milon লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
milon লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
0

যৌন মিলন কিভাবে করতে হয়!(How is sexual intercourse!)

যৌন মিলন কিভাবে করতে হয়!(How is sexual intercourse!)

১। পতির কর্তব্য হলো, পত্নীকে প্রিয়তমা জ্ঞানে বা সত্যিকারের ধর্মপত্নী জ্ঞানে নিজের তৃপ্তির সঙ্গে সঙ্গে তারও দৈহিক ও মানসিক তৃপ্তি বিধান করা। নিজের কামনা পরিতৃপ্ত করাই সম্ভোগের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়।
২। কোন প্রকার বল প্রয়োগ করা আদৌ বাঞ্ছনীয় নয়। একথা মনে রাখতে হবে।
৩। চুম্বন, আলিঙ্গন, নিপীড়ন ইত্যাদি নানাভাবে স্ত্রীর মনে পূর্ণ কামাব জাগিয়ে তারপর তার সঙ্গে সহবাসে রত হওয়া প্রতিটি পুরুষের কর্তব্য।
৪। নারী ধীরে ধীরে আত্নসমর্পণ না করা পর্যন্ত তার সঙ্গে কখনও সহবাসে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়।
৫। নারী কখনও নিজের যৌন উত্তেজনাকে মুখে প্রকাশ করে না। তবে সেটা অনেকটা লক্ষণ দেখে বুঝে নিতে হয়।
৬। নারীর কর্তৃব্য সর্বদা পতির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসার ভাব ফুটিয়ে তোলা।
৭। পতিকে ঘৃণা করা, তাকে নানা কু-কথা ইত্যাদি বলা কখনই উচিত নয়। সহবাসের অনিচ্ছা থাকলে তা তাকে বুঝিয়ে বলা উচিত। ঘৃণা বা বিরক্তিসূচক তিরস্কার করা কখনও উচিত নয়। এতে পতির মনে দুঃখ ও বিরক্তি জাগতে পারে।
৮। নারীর কর্তৃব্য স্বামীর চুম্বন, দংশন ও আলিঙ্গনের প্রতিউত্তর দেওয়া।
৯। নারীর পূর্ণ কামভাব জাগলে পতিকে কৌশলে তা বুঝিয়ে দেওয়া উচিত।
১০। নারীর উত্তেজনা ধীরে ধীরে আসে-আবার তা ধীরে ধীরে তৃপ্ত হয়। পুরুষের উত্তেজনা আসে অকস্মাৎ আবার তা অকস্মাৎ শেষ হয়। তাই নারীর পূর্ণ কামভাব না জাগিয়ে সঙ্গমে মিলিত হলে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পেতে পারে না। এরকম করা রিধিবিরুদ্ধৃ। এতে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পায় না- এর জন্যে সে পর-পুরুষ পর্যন্ত গমন করতে পারে। দাম্পত্য জীবনে অনেক বিপর্যয় এর জন্যে আসতে পারে।
স্ত্রীকে দ্রুত তৃপ্তির উপায়
১। গালে ঠোঁটে ঘন ঘন চুম্বন করা।
২। স্ত্রীর ঊরুদেশ জোরে জোরে মৈথুনের আগে ঘর্ষণ করা।
৩। সম্ভোগের আগে যোনিদেশ, ভগাঙ্কুর কামাদ্রি আলতো ভাবে ঘর্ষণ করা।
৪। ভগাঙ্কুর মর্দন।
৫। মৈথুনকালে স্তন মর্দ্দন।
৬। সহাবাসের আগে যদি পুরুষাঙ্গের আগায় খুব সামান্য পরিমাণ কর্পূর লাগানো হয় তবে স্ত্রী দ্রুত তৃপ্তি লাভ ক’রে থাকে। তবে কর্পূর যেন বেশি না হয়, তাতে স্ত্রী যোনি ও পুরুষাঙ্গ জ্বলন অনুভূত হ’তে পারে।
সহবাসের কাল
১। মেয়েদের একটু ঘুমোবার পর রাত্রির দ্বিতীয় প্রহর শ্রেষ্ঠ মৈথুন সময়।
২। দিনের বেলা সহবাস নিষিদ্ধ।
৩। ভোরবেলা সহবাস শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর হ’তে পারে।
৪। গুরু ভোজনের পর সঙ্গে সঙ্গে সহবাস নিষিদ্ধ।
৫। ক্রুদ্ধ বা চিন্তিত মেজাজে স্ত্রী সহবাস উচিত নয়। প্রফুল্ল মনে সহবাস উচিত।
কোন ঋতু মৈথুনের পক্ষে কতটা উপযোগী তার বিচার করা হচ্ছে।
ক। বসন্তকাল-৯০%।
খ। শরৎকাল-৭০%।
গ। বর্ষাকাল-৫০%।
ঘ। হেমন্তকাল-৪০%।
ঙ। গ্রীষ্মকাল-৩০%।
চ। শীতকাল-২০%।
প্রহরণ বা মৃদু প্রহার
মৈথুনকালে মৃদু প্রহার-শৃঙ্গারও কামের একটি অঙ্গ হিসাবে স্বীকৃত হয়েছে।
কথাটা শুনতে অনেকটা আশ্চার্য্য বোধ হয়, কিন্তু কামসূত্রে তার ব্যাখ্যা প্রদত্ত হয়েছে।
নারী কিছুটা উৎপীড়িত হ’তে চায় যৌন মিলনে-তাই মনোবিজ্ঞান স্বীকার করে যে, পুরুষ কিছুটা উৎপীড়ন করতে পারে নারীকে।
কিন্তু প্রহরণ ঠিক শৃঙ্গার নয়-কারণ মিলনের আগে এর প্রয়োজন নেই।
পূর্ণ মিলনের সময় আনন্দ বৃদ্ধির জন্যে পুরুষ ধীরে ধীরে নারী-দেহের কোমল অংশে মৃদু প্রহার করতে পারে।
পুরুষ অথ্যাচারী-মনোবিজ্ঞানের মতে যে প্রহার করা হয় তা আনন্দের। তাই বলে এতে দু’জনেই যে আনন্দ পাবে এমন নয়। এটা দু’জনের মানসিক অবস্থার উপর নির্ভর করে।
প্রহরণের মধ্যে আবার প্রকারভেদ আছে-
১। মুষ্টি প্রহার-হাত মুষ্টি বদ্ধ করে দেহের বিভিন্ন অংশে মৃদু প্রহরণ।
২। চপেটাঘাত (হাত খুলে রেখে ধীরে ধীরে।)
৩। দু’টি অঙ্গুলির সাহায্যে প্রহরণ।
৪। প্রহরণ ও সংবহন মিশ্রিত করে প্রহরণ।
মর্দন বা সংবাহন
যদিও মর্দন শৃঙ্গার কালে মাঝে মাঝে হয়- তবে এই মর্দন প্রকৃত শৃঙ্গার নয়।
মর্দন বেশি হয় রতিকালে বা রতির পূর্বে।
নারীদেরহর কোমল অংশে যেমন স্তন, নিতম্ব, ঊরুদ্বয় প্রভৃতির মর্দন হ’য়ে থাকে।
রতিক্রিয়াকালে স্তন ও নিতম্ব মর্দন করেও পুরুষ ও নারী উভয়ে আনন্দ পায় বলে বাৎস্যায়ন বলেছেন।
তবে যারা পছন্দ করেন তাঁরাই এটা করবেন। যদি একজন বা দু’জনেই পছন্দ না করেন তবে এর প্রয়োজন নেই।
ঔপরিষ্ঠক বা মুখমেহন
মুখমেহন স্বাভাবিক মিলন হিসাবে বাৎস্যায়ন স্বীকার করেন নি। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এটি সর্বদা চলতে পারে না। তবু শাস্ত্রে এটি উল্লিখিত হয়েছে।
