধি -হবে না? -হতে পারে। তুমি চোখ বন্ধ করো।……………এবার খোলো (খুলে দেখি মামী একটা সালোয়ারের নীচ দিয়ে ছিদ্র করে মামীর যোনীছিদ্রটা বের করে রেখেছেন।) -মামী -কী -একটা সমস্যা -আমার এটা তো নরম। -তাহলে? -একটা উপায় আপনাদের বৌমা করে -কী -এটা মুখে নিয়ে চুষে দেয় -এটা আমি পারবো না। -তাহলে তো কাজ হবে না, নরম জিনিস ঢুকবে না -কতক্ষন চুষতে হয় -কয়েক মিনিট -না, এক মিনিট হলে আমি পারবো -আচ্ছা (আমি সুযোগটা নিলাম, লিঙ্গটা মামীর মুখে পুরে দিলাম। মামী মুখ বিকৃত করে চুষতে লাগলো। আমি ঠাপ মারছি আস্তে আস্তে। ত্রিশ সেকেন্ডে শক্ত। মামী মুখ থেকে বের করে দিতে চাইলো। কিন্তু আমি আরো কিছুক্ষন ঠেসে ধরে রাখলাম মুখের ভেতর) -এবার যাও। ঢুকাও ওখান দিয়ে। আমি ফাঁকটা দিয়ে লিঙ্গের মুখটা লাগিয়ে দিলাম। মাথা ঢুকতে অসুবিধা হলো না। পিছলা হয়ে আছে আমার আগের মালের প্রভাবে, মামী জানেনা এই মাল আমি ফেলেছি। পুরো লিঙ্গটা ঢুকাতে কেমন যেন শিরশির করে উঠলো শরীরটা। এই বয়স্ক মহিলাকে আমি কেন চুদছি। কোন বাসনায়। এই যোনীটার প্রতি কোন লোভ আমার ছিল না। আমার শুধু একটা রাগ ছিল পুষে রাখা। একটা পুষে রাখা রাগের জন্যই কী আমি চুদছি ওনাকে? কিন্তু এখন তো ওনার ইচ্ছাতে ঢুকাচ্ছি। চিকিৎসার জন্য। আসলে কী চিকিৎসা নাকি উনিও ছল করে আমাকে দিয়ে চুদিয়ে নিচ্ছেন নিজের আনন্দের জন্য। ঠেলা দিতে বুঝলাম রসে ভরপুর হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। মানে ওনার মধ্যে কাম জেগেছে। ছিদ্রটা একটু ঢিলা মনে হলো। আমার তখনো কাম জাগে নাই। এমনি দায়িত্ব হিসেবে ঢুকাচ্ছি। আরো দুটো ঠেলা দিতেই ঢুকে গেল পুরোটা। ঢুকিয়ে আমি চুপচাপ। নড়াচড়া করলাম না। -অরুপ -কী মামী -ঠেলা মারো -মারছি -আরো জোরে -জোরে মারলে তো চিকিৎসা হবে না, সেক্স হয়ে যাবে -হোক, তুমি মারো। এখানে তো কেউ দেখছে না -তবু লজ্জা লাগে -ঢং করতে হবে না, মামীর মুখের ভেতর বাড়া ঢুকিয়ে ঠাপ মারতে তো লজ্জা করেনি। আমি আর কথা বাড়ালাম না। ধরা পরে যাবো। রাম ঠাপ মারতে মারতে মামীকে চুদলাম আধা ঘন্টা। মামীতো হাপাচ্ছে রীতিমতো। অবাক হয়ে গেছে আমি এতক্ষন কী করে ঠিকে আছি। কিন্তু মামীতো জানে না আমি কিছুক্ষন আগেই মাল খসিয়েছি ওনার ঘুমন্ত শরীরের উপর। চরম ঠাপ মারতে গিয়ে লিঙ্গটা সুরুৎ করে বের করে ঠেসে ধরলাম ওনার পাছার সাথে। মালগুলি ঢাললাম পাছার মাংসে। এখন অবশ্য মাল খুব কম। এক চা চামচ হবে। মাল ফেলেই নেতিয়ে পড়লাম বিছানায়।