শাস্ত্রে উল্লিখিত হবার অর্থ অবশ্য এই নয় যে, এটি খুব ভাল আসন বা এটি সম্মান পেয়েছে। শাস্ত্রে কেবল এটাকে একটি অস্বাভাবিক মিলন বলেই এর নাম উল্লিখিত হয়েছে।
ভারতের কোন কোন জাতির মধ্যে ঔপরিষ্ঠক স্বীকৃত ও বেশ প্রচলিত-কিন্তু তাই বলেই তাকে উচ্চ স্থান দেওয়া হয় না।
মুখমেহন সব পণ্ডিতের মতেই ঘৃন্য-তাই এ বিষয়ে বেশি আলোচনা করা হলো না।
বাৎস্যায়ন বলেন নারী শুধু তিনটি শ্রেণীরই নয়-তাছাড়াও আছে আর এক শ্রেণী-তার নাম হলো নপুংষক শ্রেণী।
এই নপুংষক শ্রেণীর যোনি ঠিকমত গঠিত নয়-তাই এদের সঙ্গে যৌন ক্রিয়া সম্ভব নয়। এদের দ্বারা কেবল মুখমেহন করানো চরতে পারে।
এই শ্রেণীর নপুংষক অনেক সময় অর্থের বিনিময়ে মুখমেহনে রাজী হয়।
এই মুখমেহন আট প্রকার হ’য়ে থাক-
১। নিমিত-এতে নপুংষক তার করতলে পুরুষাঙ্গ ধরে আসে- আসে- তার ওষ্ঠাধারে ঘর্ষণ করে।
২। পার্শ্ব-লিঙ্গ মুণ্ডের আবরণ খুলে আসে- আসে- মুখে প্রবেশ করানো।
৩। বহিঃসংদংশন্তদাঁত ও ঠোঁট দিয়ে পুরুষাঙ্গের আবরণ উন্মোচন।
৪। পুরুষাঙ্গ বারে বারে মুখের ভেতরে নেওয়া ও বের করা। বহুক্ষণ এরূপ করা।
৫। অন্তঃসংদংশন্তওষ্ঠাধর দিয়ে চোষণ করা।
৬। জিহ্বা দ্বারা চোষণ।
৭। আম্রচোষণ-পুরুষাঙ্গ আম্রের মত চোষণ করা।
৮। আকন্ঠীত-সম্‌সত পরুষাঙ্গ গিলে ফেলার মত।
মুখের মধ্যে সুরতের সঙ্গে সঙ্গে আলিঙ্গনাদিও চলতে পারে।
অনেক নীচজাতীয়া নারীদের দ্বারা এ কাজ করানো যেতে পারে।
কামশাস্ত্রে মুখে সুরত নিষিদ্ধ। তবে অনেকে এটি পছন্দ করেন।-বা কোন রাবাঙ্গনা রাজী হলে তার দ্বারা এটি করান। কিন্তু অন্তঃপুর চারিনীদের এটি করা উচিত নয়।
সহবাসের পরের কথা
সহবাসের পরে দু’জনেরই উচিত কমপক্ষে এক পোয়া গরম দুধ, একরতি কেশন ও দুই তোলা মিশ্রি সংযোগে সেবন করা। সহবাসে কিছু শক্তির হ্রাস হ’তে পারে। এতে করে কিঞ্চিৎ পূরণ হয়। অন্যথায় সহবাস করা উচিত নহে। এই কারণেই মনীষীরা মাসানে- একবার রতিক্রিয়া ব্যবস্থা করে দেন। যাতে উপরোক্ত সামগ্রীর যোগাড় করতে গরীব বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের পক্ষেও কষ্টকর না হয়। পুষ্টিকর খাদ্য না খেলে পুরুষ অচিরেই শক্তিহীন হ’য়ে পড়ে ও তার কর্মশক্তি লোপ পায়।
অত্যধিক মৈথুনের জন্য হজমশক্তি লোপ পায়। ফলে অম্ল, অজীর্ণ প্রভৃতি নানা প্রকার রোগ দেখা দেয়। এই সমস্ত রোগের হাত থেকে নিশ্চিত ভাবে নিষকৃতির জন্য মৈথুনের পর দুগ্ধ পান অত্যাবশ্যাক। অবস্থায় সম্ভব হলে নিম্নের টোটকাগুলি ব্যবহার করলে ভয়ের কারণ থাকবে না।
(১) বাদাম দুই তোলা ভালভাবে বেটে নিয়ে তা মিশ্রি সংযোগে মৈথুনের পর গরম করে খেলে বিশেষ উপকার হয়।
(২) দুতোলা ঘি, দু তোলা মিশ্রি কিংবা গুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে সেবন করলে সহজে ক্ষয় পূরণ হয়।
(৩) মুগের ডাল ভালভাবে বেটে নিয়ে ভেজে নিন, পরে মিশ্রি কিংবা চিনি মিশিয়ে নাড়ার মত করে চার তোলার মত মৈথুনের পর খেয়ে নিলে উপকার হয়।
সহবাসের সঙ্গে সঙ্গে পুরুষাঙ্গ ধৌত করলে নপুংষকতার লক্ষণ প্রকাশ পায়। সেজন্য রতিক্রিয়ার কিছু সময় পরে পুরুষাঙ্গ ধৌত করা বিধেয়। এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখা প্রত্যেকের উচিত।
সহবাসের পর দেহের বিষয়ে কি কি যত্ন নিতে হবে এ বিষয়ে শাস্ত্রে কতগুলি নিয়ম বিধিবন্ধ আছে। আমরা তা একে একে আলোচনা করছি।
১। সহবাসের পর দু’জনের কিছুক্ষণ পরস্পর সংলগ্ন হ’য়ে অবস্থান করবে। এতে মানসিক তৃপ্তি হয়। ধীরে ধীরে দেহ শীতল হয়। এতে প্রেম দীর্ঘস্থায়ী হ’য়ে থাকে।
২। তারপর অবশ্য প্রত্যেকেই নিজ নিজ যৌনাঙ্গ ভালভাবে ধৌত করবে-এটি অবশ্য পালনীয়। তবে কিছুক্ষণ পর।
৩। অনেক শাস্ত্রে দুজনের ্লান করা বিধান আছে তবে তা সকলে পালন করে না।
৪। শর্করা মিশ্রিত এক গ্লাস জল কিঞ্চিৎ লেবুর রস বা দধি কিংবা শুধু ঠাণ্ডা জল কিছু খেতে হবে। এতে শরীরের মঙ্গল করে।
৫। প্রয়োজন হরে কোন পেটেন্ট ঔষধ সেব করা যাইতে পারে।
৬। সহবাসের পর ঘুম একান্ত আবশ্যক-তদাই শেষ রাতে সহবাস বাঞ্ছনীয় নয়।
৭। পরদিন প্রভাতে স্নান করা একান্ত আবশ্যক। তা না হলে মন শুচি হয় না- কর্মে প্রফুল্লতা আসে না। অন্যথায় পরদিন মন খারাপ থাকে, কর্মে একঘেয়েমি আসতে পারে।
৮। সহবাস প্রারম্ভে বা শেষে নেশা সেবন ভাল নয়। এতে দৈহিক ক্ষতি হয়-প্রেম দূরে যায়-মানসিক অসাড়তা আসতে পারে।
৯। রাত্রির প্রথম ও শেষ প্রহর বাদে মধ্যম অংশই সহবাসের পক্ষে উৎকৃষ্ঠ সময়, এ কথা সর্বদা মনে রাখতে হবে।
১০। সহবাসের পর অধিক রাত্রি জাগরণ, অধ্যয়ন, শোক প্রকাশ, কলহ কোন দুরূহ বিষয় নিয়ে গভীর চিন্তা ও মানসিক কোন উত্তেজনা ভাল নয়।
সফল মৈথুন
এবারে আমরা একটি প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করব তা সফল মৈথুন।
এমন প্রশ্ন অনেকে করতে পারে-মৈথুন আবার সফল অ-সফল কি? যথারীতি নর-নারীর মিলন। দৈহিক মিলনের পরিপূর্ণ আনন্দ ও রেতঃপাত। এই ত মৈথুন।
আমরা বলব না, তা নয়।
তবে?