উঠতি যৌবন এর খেলা পাশের বাড়ীর অ্যান্টির সাথে

উঠতি যৌবন এর খেলা পাশের বাড়ীর অ্যান্টির সাথে

আমার বয়স তখন ১৬ / ১৭। উঠতি যৌবন। নিজেকে সামাল দিতে কস্ট হয়। এর মধ্যে আমাদের বাসা বদল করল। পাশের বাসায় থাকতো এক আন্টি। আন্টির বয়স বেশি না। ২৩ কি ২৪ হবে। ৩ / ৪ বছর হইলো বিয়ে হয়েছে। একটা ছোট বাচ্চাও আছে। নাম অমি। আমি ছোট বেলা থেকেই অনেক মেধাবি ছিলাম। তাই আমাকে অনেকেই আদর করে অনেক কিছু খাওয়াত। ছোট বেলায় তো কোলে করে নিয়ে আদর করতো। যাই হোক ঐ বাসায় যাবার পর থেকেই আমার ঐ আন্টির উপর নজর পরে। খুব ইচ্ছা ছিল আন্টিকে নেংটা দেখব। কিন্তু কিভাবে তা বুঝে উঠতে পারিনা। যাই হোক আমার তখন এস এস সি পরিক্ষা। আন্টিকে সালাম করে আসলাম। আন্টিও খুশি হয়ে আমাকে ১০০ টাকা দিলেন। আমি পরিক্ষা দিলাম। পরিক্ষা ভালই হ্ল। আমি আন্টিকে মিস্টি খাওয়ালাম। আমাদের বাসার মাঝখানে একটা কমন দরজা ছিল। যেটা দিয়ে আমরা যাওয়া আসা করতে পারতাম। ওটা সবসময় খোলাই থাকত। আন্টির ফিগার টা ছিল দারুন। ফরসাও ছিল। এর মধ্যে আমি ইন্টারমিডিয়েটে ভর্তি হ্লাম। আন্টির জামাই টা ছিল অনেক বয়সি। ৪০ / ৪৪ হবে। ঠিক মতন কিছু করতে পারত কিনা সন্দেহ আছে। যাই হোক, আমি ওনার বাচ্চার সাথে খেলার জন্যে মাঝে মাঝেই যেতাম তার বাসায়। এমনি একদিন তার বাসায় গেছি দুপুর বেলায়। যেয়ে দেখি আন্টি নাই। অমিকে জিজ্ঞাসা করলাম আন্টি কোথায়? ও বলল, আম্মু 
গোসল করতে গেছে। আমার শরীরের মধ্যে শিহরন বয়ে গেল। আন্টি নিশ্চ্য় নেংটা হয়ে তার দুদু আর যোনি সাফ করতেছে। হয়ত সাবান লাগাচ্ছে। আমি মনে মনে তাকে কল্পনা করতে লাগলাম। এইসব মনে করতে করতেই আমার লিঙ্গ শক্ত হয়ে গেল।
ওকে জিজ্ঞাসা করলাম, কতক্ষণ আগে গেছেন। ও বলল, এইত, একটু আগে। এইবার আমার মনে একটু কবুদ্ধি আটল। আমি আস্তে আস্তে ওনার বাথরুমের দিকে গেলাম। যেতেই দেখি কাপর কাচার শব্দ। আমি বাথরুমের দরজার চারদিকে চোখ বুলালাম। দেখি একটা ছোট ফাক আছে। বাথরুমের বাইরের দিকে অন্ধকার এবং ভিতরের দিকে তো লাইট জালানো। তাই আমি দূরু দূরু বুকে দরজার ফাক দিয়ে তাকিয়ে থাকলাম। যা দেখলাম তাতে আমার বুকের হার্ট বিট গেল বেড়ে। দেখলাম আন্টি আধা নেংটা হয়ে কাপড় কাচতেছে। একটা ছোট টুলের উপর বসা, বসে ঈষৎ ঝুকে কাপড় ধুচ্ছে। ব্লাউজ খোলা, একটা পের্টিকোট পরা। আন্টির দুদুগুলো দেখে মনে হচ্ছিল পিছন থেকে জাপটে ধরি আর পকাপক টিপতে থাকি। কিন্তু কেমনে করব। মাঝখানে তো একটা দরজা আছে। তাই আমি আমার ট্রাউজারের উপর দিয়ে ধনটা নাড়তে থাকলাম আর দেখতে থাকলাম। হঠাৎ আমার মনে হল এইটা তো অনেক বেশি   হয়ে যাচ্ছে। কারন অমি তো পাশের রুমে আছে। ও যদি বের হয়ে যায় আর আমাকে দেখে ফেলে তাইলে তো পুরো মজাটাই মাটি হয়ে যাবে। উল্টা মাইর খাওয়ার ভয় আছে। তাই প্লান করে অমিকে বললাম যে বাইরে যেয়ে দুটা চকলেট কিনে আনতে, ও চলে গেল। এইবার আমি আয়েশ করে দেখা শুরু করলাম। ফুটোতে আবার চোখ দিয়ে দেখি আন্টি   কাপড় ধুয়ে ফেলছে। কাপড় গুলা ধুয়ে একটা বালতির মধ্যে রাখছে। এবং গোসলের প্রস্তুতি করতেছে। যাই হোক আন্টি শরীরে একটু একটু করে পানি নেওয়া শুরু করল। আমি তার সারা শরীরের সব জায়গা দেখতে লাগলাম। দাড়ান অবস্থায় দেখলাম, আন্টির দুদুগুলা যেন আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আন্টির ডান হাতে মগ এবং বাম হাতে দুদু কচলান। পানি ঢালেন আর দুদু কচলান আর আমি কচলাই আমার ধোন। এরপর তিনি গায়ে সাবান মাখা শুরু করলেন আর আমি দেখতে থাকলাম। আমার বুকের ঢিপঢিপানি বাড়তে থাকলো। আমি কি করব বুঝে উঠতে পারতেছিলাম না। এর মধ্যে আন্টি তার পের্টিকোট খুলে ফেললেন। আমার সামনে তার নাভিটা একদম স্পস্ট হয়ে উঠল। কিন্তু নিচে আর দেখে পারতেছিলাম না। খুব ইচ্ছা ছিল তার যোনি দেখব। আমি যেহেতু কখন বয়স্ক মেয়েদের যোনি দেখিনাই, তাই ওইটা দেখতে বেশি ইচ্ছা করতেছিল। খুব চেস্টা করলাম। কিন্তু বিধি বাম। পরে আর কি করব। আন্টি কিছুতেই দূরে গেলেন না। আমিও খুব একটা দেখতে পাড়লাম না। যতটুকু দেখলাম তা হল আন্টির তলপেট আর আন্টির পাছার উপরের অংশ। যাই হোক আর বেশিক্ষণ থাকতে সাহস হচ্ছিল না। তাই সরে আসলাম। আন্টির রুমে যেয়ে বসে থাকলাম। একটু পরে অমি চলে আসল। ওর কাছ থেকে চকলেট নিয়ে খেতে থাকলাম। এরপর একটা কাজ করলাম। ওকে বললাম, চল আমরা ব্যাট বল খেলি। ও রাজি হল। ও আর আমি যেয়ে ওদের বাথরুমের পাশের বারান্দায় খেলতে লাগলাম। ২ ওভার ও হয়নি এর মধ্যেই আন্টি বেরিয়ে আসলেন। দেখলাম আন্টির নিচে অন্য একটা পের্টিকোট। উপরে খোলা বুক। মাঝারি সাইজের খাড়া দুদু। একদম খাড়া। আমি উনাকে দেখিইনি এমন ভাবটা করে খেলতে লাগলাম। উনিও আমাকে দেখেও তেমন কিছুই না করে এক হাতে বালতি আর আর এক হাতে শাড়িটা নিয়ে আমার পাশ দিয়ে অন্য একটা বারান্দায় গেলেন। আমার পাশ দিয়ে যাবার সময় আমি আড়চোখে তার দুদু দুইটা খুব কাছ থেকে দেখে নিলাম। পাশ কাটানর পর দেখলাম উনার পাছাটা। পাছার খাজে পের্টিকোট ঢুকে গেছে। ইচ্ছে হচ্ছিল পাছার খাজে আঙ্গুল ঢুকায়ে দেই। নরম মসৃণ আর ভেজা পিঠ দেখে আমার ধোনটা যে কখন আবার শক্ত হয়ে গেছে টের পাইনি। আমি ব্যাটিং করতেছিলাম। ইচ্ছা করে বল ওই বারান্দায় পাঠালাম। তারপর নিজেই বল আনতে গেলাম। আন্টি তখন বুকের উপর শাড়িটা দিয়ে তার ভেজা শাড়িটা মেলে দিচ্ছিলেন। আমি তখন অমিকে বললাম যে তুমি একা একা খেলতে থাক আমি একটু ফ্যানের বাতাস খেয়ে আসি। এই বলে উনার বেডরুমে গেলাম। যেয়ে ঘামা গায়ে অপেক্ষা করতে থাকলাম কখন আন্টি আসে এই অপেক্ষায়। ২ মিনিটের মধ্যেই আন্টি চলে আসল। আমি টেবিলে হেলান দিয়ে বাতাস খাচ্ছিলাম। আন্টি আমাকে ছোট মনে করে কোনরুপ পর্দা না করে শাড়িটা বুক থেকে সরালেন। আমি আবার তার বুক দেখতে লাগলাম। আন্টি এবার তার ব্রা টা বের করলেন। আমি খুব নরমাল থাকার চেস্টা করতেছিলাম। কিন্তু তার খোলা দুধ দেখে আমার সরল দোলক স্প্রিং দোলকে রুপান্তরিত হল। কিন্তু আমার ওইদিকে খেয়াল ছিল না। হঠাৎ করে আন্টি দেখে ফেললেন। দেখেই তার মুখটা একটু  হয়ে গেল। উনি আনমনেই তার দুধ দুইটা ঢেকে ফেললেন তার দুই হাত দিয়ে। আমিও একটু লজ্জা পেলাম। তারপর উনি আবার হাত সরিয়ে ফেললেন, বুঝলেন আমি সব উপভোগ করতেছি। এতক্ষণ আমি উনাকে নিয়ে আমার সপ্নের রাজ্যে খেলতেছিলাম আর এবার উনি আমাকে নিয়ে বাস্তবে খেলা শুরু করলেন। উনি তার ব্রা টা বুকের উপর রাখলেন, রেখে ইচ্ছা করে আমাকে দেখালেন যে ওইটার হুক উনি লাগাতে পারতেছেন না। আমাকে বললেন, সায়মন, একটু হুকটা লাগিয়ে দিতে পারবে? আমিঃ হু-উ-উ, পারব আন্টি। আন্টি উল্টা ঘুরলেন। বললেন, দাও, লাগিয়ে দাও, তাইলে। আমি ব্রা এর দুই পাশ ধরতেই উনি একটু হামাগুরি দিয়ে বিছানার উপর হাত রাখলেন আর তাতে যা হল, আমার ধোনটা তার পাছার ফাকে যেয়ে গুতা দিল। আন্টি ইচ্ছা করে আরো বাঁকা হলেন। আমি আরো কাছে চলে আসতে বাধ্য হলাম। হঠাৎ করে আন্টি বলে উঠলেন, এই, কি করছ, আমার পাছা থেকে তোমার আংগুল সরাও। আমি এই কথা শুনে থতমত খেয়ে গেলাম। কি করব বুঝে উঠার আগেই উনি নিজেই বললেন, তোমার দুই হাত দিয়ে তো আমার ব্রা ধরা আছে, তাইলে আর একটা হাত কোথা থেকে আসল? আমি লজ্জা পেয়ে গেলাম। আন্টি মনে হয় এইটাই চাচ্ছিল। উনি খপাৎ করে আমার সেই তিন নম্বর হাতটা ধরে ফেললেন। আমি একটু ভয় পেয়ে গেলাম। এখন আমাকে বকাবকি করবে হয়ত। হয়ত বা মারবে। কি করব কিছুতেই বুঝে উঠতে পারতেছিলাম না। এদিকে নরম ও গরম হাতের স্পর্শ পেয়ে আমার ধোন আরো বড় হতে লাগল। আন্টিও আমার ধোন ধরে আমার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলেন। আমি তার মুখের দিকে তাকানোর সাহস পাচ্ছি না। বুকের আধখোলা ব্রা এর দিকে তাকিয়ে আছি। আন্টি বললেনঃ তুমি যে এত বড় হয়ে গেছ আমি ত খেয়ালই করিনাই কখোনা। এই বলে আমার মাথার চুলে একটা বিলি কেটে দিলেন। আমার ভয় অনেকখানি কেটে গেল। এরপর তিনি আমার মাথাটা তার বুকের মধ্যে টেনে নিলেন। তার নরম বুকের গরম ছোয়া পেয়ে আমার ভয় সম্পুর্ণ কেটে গেল। আমিও তাকে শক্ত ভাবে জড়িয়ে ধরলাম। এক হাত পিঠে আর এক হাত পাছায় চলে গেল। উনি আমার চেয়ে একটু লম্বা ছিলেন। আমার উচ্চতা ছিল ৫ ফুট ২ ইঞ্চি আর উনার ছিল ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। আমাকেও উনি বুকের মধ্যে ভাল করেই জড়িয়ে ধরলেন। আস্তে আস্তে উনার দুই হাত আমার পাছায় যেয়ে থামল। উনি আমার পাছাটা নিজের দিকে চেপে ধরলেন। আমি স্পস্ট বুঝতে পারলাম উনি আমার ধোনের গুতা খেতে চান। আমার হাত যখন তার পাছায় গেল আর আমি যখন হাত বুলাতে শুরু করলাম উনি তখন আমাকে ছেড়ে দিলেন, আর বললেন, “ওরে দুস্টু, ভালই দেখি পেকে গেছ, আমার পাছায় হাত দিচ্ছ কেন?”। তারপর কথাবার্তা অনেকটা এরকম। আমিঃ না, মানে আন্টি, আমি আসলে হাতটা কোথায় রাখব ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না। আন্টিঃ তাই বলে আমার পাছায় হাত দিবে? আমিঃ তাইলে কোথায় হাত দেয়া উচিৎ ছিল? আন্টিঃ কেন, আমার পিঠেও তো হাত রাখতে পারতা, তাইনা? আমিঃ হু-উ-উ, তা রাখতে পারতাম, আর তাই তো রেখেছিলাম। কিন্তু…….. আন্টিঃ কিন্তু আবার কি? আমিঃ কিন্তু আপনি যখন আমার পাছায় হাত দিলেন আমি ভাবলাম আমারও দেয়া উচিৎ। আন্টিঃ ও, আমি যা করব, তুমিও তাই করবা, তাইনা?? আমিঃ না, তা ঠিক না, আমি মনে করলাম, এমন করলেই মনে হয় আপনি খুশি হবেন। আন্টিঃ হ্যা, বাবা, আমি খুব খুশি হইছি, এখন একটা কথা বলত। আমিঃ কি, আন্টি? আন্টিঃ তোমার ওটা দিয়ে কি কিছু বের হয়? আমি মাথা নিচু করে বলি, হু – উ – উ। ওয়াও, তাইলে তো খুবই ভাল। মনে মনে হয়ত বললেন, “ওইটাই তো আমার চাই”, উনি বললেনঃ শোন, তুমি এখানে বস। আমি একটু অমি কে দেখে আসি কি করতেছে। আমি বসলাম। উনি অমিকে গিয়ে বললেন, যাও, সায়মন ভাইয়াদের বাসায় যেয়ে টিভি দেখ গিয়ে, আমাকে ডেকে বললেন, তুমি ওকে নিয়ে গিয়ে টিভির সামনে বসিয়ে দিয়েই চলে এস। আমি কিন্তু তোমার জন্যে অপেক্ষা করব। আমি অমিকে নিয়ে গেলাম, আমাদের বাসায়। টিভিটা অন করে কার্টুন চ্যানেল দিয়ে ওকে বসিয়ে বললাম। আমি একটু পর আসতেছি। তুমি কার্টুন দেখতে থাক। এই বলে আন্টির বাসায় চলে আসলাম। আন্টির রুমে এসে দেখি আন্টি ব্লাউজ পড়ে ফেলছে। শাড়িটাও পরা প্রায় হয়ে গেছে। আমার দেখে তো মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। ধুর, কেনযে আন্টিকে ছেড়ে চলে আসলাম। আন্টি আমাকে দেখেই একটা হাসি দিল। আমিও প্রতুত্তরে হাসি দিলাম। কিন্তু আমারটা অনেক শুকনো হল। আন্টি মনে হয় দেখেই বুঝতে পারলেন। আমার কাছে এসে আমার কাঁধে হাত রেখে জড়িয়ে ধরলেন। বললেন, কি ব্যাপার, মন খারাপ নাকি? আমিঃ না, তেমন কিছু না। আন্টিঃ শোন, তুমি আজকে যা দেখেছ তা কাউকে কখনো বলনা। যদি বল, তাইলে কিন্তু আমাদের মান ইজ্জত কিছুই থাকবেনা। তোমার কোন বন্ধু কেউ বলতে পারবেনা। কি, ঠিক আছে? আমিঃ  আন্টি। আমি কাউকে বলবো না, কিন্তু এই না বলার জন্যে কি আমি কিছু পাব? আন্টিঃ তুমি কিছু পাবে কিনা জানিনা, কিন্তু তার আগে আমার কিছু প্রশ্নের জবাব দাও। আমিঃ আচ্ছা, বলেন। আন্টিঃ তোমার বীর্যের রঙ কেমন? আমি ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেলাম। বললাম, মানে?? আন্টিঃ মানে, ওইটা কি পানির মতন নাকি সাদা দইয়ের মতন ঘন? আমিঃ দইয়ের মতন অতোটা ঘন না, কিন্তু পানির মতন ও না। পানির মতন আগে ছিল, কিন্তু এখন অনেক গাঢ় হইছে। আন্টিঃ তাইলে তো তোমাকে দিয়ে হবে কিনা বুঝতেছিনা। আমিঃ (আমি কিছুই বুঝতেছিলাম না, বললাম) কেন? আন্টিঃ বীর্য যদি ঘন না হয় তাইলে তো তোমার ওইটা দিয়ে বাচ্চা হবে না এখনি। আর আমার একটা বাচ্চা নেওয়ার শখ তোমার কাছ থেকে বহুদিন ধরেই। এইজন্যে। তবে আমরা চেস্টা করে দেখতে পারি। তুমি কি আমাকে একটা বাচ্চা দিবে? আমিঃ বাচ্চা দিতে হলে তো আমাদের শেষ সেক্স করতে হবে। আন্টিঃ হ্যা, তা তো করতে হবেই, তুমি আমাকে একটা বাচ্চা দিবে, আর তার বদলে যতদিন ইচ্ছা আমার সাথে সেক্স  করতে পারবে। কিন্তু, ওই বাচ্চার কথা আর কাউকে বলতে পারবে না। আমিঃ আপনার সাথে করতে পারব এটা জেনে খুব ভাল লাগছে কিন্তু এইটা তো অবৈধ বাচ্চা হবে। আপনার খারাপ লাগবে না তাতে? আন্টিঃ শোন, এতকিছু জেনে তোমার কোন কাজ নেই, তুমি শুধু রাজি আছ কিনা সেইটা বল। আমিঃ আপনার কোন সমস্যা না থাকলে আমার আর কি। আন্টিঃ আর এ কথা কোনদিন কাউকে বলবে না। এটাই হল শর্ত। আমিঃ আচ্ছা আমি রাজি। আন্টিঃ চল, তাইলে দেখি তুমি কেমন বাচ্চা দিতে পার। চলুন আন্টি। আন্টি আমাকে জড়িয়ে ধরলেন আর বললেন, এর আগে কি কখন করেছ? – নাহ, আমি কখন কোন মেয়ের যোনিই দেখিনি আর করা তো দূরের কথা।  আমি তাইলে তোমাকে সব শিখিয়ে দিচ্ছি। শোন, তোমার যখন বের হওয়ার সময় হবে আমাকে বলবে। – কেন? – কারন ওইটার এক ফোটাও আমি বাইরে ফেলতে দিতে চাই না। নাও, এখন থেকে এক ঘন্টার মতন সময় আছে। এর মধ্যে যা করার করতে হবে, তোমার আংকেল চলে আসবে আবার। আমার শরীরটা আগামী এক ঘন্টার জন্যে পুরোপুরি তোমার। তুমি যেখানে খুশি হাত দাও, যা খুশি তাই কর আমার সাথে, – সত্যি? – হু, সত্যি। এই বলে উনি বিছানার উপর শুয়ে পড়লেন। আমি তখন তার পাশে বসলাম। বসে উনার বুক থেকে আচলটা টেনে সরিয়ে দিলাম। উনার বুক আমার সামনে উন্মুক্ত হল। আমি বুকের উপর চুমু খেলাম। ব্লাউজের একটা একটা করে হুক খুললাম। ব্রা খোলার সময় উনি একটু উঠে নিজেই পিছনে হাত দিয়ে খুলে দিলেন। আমার সামনে উনার নগ্ন বুক, আমি বললামঃ চুসব? উনি বললেনঃ বললাম তো যা খুশি তাই কর। আর তাছাড়া আজকে তুমি আমার সাথে করলে বাচ্চা হবেনা। আজকে তোমার  ম্যাচ। ৫-৭ দিনের মধ্যেই ফাইনাল। আমি ওনার বুক জোড়া নিয়ে খেলায় মত্ত হলাম। এত সুন্দর হয় মেয়েদের বুক, এ জিনিস হয়ত আমি আরো ১০ বছর পর দেখতাম। কিন্তু আমি আজকেই দেখতে পাচ্ছি। নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে করলাম। দুটো ধরে পকাপক টিপতে থাকলাম। এই, আস্তে টিপ। ব্যথা পাচ্ছি তো। – কিন্তু আপনি তো বললেন যে যা খুশি তাই করতে পারি। – হু, তা করতে পার, কিন্তু, এত জোরে টিপলে তো আমি ব্যথা পাই। আচ্ছা ঠিক আছে তুমি কর। আমি আবার শুরু করলাম মনের সাধ মিটিয়ে টেপা। তারপর একটাতে মুখ দিলাম। আর একটা টিপতে থাকলাম। একবার এইটা চুষি তো আর একবার ঐটা। এরকম করতে করতে একসময় মনে হল, ভোদা দেখার সময় হয়ে এসেছে। আমি তখন উনার শাড়িটা পায়ের দিকে যেয়ে বসলাম। উনার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে উনার শাড়িটা উপরের দিকে তুলতে থাকলাম। একটু একটু করে তুলতেছি আর বুকের ঢিপঢিপানি বাড়তেছে। কেমন হয় মেয়েদের ভোদা, শুনেছি ওখানে নাকি চুল থাকে, কোকড়ানো চুল। অনেক ফুলো ফুলো পেটিস এর মতন। খুবই নরম হয় এইটাও শুনেছি। অনেক কিছু ভাবতে ভাবতে উনার শাড়ি কোমর পর্যন্ত তুললাম। দেখলাম ত্রিভুজ আকৃতির ঈষৎ শ্যামলা (আন্টির গায়ের তুলনায়) একটা ছোট জায়গা। নিচের দিকে কাল মতন একটা মোটা দাগ। আন্টি তার দুই পা একসাথে লাগিয়ে রাখায় তার ভোদার ফাঁকটাকে একটা মোটা দাগের মতন মনে হচ্ছিল। আমি আমার নয়ন ভরে দেখতে লাগলাম সেই অপুর্ব দৃশ্যটা। আবেশে একসময় চুমু খেয়ে ফেললাম। আন্টি আর চুপ করে থাকতে পারলেন না। বললেন চুসে দাও সোনা, চুসে দাও। আমার সম্বিত ফিরে এল। এ আমি কোথায় চুমু দিচ্ছি। এখান দিয়ে তো আন্টি পেশাব করে। আমি আমার মুখ সরিয়ে ফেললাম। আন্টির চোখ বড় বড় হয়ে গেল অবাকে। বললেন, – কি হল, মুখ সরালে কেন? আমি বললাম, – ওখান দিয়ে তো তুমি পেচ্ছাব কর, ওইখানে কি মুখ দিয়ে চোসা যাবে? – তুই যদি না চুসে দিস তাইলে কিন্তু আর কিছুই করতে দিব না। চোস বলতেছি। আমার মনটা খারাপ হয়ে গেল, আমাকে দিয়ে জোর করে করাতে চাচ্ছে, এইটা আমার ভালো লাগতেছিল না। আমার মুখটা ছোট হয়ে গেল। উনি বুঝতে পারলেন যে আমি ওইটা পছন্দ করতেছিনা। তখন উনি বললেন, তুই যদি আমার গোসল করা দেখতি তাইলে আর এমনটি করতি না। ওখানে না হলেও সাবান দিয়ে ৫ বার ধুয়েছি। তুই গন্ধ শুকে দেখ, তোর যদি একটুও খারাপ লাগে তাইলে কিছু করতে হবে না। আমি তার কথা মন ওখানে আবার নাক নিলাম। সত্যি, একটুও বাজে কোন গন্ধ নাই। আমি একটা চুমু দিলাম, তারপর বললাম, নাহ আমি পারবনা আন্টি। আমার কেমন যেন লাগতেছে। আন্টি বললেন, আচ্ছা ঠিক আছে, তোকে এখনি চুসতে হবে না, তুই যখন নিজে থেকে চাইবি তখনি আমি চুসাব তার আগে আর আমি বলব না। – আন্টি, তুমি কি রাগ করছ? – না আমি রাগ করি নাই। আসলে আমি বুঝতে পারছি, প্রথম প্রথম এমন হতেই পারে। আমারো প্রথম দিকে এমনটা হইছে। তুই যখন শিখে যাবি, তখন আর আমাকে নিজে থেকে বলতে হবে না। তুই নিজে থেকেই করবি। এক কাজ কর তুই শুয়ে পর। আমি বাধ্য ছেলের মতন শুয়ে পড়লাম।হঠাৎ করে উনি উঠে গেলেন। আমি অবাক হলাম। আমাকে একা ফেলে চলে গেলেন নাতো। ২০ সেকেন্ডের মধ্যেই ফিরে আসলেন। এক হাতে একটা  এর কৌটা আর এক হাতে একটা মধু এর কৌটা। এক চামচ  নিয়ে নিজে মুখে দিলেন আর এক চামচ দিলেন আমার মুখে তারপর বললেন “বেশতো আমার ভোদা যখন চুসবেনা তখন এইটা চুস”। আমি আন্টির মুখে ভোদা শব্দ শুনে খুব অবাক হলাম। এরকম কিছু শুনব আশা করিনাই। এতদিন জানতাম, এইগুলা গালি গালাজ করার জন্যে অনেক বাজে লোকেরা এইসব ব্যবহার করে। এরপর উনি  হলেন। উনি সেই  খাওয়া মুখে আমার মুখে মুখ দিলেন। দিয়ে আমার উপরের ঠোট চুসতে লাগলেন। উনার মিস্টি মিস্টি ঠোট আমিও চুসতে শুরু করলাম। মেয়েদের ঠোট যে এত সুন্দর হতে পারে এইটা আশা করি নাই। আমি আবেশে ওনাকে জড়িয়ে ধরলাম। এবং এরপর উনাকে জড়িয়ে ধরে উনার উপর শুয়ে আমি কিছুক্ষণ চুসি তো উনি আমার উপর উঠে কিছুক্ষণ চুসেন। এইভাবে অনেকক্ষন পার হয়ে গেল।  লম্বা একটা  কিস এর ফলে আমার মাথা ঘুরতে লাগলো। পুরোটা সময় আমি ছিলাম চোখ বুজে। একসময় উনি আমার ঠোট ছেড়ে দিয়ে উঠে বসলেন। আমি উনার দিকে তাকিয়ে দেখি উনার পুরো মুখ লালে লাল হয়ে গেছে। উনি বললেন, “তোমার চেহারা তো একদম আপেলের মতন লাল হয়ে গেছে”। আমি হাসলাম। বললাম, আপনারটাও একি অবস্থা। এরপর উনি আমার উপর আবার ঝাপিয়ে পরলেন। এরপর আমার গলার শিরা গুলি জোরে জোরে চুসতে থাকলেন। উনার এই চোসার ফলে আমি হাসব কি কি করব বুঝতে পারতেছিলাম না। আমার কাতুকুতু লাগতেছিল। এতক্ষণ ঠোট চোষার ফলে যা হইছিল তার শতগুণ ভাল লাগা এসে আমার শরীরে ভর করল। পরে আমাকে ৩ /৪ দিন শার্ট পরে থাকতে হইছিল। আমার গলায় কালসিটে পরে গিয়েছিল। উনি একপর্যায়ে থামলেন। এরপর একি কাজ আমার বুকে দুই জায়গায় করলেন। সত্যি এত ভাললাগা থাকবে কখনো কল্পনা করি নাই। এতক্ষণ তো উনি আমার নাভির উপর ছিলেন। এরপর উনি আমার ট্রাউজারে হাত দিলেন। উনি ট্রাউজারের রাবার ব্যান্ড ধরে নামিয়ে দিলেন। আমি আমার পাছা উচু করে সাহায্য করলাম। আমার সেই স্প্রিং দোলকটা তার সামনে উন্মুক্ত হল যা তখন একটা নির্দিস্ট  ভাইব্রেদ করতেছিল। এর আগে একবার উনি ওখানে  টাচ করেছিলেন। কিন্তু তা ছিল ট্রাউজারের উপর দিয়ে। এবার উনি আমার দিকে তাকিয়ে হাত দিয়ে খুব আলতো ভাবে ধরলেন। আমার শরীরে একটা শক লাগলো। উনি আমার ধোনটার মাথায় এবার আলতো করে চুমু খেলেন। আমি ভাবলাম উনি এবার মনে হয় চুষে বুঝিয়ে দিবেন যে এটা চোষা কোন ব্যাপার না। কিন্তু না, উনি চুমু দিয়েই খাট থেকে উঠে গেলেন। তারপর উনি দিতীয় কৌটাটা নিয়ে আসলেন। হাফ চামচ মধু বের করে উনার হাতে নিলেন। তারপর সেই হাত দিয়ে আমার ধনটা ধরলেন এবং আমার ধোনে মাখলেন। এরপর প্রথমে  পুরো ধোনটাই মুখে নিয়ে চুষলেন। চোষার সময় উনার গলার মধ্যে আমার ধন ঢুকে যাচ্ছিল। আমি মোটামুটি কাটা কয় মাছের মতন কাঁপা শুরু করলাম। উনি উনার ডান হাত আমার মুখে ঢুকিয়ে দিলেন আমি উনার আঙ্গুল চুষতে থাকলাম, আর উনি আমার ধোন, পুরো ধোনটা একবার মুখে নিচ্ছিলেন, আর একবার পুরোটাই বের করে ফেলছিলেন । আমি চোখ বুজে আছি। এক পর্যায়ে হঠাৎ মনে হলউনি অনেক গরম, নরম আর পিচ্ছিল হয়ে গেছে তার মুখটা। অসম্ভব ভাল একটা অনুভুতি। তাকিয়ে দেখি, আন এটা তার মুখ না। উনি তার ভোদাটায় আমার ধোন ঢুকিয়ে দিয়েছেন। এত গরম হবে কখোন আশা করিনি। উনি আমার দুই পাশে দুই হাত রেখে উঠা বসা করতে লাগলেন। আমার সামনে তার দুধ দুইটা ঝাকি খাচ্ছিল। আমি ওইটা দেখছিলাম। এর মধ্যে আমার বের হয়ে যাওয়ার সময় হয়ে গেল। আমি বললাম, আন্টি কিছুক্ষণ এর মধ্যেই বের হয়ে যাবে। আন্টি হঠাৎ থেমে গেলেন। আমি আবার অবাক হলাম। কোথায় এখন জোরে জোরে কোমর দুলাবেন অথচ তিনি চুপ হয়ে দম নেওয়া শুরু করলেন। আমি বললাম, আন্টি, আমি কি উপরে উঠব? উনি বললেন নাহ, তোমার কিছুই করতে হবে না। যা করার আমিই করতেছি। ১০ / ১৫ সেকেন্ড পর উনি বসে থেকেই কোমর না নড়িয়ে তার ভোদা দিয়ে পিস্ট করতে লাগলেন। এইবার বুঝলাম কেন তিনি দম নিলেন। হাফ মিনিটের মধ্যেই আমার ধোন থেকে গরম বীর্য বের হয়ে গেল। আমি পেলাম পরম শান্তি। উনিও হাপিয়ে গিয়েছিলেন। উনি আমার বুকের উপর শুয়ে পরলেন। আমি উনার পিঠ হাতিয়ে দিচ্ছিলাম। উনি আমার বুকে কিছুক্ষণ মাথা ঘষলেন। তারপর এভাবে থাকার কিছুক্ষণ পর উনি মাথা তুললেন। আমার ঠোটে চুমু দিলেন। তবে এবার সামান্য কিছুক্ষণ এর জন্যে। তারপর উনি আমাকে ছেড়ে উঠলেন। একটা রুমাল নিয়ে এসে উনার ভোদা বেয়ে গরিয়ে যাওয়া বীর্য আর উনার রস মুছলেন। তারপর আমার ধোনটাও মুছে দিলেন। আমি উঠে বসলাম। ট্রাউজার ঠিক করে বসলাম। উনিও ব্রা, ব্লাউজ, শাড়ি সব ঠিক করে নিলেন। আমি দাঁড়ায়ে গেলাম। তারপর দুইজন দুইজনার দিকে তাকিয়ে তৃপ্তির হাসি দিলাম। উনি বললেন, কালকে পারলে একটু আগে এস। আমি আচ্ছা বলে খুশি মনে যেতে উদ্যত হলাম। উনি আমাকে ডাকলেন। বললেন, কি ব্যাপার চলে যাচ্ছ যে? আমি বোকার মত চেয়ে থাকলাম। উনি বললেন, “এভাবে কখনো চলে যেতে হয় না”। আমি প্রথমে বুঝে উঠতে পারলাম না, উনি ঠিক কি করতে চাচ্ছেন। তারপর এক মুহুর্তের মধ্যে আমি বুঝলাম উনি কি চাচ্ছেন। আমি কাছে আসলাম, আমি উনাকে বুকের মধ্যে টেনে নিলাম। তারপর উনার দুই ঠোট চুষে দিয়ে বিদায় চুম্বন দিলাম। উনি বললেন, যাক, একটু বুদ্ধি হইছে তাইলে। আমি উনার কানের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বললাম, “আজকে আপনি আমাকে চুদলেন, কাল আমি আপনাকে চুদব, তৈরি থাকবেন”।- আচ্ছা সোনা, এখন থেকে তোমার জন্যে সবসময় আমার এই দেহ রেড থাকবে। আমি খুশি হলাম, কপালে আলতো একটা চুমু দিয়ে, বাম পাশের দুদুটাতে একটা জোর চাপ দিয়ে মাথা ঘুরিয়ে দৌড়ে চলে আসলাম। কারন আমি জানি উনার দিকে তাকিয়ে থাকলে আমার আসতে কষ্ট হবে, কারন উনাকে যে আমি ভালবেসে ফেলেছি। বাসায় এসে অমিকে বললাম তোমার আম্মু তোমাকে ডাকছে। আমি টিভিটা অফ করে দিয়ে আমার রুমে গেলাম। বালিশে মুখ গুজে চিন্তা করতে লাগলাম, কি হল এটা, এত আনন্দ যে আমার কপালে আজকে ছিল তা কে জানতো। কালকে আমি উনাকে আমি আমার নিচে ফেলে চুদব ভাবতেই মনটা খুশিতে ভরে উঠল। গোসল করে একটু খেয়ে কলেজের দিকে রউনা দিলাম। কলেজ থেকে এসে দিলাম এক ঘুম, উঠলাম ৮ টার দিকে। হাত মুখ ধুয়ে পড়তে বসলাম। কিন্তু পড়ায় আর মন বসে না। কখন রাতটা পার হবে, কখন আন্টির কাছে আবার যেতে পারব। বইয়ের দিকে তাকিয়ে আছি, মন পরে আছে আন্টির কাছে। চোখের সামনে ভাসতেছে আন্টির সুন্দর মুখটা, আন্টির খোলা বুক, আন্টির নগ্ন দেহ। মনে পড়ল আন্টির চুমু দেওয়া, ভাবতে লাগলাম, আন্টি এত সুন্দর করে চুমু দেওয়া শিখল কোথায়। তারপর ভাবলাম, এইভাবে যদি প্রতিদিন করি একসময় যদি আন্টি আর আমাকে কিছু না করতে দেয় তাইলে তখন আমি কি করব। কি করে আমার দিন কাটবে। নাহ এর একটা বিহিত করতেই হবে। যেভাবেই হোক আন্টিকে  করে ফেলতে হবে। কিন্তু কিভাবে? আমিতো আর আংকেলকে মেরে আন্টিকে বিয়ে করতে পারব না। তাইলে কি করা যায়। কারন এমনতো হতে পারে যে আন্টি শুধু বাচ্চা নিতে চাচ্ছে, তারপর আমাকে আর চিনবেই না, তাইলে যা করার বাচ্চা নেওয়ার আগেই করতে হবে। কিন্তু কি করব? এইভাবে অনেক ভেবে চিন্তে একটা খসরা প্ল্যান করলাম।  মেয়েরা যে শুধু চোদন খেয়েই খুশি হয় না, এটা আমি জানি, শুধু মেয়েরাই কেন, ছেলেরাও কি শুধু চোদার জন্যেই বিয়ে করে, অবশ্যই নয়। আমি উলটো দিক থেকে চিন্তা শুরু করলাম, প্রথমে দেখি ছেলেরা কি চায়? ছেলেরা বিয়ে করে চোদার জন্যে, এটা অবশ্যই ঠিক। কিন্তু বিয়ে করলে তো সবাই চুদতে পারে, তাইলে কারো সংসার ভাল টিকে আর কারো সংসার ভাল টিকে না, তাইলে কি যাদের সংসার ভাল টিকে না তাদের বউ কি চুদতে দেয় না। এটা নিশ্চয় ঠিক নয়। তাইলে তাদের মধ্যে নিশ্চয় ভাল সম্পর্ক থাকে না। কেন থাকে না? তারা হয়ত একজন যা চায় অন্যজন তা দিতে পারে না। হয়ত বউ চায় একটু গল্প করতে, একটু ঘুরতে, একটু সময় কাটাতে, কিন্তু তার সামী হয়ত তা করতে পারে না সময়ের অভাবে। অফিস থেকে এসেই ঘুমিয়ে পরে। রাতে খেয়ে দেয়েই বউরে লাগিয়ে আবার ঘুম, সকালে আবার অফিস এবং এভাবেই তাদের দিন যে কিভাবে চলে যায় তারা নিজেও জানে না। হঠাৎ একদিন তারা আবিস্কার করে যে ২০ বছর সময় পার হয়ে গেছে। তখন সে তার বউকে হয়ত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায় কিন্তু তাও পারে না। কারন বউ তখন সংসারের কর্মব্যস্ততার ফাঁকে কখন যে তার যৌবন আর তারুণ্যের সময় পার করে এসেছে তা সেও জানে না। তারপর আর তাদের আর কখন বনিবনা হয় না। এর জন্যে যা করার শুরুতেই করা উচিৎ ছিল।আর একটা জিনিস মেয়েরা চায়, তা হল, সংসারের সচ্ছলতা, কথায় আছে, অভাব যখন দরজা দিয়ে আসে, ভালবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়। ইস, আমি যদি আন্টির সব আর্থিক সমস্যা মিটাতে পারতাম। কিন্তু কিভাবে? আমি তো নিজেই কোন ইন কাম করি না। আন্টিকে কি দিব? যাই হোক তাকে আমি আশসাস দিতে পারি যে, আমার যখনই কিছু হবে তখন আমি তাকে যথাসম্ভব ভাবে  করব।একবার ভাবলাম, ব্ল্যাকমেইল করব, ভাবার পরক্ষনেই তা বাদ দিলাম। কারন জোর করে একবার, দুইবার চোদা যায় কিন্তু ভালবাসা পাওয়া যায় না। নাহ, ছবি তুলে বা ভিডিও করে ব্ল্যাকমেইল করার চিন্তা বাদ। আমি আন্টিকে চিরজীবনের জন্যে চাই, এক দুই দিনের জন্যে নয়। দরকার হলে আন্টিকে আমি বিয়ে করব।ধাম। ধাম। কিরে আলিফ কি করিস? হুড়মুড় করে চেয়ার ছেড়ে উঠলাম। দরজা খুললাম। দেখি আম্মা দাঁড়িয়ে আছে। – কিরে কি করিস, এত বার ডাকলাম, শুনতে পাস নাই। ঘুমাচ্ছিলি নাকি? – না মানে আম্মু, একটা পড়া নিয়ে খুব ভাবতেছিলাম, এইজন্যে খেয়াল করি নাই। – দেখছিস কয়টা বাজে? সাড়ে দশটা। চল তাড়াতাড়ি খেয়ে নে। পড়ে পড়িস। চল এখন। – আচ্ছা চল। এরপর খেয়ে এসে শুয়ে শুয়ে চিন্তা করতে লাগলাম, একটু পরে ঘুমিয়ে পরলাম। রাতে সপ্নে দেখলাম, আন্টি বাসা ছেড়ে দিয়ে চলে যাচ্ছে। লাফ দিয়ে ঘুম থেকে উঠে পরলাম। দেখি পুরো শরীর ঘেমে গেছে। ঘড়িতে দেখি চারটা বাজে। ফ্যানটা জোরে দিয়ে মশারির মধ্যে আসলাম। ঘুম এলোনা। আবার সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে সকাল ছয়টার দিকে ঘুমালাম। সাতটার দিকে আম্মা ডেকে দিল। আমি খেয়ে দেয়ে কলেজে গেলাম। তিনটা ক্লাস ছিল। দুইটা করেই পালালাম। বন্ধুকে বললাম, তুই ক্লাস নোট গুলা তুলে রাখিস, আমি তোর কাছ থেকে পরে তুলে নিব। সোজা বাড়ি চলে আসলাম। আম্মু জিগ্যাসা করল কিরে, আজ এত তারাতারি আসলি যে, শরীর খারাপ নাকি? – না আম্মু, শরীর ভালই আছে, আজকে বাংলা ম্যাডামের শরীর খারাপ তাই আসে নাই, আর তাই এই ক্লাসটাও হবে না, তাই চলে আসলাম। – ও আচ্ছা, ঠিক আছে। যা, রুমে যা। বিকেলে প্রাকটিকাল ক্লাস থাকলে লিখে ফেল। – আচ্ছা আম্মু। রুমে যেয়েই ব্যাগটা ছুড়ে ফেললাম। কাপড় চোপড় ফেলে
করেই পাশের বাড়ির আন্টি লায়লার কাছে। দেখলাম, দরজাটা খোলাই আছে, শুধু পাল্লা গুলা ভিড়ানো। ঠেলা দিয়ে ঢুকলাম। চিলের চোখ আর বাদুড়ের কান নিয়ে আমার প্রিয় আন্টিকে খুজতে লাগলাম। ডাক দিলাম, অমি কি কর। অমি দৌড়ায়ে আসল। “কি ভাইয়া”। – তোমার আম্মু কই? – আম্মু ঘরে বসে সেলাই করে। – আচ্ছা তুমি যাও আমাদের বাসায় যেয়ে টিভি দেখ গিয়ে। অমি নাচতে নাচতে চলে গেল আমাদের বাসার ড্র‌য়িং রুমে। আমিও সাথে যেয়ে টিভিটা ছেড়ে কার্টুন চ্যনেলটা ছেড়ে দিয়ে আসলাম। ও দেখতে থাকল। ঢিবি ঢিবি বুক নিয়ে আন্টির রুমে গেলাম, দেখি আন্টি একটা চেয়ারে বসে উল্টো দিকে ঘুরে জানালার দিকে তাকিয়ে সেলাইয়ের কাজ করতেছে। আন্টির সিল্কি ঢেউ খেলানো চুলগুলো চেয়ারের পায়া ছুই ছুই করছে। আমি পা টিপে টিপে আন্টির পিছনে গিয়ে দাঁড়ালাম। আস্তে করে আন্টির কাঁধের উপর দিয়ে হাত দিলাম। আন্টি একটু কেঁপে উঠল। ঘুরে তাকাল। আমি একটা সুন্দর হাসি দিয়ে জানালাম, আমি এসেছি, আমি এসেছি তোমাকে চোদার জন্যে। কালকে তুমি আমাকে চুদেছ। আমি আজকে তোমাকে চুদব। আন্টিও হাসি দিয়ে জানিয়ে দিলেন, হ্যা, তোমার চোদা খাওয়ার জন্যেই তো অপেক্ষা করতেছি। – আন্টি, ভাল আছ? – হু বাবা, ভাল আছি। – আমাকে বাবা বলবে না। – তাইলে কি বলব? – আমার নাম আছে, নাম ধরে ডাকবে? – কেন? বাবা বললে কি হয়? – বাবা বললে তোমার গায়ে হাত দিতে খারাপ লাগে। – আচ্ছা, ঠিক আছে সোনা, তোমাকে আলিফ বলেই ডাকব, খুশি তো। – হু, সোনা বলেও ডাকতে পার। তবে বাবা বলতে পারবে না। আন্টি আমার হাত ধরে তার পাশে বসালেন। আমার এক হাতের নিচ দিয়ে হাত নিয়ে আমার পিঠে রাখলেন, আর এক হাত রাখলেন আমার গালে। তারপর আমাকে চুমু দেওয়া শুরু করলেন। কিছুক্ষন পরেই ছেড়ে দিয়ে বললেন – তো বল, আজকে কিভাবে তোমাকে মজা দিব? আজকেও কি তোমার ঐটা চুসে দিব? – নাহ। আজকে তোমার কিছুই করতে হবে না। আজকে যা করার আমিই করব। – একদিনেই কি সব শিখে গেলে? – দেখি, পরীক্ষার ফলাফলই সব বলে দিবে। – আমার ওটা চুসতে পারবে তো? – (আমি মাথা নিচু করে) হু, পারব। – থাক, থাক, তোমাকে আর কস্ট করে মনের মধ্যে ঘ্রিনা নিয়ে চুসতে হবে না। – ঘ্রিনা যে করে না তা নয়, তবে তুমি আমাকে গতকাল যে আদর করেছ তার তো কোন তুলনা হয় না। আমার যত খারাপই লাগুক, আমিও তোমাকে আজ সেই আনন্দ দিয়েই ছাড়ব। – হইছে, তোমাকে আর কস্ট করে কিছু করতে হবে না। – না আন্টি তোমাকে আমি সর্গসুখ দিয়েই ছাড়ব। আমি গতকাল যে মজা পেয়েছি তার কিছুটা হলেও তো তোমার প্রাপ্য। সেটা দিতে আমাকে বঞ্চিত কোর না। – আচ্ছা, এত যখন জেদ ধরছ তখন কর। কিন্তু করার আগে কিছু টিপস