আমরা বলব শতকরা একটি কি দু’টির বেশি মৈথুন সফল মৈথুন হয় না। কেন হয় না? তা বলতে গের সফল মৈথুন কি, সে বিষয়ে আলোচনা করতে হয়। স্ত্রীর কামনার তৃপ্তি কম বেশি হয়ত হয়ে থাকে। তথাপি স্ত্রী গর্ভবতী হ’য়ে সন্তানের জন্মও দিতে সুরু করে, তবু তা সফল মৈথুন হয় না।
কেন?
এর উত্তর হলো শৈথুন বা রেতঃপাত অনেকেই করে থাকেন। কিন্তু সফল মৈথুন খুব অল্প জনের ভাগ্যেই ঘটে থাকে।
এবার সে বিষয়ে আলোচনা করব।
সফল মৈথুনের পরিচয়
যে মৈথুন করলে শারীরিক, মানসিক ও দৈহিক কোনও ক্ষতি হয় না। উলটে কর্মে আনন্দ ও একাগ্রতা আসে এবং মৈথুনের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়; স্ত্রীর প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি পায় এবং হৃদয় প্রফুল্ল ও শান্ত, ্লিগ্ধতায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে-তাকে সফল মৈথুন বলে।
সফল মৈথুনের ফল
১। মনের শান্তি পায়। মন সর্বকাজে দৃঢ় হ’য়ে থাকে ও মনের উৎসাহ বাড়ে।
২। কাজকর্মে একাগ্রতা আনে। কাজকর্মের দিকে মন সংযোগ বৃদ্ধি পায়।
৩। দৈহিক ও মানসিক তৃপ্তির জন্যে কর্মক্ষমতা বৃৃদ্ধি পায়। নিজেকে গর্ব অনুভব করে।
৪। স্ত্রীর প্রতি প্রেম বৃদ্ধি পায় ও স্ত্রীকে প্রকৃত ভালবাসতে পারে। স্ত্রীর আকর্ষণ আসে স্বামীর প্রতি।
৫। অন্য নারীর প্রতি আকর্ষণ থাকে না।
অসফল মৈথুনের ফল
১। মনে শান্তি থাকে না। মন ধীরে ধীরে অবসাদে ভরে ওঠে। মেজাজ হ’য়ে যায় খিটখিটে।
২। সব সময় মন উত্তেজিত ও বিরক্ত থাকে।
৩। মানসিক দুর্বলতা প্রযুক্ত কাজকর্মে ইচ্ছা কমে যায়।
৪। স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা কমে আসে।
৫। পরনারীর প্রতি আকর্ষণজনিত চরিত্রদোষ ঘটতে পারে। পতিতারয় গমনও ঘটতে পারে।
৬। শরীর ম্যাজ ম্যাজ করে-সব সময় শরীর ভার ভার বোধ হয়। আহার ও নিদ্রার প্রতিও আকর্ষণ কমে যায়।
৭। বায়ুর প্রাবল্য, চোখ মুখ জ্বালা করতে থাকে।
৮। মাথা ঘোরে ও গা বমি বমি করে।
৯। ধীরে ধীরে মৈথুনের প্রতি ঘৃণাও জন্মাতে পারে।
এখন কথা হচ্ছে কি করলে মৈথুন সফল করা যায়।
মৈথুন অ-সফল হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে-উপযুক্ত পুরুষ ও নারীর মিলনের অভাব।
অ-সফল মৈথুনের কারণ
এবারে অ-সফল মৈথুনের কতকগুলি প্রধান কারণের বিষয় লেখা হচ্ছে-এগুলিও মনে মনে চিন্তা ও বিচার করে নিতে হবে।
১। মৈথুনের আগে নারীকে উত্তেজিত না করা।
২। মৈথুনে যোগ্যভাবে নিজেকে তৈরী না করা।
৩। উপযুক্ত আসন না করে মৈথুনে লিপ্ত হওয়া।
৪। শক্তির অভাবে মৈথুন পূর্ণ হ’তে পারে না।
৫। অসুস্থ অবস্থায় মৈথুন্তএতে তত পূর্ণ আনন্দ হয় না। দৈহিক ক্ষতি করে।
৬। ঘন ঘন মৈথুন্তএটি অবশ্য পরিত্যজ্য। ইহা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর।
৭। অযোগ্য স্ত্রী-স্ত্রী উপযুক্ত না হলে পূর্ণ মৈথুন হয় না।
৮। অন্যান্য অসুবিধা বা মানসিক কারণ।
৯। স্বামী বা স্ত্রীর অন্য নারী বা পুরুষের প্রতি গোপন আসক্তি।
১০। প্রকৃত উত্তেজনা ছাড়া মৈথুন।
উত্তেজনার বিচার
এবারে প্রকৃত উত্তেজনা কি ও কি তার লক্ষণ সে বিষয়ে বলা হচ্ছে।
উত্তেজনা দুই প্রকার-(১) আসল (২) নকল বা বাহ্যিক।
যে যৌন উত্তেজনা সাধারণতঃ নর-নারীর মধ্যে দেখা যায় তা প্রায়ই নকল উত্তেজনা।
নকল কেন তার প্রমাণ করে দেওয়া হবে-আগে আসল উত্তেজনার লক্ষণ কি তাই বলা হচ্ছে।
নারী পুরুষকে বা পুরুষ নারীকে কাছে টেনে নিয়ে পরস্পর উত্তেজনা সৃষ্টির প্রয়াস পায় এবং তার ফলে যদি হৃদয়ে উত্তেজনা জাগে তা প্রকৃত উত্তেজনা নয়।
হৃদয়ে আপনা থেকেই ভাবভঙ্গীর মুখে পরস্পরের সঙ্গে মিলিত হবার দুর্দমনীয় কামনা যদি জাগে তবে তা হলো আসল অর্থাৎ প্রকৃত উত্তেজনা।
প্রকৃত উত্তেজনা সম্বন্ধে বাৎস্যায়ন বলেছেন।-
যদি কোন নারীর স্মৃতি (চেহারা) বা ধ্যান ছাড়াও আপনা থেকেই হৃদয় উত্তেজিত হ’য়ে উঠে, তবে তা হরো প্রকৃত উত্তেজনা।
কিন্তু এ হলো সেই যুগের কথা-মানুষ যখন প্রকৃতির উপর নির্ভর করে চলতো। প্রকৃতির উপর নির্ভর করে সে নিজের মানসিক অবস্থা নিরূপণ করতো।
আজকাল যুগ পালটে গেছে।
নারী মূর্তি দর্শন আজকাল হামেশাই করতে হয়। হাটে-বাজারে চারপাশে নারীর নানা ভঙ্গির নানা ছবি নানা বিজ্ঞাপন। নারীর দেহ আর যৌবনের নানারূপ ভঙ্গিমার বিজ্ঞাপন দিয়েই আজকাল প্রচুর জিনিস বিক্রি হয়। সাইনবোর্ডেও নারীর নানারূপ প্রতিকৃতি দেখা যায়।
তবে আজকাল সেভাবে প্রকৃত উত্তেজনা বোজা সহজ কথা নয়।
প্রকৃত উত্তেজনা তাই আজকাল অন্যভাবে সি’র করা হ’য়ে থাকে।
অর্থাৎ যখন চিত্তবৃত্তি আপনা থেকেই নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং মনকে কিছুতেই আর সংযত করা যায় না, তখনই প্রকৃত উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং তাকেই প্রকৃত উত্তেজনা বলে।
এ কথা ঠিক যে প্রকৃত উত্তেজনা ছাড়া মৈথুন করা উচিত নয়। তেমনি প্রকৃত উত্তেজনা জাগলে তা দমন করা ঠিক নয়। তাতে দৈহিক ও মানসিন ক্ষতি হ’তে পারে।
প্রকৃত উত্তেজনার সময় ব্যতীত মৈথুন করলে তা মৈথুন হতে পারে না।
মৈথুনের শক্তির স্বল্পতা
মৈথুনে শক্তির স্বল্পতা আর শীঘ্র রেতঃপাত করলে একই কথা, কিন্তু দু’টির কারণ কিছুটা ভিন্ন।