দেই। – ওয়াও, তাইলে তো খুবি ভাল হয়। – হু, মন দিয়ে শোন। – আচ্ছা বল। – আমি হয়ত তোমার জীবনে প্রথম, কিন্তু জীবনের চলার পথে অনেক মেয়ে আসবে, অনেক মেয়ে পাবে তুমি…….. – (আন্টির মুখে হাত দিয়ে) অমন কথা বল না আন্টি। আমার শুনতে খারাপ লাগে। তুমি আমার জীবনে না আসলে আমি আর কাউকে বিয়ে করব না আন্টি। (আন্টির বুকে মাথা রেখে) আমি তোমাকে ভালবাসি, আমি আর কাউকে চাইনা। কাউকে না। – (একটু হেসে), আচ্ছা আচ্ছা, হইছে। বুঝছি। আর কান্না কাটি করতে হবে না। আমার দু পাশে হাত দিয়ে আমাকে তার বুক থেকে তুললেন আর বললেন…… – শোন, তুমি আমাকে কতটুকু ভালবাস আমি স্পস্ট করে বলতে হয়ত পারবনা। কিন্তু একটা কথা মনে রেখ, মেয়েরা যাকে ভালবাসে তার কাছ থেকেই সন্তান নিতে চায়। আর আমি যে তোমাকে কতটুকু ভালবাসি তার প্রমান তো তুমি পেয়েছ। আমি তোমার কাছ থেকে বাচ্চা নিতে চাচ্ছি। এর চেয়ে বেশি আর কি বলতে পারব। বরং তুমি এখন যেমন করছ, এটা আর কয়েকদিন পর অন্য কোন মেয়ে তোমার জীবনে আসলে হয়ত তুমি ভূলে যাবে। ছেলেরা এক মেয়েতে সন্তুস্ট হতে পারে না। তারা সবসময় নতুন নতুন দেহ খুযে বেড়ায়। আমি মাথা নিচু করে থাকলাম। আমার চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়তে থাকল। আন্টি আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে বললেন, “আমি জানি তোমার এই কথা শুনতে খুব খারাপ লাগছে, সত্যিই খারাপ লাগছে, কিন্তু আমি প্রমান করে দিতে পারি যে এটা ভালবাসা নয়, এটা তোমার কাছে শুধুই শারিরীক চাহিদা”। আমি ফ্যালফ্যাল করে তার দিকে তাকিয়ে থাকলাম। “কি, অবাক হচ্ছ আমার কথা শুনে, আমি জানি তুমি মিথ্যা কথা বলনা। একটু নিজেকে জিজ্ঞাসা করে বলত দেখি, গতকালের আগেও কি তুমি আমাকে নিয়ে এভাবেই ভাবতে, নাকি শুধু আমার কথা ভেবে ভেবে রাতে তোমার বিছানার চাদর আর ট্রাউজার ভিজাতে?” আমি মুখ হাঁ করে কিছু বলতে যেতেই উনি আমার মুখের উপর হাত রাখলেন, বললেন, “তুমি হয়ত এখন জোর করে মনের বিরুদ্ধে একটা কথা বলতে যাচ্ছ। কিন্তু আমি সেটা তোমার কাছে আশা করব না। নিজেকে জিজ্ঞাসা করে তারপর সত্যি কথাটা বল।” আমি তার কাছে পরাজিত হলাম। আমি বলতে পারলাম না যে তাকে আমি দুই দিন আগেও একি রকম ভালবাসতাম। আমি চুপ করে থাকলাম। একটু সময় বিরতি দিয়ে বললাম, “তারমানে কি আমি তোমাকে ভালবাসি না? আমি তোমাকে যে মন থেকে চাই, এটা কি সত্যি না? আমি কি তোমার শরীরটাকেই ভালবাসি, আর কিছুই না?” – না, তা ঠিক নয়, তুমি আমাকে ভালবাস। আমিও চাই তুমি আমাকে ভালবাস। কিন্তু এখন যে আছে তোমার মাঝে তা শুধু আবেগ আর মোহ,এটা যদি ভালবাসা হত তাহলে আমি সবচেয়ে খুশি হতাম। কিন্তু আমি চাইনা আমার জন্যে তোমার জীবনটা নস্ট হোক, আমি চাই তুমিও খুব সুন্দর একটা মেয়েকে বিয়ে করে সুখে শান্তিতে তোমার জীবনটা পার কর। – কিন্তু কোন মেয়ে কি তোমার মত করে আদর করতে পারবে? – পারবে না কেন? অবশ্যই পারবে। প্রথম প্রথম হয়ত পারবে না, কিন্তু একটু শিখিয়ে নিতে পারলে সব মেয়েই পারবে। মাথায় যদি একটু বুদ্ধি থাকে আর তোমাকে যদি মন থেকে ভালবাসে তাইলে অবশ্যই পারবে। আর এই যে বললে আদর করার কথা, এইটাই তুমি ভালবাস, আমার মনকে নয়। আমি তার কথা শুনে খুব অবাক হলাম। কিভাবে উনি আমার মনের সব কথা অকপটে বলে যাচ্ছেন আর আমি প্রতুত্তরে কিছুই বলতে পারছি না। আমি বললাম, – এটা যদি আবেগ মোহ হয় তাইলে ভালবাসা কাকে বলে? – ভালবাসাকে কখনো শারিরীক সম্পর্কের সাথে তুলনা করলে তুমি সত্যিকারের ভালবাসা কি বুঝতে পারবে না। একটা মানুষকে তুমি ভালবাস যখন তার চেহারা, ফিগার বা ধন-দৌলত তোমার কাছে তোমার কাছে অর্থহীন মনে হবে। সবসময় সে কিসে খুশি হয় সেটা তোমার মাথায় ঘুরবে। নিজে কস্ট করে হলেও তাকে একটু সুখ দেওয়ার চেস্টা করবে। তুমি যদি কিছু কর তার ভাল লাগার জন্যে করবে, নিজের জন্যে নয়। তার ভাললাগাকে প্রাধান্য দিবে আগে। সেই ব্যক্তি তোমার কাছে মুখ্য হবে, তুমি নিজে নও। তবে আমি আপ্রান চেস্টা করে যাব তোমার সত্যিকারের ভালবাসা পাওয়ার জন্যে। আমি তার কথা শুনে খুব অবাক হলাম, কোথায় আমি তাকে ধরে রাখার জন্যে চেস্টা করব উল্টা উনিই আমাকে ধরে রাখার চেস্টা করতেছেন। – কিন্তু তুমিও তো আজকে আমাকে হয়ত বলতেছ, দুইদিন পরেও যে এমনটিই থাকবে তা কিভাবে প্রমান করবে? – ভালবাসা কখন প্রমান করা যায়না, কিন্তু তুমি যদি তাও চাও আমি তাও দিতে রাজি আছি, বল তুমি কি চাও। আমি আমতা আমতা করতে লাগলাম। কি বলব আমি। কি চাইব উনার কাছে। উনি তো তার সম্ভ্রম দিয়েই দিয়েছেন। উনার কাছে আমার আর চাওয়ার কি আছে। – একটা জিনিস চাইতাম কিন্তু তুমি কি তা দিতে পারবে? – তুমি আমাকে এখন বিয়ে করতে চেওনা। ঐটা আমার পক্ষে দেওয়া সম্ভব না। কারন আমরা একটা সমাজে বসবাস করি, এখানকার নিয়ম কানুন আমাদের মেনে চলতে হয়। এমন কিছু চাও যেটা দিতে আমার সমস্যা হবে না। মনে রেখ ভালবাসা শব্দের অর্থ হচ্ছে বিশসাস। কি করলে তোমার বিশসাস অর্জন করতে পারব তাই বল? – আমি কখোনই তোমার কাছে এমন কিছু চাইব এটা আশা করিনাই, আর তাছাড়া আমার বলতেও কেমন যেন লাগতেছে। নিজেকে খুব ছোট মনে হচ্ছে। আমি বলতে পারব না। হঠাৎ করে উনি আমার ধোন ধরে ফেললেন। আমিও  উনার হাত ধরে ফেললাম। উনি বললেন, “তারাতারি বল, নাইলে কিন্তু ছাড়ব না।” – তাইলে তো আমি কখনোই বলবনা। উনি এরপর আমাকে ধাক্কা দিয়ে শুইয়ে ফেলে দিলেন। চেয়ার ছেড়ে লাফ দিয়ে উঠে আমার দুই পাশে দুই পা দিয়ে হাটু গেড়ে বসে পড়লেন আমার তলপেটের উপর। আমার দুই হাত ধরে আমার কানের কাছে মুখ নিয়ে আসলেন। “বল, আমার কাছে কি চাও, বল তাড়াতাড়ি, নাহলে কিন্তু তোমার অবস্থা আজকে সত্যি সত্যি খারাপ করে ছাড়ব, কালকে আর আসতেই চাইবে না”। এই বলতে বলতে আমার কানের লতিতে আলতো করে কামড় দিলেন। আমি শুড়শুড়িতে খিলখিল করে হেসে উঠলাম। কিন্তু উনি ছাড়তেই চাইলেন না। আমিও আর থাকতে পারছিলাম না। আমি অনেক কস্টে অথবা উনার একটু ঢিল দেওয়াতেই একটা হার কোনভাবে মুক্ত করেই উনার কোমরে কাতুকুতু দেওয়া শুরু করলাম। উনি আর থাকতে না পেরে আমার দুই হাত ছেড়ে দিয়ে আমার উপর শুয়ে পড়লেন।আমি উনার পিঠের উপর দুই হাত দিয়ে শক্ত করে ধরলাম, নিজের বুকের সাথে বুক লাগিয়ে একটা মোচড় দিয়ে উনাকে ফেলে দিলাম আমার নিচে। এখন আমি আছি উনার উপর, উনার দুই পায়ের ফাঁকে আমার দুই পা, উনার বুকের উপর ভর করে আমার বুক। উনি আর আমি দুইজনি হাঁপাতে লাগলাম। পাঠকগণ আপনারা নিশ্চয় খেয়াল করেছেন, আমি উনাকে তুমি করে বলা শুরু করে দিয়েছি। উনি বললেন, “এই, বলনা, তুমি আমার কাছে কি চাও”? “আমি তোমাকে সারাজীবন সবসময়ের জন্যে আমার বুকের নিচে রাখতে চাই”। “কি পারবে আমার এই ইচ্ছাটুকু পুরন করতে” এই বলে উনার কানের কাছ থেকে মুখটা উঠালাম। – আমারো তো ইচ্ছা করে তোমার বুকের নিচে থাকতে সোনা, কিন্তু কিভাবে সম্ভব। একটা উপায় বল? – আমি জানিনা, তুমি বলেছ, আমাকে বিয়ে করতে পারবে না, ও কে, বিয়ে কর না। কিন্তু একটা ব্যবস্থা কর যাতে তোমাকে আমার বুকের নিচে রেখে আমি ঘুমাতে পারি প্রতিদিন। – এই, তুমি কি আমার ছবি চাচ্ছ নাকি? – কেন, আমি চাইতে পারি না? – (হাসতে, হাসতে) ওরে দুস্টু শয়তান, তোর মনে এই মতলব ছিল। এইটুকু কথা মুখ ফুটে বলতে পারলিনা কেন? – বলতে খুব ভয় হচ্ছিল, যদি তুমি রাগ কর।যদি তুমি আমার সাথে রাগ করে আর কথা না বল। – তো আমার ছবি নিবি এতে রাগ করার কি আছে? – আমি তোমার খোলা বুকের ছবি নিব। আমাকে চুমু দিচ্ছ এই সবের ছবি নিব। – কিন্তু কেউ যদি দেখে ফেলে তাইলে তো সর্বনাশ হয়ে যাবে, এরকম ছবি উঠালেও প্রিন্ট করাব কেমনে? – হু, তা ঠিক। তাইলে কি করা যায়, তুমিই বল। – আমি শুনেছি কম্পিউটার থেকে প্রিন্ট করানো যায়, কিন্তু ভাল প্রিন্টারের তো অনেক দাম। – কম্পিউটারেরও তো অনেক দাম। এটা কে কিনে দিবে? একটা কম্পিউটারের দাম তো প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা। – একটা উপায় আছে অবশ্য। – কি? – আব্বা বলেছে, আমি যদি খুব ভাল একটা ইউনিভার্সিটিতে ভাল সাবজেক্টে চান্স পাই তাইলে আমাকে একটা কম্পিউটার কিনে দিবে। – ওয়াও, তাইলে তো ভালই হয়। – হু, ভাল তো হবেই। টাকা তো আমার বাপের যাবে। তোমার তো আর যাবে না। ভাল হবে না তো কি? – তুমি আমাকে এভাবে খোঁচা দেবে, এটা আমি আশা করিনি। শুধু টাকার জন্যে আজকে আমার এই পরিণতি। – দেখ আন্টি, আমি তোমাকে কস্ট দিতে চাইনি। এমনি মুখ ফস্কে বের হয়ে গেছে, আমাকে মাফ করে দাও, প্লিজ। আন্টি অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে রাখলেন। চুপ করে থাকলেন। উনার চোখের দিকে তাকিয়ে দেখি, উনার চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি ঝরছে।আমি উনার গালে একটা চুমু দিলাম। তারপর উনার চোখে চুমু দিলাম। চুমু দেওয়ার সময় উনার চোখের পানির উপর চুমু দিয়ে বললাম, “ওমা, তোমার চোখের পানিও দেখি নোনতা”। তাও কোন কথা নেই। এবার আমি উনার উপর থেকে উঠে বসলাম।বসে উনার পা ধরলাম। “সরি আন্টি, আমাকে মাফ করনা, ভুল হয়ে গেছে তো, কি মাফ করবে না, দাড়াঁও, তুমি মাফ না করে কই যাও আমিও দেখব।” এই বলে আমার দুই হাত আস্তে আস্তে উপরের দিকে উঠানো শুরু করলাম। যতই উঠাই ততই উনি কেঁপে কেঁপে উঠছেন। আমার হাত উনার হাঁটু পেরুলো।আমি শাড়ি সহ তুলছি। কিন্তু উনার চেহারা ভাবলেশহীন। এইবার আমি হাত তুলতে তুলতে উনার উরু স্পর্শ করলাম। তাও কোন কথা নাই।উনার শাড়িও উঠে গেছে। নাহ এভাবে নয়। কোথাও একটু ভুল হচ্ছে। হঠাৎ করে উনার হাটুর নিচে একটা চুমু, তারপর হাটুর ঠিক নিচে, তারপর তারপর হাটুর উপরে। তারপর শাড়ির ভিতরে আমার মাথা ঢুকিয়ে দিলাম। একবার এই পাশের উরুতে চুমু দেই তো আর একবার ওইপাশে। এইভাবে চলতে থাকল। স্পস্ট বুঝতে পারছি, উনি প্রত্যেকটা চুমুতে কেঁপে কেঁপে উঠছেন। যতই উপরে উঠছি ততই কাঁপুনির পরিমান বাড়তে থাকল। কিন্তু উনার হাত মুখ নিস্ক্রিয়। উনি কিছু বলছেননা, হাত দিয়েও কিছু করছেননা। এইবার আমি ঘ্রিনা সব ফেলে দিয়ে উনার উপত্যকায় একটা চুমু দিলাম। আর উনি থাকতে পারলেন না। দুই পা এলিয়ে দিয়ে অনেকটা ফাঁক করে দিলেন। আমারো মুখ দিতে সুবিধা হল। হালকা একটা ঘাম টাইপ এর গন্ধ পেলাম, নরম কোমল  মুখ দিলাম। প্রথমে হালকা চুমু, পরক্ষনেই চুমুর স্থায়িত্ত বাড়তে থাকল। পাঁচ সাত বার চুমু দেওয়ার পর আমার ঘ্রিনা ভাব টা পুরো কেটে গেল। কোন বাজে গন্ধও পেলাম না, কোন বিশ্রী সাদও পেলাম না। তাই এবার তার দুই জংঘার নিচ দিয়ে দুই হাত দিয়ে পাছাটা নিজের দিকে নিয়ে  মুখে পুরে জোরে চুমু দিয়ে চোষা শুরু করলাম। মোটামুটি দশ সেকেণ্ডও যেতে হল না, আন্টির মুখ থেকে একটা আ-আ-হ শব্দ পেলাম। আমি ইচ্ছা করে শাড়ির নিচ থেকে মুখ তুলে এনে তার চেহারা দেখার চেষ্টা করলাম। উনি এক হাত দিয়ে আমার চুল ধরে অন্য হাত দিয়ে শাড়ি তুলে আমার মাথাটা টেনে আবার চেপে ধরলেন তার উরুসন্ধিতে। আমি তার দাসে পরিণত হলাম। চুক চুক করে খেতে লাগলাম তার গিরিখাত থেকে বয়ে যাওয়া গঙ্গার সুধা। ততক্ষনে আমার মুখ তার থেকে নিচে নেমে এসেছে।উনার যোনির উপর মুখ দিয়ে চুসছি আর উনি বিভিন্ন প্রকার অদ্ভুত সব শব্দ করে যাচ্ছেন। কিছুদিন আগে এক ছাত্রীর  খাতায় দেখেছিলাম, শব্দ কাকে বলে এর উত্তর লিখেছে এরকমঃ “কোন কিছু উপর থেকে পড়ে গেলে বা জোরে আওয়াজ হলে যে শব্দ হয় তাকে শব্দ বলে।” ঐ ছাত্রীর কাছে যেমন শব্দ কাকে বলে এর সঠিক উত্তর জানা না থাকায় এমন সঙ্গা লিখেছে তেমনি আমারও ঐ আন্টির উচ্চারিত শব্দের কোন সঠিক আভিধানিক অর্থময় শব্দ না থাকায় আমিও ঠিক ব্যাখা করতে পারছি না। তবে এ সব কিছুকে একসাথে যে শিৎকার বলে এইটা জানি। যতই সময় যেতে থাকল ততই উনার শব্দের মাত্রা লগারিদমিক স্কেলে বাড়তে থাকল। একসময় এমন হল যে আমার ভয় হল দরজার বাইরে যদি কেউ থাকে তো নির্ঘাত সেই ব্যক্তি এই শিৎকার শুনতে পাবে।আমি একটু ক্ষান্ত দিলাম। উনি বললেনঃ থেম না, থেম না, প্লিজ, এখন না। আমি অনেক কস্টে মাথা তুললাম, তুলে বললাম, একটু আস্তে শব্দ কর আন্টি, কেউ শুনতে পেলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। আন্টি অনেক কস্টে আচ্ছা বলে শাড়িটা হ্যাচকা টান দিয়ে বুকের উপর উঠিয়ে নিলেন এবং তারপর আমার মাথাটা ধরে আবার চেপে ধরলেন তার অনাবৃত অংশে। উনি যে অনেক কস্টে আস্তে আস্তে শিৎকার করছিলেন তা আমি বেশ বুঝতে পারলাম। একটু পরে জবাই করা মুরগির মত বার কয়েক থরথর করে কেঁপে উঠলেন, উনার শরীর ধনুষ্টংকার রোগীর মতন বাঁকা হয়ে গেল। আমার মাথার উপর তো তার হাত দিয়ে তো চেপে ধরা আছেই। তার কোমর অন্তত পক্ষে বিছানা থেকে এক ফুট উপরে উঠে গেছে। ক্রিকেট খেলায় এল. বি. ডব্লিঊ হওয়ার সময় যেমন বোলার যেমন চেঁচিয়ে উঠে হাউ ইজ দ্যাট বলে তেমনি উনিও মোটামুটি ওইরকম কিছু একটা বলে চেঁচিয়ে উঠলেন। আমি ঠিক বলতে পারবনা উনি তখন কি বলেছিলেন। তবে এটুকু বলতে পারি ওই শব্দের ডেসিবেল যদি মাপা হয় তাইলে আমাদের দেশীয় ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের চেয়ে তা কোন অংশে কম হবে না। উনি খুবই আস্তে আস্তে উনার নিতম্ব নিচের দিকে নামাতে থাকলেন।মাথাটা এখনো দুই হাত দিয়ে ধরা আছে। এক সময় উনার তানপুরা ভুমি স্পর্শ করল। উনি খুব জোরে জোরে হাঁপাচ্ছিলেন। আমি মাথাটা উঠানোর ব্যর্থ চেস্টা করলাম বার দুয়েক। উনি এখনো চেপে ধরেছিলেন। কিছুক্ষন পর ঢিল দেওয়া শুরু করলেন। এক সময় উনার এক হাত দিয়ে আমার মাথায় বুলানো শুরু করলেন।আস্তে আস্তে উনার দুই হাত দিয়ে আমার মাথাটা উপরে তুললেন, দেখলেন আমার মুখে সব লেগে আছে, উনি পরম যত্নে শাড়ির আঁচল দিয়ে মুছে দিলেন। উনার গায়ে শক্তিও ছিল প্রচুর। শুয়ে থেকে দুই হাত দিয়ে আমাকে কাছে টেনে নিয়ে এলেন। আমি আবার উনার বুকের উপর শায়িত হলাম। স্পস্ট দেখলাম, উনার বুক থেকে ঢিপ ঢিপ শব্দ হচ্ছে, উঠানামা তো করছেই। আমাকে আরও কাছে টেনে নিয়ে চুমু দিলেন আমার মুখে। চুমু দিয়ে আমার দুই ঠোঁট চুসতে থাকলেন। এক পর্যায়ে আমি নিজেই উনার ঠোট ছেড়ে দিলাম। উনি একটু অবাক দৃস্টিতে তাকালেন। আমি উনার একটা হাঁটু ধরে দ এর মতন করে ভাঁজ করলাম। উনি বুঝতে পারলেন আমি কি করতে যাচ্ছি। উনি কোন কথা না বলে উনার আর এক পা মেলে ধরলেন। তারপর উনার পিচ্ছিল যৌনাঙ্গে আমি আমার রাজদণ্ড প্রবেশ করালাম। ঘর্মক্লান্ত শরীরে বাতাসের শীতল পরশ পাওয়ার পর কৃষক যেমন আহ করে ওঠে এরকম একটা শব্দ শুনলাম। আজকে উনার সুড়ংগ ভয়াবহ রকম পিচ্ছিল হয়ে গেছিল। আমার উত্থিত আধা ফুট লম্বা বাঁশ দিয়ে তাকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে বিদ্ধ করা শুরু করলাম। উনি আবার পরম আবেশে দুই চোখ বন্ধ করে ফেললেন। তার দুই পা মাটিতে পোঁতা দুটো লাঠির মতন করে উপরে ফ্যানের দিকে চেয়ে থাকল। আর স্প্রিং এর দুই পাশ বেঁধে মাঝখানে ধরে টেনে ছেড়ে দিলে যেমন হয় তেমনি আমার শরীর দুলতে থাকল। শুধু পার্থক্য হল আমার ক্ষেত্রে কোন ঘর্ষন বা অন্য কোন বাঁধা ছিল বলে দৃষ্টিগোচর হচ্ছিল না। খুব বেশিক্ষন টিকতে এভাবে থাকতে পারলাম না। একটু পরে উনার উপর শুয়ে পড়ে শুধু মাজা নাড়াতে থাকলাম।আন্টি বুঝতে পারলেন যে আমি খুব ক্লান্ত হয়ে গেছি ও একইসাথে চরম উত্তেজনার পথে যাচ্ছি। আন্টি নিজেই আমাকে ইশারায় থামতে বলে পাল্টি খেয়ে উপরে উঠলেন।উঠলেন ঠিকই কিন্তু আমার কোথাও ভর না করে হাঁটুর উপর ভর দিয়ে বসলেন। আমার রাজদণ্ড যোনীবদ্ধ করে একবার কয়েকশ কিলো প্যাস্কেল প্রেশারে চাপ দেন আর একবার ছেড়ে দিয়ে শুন্যের কাছাকাছি প্রেশার তৈরি করেন। নরম, গরম, পিচ্ছিল পরিবেশে প্রচণ্ড চাপের তারতম্য হওয়ায় টর্নেডো, সাইক্লোন, কালবৈশেখি সব কিছুই শুরু হয়ে গেল। উনি হাঁটুর উপর ভর করে ছিলেন বলে আমিও দুই হাত দিয়ে তার কোমর ধরে নিচ থেকে বৈঠা মারতে থাকলাম তার নদীতে। অচিরেই দুই কুল ছাপিয়ে বন্যা এল। এবার রহিম তো কোন ছার, আমি বনের রাজা টারজানের মতন করে চিৎকার করে উঠলাম, প্রবল বেগে আসা পানির ধাক্কায় উনি একটু উপরের দিকে উঠে থাকলেন। আমার অবস্থাও ধনুকের মতন হয়ে গেল। চোখ বুজে কিছুক্ষনের জন্যে চুপ করে থাকলাম। উনি এ সময় আমার বুকের উপর মাথা রাখলেন। আমি এতক্ষন খেয়াল করিনি উনি কখন যে উনার বুক অনাবৃত করেছেন। আস্তে আস্তে চোখ খুললাম। দেখি উনার সিল্কি চুলগুলো আমার মুখে যত্রতত্র পড়ে আছে।আমি উনার পিঠে হাত বুলালাম কিছুক্ষন। আমার রাজদণ্ড আমের মোরব্বা হয়ে বের হয়ে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করলাম। তারপর উনাকে আস্তে পাশে সরিয়ে দিয়ে বসলাম তার পাশে। এক পর্যায়ে উনার স্তনবৃন্তদয় মিনিট দুয়েক চুসে দাঁড়ালাম। উনার দুই হাত ধরে তুলে ঠোটে চুমু দিয়ে বললাম, চলেন গোসল করে আসি