শীঘ্র বীর্য্য পতন এক ধরনের রোগ। এ বিষয়ে আমরা এর পরে রোগের পরিচ্ছেদে বিশেষভাবে আলোচনা করব।
কিন্তু মৈথুন শক্তির স্বল্পতা একটা প্রধান জিনিজ। এটি দৈহিক ও মানসিক অবস্থার ওপর হ’য়ে থাকে।
কারণঃ-
১। অধিক উত্তেজনা।
২। ঘন ঘন উত্তেজনা কিন্তু কম পরিমাণে।
৩। যখন উত্তেজনা আসে তখন স্ত্ররি সঙ্গে মৈথুন না করা।
৪। মৈথুনের সময় ভয়, লজ্জা ও কোন বাধা।
৫। বহুদিন বাদে মৈথুন করা।
৬। হস্তমৈথুন করা।
৭। দৈহিক অসুস্থতা।
৮। জন্মগত দুর্বলতা।
৯। যৌন ব্যাধি ইত্যাদি।
প্রতিকার-শীঘ্র পতন, যৌন ব্যাধি জন্মগত দুর্বলতা ইত্যাদি বিষয়ে এর পরে আলোচনা করা হয়েছে। প্রত্যেক রোগের কি ঔষধ তাও বলা হয়েছে।
নেশা সেবন
কোন প্রকার নেশা করা অবশ্যই অনুচিত বলে শাস্ত্রে বর্ণিত হয়েছে। তবে কিছু সংখ্যক লোক মৈথুন শক্তি বাড়াবার মত কিছু কিছু নেশা করে থাকেন। তবে নেশা যদি সামান্য হয় অর্থাৎ তাতে যদি ঠিক পুরা মাদকতা না আসে, অথচ যৌন ক্ষমতা যদি সামান্য বৃদ্ধি পায়, তবে তা নিশ্চয়ই উপকারী।
নেশায় যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়?
ঠিক তা নয়-নেশায় বীর্য্যকে কিছুটা শুকিয়ে গাঢ় করে দেয়, তাই কিছুটা বেশী সময় ধরে মৈথুন করা চলে।
শাস্ত্রের মতে মাদক দ্রব্য অল্প পরিমাণে অবশ্য ইন্দ্রিয় শক্তি ও দৈহিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য প্রতিটি ঔষধের সাথে ব্যবহার করা হয়।
যেমন- (১) এ্যালকোহল। (২) সিদ্ধি। (৩) আফিং ইত্যাদি
কিন্তু পরিমাণে তা ব্যবহৃত হয় খুব কম-ঠিক মাত্রা অনুযায়ী।
কিন্তু লজ্জাশালী রমণী স্বামীর এ প্রস্তাব প্রকারান্তরে প্রত্যাখ্যান করে। এতে স্বামী অবশেষে মনঃক্ষুন্ন হয় এবং বেশ্যালয়ে যাওয়া সুরু করে। পেটের দায়ে যারা এ বৃত্তিকে স্বেচ্ছায় বরণ করে নিয়েছে, পয়সা রোজগারের জন্য যত নগ্ন ও গর্হিত কাজই হোক না কেন, এরা তা করে।
আর একটা কথা।
সাধালণ খাদ্য পানীয় দ্বারা যতটা সম্ভব ততটা যৌন ক্ষমতা আগে বাড়াবার চেষ্টা করা উচিত। তারপর অবশ্য ঔষধ। ঔষধের চেয়ে বেশী মাত্রায় নেশা ভাল নয়।
যৌন ইন্দ্রয়ের অক্ষমতা
যৌন ইন্দ্রয়ের অক্ষমতা হলো সকল মৈথুনের আর একটা প্রধান অন্তরায়।
মৈথুন শক্তির অক্ষমতা আর যৌন অক্ষমতার কারণ কিন্তু ঠিক এক নয়। মৈথুন শক্তির অক্ষমতা সক্ষম ইন্দ্রিয় শক্তি থাকলেও হতে পারে।
কিন্তু অনেকের ইন্দ্রিয় আবার ঠিক তার মত দৃঢ় হয় না। আর ইন্দ্রিয় দৃঢ় না হলে মৈথুন ক্ষমতা স্বাভাবিক হয় না।
এর প্রকৃত কারণ কি?
এ বিষয়ে নানা আলোচনা আগে করা হয়েছে। এখনও করা হবে।
ইন্দ্রিয় উত্তেজিত না হবার কারণ হলো অবশ্য শারীরিক দুর্বলতা। কিন্তু তা আসে কেন?
(১) অমিতাচার।
(২) জন্মগত অক্ষমতা।
(৩) যৌন ক্ষমতার অভাব।
(৪) হস্তমৈথুন অভ্যাস ইত্যাদি।
যাই হোক যৌন ইন্দ্রিয়ের অক্ষমতা উপযুক্ত চিকিৎসক দ্বারা অবশ্যই চিকিৎসা করান দরকার।
তা না হলে যৌন ইন্দ্রিয়ের ক্রমশঃ আরও মারাত্নক হ’য়ে অন্য রোগের সূচনা করতে পারে।
অযোগ্য স্ত্রী
স্ত্রী, মৈথুনে অযোগ্য হয় কেমন করে?
এর উত্তর হলো-মৈথুনের উপযুক্ত ভাবে সহায়ক না হলে সেই স্ত্রীকে অযোগ্য বলা হয়।
স্ত্রী অযোগ্য কি করে হতে পারে।
১। মৈথুনে অনাসক্তি।
২। উপযুক্ত শ্রেণী হিসাবে মিল না হবার জন্য মৈথুনে অক্ষমতা। যেমন বৃষ বা অশ্ব জাতীয় পুরুষের সাথে পদ্মিনী জাতীয় স্ত্রীর।
৩। দৈহিক গঠনের জন্য মৈথুনে অতৃপ্তি।
৪। লজ্জা ও ভয় ইত্যাদি কারণে স্বামীর সঙ্গে মৈথুনে লিপ্ত না হতে ইচ্ছা।
৫। হৃদয়ে প্রেমের অভাব।
৬। গোপন প্রণয়ী-স্বামীর প্রতি আসক্তি বা প্রেমের অভাব।
এর জন্যে উপযুক্ত ব্যবস্থা করা যেতে পারে। মানসিক হলে তার জন্যে স্ত্রীকে ভালোবেসে তার হৃদয় জয় করতে হবে।
দৈহিক হলে, চিকিৎসার প্রয়োজন। নারী পুরুষ উভয়েই সমশ্রেণীর না হলে মৈথুনকালীন বিবিধ অসুবিধার সৃষ্টি হয়। এই অসুবিধাই হলো অ-সফল মৈথুন।
মৈথুনে অন্যান্য অসুবিধা
সফল মৈথুনের অন্যান্য অসুবিধা হলো-
(১) আর্থিক অস্বচ্ছলতা।
(২) যোগ্য স্থানের অভাব।
(৩) খাদাদির অভাব ও দৈহিক দুর্বলতা ইত্যাদি।
একথা অবশ্যই ঠিক যে সুবিধাজনক সময়, স্থান, খাদ্যদির অভাব হলে, মৈথুন, সফল হ’তে পারে না। কোন গরীব বা অভাবী লোক আগে খাদ্যের যোগাড় করবে তারপর মৈথুন।
এখানে আর একটি প্রয়োজনীয় কথা হলো-প্রাচীন শাস্ত্র কারক বলেছেন যে, সফল মৈথুন নর-নারীর আনন্দ প্রাপ্তির উৎস তা ঠিক।
সফল মৈথুন না হলে, হৃদয়ে পূর্ণ আনন্দ প্রাপ্তি না হলে উপযুক্ত সন্তান হয় না। অ-সফল মৈথুনে যে সন্তান হয়, তা জাতির প্রতিবন্ধক স্বরূপ। সফল মৈথুনই প্রকৃত সন্তানের জন্ম দেয়।
অবশেষে একটি প্রধান কথা হলো-মৈথুন যক কম হয় তত ভালো। তাতে রতিশক্তি বৃদ্ধি পায় ওসকল মৈথুনের জন্যে দেহমনকে শক্তি সঞ্চয়ী করে তোলে।
মেয়েদের দুধ, মেয়ে, মেয়েদের মাসিক, লিংগ ছবি, চটি গল্প, চটি বই, গল্প, কৌতুক, নতুন চটি, বোনের সাথে সেক্সে, বাংগালী মেয়ের দুধের ছবি, choti bangla, বাঙলা চটী, বাংলা xxx, বাংলা চটি গল্প, চোদাচুদির গল্প, সানি লিওন
0