কখন সহবাস করলে নারীদের বাচ্চা হয়?


কখন সহবাস করলে নারীদের বাচ্চা হয়

অনকেই আছেন যৌন জীবন সম্বন্ধে ভালো জ্ঞান নেই। আপরিপক্ক জ্ঞানের কারণে অপরিকল্পিতভাবে বাচ্চার জন্ম হয়।অনেকে আবার অকাল গর্ভপাত করায়।জেনে নিতে পারেন গর্ভপাত কতদিনের মধ্যে হওয়া নিরাপদ? আপনার ডক্টর অনলাইন বাংলা স্বাস্থ্য টিপস পোর্টালে আপনাদের অপরিপূর্ণ যৌনে জ্ঞানকে পরিপূর্ণতা আনতে নিয়মিত টিপস দিয়ে আসছে।আজ আপনার ডক্টর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আর্টিকেলটি সাজিয়েছে।আজকের বিষয় কখন সহবাস করলে নারীদের বাচ্চা হয়? চুলন বিস্তারিত জানি।
অ্যানাল সেক্স কি ? এটি সম্পর্কে বিস্তারিত
বাচ্চা ধারণের জন্য নারীদের ২৫ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত বয়স সবচেয়ে নিরাপদ ও উপযুক্ত। এর নিচে ও ওপরে ঝুঁকি বাড়তে থাকে। গর্ভধারণের ঠিক সময়টা নির্ভর করে নারীর মাসিক ঋতুচক্রের ওপর। যদি মাসিক নিয়মিত হয়, তবে পরবর্তী মাসিক শুরুর অন্তত ১০ থেকে ১৬ দিন আগে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নিঃসৃত হওয়ার কথা এবং এই সময়টুকু হচ্ছে সবচেয়ে উর্বর।