যৌন মিলনের পদ্ধতি, যৌনাঙ্গের পরিমাপ ও নারী-পুরুষের যৌন চাহিদা

Sexually transmitted method, measurement and genital sexual needs of men and women

কিশোর বয়স থেকে যখন ছেলে মেয়েরা প্রথম যৌবনে প্রদার্পন করে তখন যৌনতা সংক্রান্ত নানা চিন্তা ভাবনা মনে ঘোরপাক খাওয়াটা মোটেও অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু আমাদের দেশে পর্যাপ্ত যৌন শিক্ষার অভাবে তরুণরা সঠিক সময়ে যথাযথ জ্ঞান লাভ করতে পারে না। তাই বহু যুগ ধরেই এ দেশে যৌনতা সম্পর্কে নানা সত্য-মিথ্যা ধারণা আমাদের মধ্যে প্রচলিত আছে৷ সেই ধারনাগুলি সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত আজ তুলে ধরা হলো :-

যৌনাঙ্গের পরিমাপ প্রভাবিত করে ?

একজন মহিলার যৌন সেশনকে বেশী মাত্রায় পরিতৃপ্ত করতে তার পুরুষ সঙ্গীর যৌনাঙ্গের আকার – আকৃতি বা পরিমান- পরিমিতি প্রভাবিত করে না৷ এর পরিমিতি মহিলার যৌন চাহিদা পরিতৃপ্ত করতে পারে না৷ যখন সাইজের প্রশ্ন আসে তখন সবার জন্য এক রকম সাইজ কার্যকরী হয় না৷ তাই যৌন কার্যে এটি একটি আপেক্ষিক বিষয়৷

বেশী বড় পুরুষ যৌনাঙ্গ কখনই মহিলাদের খুব বেশী Stimulate করতে পারে না৷ যৌন কার্যকালে গর্ভাশয়ের আগে পর্যন্ত পুরুষ যৌনাঙ্গ পৌঁছলেই তা পরিতৃপ্তির কারণ হয়৷ তা না হলে সঙ্গমকালীন যৌন পরিতৃপ্তি তেমন সুখকর হয়ে ওঠে না৷ এই পরিস্থিতিতে ক্ষেত্রে মহিলারা Satisfied হয় না৷


সঙ্গম যত বেশী তত ভালো ?

সঙ্গমকালীন অনুভুতি আপনি কেমন করে মিলিত হচ্ছেন তার ওপর নির্ভর করে, আপনি কতবার সঙ্গম করছেন তার ওপর নির্ভরশীল নয়৷ আমাদের মধ্যে ধারণা আছে, যতবেশি বার সঙ্গমে লিপ্ত হওয়া যায় শারীরিক ক্ষেত্রে তার খুব ভালো ফল পাওয়া যায়৷ আপনার শারীরিক সক্ষমতা বা আপনার সুস্থ স্বাভাবিক শারীরিক অবস্থা আপনাকে যৌন মিলনে আকর্ষিত করে, এমন কিন্তু নয়, বা সুস্থ-স্বাভাবিক ভাবে প্রতিনিয়ত কয়েকবার যৌন মিলন আপনার শারীরিক সুস্থতা বাড়ায়, এই ধারণা ভুল৷

কতবার বা কতক্ষণ ধরে সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি হচ্ছে তা গুরুত্ব পূর্ণ নয়৷ যৌনতা নিবৃত্তি করাই যৌন মিলনের মূল বিষয় নয়, এটিও এক চরম আনন্দ যা দুজনে একসঙ্গে একভাবে অনুভব করে৷


যৌন মিলনের পদ্ধতি সকলেই জানে ?

প্রথমবার যৌন মিলনকালে প্রত্যেকেই এই ঘটনার জন্য কৌতুহলী থাকে৷ অত্যধিক আগ্রহ বা কৌতুহল বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে শীঘ্রপতনের সমস্যার সৃষ্টি করে৷ এছাড়া সঠিক পদ্ধতিতে যৌনকার্য সম্পাদিত হয় না৷ প্রথম মিলন কালীন সৃষ্ট এই অসুবিধাকে বলা হয় Performance Anxiety৷ যখন কোন জুড়ি প্রথমবার মিলনে আবদ্ধ হচ্ছেন তার আগে এবিষয়ে সঠিক ভাবে জেনে নেওয়া ভীষণ জরুরি৷

যৌন ইচ্ছা মানুষের জন্মের সঙ্গে সঙ্গে তার মধ্যে চলে আসে ৷ এটি জন্মগত প্রাপ্ত একটি কামনা যা প্রত্যেক প্রাণীর মধ্যে দেখা যায়৷ আর প্রাকৃতিকগত ভাবেও এই ইচ্ছাটি আমাদের মধ্যে চলে আসে৷ কিন্তু এই কাজের পদ্ধতি আমরা শিখি না৷ যৌন সঙ্গম নিয়ে যে সকল অবিচ্ছিন্ন ধারণা আমাদের মধ্যে প্রচলিত আছে তা থেকে বেড়িয়ে আসতে বা এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিক ধারণা তৈরি করতে আমাদের এই বিষয়ে সিক্ষা গ্রহণ করা উচিত৷ যৌন মিলন যেকোন স্বাভাবিক মানুষের ক্ষেত্রে অতি প্রয়োজনীয় একটি চাহিদা তাই এর সঠিক প্রগোগ কৌশল জানা আমাদের একান্ত জরুরী৷


পুরুষের যৌন চাহিদা বেশী থাকে ?

যৌনতায় পুরুষ এবং স্ত্রী উভয়েরই সমান আগ্রহ থাকে৷ বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে পুরুষ ভালোবাসে যৌন পরিতৃপ্তি পাওয়ার জন্য৷ আর মহিলাদের ক্ষেত্রে ঘটনাটি ঘটে ঠিক উল্টো৷ অর্থাৎ মহিলারা যৌন মিলনে এগিয়ে আসে ভালোবাসা পাওয়ার জন্য৷ যৌন মিলন ভালোবাসার পরিনতি হতে পারে এর উল্টোটা কখনই হয় না অর্থাত যৌন মিলনের ফলে ভালোবাসা সৃষ্টি হতে পারে না৷

নারীরা তাদের শারীরিক চাহিদা সম্পর্কে এত মুখর হয় না৷ পুরুষ এই চাহিদার কথা অতি সহজেই বলতে পারলে ও নারীরা তাদের যৌন চাহিদার কথা খুব সহজে বলতে পারেন না৷ কিন্তু আজকাল দেখা যাচ্ছে নারীরাও এই ব্যপারে তাদের মতামত জানাতে বেশ উত্সাহী৷

মেয়েদের দুধ, মেয়ে, মেয়েদের মাসিক, লিংগ ছবি, চটি গল্প, চটি বই, গল্প, কৌতুক, নতুন চটি, বোনের সাথে সেক্সে, বাংগালী মেয়ের দুধের ছবি, choti bangla, বাঙলা চটী, বাংলা xxx, বাংলা চটি গল্প, চোদাচুদির গল্প, সানি লিওন

অন্তঃসত্বা/গর্ভবতী স্ত্রীর সাথে যৌন মিলন বা সহবাসে করণীয়






Enters / or sexual intercourse with a pregnant woman to do sahabase

যদি আপনার স্ত্রীর গর্ভকালীন সময় স্বাভাবিক ভাবে চলমান থাকে তাহলে আপনি সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায়ও তার সাথে সহবাস করতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম কানুন অনুসরণ করলে কোনো প্রকার বিপত্তির সম্ভাবনা থাকে না। আবার কিছু কারন আছে যার ফলে গর্ভকালীন সময়ের নির্দিষ্ট কিছু সময়ব্যপ্তিতে যৌন মিলন করা থেকে বিরত থাকা জরুরি।
যে কারনে গর্ভকালীন সময় যৌনমিলন থেকে বিরত থাকা উচিত:-
কোন কারনে যৌনাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরন হলে:-গর্ভকালীন সময়ে অল্প কিংবা বেশি রক্তক্ষরন পরিলক্ষিত হলে শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে।

প্রাক প্রসব বেদনা:- বীর্যের সংশ্চর্ষে প্রোস্টাগ্লেনডিনস্ সংকুচিত হবার সম্ভাবনা থাকে যা প্রাক-প্রসব-বেদনাকে ঝামেলাপূর্ণ করে তুলতে পারে। 

জরায়ুর গলদেশে সমস্যা থাকলে:- যদি আপনার জরায়ুর মুখ অকালে খুলতে শুরু করে তাহলে শারীরিক মিলন করলে রোগ সংক্রমনের সমুহ সম্ভাবনা থাকে। 

গর্ভের ফুল/অমরা সমস্যায় থাকলে:- যদি গর্ভের ফুল/অমরা জরায়ুমুখ আংশিক কিংবা সম্পুর্নরূপে ঢেকে ফেলে তাহলে শাররীক মিলনের ফলে রক্তপাত এবং প্রাক প্রসব বেদনা শুরু হয়ে যেতে পারে। 

যৌন-সংক্রামন ব্যাধি:- আপনার কিংবা আপনার স্বামীর কোন প্রকার যৌন-সংক্রামন ব্যাধি থাকলে গর্ভকালীন শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে।
    যদি আপনার ডাক্তার আপানাকে গর্ভকালীন শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে বলে তাহলে খুজে বের করুন ডাক্তার কি বলতে চেয়েছে? ডাক্তার কি শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে বলেছে নাকি যৌন উত্তেজনা/তৃপ্তি থেকে বিরত থাকতে বলেছে? আর যদি ডাক্তার বারন করে তাহলে অবশ্যই জেনে নিবেন – কত সময়ের জন্য বারন করেছেন? উদাহরন স্বরূপঃ অনেক নারীর গর্ভধারনের প্রাথমিক ধাপে (প্রথম তিনমাস সময়ে) যদি অল্প পরিমান রক্তক্ষরন হয় তাহলে ডাক্তার বলেন শেষ বার রক্তক্ষরনের পর কমপক্ষে এক সপ্তাহ সময়কাল মিলন/অন্যকোন ভাবে যৌন তৃপ্তি থেকে বিরত থাকেন।

    গর্ভবতী নারীর জন্য আরামদায়ক যৌন আসন ভঙ্গি:-
    গর্ভকালীন সময় অন্য সময়কালের মত আসনভঙ্গিতে শাররীক মিলন করা যায়না। এটি মা এবং সন্তান উভয়ের জন্য ক্ষতির কারন হতে পারে। তাই এই সময়কালে যৌন আসন সম্পর্কে সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরী।

    নারী উপরে:-
    এ আসনে নারীর নিয়ন্ত্রন থাকে কত গভীরতায় লিঙ্গ প্রতিস্থাপন করা হবে। এ পদ্ধতিতে বেশিরভাগ কার্যক্রম নারী নিজের ইচ্ছে/সুবিধা মত করতে পারেন। এই ভঙ্গিতে গর্ভের পুরো সময়কাল এমনকি শেষ সময়েও নারী অনেক কম ঝুকিতে থাকেন।

    একপাশে কাত হয়ে শুয়ে মিলন:-
    এ আসনে নারী হাটেু ভেঙ্গে পাশে কাত হয়ে শুবেন এবং স্বামী স্ত্রীর পিছেনে থেকে শাররীক মিলন করবেন। স্পুনিং ভাল ভাবে কাজ করে যদি পুরুষ নারীর ঊরূর মাঝে দিয়ে লিঙ্গ সঞ্চালন করেন। এ পদ্ধতিতে তলপেটে কোন চাপ পড়েনা এবং আস্তে আস্তে মিলন করার সুবিদা থাকে যা গর্ভবতীর জন্য জরুরী।

    হাটু এবং হাতে ভর:-
    এই ভঙ্গিটি দেখতে হামাগুড়ি দিয়ে হাটার সময় শরীরের যে রকম আকার হয় সেরকম। এই ভঙ্গিটিও গর্ভবতী নারীর জন্য ভাল – এতে পেটে কোন প্রকার চাপ পড়েনা।

    অনেক বিবাহিত যুগল এই ভেবে উদ্বিগ্ন থাকেন যে – গর্ভবতী অবস্থায় শাররীক মিলন করলে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে, প্রধানতঃ গর্ভধারনের প্রথম তিন মাস সময়কালে। সাধারনত প্রাথমিক পর্যায়ে ভ্রুন নষ্ট হওয়া ক্রোমোজোম অস্বাভাবিকতা অথবা নিষিক্ত ডিম্বানু ভ্রুনে রূপান্তরিত হবার সময়কালে অন্যান্য সমস্যার সাথে সম্পর্কিত – যৌন মিলনের ফলে ভ্রুন নষ্ট হবার ধারনাটি ভুল। আশা করি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। ধন্যবাদ।

    মেয়েদের দুধ, মেয়ে, মেয়েদের মাসিক, লিংগ ছবি, চটি গল্প, চটি বই, গল্প, কৌতুক, নতুন চটি, বোনের সাথে সেক্সে, বাংগালী মেয়ের দুধের ছবি, choti bangla, বাঙলা চটী, বাংলা xxx, বাংলা চটি গল্প, চোদাচুদির গল্প, সানি লিওন

    যৌন মিলনের টিপস

    Sexually transmitted Tips

    ১. যোনিঃ

    ক. ল্যাবিয়া মেজরা অর্থাৎ বাইরের পাপড়ি প্রায় সম্পূর্ণ ভাবে একসাথে লেগে থাকবে এবং যোনিমুখ দেখা যাবেনা ।
    খ. ল্যাবিয়া মাইনরা অর্থাৎ ভিতরের পাপড়িও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে এবং ল্যাবিয়া মেজরা দিয়ে ঢাকা থাকবে পুরোটাই । ল্যাবিয়া মেজরা না সরালে দেখা যাবেনা ।

    গ. হাইমেন অর্থাৎ সতিচ্ছেদ অক্ষত থাকবে । যদিও অনেক কারনেই ছিঁড়ে যেতে পারে ।

    ঘ. ল্যাবিয়া মাইনরার নিচের প্রান্ত একত্রে থাকবে ।

    ঙ. ক্লাইটরিস খুব ছোট এবং একে আবরণকারী চামড়াও পাতলা হবে ।
    চ. যোনিপথ সরু এবং ভিতরের ভাঁজগুলি কম মসৃণ হবে । ভাজ অনেক বেশি হবে ।

    ২. স্তনঃ
    ক. স্তন ছোট হবে
    খ. চ্যাপ্টা হবে, গোল নয়
    গ. দৃঢ় হবে, তুলতুলে নয়
    ঘ. নিপলের চারপাশে যে গাঢ় অংশ থাকে তার রঙ গোলাপি থেকে বাদামী রঙ এর হবে( কম গাঢ় রঙ হবে) এবং এই অংশ আয়তনে ছোট হবে ।
    ঙ. নিপলের আকার ছোট হবে ।
    সিউডোভারজিনঃ
    অনেক সময় অনেক মেয়ের কয়েকবার যৌনমিলনের পরেও হাইমেন বা সতিচ্ছেদ অক্ষত থাকে । এদের সিউডোভারজিন বা মিথ্যা ভারজিন বলা হয়। তবে এর হার অনেক কম ।
    হ্নিত করা যায় .




    বিঃদ্রঃ যেসব মেয়ে বেশি খেলাধুলা বা শরীরচর্চা করে, সাইকেল বা মোটরসাইকেল চালায়, ঘোড়ায় চড়ে বা হস্তমৈথুন করে তাদের হাইমেন বা সতিচ্ছেদ ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি ।
    যোনি (ইংরেজি: Vagina ভ্যাজাইনা, মূলত লাতিন: উয়াগিনা) হলো স্ত্রী যৌনাঙ্গ, যা একটি ফাইব্রোমাসকুলার টিউবাকৃতি অংশ যা জরায়ু থেকে স্ত্রীদেহের বাইরের অংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি দেখা যায় অমরাবিশিষ্ট মেরুদণ্ডী ও মারসুপিয়াল প্রাণীতে, যেমন ক্যাঙ্গারু অথবা স্ত্রী পাখি, মনোট্রিম, ও কিছু সরীসৃপের ক্লোকাতে। স্ত্রী কীটপ্রত্যঙ্গ এবং অন্যান্য অমেরুদণ্ডী প্রাণীরও যোনি আছে, যা মূলত ওভিডাক্টের শেষ প্রান্ত। লাতিন বহুবচনে যোনিকে বলা হয় vaginae উয়াগিনাই (ইংরেজি উচ্চারণে ভ্যাজাইনি)