মাসিক ঋতুচক্রের মাঝামাঝি (অর্থাৎ ১৪ দিনের মাথায়) লুটিনাইজিং হরমোন (LH) ক্ষরণের ৩৬-৩৮ ঘন্টার মধ্যে ডিম্বকোষ (Ovum) নির্গত হয়। এই বেরুনর পর ডিম্বকোষ যদি ৩৬ ঘন্টার মধ্যে উপযুক্ত সংখ্যক শুক্রকোষ পায় তবে তার একটির সাথে মিলিত হয়ে বাচ্চা দিতে পারে। তবে ডিম্বকোষটি জীবিত থাকে আরো প্রায় ৩৬ ঘন্টা অর্থাৎ ডিম্বকোষের আয়ু সর্বমোট ৭২ ঘন্টা বা তিনদিন। অন্যদিকে যৌনমিলনের পর জরায়ু তথা ডিম্বনালীতে প্রবেশের পর শুক্রকোষও (spermatorza) জীবিত থাকতে পারে সর্বাধিক ৭২ ঘন্টা। তাই ২৮ দিনের মাসিক ঋতুচক্রের মাঝামাঝি মোট প্রায় ১২০ ঘন্টা (৫দিন) হচ্ছে উর্বর সময়,–এই সময় যৌনমিলন হলে বাচ্চার জন্ম হতে পারে। মোটামুটি মাসিকের ১৪ দিনের মাথায় ডিম্বকোষ হচ্ছে ধরে নিয়ে তার ২-৩ দিন আগে ও ২-৩ দিন পরে হচ্ছে এই উর্বর সময়। তবে যারা বাচ্চা নিতে চান না, তাদের এটিও জেনে রাখা দরকার যে, এই ডিম্বকোষের নির্গমনের (ovalution) দিনটি প্রচণ্ড পালটায়। তাই এর সঙ্গে আগে ও পরে আরো দু’একদিন যোগ করা ভাল। তবু মাসিক ঋতুচক্রের ৯ম দিনের আগের ও ২০শ দিনের পরেকার সময়কে মোটামুটি নিরাপদ সময় বলে ধরা যায়। এই সময় যৌনমিলন ঘটলে তার থেকে বাচ্চা ধারণের তথা গর্ভবতী হওয়ার সম্বাবনা থাকে না, কারণ এই সময় ডিম্বকোষ বেরোয়ই না। কিন্তু বিরল হলেও এটিও দেখা গেছে যে, মাসিক চক্রের যে কোনওদিন (তথাকথিত ঐ নিরাপদ সময়ের দিনগুলিসহ) মাত্র একবারের যৌনমিলনেও নারী গর্ভবতী হতে পারে অর্থাৎ বিরল ক্ষেত্রের মাসিক চক্রের যে কোন সময়ই ডিম্বকোষ বেরুতে পারে। তাই এই হিসাবে তথাকথিত নিরাপদ সময় বলে কিছু নেই। তবে এটি নেহাৎই ব্যতিক্রম। সাধারণভাবে ৯ম দিনের আগে ও ২০শ দিনের পরের সময়টি নিরাপদ সময় এবং ৯ম-২০শ দিনের মধ্যকার সময়টিকে উর্বর সময় হিসাবে ধরা যায়, আর এর মধ্যেও দ্বাদশ থেকে ষোড়শ (মতান্তরে ১৩ম থেকে ১৭ম) দিনটি উর্বরতম সময়।

সূত্র: বিজ্ঞানের আলোয় সংস্কারমুক্ত যৌনতা – ডাঃ ভবানীপ্রসাদ সাহু
সিজার করে সন্তান হলে এই দরকারি তথ্যগুলো অবশ্যই জেনে রাখুন

আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটে কোন প্রকার অশ্লীল আর্টিকেল দেওয়া হয় না। মূলত যৌন জীবনকে সুস্থ্য, সুন্দর ও সুখময় করে তোলার জন্য জানা অজানা অনেক কিছু তুলে ধরা হয়।এরপরও আপনাদের কোর প্রকার অভিযোগ থাকলে Contact Us মেনুতে আপনার অভিযোগ জানাতে পারেন, আমরা আপনাদের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করব। ধণ্যবাদ আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটের সাথে থাকার জন্য।

অন্যরা যা খুঁজছেন: বাচ্চার জন্ম কখন হয়, বাচ্চার আবির্ভাব, মাসিক শেষে কি বাচ্চার জন্ম হয়, মাসিকের অঅগে বাচ্চার জন্ম, কখন বাচ্চার জন্ম হয়, নারীদের বাচ্চার জন্ম হয় কেন, কখন সেক্সে বাচ্চার  জন্ম হয়, কখন সেক্সে নারীদের বাচ্চার জন্ম হয়, কখন সেক্স মেয়েদের বাচ্চার জন্ম হয়, বাচ্চার জন্ম, গর্ববতী হওয়, ড়র্ভবতী হওয়া, kokhon sex korla bassa hoy, kokhon sex korla bassa hy, kokhon sex korla sontan hoy, kokhon sex korla santan hy, kokhon sohobas korla bassa hy, kokhon sohobas korla bassa hoy, mshik seshe ke bassa hy, mashiker por kokhon sex korla basa hy


কখন সহবাস করলে বাচ্চা হয় না?

কখন সহবাস করলে বাচ্চা হয় না?

ঊত্তর-০১ 
 শুরুর পর ১ম ৭ দিন আর মাসিক শুরুর আগের ৭ দিন অবাধ সঙ্গম করা নিরাপদ। মানে, এই সময় মিলন করলে সন্তান গর্ভে আসার সম্ভাবনা নাই।  >> এই কথা টার মানে বুঝতে পারছি না , আমি সুনেছি যে মাসিক ভালো হতে ৩দিন লাগে টার পড় ২দিন করা যাই কন্দম বাদে ... দয়া করে যদি কথা টা বুঝিয়ে দিন।।


ঊত্তর-০২-
মাসিক ঋতুচক্রের মাঝামাঝি (অর্থাৎ ১৪ দিনের মাথায়) লুটিনাইজিং হরমোন (LH) ক্ষরণের ৩৬-৩৮ ঘন্টার মধ্যে ডিম্বকোষ (Ovum) নির্গত হয়। এই বেরুনর পর ডিম্বকোষ যদি ৩৬ ঘন্টার মধ্যে উপযুক্ত সংখ্যক শুক্রকোষ পায় তবে তার একটির সাথে মিলিত হয়ে সন্তান দিতে পারে। তবে ডিম্বকোষটি জীবিত থাকে আরো প্রায় ৩৬ ঘন্টা অর্থাৎ ডিম্বকোষের আয়ু সর্বমোট ৭২ ঘন্টা বা তিনদিন। অন্যদিকে যৌনমিলনের পর জরায়ু তথা ডিম্বনালীতে প্রবেশের পর শুক্রকোষও (spermatorza) জীবিত থাকতে পারে সর্বাধিক ৭২ ঘন্টা। তাই ২৮ দিনের মাসিক ঋতুচক্রের মাঝামাঝি মোট প্রায় ১২০ ঘন্টা (৫দিন) হচ্ছে উর্বর সময়,–এই সময় যৌনমিলন হলে সন্তানের জন্ম হতে পারে। মোটামুটি মাসিকের ১৪ দিনের মাথায় ডিম্বকোষ হচ্ছে ধরে নিয়ে তার ২-৩ দিন আগে ও ২-৩ দিন পরে হচ্ছে এই উর্বর সময়। তবে যারা সন্তান নিতে চান না, তাদের এটিও জেনে রাখা দরকার যে, এই ডিম্বকোষের নির্গমনের (ovalution) দিনটি প্রচণ্ড পালটায়। তাই এর সঙ্গে আগে ও পরে আরো দু’একদিন যোগ করা ভাল। তবু মাসিক ঋতুচক্রের ৯ম দিনের আগের ও ২০শ দিনের পরেকার সময়কে মোটামুটি নিরাপদ সময় বলে ধরা যায়। এই সময় যৌনমিলন ঘটলে তার থেকে সন্তান ধারণের তথা গর্ভবতী হওয়ার সম্বাবনা থাকে না, কারণ এই সময় ডিম্বকোষ বেরোয়ই না। কিন্তু বিরল হলেও এটিও দেখা গেছে যে, মাসিক চক্রের যে কোনওদিন (তথাকথিত ঐ নিরাপদ সময়ের দিনগুলিসহ) মাত্র একবারের যৌনমিলনেও নারী গর্ভবতী হতে পারে অর্থাৎ বিরল ক্ষেত্রের মাসিক চক্রের যে কোন সময়ই ডিম্বকোষ বেরুতে পারে। তাই এই হিসাবে তথাকথিত নিরাপদ সময় বলে কিছু নেই। তবে এটি নেহাৎই ব্যতিক্রম। সাধারণভাবে ৯ম দিনের আগে ও ২০শ দিনের পরের সময়টি নিরাপদ সময় এবং ৯ম-২০শ দিনের মধ্যকার সময়টিকে উর্বর সময় হিসাবে ধরা যায়, আর এর মধ্যেও দ্বাদশ থেকে ষোড়শ (মতান্তরে ১৩ম থেকে ১৭ম) দিনটি উর্বরতম সময়। সূত্র: বিজ্ঞানের আলোয় সংস্কারমুক্ত যৌনতা – ডাঃ ভবানীপ্রসাদ সাহু

ঊত্তর-০৩
আধুনিক পদ্ধতি ছাড়া প্রাকৃতিক জন্ম নিয়ন্ত্রণ
ওষুধ সেবন, কিংবা কনডম সহ জন্ম নিয়ন্ত্রণের আধুনিক যেকোন পদ্ধতি ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে জম্ম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এটি ভালভাবে জানা থাকলে এর জন্য কোন চিকিৎসকের কাছে যাওয়ারও দরকার হয় না।
মেয়েদের মাসিক ঋতুচক্র (Menstrual cycle) প্রাকৃতিকভাবে নির্ধারিত। এতে এমন কিছু দিন আছে যা নিরাপদ দিবস (Safe period) হিসেবে ধরা হয়। এই দিবস গুলোতে স্বামী-স্ত্রীর মিলনের ফলে স্ত্রীর সন্তান সম্ভবা হবে না।
এই নিরাপদ দিনগুলো প্রকৃতিগত ভাবেই নির্দিষ্ট। তাই একে প্রাকৃতিক পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি বলা হয়। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এটাকে অনেক সময় ক্যালেন্ডার পদ্ধতিও বলাহয়।
এ পদ্ধতি কার্যকর করতে অবশ্যই জেনে নিতে হবে আপনার স্ত্রীর ঋতুচক্রের নিরাপদ দিন কোনগুলো। এ জন্য সবার আগে জানা চাই তার মাসিক নিয়মিত হয় কিনা, হলে তা কতদিন পরপর হয়।
এবার সবচেয়ে কম যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১৮ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে ওই দিনটিই হলো প্রথম অনিরাপদদিন।
আবার আপনার স্ত্রীর সবচেয়ে বেশি যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১০ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে ঐ দিনটিই হলো শেষ অনিরাপদ দিন।
ধরুন, আপনার স্ত্রীর মাসিক ২৮ থেকে ৩০ দিন পরপর হয়। তাহলে ২৮-১৮=১০, অর্থাৎ মাসিকের শুরুর পর থেকে প্রথম ৯ দিন আপনার জন্য নিরাপদ দিবস, এই দিন গুলোতে অন্য কোনো পদ্ধতি ছাড়াই সঙ্গম করা যাবে।
১০ম দিন থেকে অনিরাপদ দিবস, তাই ১০ম দিন থেকে সঙ্গমে সংযম করতে হবে। আবার যেহেতু ৩০ দিন হলো দীর্ঘতম মাসিকচক্র। তাই ৩০-১০=২০, অর্থাৎ ২০ তম দিন আপনার জন্য শেষ অনিরাপদ দিবস।
২১ তম দিবস থেকে আপনি আবার অবাধ সঙ্গম করতে পারবেন। তাতে সন্তান গর্ভধারণের সম্ভাবনা নাই। তবে এই উদাহরণে শুধু ১০ ম থেকে ২০ ম দিবস পর্যন্ত আপনি অবাধ সঙ্গম করলে আপনার স্ত্রীর গর্ভধারণ করার সম্ভাবনা আছে।
উপরে যেভাবে বলা হয়েছে, তাতে অনেকের কাছে জটিল মনে হতে পারে। তবে হিসাবের জন্য খুব সহজ পদ্ধতি হল, মাসিক শুরুর পর ১ম ৭ দিন আর মাসিক শুরুর আগের ৭ দিন অবাধ সঙ্গম করা নিরাপদ। মানে, এই সময় মিলন করলে সন্তান গর্ভে আসার সম্ভাবনা নাই।
জেনে রাখা ভালো অনিয়মিতভাবে মাসিক হবার ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি কার্যকর নয়। এছাড়া প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ ৮০% নিরাপদ, বা এর সাফল্যের হার শতকরা ৮০ ভাগ।

মাসিক শেষে সেক্স করলে কি প্রেগনেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে?

মাসিক শেষে সেক্স করলে কি প্রেগনেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে?

মাসিক শেষে সেক্স করলে কি প্রেগনেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে? মেয়েরা একটা পরিপূর্ণ বয়সে পদার্পন করলে মাসিক শুরু হয়। বিশেষ করে দক্ষিণ অঞ্চলের অথ্যাৎ লবণাক্ত অঞ্চলের মেয়েদের মাসিক তাড়াতাড়ি শুরু হয়।পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে মেয়েদের শরীর কিছুটা অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। তবে পিরিয়ডের সময় রক্ত ক্ষরণ হয়, এটি দূষিত রক্ত।মেয়েদের মাসিকের সময়ে যৌন মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা থাকে না, তবে এই সময়ে শারীরিক মিলন বা সেক্স থেকে বিরত থাকাই ভালো। বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে জানা যায় পিরিয়ড হওয়ার ৭ দিন আগে ও পরের সময়ে শারীরিক মিলন করলে গর্ভ ধারণের সম্ভাবনা কম থাকে এবং এর মাঝামাঝি সময়গুলোতে গর্ভ ধারণের সমূহ সম্ভাবনা থাকে।আপনার যৌন জীবনকে আনন্দময় করে তুলতে এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য টিপস ও পরামর্শ পেতে নিয়মিত সঙ্গে থাকুন আমাদের সাথে ।

গর্ভবতী হতে স্বামীর সাথে কখন মিলিত হওয়া ভালো ?

গর্ভবতী হতে স্বামীর সাথে কখন মিলিত হওয়া ভালো ?