    নারীর যোনি সারভিক্স থেকে ভালভা পর্যন্ত বিস্তৃত একটি নমনীয় ও মাংসল নালী। শরীর ভেদে পার্থক্য হলেও সাধারণত একটি অনুত্তেজিত যোনির দৈর্ঘ্য সামনের দিকে ৬ থেকে ৬.৫ সে.মি. (২.৫ থেকে ৩ ইঞ্চি) এবং পেছনের দিকে ৯ সে.মি. (৩.৫ ইঞ্চি)। যৌন উত্তেজনার সময় যোনি দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ উভয় দিকেই বৃদ্ধি পায়। এটার নমনীয়তার ফলেই এটি যৌন মিলন ও সন্তান জন্মদানের সময় বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। যোনি, সুপারফিকাল ভালভা ও জরায়ুর গভীরের সারভিক্সকে সংযুক্ত করে। যদি একজন মহিলা সোজা হয়ে দাঁড়ান তবে যোনির শেষপ্রান্ত সামনে-পেছনে জরায়ুর সাথে ৪৫ ডিগ্রীর বেশী কোণ উৎপন্ন করে। যোনির শেষপ্রান্তটি ভালভার একটি কডাল প্রান্ত। এটি মুত্রনালীর পেছনে অবস্থিত। যোনির উপরের এক চতুর্থাংশ রেকটোউটেরিন পাউচ দ্বারা রেকটাম থেকে পৃথক। যোনির উপরের অংশের নাম মন্স ভেনেরিস। ভালভার ভেতরের দিক সহ যোনির রং হালকা গোলাপী এবং এটি মেরুদণ্ডী প্রাণীতে সবচেয়ে বেশি মিউকাস ঝিল্লী বিশিষ্ট অভ্যন্তরীন অঙ্গ। যোনির বাকি তিন চতুর্থাংশ অঞ্চল উঁচু-নিচু অংশের দ্বারা সৃষ্ট ভাঁজে পরিপূর্ণ, এই ভাঁজকে রূগী বলে। যোনির পিচ্ছিলতা বার্থোলিনের গ্রন্থি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এটি যোনির প্রবেশ মুখে এবং সারভিক্সের কাছে অবস্থিত। যৌনমিলনের সময় প্রয়োজনীয় পিচ্ছিলকারক তরল ক্ষরিত করার মাধ্যমে এটি যৌনমিলনের সময় সৃষ্ট ঘর্ষণ হ্রাসে ভূমিকা রাখে। কোনোরকম গ্রন্থির সম্পৃক্ততা না থাকলেও যোনির দেওয়াল জলীয় উৎপাদন করে। ডিম্বক্ষরণের সময় সারভিক্সের মিউকাস গ্রন্থিগুলো বিভিন্ন রকম মিউকাস ক্ষরণ করে। এর ফলে যোনীয় নালিতে ক্ষারধর্মী অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয় এবং এটি শুক্রাণুর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। 
    অকাল বীর্যপাত এর কিছু সমাধান
    ১. সাময়িক সমাধানঃ
    ক. কনডম ব্যাবহার করুন । অতিরিক্ত
    পাতলা যেসব
    কনডম সেগুলো ব্যাবহার করবেন না ।
    কিছু
    কনডমের
    ভিতরে অবশকারি ক্রিম দেওয়া থাকে ।
    সেগুলো ব্যাবহার করলে ভাল ফল পাবেন

    খ. যৌনমিলনের সময়
    লিঙ্গমুণ্ডে সামান্য
    কর্পূর
    ব্যাবহার করুন ।
    গ. দুই ধরনের প্রেসার ব্যাবহার করুন ।
    পেরিনিয়াম প্রেসারঃ আপনার অণ্ড
    থলি এবং মলদ্বারের
    মাজখানে পেরিনিয়াম
    নামে একটি জায়গা থাকে । যৌনমিলনের
    সময়
    আপনার সঙ্গীকে বলুন ক্রমাগত
    সেখানে জোরে আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিতে
    টেস্টিস টাগঃ যখন একজন পুরুষ
    অরগাজমের
    কাছাকাছি চলে আসে তখন অণ্ডকোষ
    উপরের
    দিকে উঠে আসতে চায় । আপনার
    পার্টনারকে বলুন
    যৌনমিলনের সময়
    আস্তে আস্তে অণ্ডকোষকে নিচের
    দিকে টানতে ।
    ২. টেকনিক পরিবর্তনঃ
    ক. যৌনসংগমের গতি কমানঃ
    অতি উত্তেজনা পরিহার করুন
    যখনই আপনি অরগাজমের
    কাছাকাছি চলে যাবেন
    তখন নন সেক্সুয়াল চিন্তা করুন । ৫
    থেকে ১০
    সেকেন্ড অন্য চিন্তা করুন । আবার প্রথম
    থেকে শুরু করতে পারবেন ।
    খ. অরগাজম কন্ট্রোল ব্যায়াম করুনঃ
    অরগাজমের কাছাকাছি হলেই মিলন বন্ধ
    করে দিন ।
    উত্তেজনা কমলে আবার শুরু করুন
    মিলনের সময় অরগাজম
    কাছাকাছি হলে লিঙ্গমুণ্ড
    যেখানে পেনিসের দেহের
    সাথে মিলেছে সেখানে চাপ দিন
    কয়েকবার । ৩০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন ।
    তারপর
    আবার শুরু করুন ।
    গ. মিলনের আসন চেঞ্জ করুনঃ
    লিঙ্গমুণ্ডের উপর বেশি চাপ পড়ে এমন
    আসন
    বেশিক্ষন করবেন
    না ( মিশনারি বা ডগি স্টাইল)
    যউনমিলনের সময়
    মেয়েকে উপরে উঠিয়ে দিয়ে নিচ
    থেকে করুন । মেয়েও উপর থেকে করবে ।
    তাতে মেয়েও
    তাড়াতাড়ি অরগাজমে পৌঁছাবে আর
    আপনার
    সময় ও
    বাড়বে । পাশ থেকেও করতে পারেন ।
    এটাও
    ভাল
    হবে ।
    ( মিশনারি স্টাইল
    বলতে ছেলে উপরে মেয়ে নিচে আসনকে বুঝায়)


    ছেলেরা জেনে নিনঃ(মেয়েদের দুধ টেপা এবং চোষার কৌশল)(১০০% কার্যকর)

    অনেক ছেলেই জানেন না সঠিক নিয়মে মেয়েদের দুধ কিভাবে চোষা এবং টেপা যায়।অথচ শুধুমাত্র দুধে হাত এবং মুখ চালিয়ে একটি মেয়েকে ১০০% কাবু করে ফেলতে পারেন।ব্রেস্ট, মেয়েদের শরীরের আকর্ষনীয় অংশ গুলোর মাঝে একটি।সেক্সের সময় এটাকে আদর না করলে তো হয়ই না। সেই ব্রেস্টকে স্পর্শ করার সময় কিছু জিনিস খেয়াল রাখা উচিত। প্রত্যেক মেয়েরই তার ব্রেস্ট নিয়ে আলাদা কিছু চাওয়া থাকে। সেই চাহিদা গুলো কিভাবে পূরণ করবেন তা নিয়েই কিছু টিপস দেওয়া হলঃ

    ১/ কারো ব্রেস্ট বড় কারও বা ছোট। সে হিসাবে ব্রেস্টের স্যাটিস্ফেকশন ও আলাদা হয়। সাধারনত স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বড় ব্রেস্টগুলো সেন্সিটিভ কম হয়, ছোট ব্রেস্টের তুলনায়। এসব ব্রেস্ট সাইড দিয়ে, জিহবা দিয়ে, এবং হাত দিয়ে টিপে আদর করা উচিত। এছাড়া হাল্কা কামড় ও দেওয়া যায়। সাধারনত এসব ব্রেস্ট একটু জোড়ে চাপলেই বেশি মজা পায় মেয়েরা।

    ২/ ছোট ব্রেস্ট সাধারনত খুবই সেন্সিটিভ হয়। এসব ব্রেস্ট বেশি জোড়ে না টিপে হাতে পুরোটা নিয়ে আস্তে আস্তে চাপলে মেয়েরা বেশি মজা পায়। এছাড়া হাতের তালু এবং আঙ্গুল দিয়ে নিপল আদর করুন। এবং সামান্য টেনে ছেড়ে ঝাকি দিন।

    ৩/ একটু ঝোলানো ব্রেস্ট গুলো সবচেয়ে কম সেন্সিটিভ হয়। এসব ব্রেস্ট আদর করার জন্য চিত করে শুইয়ে নেওয়াই ভাল।

    ব্রেস্টে বিভিন্ন ধরনের স্পর্শ সেক্সকে অনেক বেশি রঙ্গিন করে তোলে। এরকম কিছু স্পর্শের কথা বলা হল।

    ১/ নিপল স্পর্শ না করে ব্রেস্টের চার দিকে হাল্কা আঙ্গুল চালান। ব্রেস্টের নিচের জায়গায় হাত ঘষুন। গলার নিচে কিস করুন। ব্রেস্টের চার পাশ লিক করুন। তার ব্রেস্টের সাথে আপনার বুক ঘষুন। এগুলো মেয়েদের জন্য অনেক জোড়ালো সেক্স টিজ।