একটা গুরত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিন। গর্ভবতী হতে স্বামীর সাথে কখন মিলিত হলে ভালো হয়, এ সম্পর্কে অনেক তথ্যাদি  হয়ত আপনি কোনো না কোনো লেখকের বই থেকে পড়ে থাকবেন। নিচে এর প্রধান কিছু বিষয় তুলে ধরা হলো :ডিম্বস্ফোটনের সাতদিন ৭ দিনব্যাপী সময়ের মধ্যে স্বামীর সঙ্গে মিলন হলে একজন স্ত্রীর গর্ভবতী হবার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী। সাধারণত শেষ মাসিকের ১২ দিন পর এই সময় আসে।

একটি ডিম্বাণু ডিম্বাশয় থেকে নির্গত হওয়ার পর ১২ থেকে ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত জীবিত থাকে। গর্ভধারণের লক্ষ্যে এ সময়ের মধ্যেই ডিম্বাণুটিকে শুক্রাণুর সাথে মিলিত হতে হবে। এমন কোন কথা নেই যে যেই দিন ডিম্বস্ফোটন হয় শুধু সেই দিন মিলিত হলেই আপনি গর্ভবতী হতে পারবেন। একজন নারীর শরীরে শুক্রাণু ২-৩দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এই কারণে ডিম্বস্ফোটনের ২-৩ দিন আগে মিলন হলেও শুক্রাণুটি ডিম্বাণুর জন্যে ডিম্বনালীর ভেতর অপেক্ষা করে থাকতে পারে।
ডিম্বস্ফোটন কখন হয়?
ডিম্বস্ফোটনের সঠিক সময় নির্ধারণ সম্ভব না, যদি না আপনি ফার্টিলিটি সচেতন হোন। অধিকাংশ নারীর মাসিক শুরুর ১০-১৬ দিন আগে ডিম্বস্ফোটন হয়।

বিষয়টা আর ভালভাবে বলতে গেলে...  মাসিকের প্রথম দিন থেকে একজন নারীর মাসিক চক্র গণনা করা হয়। এর কিছুদিন পর তার ডিম্বস্ফোটন হয় এবং তার ১০-১৬ দিন পর তার আবার মাসিক হয়। স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী মাসিকের গড় চক্রকাল হচ্ছে ২৮ দিন অন্তর অন্তর। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর কিছু বেশি অথবা কম সময়েও মাসিক হতে পারে, যা অস্বাভাবিক নয়।

গর্ভধারণ নিয়ে কিছু কথা

গর্ভধারণ নিয়ে কিছু কথা

গর্ভধারণের বিষয়টি আসলে একটি হিসেবের সাথে জড়িত। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় বলা যায় পিরিয়ড বা মাসিকের দিন থেকে ৭ দিন পর্যন্ত গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে না। আবার অষ্টম দিন থেকে ১৭ দিন পর্যন্ত গর্ভধারণের মোক্ষম সময়। ১৮ তম দিন থেকে পিরিয়ড হওয়া পর্যন্ত নিরাপদ সময়। অর্থাৎ পিরিয়ডের ৭ দিন আগে ও পরের সময় নিরাপদ। এ সময়ে গর্ভধারণ হয় না। মাঝামাঝি দিনগুলোতে গর্ভধারণের সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা একটি পদ্ধতি, এই পদ্ধতিতে আপনি কোনরকম জন্মনিরোধ পদ্ধতি ব্যবহার না করেই সহবাস করতে পারবেন, এবং আরও জানতে পারবেন কোন সময় আপনার গর্ভবতী হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। এই পদ্ধতিতে গণনা করে বোঝা যায় মাসের কোন সময় আপনার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভবনা সবচেয়ে বেশি এবং কোন সময় আপনার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভবনা সবচেয়ে কম। এখানে আপনি আপনার বিভিন্ন শারীরিক বিভিন্ন লক্ষনের ব্যাপারে জানবেন। এই শারীরিক লক্ষণগুলো দেখে এবং খেয়াল রেখে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কোন সময় সহবাস করলে আপনার গর্ভবতী হওয়ার সবচেয়ে কম সম্ভবনা। আপনাকে খেয়াল করতে হবে - শরীরের তাপমাত্রা, স্রাবের ঘনত্ত ও প্রকৃতির উপর এবং এইগুলি পর্যবেক্ষণ করে আপনাকে বুঝতে হবে কখন সহবাস করলে আপনি গর্ভবতী হবেন না।
আপনি এই পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি নিজে নিজে বই পড়ে শিখতে পারবেন না। একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের কাছ থেকেই আপনি সঠিকভাবে শিখতে পারবেন।
এক নজরে – প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনার ব্যাপারে কিছু কথা
• আপনি প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতির নিয়মগুলি সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারেন, তাহলে এই পদ্ধতি ৯৯% পর্যন্ত কার্যকর। অর্থাৎ প্রতি বছর প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারি ১০০ জন মহিলার মধ্যে মাত্র ১ জন গর্ভবতী হন।
• সঠিক নিয়ম অনুযায়ী যদি এই পদ্ধতি ব্যবহার করা না হয়, তাহলে এর কার্যকারিতা অনেক অংশেই কমে যায়। এটি ৯৯% কার্যকারী করতে সময় এবং দায়িত্ব নিয়ে এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে হয়।
• এর কোন শারীরিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এছাড়া এই পদ্ধতি দিয়ে আপনি বের করে নিতে পারেন আপনার মাসিক চক্রের কোন দিনগুলো গর্ভবতী হওয়ার জন্য সবচেয়ে উত্তম সময়।
• আপনার প্রতি মাসিক চক্রের কিছু দিন আছে যেগুলো গর্ভবতী হওয়ার জন্য সবচেয়ে উত্তম সময়। সেই সময় আপনার কিছু শারীরিক উপসর্গ হয় ও কিছু লক্ষন দেখা দেয়। সেই শারীরিক উপসর্গ ও লক্ষণগুলো কি কি তা আপনাকে বুঝতে হবে। সেই জন্য আপনাকে প্রতিদিন লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে বিভিন্ন শারীরিক লক্ষন কিংবা পরিবর্তন - যেমন আপনার শরীরের তাপমাত্রা, আপনার স্রাবের ধরণ, রকম ইত্যাদি। এইভাবে যদি আপনি এই শারীরিক লক্ষণগুলি ৩-৬ মাসিক চক্র ধরে খেয়াল করেন, তাহলে আপনি নিজে বুঝতে পারবেন কোন সময় সহবাস করলে আপনার গর্ভবতী হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি এবং কোন সময় ঝুঁকি কম। তাই এই পদ্ধতি সঠিকভাবে শিখতে প্রায় ৩-৬ মাসিক চক্র লাগে।
• আপনার যদি কোন শারীরিক সমস্যা হয়, বা আপনি কোন শারীরিক বা মানসিক চাপে থাকেন বা ভ্রমন করেন, তাহলে আপনার শারীরিক লক্ষনগুলোতে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে।
• আপনার যখন গর্ভবতী হওয়ার সবচেয়ে বেশী সম্ভবনা, তখন যদি আপনি সহবাস করতে চান, তাহলে তখন আপনাকে কোন অস্থায়ী জন্ম নিরোধ পদ্ধতি ব্যাবহার করতে হবে যেমন কনডম (condom), ডায়াফ্রাম (diaphragm), বা ক্যাপ (cap)।
• প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতি এবং কনডম ব্যবহার করে আপনি নিজে যৌন রোগ (STI - sexually transmitted infections) থেকে নিরাপদ থাকতে পারেন।
প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতি কিভাবে কাজ করে?
এই পদ্ধতিতে প্রধান লক্ষ হচ্ছে গর্ভনিরোধ করা। এটি করার জন্য আপনাকে কিছু নির্দিষ্ট সময়ে (আপনার যখন গর্ভধারন করার সবচেয়ে বেশি সম্ভবনা তখন) সহবাস এড়িয়ে চলতে হবে, বা যদি সেই সময় সহবাস করেনও, তাহলে অস্থায়ী গর্ভনিরোধ পদ্ধতি ব্যাবহার করতে হবে। এই পদ্ধতিতে বিভিন্ন শারীরিক উপসর্গ ও লক্ষণ দেখে আপনাকে বুঝতে হবে সেই সময় আপনার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভবনা কতটুকু এবং তখন সহবাস করলে, আপনি গর্ভবতী হবেন কি না।
একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি থেকে এই পদ্ধতিটি শিখে নেওয়া খুবই জরুরী। আমরা এখন যে তথ্য আপনাকে দিবো, তা আপনাকে এই পদ্ধতি ব্যাপারে কিছু প্রাথমিক ধারণা দিবে। তবে এই তথ্যকে সঠিক নির্দেশনা এবং প্রশিক্ষণের বিকল্প ধরা যাবে না!
প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতিতে ৩ টি ভিন্ন ভিন্ন প্রণালী আছে। এই সব প্রণালী একযোগে ব্যাবহার করলে আমরা প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতির কার্যকারিতা অনেকাংশে বৃদ্ধি করতে পারি। সেই ৩ টি প্রণালী হল –
• আপনার মাসিক চক্রের কোন পর্যায়ে আপনি আছেন তা গননা করা
• প্রতিদিন আপনার শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করা
• আপনার যোনিমুখে যা পরিবর্তন হচ্ছে তা লক্ষ করা। এর জন্য আপনার স্রাবের ধরণ ও রকম পর্যবেক্ষণে রাখাই যথেষ্ট।
এই প্রণালির ব্যাপারে আরও বিস্তারিত নিম্নে দেয়া হল।
আপনার মাসিক চক্র
একজন মহিলার মাসিক চক্র ধরা হয় তার মাসিকের প্রথম দিন থেকে তার পরের মাসিকের প্রথম দিন পর্যন্ত। মহিলাদের মাসিক চক্রের দৈর্ঘ্য বিভিন্ন হতে পারে। সাধারণত্ব তা ২৪- ৩৫ দিন পর্যন্ত হয়, তবে মাসিক চক্র এর চেয়ে ছোট বা এর চেয়ে বড়ও হতে পারে। গড়ে মাসিক চক্র ২৮ দিন ধরা হয়।
ডিম্বস্ফোটন
আপনার মাসিক চক্রের সময়-
• আপনার শরীর হরমোন নিঃসরণ (secrete) করে যা আপনার ডিম্বাশয়য়ের (ovary) উপর কাজ করে
• আপনার একটি ডিম্বাশয়য়ে সংরক্ষিত ছোট্ট একটি ডিম্বাণু (ovum) আস্তে আস্তে বড় এবং পরিপক্ক (mature) হতে থাকে
• যখন এই ডিম্বাণু পরিপক্ব হয় তখন তা ডিম্বাণু থেকে বহিরাগত (released) হয় (এই পদ্ধতিকে বলা হয় ডিম্বস্ফোটন - ovulation) । ডিম্বানু এখন আপনার গর্ভনালী (fallopian tube) দিয়ে আপনার জরায়ুর দিকে অগ্রসর হতে থাকে।
মাঝে মাঝে প্রথম ডিম্বাণু বহিরাগত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্য ডিম্বাশয় থেকেও আরেকটি ডিম্বাণু বহিরাগত হতে পারে।
মাসিক চক্রের ঠিক মধ্য সময়ে (mid-cycle) এই ডিম্বস্ফোটন (ovulation) হয়। সেই সময়টি সাধারণত্ব আপনার পরবর্তী মাসিক শুরু হওয়ার ১০-১৬ দিন আগে হয়। তবে এটি নিশ্চিত একটি সময় নয়। আপনার মাসিক চক্রের উপরে নির্ভর করে এই সময় আগে পিছে হতে পারে।
ঠিক কখন নিশ্চিত ডিম্বস্ফোটন হবে সেই ব্যাপার সবসময়ই কিছুটা অনিশ্চিত। যখন আপনি আপনার গর্ভবতী হওয়ার সবচেয়ে সম্ভব্য সময় গণনা করবেন, এই অনিশ্চয়তাটি আপনাকে মনে রাখতে হবে, এবং সেই অনুযায়ী হিসাব করতে হবে।
যখন শুক্রাণু (sperm) একটি ডিম্বাণুর(ovum) সাথে মিলিত হয় (fertilization occurs), তখনই গর্ভধারণ করা সম্ভব। সহবাসের পর শুক্রাণু (sperm) একজন মহিলার শরীরে প্রায় ৭ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকে।
আপনাকে প্রায় ৫-৬ টি মাসিক চক্র ধরে এই গননা করতে হবে। এর কারণ আপনার মাসিক চক্রের দৈর্ঘ্য সময়ের সাথে সাথে বদলায় এবং এই পদ্ধতি ব্যাবহারের জন্য আপনার গননা যথাসম্ভব নির্ভুল হওয়া উচিত।
এই গণনা করার একটি পদ্ধতি হচ্ছে ক্যালেন্ডার পদ্ধতি (calendar method)।
এটি এইভাবে করতে হবে-
• প্রতি মাসে আপনি আপনার মাসিক চক্রের দৈর্ঘ্য সঠিক ভবে লিখে রাখুন। এই ভাবে ৬ মাস করুন।
• আপনার সবচেয়ে ছোট মাসিক চক্রের দৈর্ঘ্য এবং আপনার সবচেয়ে লম্বা মাসিক চক্রের দৈর্ঘ্য নিন।
• আপনার সবচেয়ে ছোট মাসিক চক্রের দৈর্ঘ্য থেকে ১৮ দিন বাদ দিন। আপনার যেই সময়টি আসবে, মাসিকের সেই দিন থেকে আপনার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভবনা সবচেয়ে বেশী।
• এইবার আপনার সবচেয়ে লম্বা মাসিক চক্রের থেকে ১১ দিন বাদ দিন। এইবার যেই সময়টি আসবে, মাসিক চক্রের সেই দিন পর্যন্ত আপনার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভবনা সবচেয়ে বেশী।
• এইভাবে আপনি ভের করতে পারেন আপনার মাসিক চক্রের কোন দিন থেকে কোন দিন পর্যন্ত গর্ভবতী হওয়ার সবচেয়ে উত্তম সময়। এখন এই সময় আপনি সহবাস থেকে বিরত থাকতে হবে এবং যদি সহবাস করেনও তাহলে কোন অস্থায়ী জন্ম বিরতিকরন পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।
উদাহরণ-
আপনার সবচেয়ে ছোট মাসিক চক্র যদি ২৫ দিন হয় এবং আপনার সবচেয়ে লম্বা মাসিক চক্র যদি ৩৩ দিন হয় তাহলে –
• ২৫ থেকে ১৮ বাদ দিলে থাকে ৭
• ৩৩ থেকে ১১ বাদ দিলে থাকে ২২
• এখন বের হয়ে গেলো আপনার মাসিক চক্রের কোন দিন থেকে কোন দিন আপনার গর্ভবতী হওয়ার সবচেয়ে সম্ভব্য সময়। আপনি আপনার মাসিক চক্রের ৭ দিন থেকে ২২ দিন পর্যন্ত সহবাস করবেন না।
তাছাড়া আপনি ovulation calculator ব্যবহার করতে পারেন। কোন সময় আপনার গর্ভধারণ করার সবচেয়ে বেশী সম্ভবনা তার একটি ধারণা পাবেন ovulation calculator ব্যবহার করে। তবে এটি মনে রাখতে হবে যে এটি ১০০% সঠিক নয় এবং ovulation calculator এর দেওয়া তারিখ ডিম্বস্ফোটনের নিশ্চিত তারিখ হিসেবে ধরে নেওয়া যাবেনা।
এক্ষেত্রে আপনি http://www.ladytimer.com/ovulation.html এই লিঙ্কটিতে গিয়ে ovulation calculator ব্যবহার করে আপনার হিসেবটি করে ফেলতে পারেন।
তাপমাত্রা পরিমাপ
আপনার যখন ডিম্বস্ফোটন (ovulation) হয়, তার ঠিক পরপর আপনার শরীরের তাপমাত্রা হালকা বেড়ে যায়। এই পদ্ধতিটি এই ভিত্তির উপরে তৈরি করা।
আপনাকে একটি ডিজিটাল থার্মোমিটার (digital thermometer) বা এমন একটি থার্মোমিটার ব্যাবহার করতে হবে যা প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতির জন্য তৈরি। এই সব থার্মমিটার যেকোনো ঔষধালয়ে (pharmacy) সহজেই পাওয়া যায়। কান বা কপাল থার্মোমিটার (ear or forehead thermometer) এই কাজের জন্য উপযুক্ত নয় কারণ এইসব যথেষ্টভাবে সঠিক সংকেত দেয় না।
এই পদ্ধতিতে আপনাকে যা করতে হবে -
• প্রতিদিন সকালে বিছানার থেকে ওঠার আগে আপনাকে নিজের শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করতে হবে। এটি কিছু খাওয়ার , পান করার বা ধূমপান করার আগেই করতে হবে এবং প্রতিদিন একই সময়ে করতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়।
• আপনি খেয়াল করবেন যে পরপর তিন দিন আপনার শরীরের তাপমাত্রা অন্যান্য দিনের চেয়ে বেশি পাবেন। তাপমাত্রায় বৃদ্ধি খুবই কম হবে ০.২ C (বা ০.৪ F)। তবে হতে পারে যে এই সময়ে আপনার গর্ভবতী হওয়ার আর সম্ভবনা নেই।
স্রাবের ধরণ, প্রকৃতি এবং ঘনত্ব
আপনার মাসিক চক্রের এক এক সময় এক এক রকম স্রাব তৈরি হয়। আপনাকে আপনার স্রবের ধরণ, প্রকৃতি এবং ঘনত্ত খেয়াল করতে হবে।
আপনি এটি খেয়াল করতে পারেন এই ভাবে –
আপনাকে হাতের মধ্যের আঙ্গুল যোনিমুখ দিয়ে আলতো করে ঢুকাতে হবে। তবে বেশী ভিতরে ঢুকানোর দরকার নেই। আঙ্গুলের গিঁট পর্যন্ত ঢুকালেই হবে। আপনি লক্ষ করবেন যে মাসিকের পর পর আপনার যোনিমুখ শুকনো মনে হবে এবং আপনি কোন স্রাব বা স্রাবের মত কিছুই পাবেন না।
যখন আপনার ডিম্বস্ফোটনের (ovulation) সময় ঘনিয়ে আসবে তখন আপনি আবার লক্ষন করে দেখবেন যে আপনার যোনীমুখে এখন স্রাব আছে এবং স্রাবের ধরণ হচ্ছে এই রকম -
• ভেজা ভেজা এবং আঠালো
• সাদা এবং মাখনের মত
এখনই আপনার গর্ভবতী হওয়ার সবচেয়ে সম্ভব্য সময় শুরু ।
ডিম্বস্ফোটনের ঠিক আগে আপনি দেখবেন আপনার স্রাব-
• আরও বেশী ভিজা ভিজা হয়ে গেছে
• পরিষ্কার
• পিচ্ছিল – ডিমের সাদার মত
এখনি আপনার গর্ভবতী হওয়ার সবচেয়ে উত্তম সময়।
শীঘ্রই আপনি দেখবেন যে আপনার স্রাব আবার ভিজা ভিজা এবং আঠালো হয়ে আসছে। এর থেকে ৩ দিন পর আপনার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভবনা অনেকাংশেই কমে যাবে।
সব পদ্ধতির সংমিশ্রণ
সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি তিন রকমের পদ্ধতিই ব্যবহার করেন। এতে আপনি আরও নিশ্চিত ভাবে বুঝতে পারবেন কখন আপনার ডিম্বস্ফোটন হচ্ছে এবং কখন আপনার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভবনা সবচেয়ে বেশী।
কিছু চার্ট (chart) পাওয়া যায় বা আপনি একটি চার্ট বানিয়ে নিন । আপনার সব তথ্য আপনি ওই চার্টে বসিয়ে নিতে পারবেন এবং পুরো মাসিক চক্রে কি হল তা আপনি দেখতে পারেন এক ঝলকেই।
তাছাড়া আপনার কম্পিউটারে বা স্মার্ট ফোনে (smart phone) কিছু আপ্লিকেসান (application) ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে (download) নিতে পারেন যা আপনাকে এই পদ্ধতি ব্যাবহার করতে সাহায্য করবে।
এই পদ্ধতি কতটুক কার্যকরী ?
যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়, এই পদ্ধতি প্রায় ৯৯% কার্যকরী। এর মানে প্রতি বছর প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারি ১০০ জন মহিলার মধ্যে মাত্র ১ জন গর্ভবতী হবেন। তবে এই পদ্ধতি দায়িত্ব নিয়ে চর্চা করতে হবে।
তারপরও মানুষ ভুল করে, ঠিক মত নিয়মাবলী মেনে চলে না, এবং আরও অন্যান্য সমস্যা হয়। তাই ধারণা করা হয় যে এই পদ্ধতি মাত্র ৭৫% কার্যকরী। এর মানে যদি ১০০ মহিলা এই পদ্ধতি ব্যাবহার করে, তাহলে তার মধ্যে ২৫ জন গর্ভবতী হওয়ার সম্ভবনা আছে।
আপনি যদি মন স্থির করে থাকেন যে আপনি প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যাবহার করবেন, তাহলে আপনাকে এমন একজন লোকের কাছ থেকে এই পদ্ধতি শিখতে হবে যিনি এই ব্যাপারে সব জানেন এবং দক্ষ। তারপর তার সাথে আলোচিত সব কথা এবং নিয়মাবলী সঠিকভাবে মেনে চলবেন। এই ভাবে আপনি অনাকাঙ্খিত গর্ভাবস্থার ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকবেন।
কারা এই প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যাবহার করতে পারেন?
বেশিরভাগ মহিলাই এই প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই পদ্ধতির ব্যবহার বা গর্ভনিরোধের জন্য শুধু মাত্র এই পদ্ধতির ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না। আপনাকে অন্য পদ্ধতির কথা চিন্তা করতে হবে যদি –
• আপনি গর্ভবতী হলে আপনার নিজের জীবনের ঝুঁকি চলে আসবে। যেমন যদি আপনার অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ (uncontrolled high blood pressure) থাকে বা হৃদরোগ (heart disease) থাকে।
• আপনি যদি অ্যালকোহল গ্রহন করেন, নেশা করেন বা এমন কোন ঔষধ খান যা খেলে গর্ভের ভ্রূণের বিকলাঙ্গ হওয়ার সম্ভবনা আছে। তখন যদি আপনি গর্ভবতী হন, তাহলে আপনার গর্ভের শিশুর স্বাস্থ্য সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি বেড়ে যায়।
• যদি আপনার মাসিক অনিয়মিত হয়। তখন আপনি এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারবেন না কারণ আপনি সঠিক ভাবে গননা করতে পারবেন না আপনার ডিম্বস্ফোটনের (ovulation) সময় কখন। অনিয়মিত মাসিক বিভিন্ন কারণে হতে পারে। বয়সের কারণে, যদি চাপে থাকেন, হঠাৎ যদি আপনার ওজন বেড়ে যায় বা ওজন কমে যায়, যদি বেশি শারীরিক পরিশ্রম করেন, অথবা আপনার থাইরয়েড (thyroid) যদি বেশি কাজ করে – এই সমস্যাকে আমরা বলি হাইপোথাইরয়েডিস্ম (hyperthyroidism)।
• যদি আপনার কোন অসুস্থতা হয়ে থাকে যা আপনার ডিম্বস্ফোটনের সময় (ovulation) শারীরিক ইঙ্গিতগুলো উল্টাপাল্টা করে দিবে। যেমন - Pelvic Inflammatory Disease, যে কোন রকমের যৌনরোগ, অথবা জীবাণু দ্বারা bacterial vaginosis. এই অসুস্থতা ভালো না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। তারপর আপনি আবার এই পদ্ধতি ব্যাবহার করতে পারবেন।
• আপনার কোন দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা (বা কোন শারীরিক সমস্যা) থেকে থাকে যা আপনার ডিম্বস্ফোটনের সময় যে শারীরিক ইঙ্গিত ও লক্ষন থাকে তাকে পরিবর্তন করে দেয়। যেমন – যদি আপনার যকৃতের সমস্যা (liver disease) থাকে, থাইরয়েড (thyroid) যদি বেশি কাজ করে বা কম কাজ করে, আপনার যদি জরায়ুর মুখের ক্যানসার থাকে (cervical cancer) বা আপনার Polycystic Ovarian Syndrome থাকে।
কি কি সমস্যা থাকলে আপনার ডিম্বস্ফোটনের ইঙ্গিতগুলো পরিবর্তন হয়ে যাবে তা জেনে নিন
• আপনি এমন কোন ঔষধ খাচ্ছেন যা আপনার জরায়ুর মুখ থেকে স্বাভাবিক স্রাব ভাঙাকে নষ্ট করে দিচ্ছে। এতে আপনার কখন ডিম্বস্ফোটন হচ্ছে, তা আপনি সঠিক বুঝতে পারবেন না। যেমন Lithium – এই ঔষধটি বিভিন্ন রকম জটিল মনোরোগের চিকিৎসা যেমন bipolar disorder এবং বিষণ্ণতার চিকিৎসা করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• আপনার যদি যৌনরোগ হওয়ার সম্ভবনা থাকে – যদি আপনার একাধিক যৌন সঙ্গী থাকে।
আপনার ডিম্বস্ফোটনের সময় যে যে সমস্যা হলে আপনি আপনার শারীরিক ইঙ্গিতগুলো বুঝতে পারবেন না সেইগুলি হল –
• যদি আপনার মাসিক অনিয়মিত হয়
• যদি আপনি কিছুদিন আগে গর্ভনিরোধ পিল খাওয়া বন্ধ করে থাকেন
• যদি আপনার কিছু দিন আগে গর্ভপাত হয়ে থাকে
• যদি আপনি কিছু দিন আগে সন্তান প্রসব করে থাকেন এবং এখন সন্তানকে স্তন্যপান করাচ্ছেন
• যদি আপনি নিয়মিত ভ্রমন করেন বিভিন্ন time zone দিয়ে
• যদি আপনার যোনীতে কোন রোগ থাকে যেমন thrush বা আপনার যদি কোন যৌনরোগ থাকে
আরও অন্যান্য সমস্যা যা আপনার শরীরের প্রাকৃতিক সব লক্ষন নষ্ট করবে -
• আপনি কিভাবে এবং কখন আপনার নিজের শরীরের তাপমাত্রা নিচ্ছেন
• যদি আপনি মদ পান করেন
• যদি কোন নির্দিষ্ট ঔষধ খান
• অসুস্থ থাকেন
• কোন দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হয়
এই পদ্ধতির কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা
সুবিধা
• এটির কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই
• এটি সব ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের পক্ষে গ্রহণযোগ্য
• বেশিরভাগ মহিলারাই এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন্ন যদি তারা একজন দক্ষ শিক্ষকের কাছ থেকে এই পদ্ধতি শেখেন এবং সঠিকভাবে মাসিক চক্রের দিনগুলো গননা করতে পারেন।
• একবার আপনি এই পদ্ধতি শিখে নিলে আপনার আর কোন স্বাস্থ্য কর্মীর সাহায্য লাগবে না।
• প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতি আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী আপনি ব্যবহার করতে পারেন। আপনি চাইলে এই পদ্ধতি গর্ভবতী হওয়ার জন্য ব্যবহার করতে পারেন এবং গর্ভনিরোধ করতেও এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
• এই পদ্ধতিতে কোন রাসায়নিক উপাদান বা কোন বস্তু-জাতীয় জিনিস ব্যবহার করতে হয় না।
• আপনাকে এই পদ্ধতি শিখিয়ে দিবে কোন স্রাব স্বাভাবিক ও কোন স্রাব অস্বাভাবিক। তখন আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন আপনার যোনিপথে যদি কোন ইনফেকশান (infection) হয়।
• এই পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য আপনার সঙ্গীর মতামত ও সম্পৃক্ততা দরকার আছে। তাই এই পদ্ধতি ব্যবহারে আপনাদের ঘনিষ্ঠতা ও বিশ্বাস বাড়বে।
অসুবিধা
• প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতি আপনাকে যৌনরোগ যেমন chlamydia এবং HIV থেকে রক্ষা করতে পারবে না।
• যখন আপনার গর্ভবতী হওয়ার সবচেয়ে বেশি সমস্যা তখন আপনাকে সহবাস এড়িয়ে চলতে হবে, বা আপনাকে কোন অস্থায়ী গর্ভ নিরোধ পদ্ধতি যেমন কনডম (condom) ব্যবহার করতে হবে। কোন কোন দম্পতির তাই এই পদ্ধতি মেনে চলতে কষ্ট হয়।
• আপনি যদি এই পদ্ধতি ব্যাবহার করেন তাহলে আপনাকে সহবাস থেকে বিরত থাকতে হবে বেশ কিছু দিন, যা আপনার মাসিক চক্রের উপর নির্ভর করে মাঝে মাঝে ১৬ দিন পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে।
• এটি অন্যান্য গর্ভনিরোধ পদ্ধতির চেয়ে অনেক কম কার্যকরি। এই পদ্ধতি সঠিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না তার নিশ্চয়তার উপর নির্ভর করে দেখা গেছে যে প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যাবহারকারি প্রতি ৪ জন মহিলা মধ্যে ১ জন গর্ভবতী হয়ে পারেন।
• আপনি এবং আপনার স্বামীর অব্যাহত প্রতিশ্রুতি ও সহযোগিতা ছাড়া এই পদ্ধতি ব্যবহার করা সম্ভব না।
• মাসিক চক্রের কোন সময় আপনার গর্ভবতী হওয়ার সবচেয়ে বেশি সম্ভবনা সেইটি সঠিক ভাবে বুঝতে বেশ কয়েকটি মাসিক চক্র লেগে যাবে। তাছাড়া আপনার কি রকম স্রাব ভাঙছে, তার রকম ও ধরণ বুঝতে এবং আপনার নিজের শরীরের তাপমাত্রা পরিবর্তন খেয়াল রাখা শিখতে আপনার প্রায় আরও ২-৩ মাসিক চক্র লেগে যেতে পারে। সেই সময় আপনাকে কোন অস্থায়ী গর্ভনিরোধ পদ্ধতি যেমন কনডম ব্যবহার করতে হবে।
• আপনাকে আপনার শারীরিক ইঙ্গিতগুলো প্রতিদিন খেয়াল করে, দেখে, লিখে রাখতে হবে।
• আপনার মাসিক যদি সবসময় অনিয়মিত থাকে, তাহলে আপনি এই পদ্ধতি আপনার জন্য উপযুক্ত নয়।
• আপনি চাপে থাকলে, অসুস্থ হলে, ভ্রমন করলে, জীবনধারার কারণে বা আপনি যদি কোনরকম হরমোন জাতীয় ঔষধ খান, তাহলে গর্ভবতী হওয়ার শারীরিক ইঙ্গিতগুলো পরিবর্তন হয়ে যায়। ইমার্জেন্সি গর্ভ নিরোধ পিল খেলেও এই সমস্যা হয়। আপনি যদি ইমার্জেন্সি গর্ভনিরোধ পিল খেয়ে থাকেন, তাহলে দুই মাসিক চক্র পার হয়ে যাওয়ার পর আপনি আবার এই প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যাবহার শুরু করতে পারবেন.
Lactational Amenorrhoea Method (LAM)
শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ালে মায়ের মাসিক বন্ধ থাকে। এটিকে Lactational Amenorrhoea বলে। তাই এই পদ্ধতি গর্ভনিরোধ হিসাবে ব্যবহার করা যায়। এই পদ্ধতির নাম Lactational Amenorrhoea Method (LAM)
আপনি যখন শিশুকে স্তন্যপান করছেন, তখন আপনার গর্ভধারণের সবচেয়ে সম্ভব্য সময়ে যে শারীরিক ইঙ্গিত হবে তা সঠিক হবে না হবে।
যেই মহিলারা সন্তানকে স্তন্যপান (বা শুধুমাত্র স্তন্যপান) করাচ্ছেন, প্রসবের পর প্রথম ছয় মাস এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। তবে এই পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য কিছু শর্ত আছে।
• আপনার সন্তান প্রসবের পর কোন মাসিক এই পর্যন্ত হইনি।
• আপনি আপনার সন্তানকে বুকের দুধ এবং শুধু মাত্র বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন। তার মানে আপনার সন্তান শুধু বুকের দুধ খাচ্ছে বা প্রধানত বুকের দুধই খাচ্ছে এবং সামান্য অন্য ফর্মুলা দুধ খাচ্ছে।
• আপনার বাচ্চার বয়স ৬ মাসের কম।
যদি এই পদ্ধতি সঠিক ভাবে এবং সংগতিপূর্ণ ভাবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে যেই মহিলারা এই পদ্ধতি ব্যাবহার করছে, তাদের মধ্যে প্রতি ২০০ জনে মাত্র ১ জন গর্ভবতী হতে পারেন। তবে এই পদ্ধতি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হয়। আপনি আপনার সন্তানকে বুকের দুধ ছাড়া আর কোন খাবার দিবেন না। তাহলে আপনার বুকের দুধের পরিমাণ কমে যাবে।
LAM এর কার্যকারিতা কমে যায় যদি –
• আপনি শিশুকে বুকের দুধ না খাইয়ে তাকে অন্য খাবার বা পানীয় দেন।
• আপনার সন্তানের বয়স ছয় মাস হলে।