    ২/ নিপল সাক করুন। কিন্তু প্রথমেই খুব জোড়ে নয়। আস্তে আস্তে জিহবা ঘুরিয়ে। হালকা করে কিস দিন নিপলে। আঙ্গুল তার মুখে নিয়ে ভিজিয়ে তার নিপলেই আবার লাগাতে পারেন। এতে সে অনেক বেশি টার্ন অন হয়ে পরবে। বেশ কিছুক্ষন আস্তে আস্তে সাক করুন ব্রেস্ট। সে পাগল হয়ে গেলে তবেই জোড়ে করবেন।

    ৩/ নিপল আঙ্গুলের মাঝে নিয়ে ঘুরান, টুইস্ট করুন। নিপল ভিতরের দিকে হাল্কা চাপ দিন। এরপর কিছুটা জোরে চাপুন ব্রেস্ট। নিপল মুখে নিয়ে জোরে সাক করুন। ভালবাসুন তার ব্রেস্টকে।


    জিজ্ঞাসা- ১♠18 বছরের নিচে কি সেক্স করা উচিত?
    ♣সমাধানঃ না উচিত নয়।
    শারীরিক ভাবে যথেষ্ট
    সম্পূর্ণতা তাদের থাকে না।
    ♠জিজ্ঞাসা-২ সিফিলিস, গনোরিয়া, ধবজভংগ কি?

    ♣সমাধানঃ সিফিসিল ও
    গনোরিয়া ব্যাকটেরিয়া ঘটিত
    মারাত্মক প্রাণঘাতক রোগ
    যাতে শরীরের বিভিন্ন
    অংশে মারাত্মক ক্ষতের সৃষ্টি হয়। অনিরাপদ সেক্সের
    মাধ্যমে রোগের বাহক
    থেকে অগর সঙ্গীর
    কাছে এটা ট্রান্সমিট হয়।
    ধ্বজভংগ
    একটি অ্যাবনরমালিটি যেখানে রোগী উত্তেজিত হলেই বীর্জপাত ঘটে/
    যৌনতৃপ্তি লাভ করে।
    ফলে সে সেক্স করার আগেই
    তৃপ্তি পেয়ে যায় এবং সেক্স
    করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

    ♠সমস্যা ৩ : আমার যৌন ক্ষমতা কম।

    ♣সমাধানঃ ক্ষমতা কম
    বলতে সাধারণত সবাই
    বেশীক্ষণ ইন্টারকোর্স
    (মিলন)
    করতে না পারাকেইন্ডিকেট করেন।
    এটা কোনো সমস্যা নয়।
    ইজেকশন (বীর্জশ্খলন)
    মানসিক
    প্রক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত
    হয়।উত্তেজিত অবস্থায় দ্রুত ইজেকশন হয় আবার
    টেনশনে বা অন্যমনস্ক
    থাকলে দীর্ঘ বিরতির পর
    ইজেকশন হয়। প্রাকটিসের
    মাধ্যমে রোগী নিজেই
    সমস্যার সমাধান করতে পারেন।

    ♠সমস্যা ৪ (ক) : আমার
    মাস্টারবেট (হস্তমৈথুন)
    করার অভ্যাস আছে। এজন্য
    আমার সেক্স পাওয়ার
    কমে যাচ্ছে। শরীর দুর্বল হচ্ছে।

    ♣সমাধানঃ মাস্টারবেটকে সাধারণ
    ঘটনা হিসেবে মেডিকেল
    সাইন্সে বিবেচনা করা হয়।
    ক্লিনিক্যালী এর
    কোনো ক্ষতিকর প্রভাবপাওয়া যায়নি।
    বরং কিছু কিছু
    চিকিৎসা বিজ্ঞানী একে স্বাস্থ্যের
    জন্য ভালো এবং টেস্টিস
    ক্যানসারকে প্রতিরোধ
    করে বলে মত দিয়েছেন। মাস্টারবেটের সাথে সেক্স
    পাওয়ার কমার কোনো সম্পর্ক
    নেই। শারীরিক
    দুর্বলতা সৃষ্টির
    ক্ষেত্রে ক্লিনিক্যালি এর
    কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে ধর্মীয় বিবেচনায়
    এটা নিষিদ্ধ।

    ♠সমস্যা ৪ (খ) মাস্টারবেট (হস্তমৈথুন) করার ফলেব্রণ
    হয়, হাতে পায়ে লোম গজায়
    কথাটা কি সত্য?
    সমাধান : পুরোপুরি ১০০ ভাগ
    মিথ্যা কথা।

    ♠সমস্যা ৫ : আমি ২/১ মিনিটের বেশী স্পার্ম
    ধরে রাখতে পারি না, আমার
    কি চিকিৎসার দরকার?

    ♣সমাধান : না দরকার নেই।
    উত্তেজিত অবস্থায়
    ২-১মিনিটেই ইজেকশন (বীর্জশ্খলন)
    হতে পারে যা স্বাভাবিক
    অবস্থায় আরো দেরীতে হয়।
    মাস্টারবেশন ও
    সেক্সদুটো ভিন্ন জিনিষ।
    মাস্টারবেশনের সময় শুধু কামভাব নিবারিতহয়
    বলে দ্রুত বীর্যশ্খলন হয়
    কিন্তু সেক্স ভালোবাসার
    সাথে রিলেটেড। বিয়ের পর
    ১ম ১মাস আপনি এধরণের
    সমস্যায় পড়তে পারেন তবে প্রাকটিসের
    মাধ্যমে নিজেই
    তা সারিয়ে ফেলতে পারবেন।
    চিকিৎসার দরকার হবে না।




    আপনার পার্টনারের সঙ্গে যৌন মিলনকে মধুর
    করতে হলে আপনাকে চারটে নিয়ম
    মেনে চলতে হবে৷ আপনি যদি এই
    চারটে নিয়মকে পুঙ্খানুপুঙ্খ
    ভাবে মেনে পার্টনারের সঙ্গে শারীরিক
    ভাবে মিলিত হন তাহলে আপনি প্রকৃত অর্থে সহবাসের সুখ লাভ করবেন৷ ‘দ্য ফোর সিক্রেটস অফ আমাজিং সেক্স’ এই
    গ্রন্থে লেখক জর্জিয়া ফস্টার
    এবং বেভারলি এনি ফস্টার চারটে নিয়মের
    কথা বলেছেন৷ তাদের মতে যৌন মিলনের
    আগে শরীরের তুলনায় মানসিক
    ভাবে প্রস্তুতি নেওয়াটা জরুরি৷ মানসিক ভাবে আপনি যদি যৌন মিলনের জন্য
    তৈরি থাকেন তাহলেই আপনি এর চরম সুখ লাভ
    করতে পারবেন৷ যৌন মিলনের জন্য
    চারটে গোপণ তথ্যের প্রথমটা হল : সিডাকশান: বেশীরভাগ মানুষই মনে করে যৌন
    মিলনের আগে নিজেদের যৌন
    উত্তেজনা বাড়াতে হবে৷ না সেটা একেবারেই
    ভুল ধারনা৷ আগে মনে প্রাণে যৌন
    চেতনা জাগান৷ যৌন মিলনের আগে মানসিক
    ভাবে প্রস্তুতি নিন৷ আপনি কখনই ভাববেন না আপনার পার্টনারের যৌন
    উত্তেজনা নিমেষেই বেড়ে যাবে৷ মানসিক
    ভাবে অনুভব করার পরেই এটা বাড়ানো সম্ভব৷ সেনসেশান: যৌন মিলনের ক্ষেত্রে সিক্স
    সেনস একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়৷
    সেক্ষেত্রে আপনি এবং আপনার পার্টনার
    উভয়েরই ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়কে জাগ্রত করতে হবে৷
    কারণ যৌন মিলনের সময়ে প্রচুর এনার্জীর
    প্রয়োজন জয়৷ এনার্জী লাভের জন্য ষষ্ট ইন্দ্রিয়কে জাগানো জরুরি৷ সারেন্ডার: তৃতীয় চাবিকাঠিটা হল
    নিরাপত্তা৷ যৌন মিলনের সময়
    আপনি যদি নিশ্চিন্তে আপনার পার্টনারের
    কাছে নিজেকে সপে দিতে পারেন তাহলেই
    আপনার যৌন মিলন সফল হবে৷ এর জন্য
    পার্টনারের কাছে আপনি যে নিরাপদ রয়েছে সেই মানসিক ভাবনাটা থাকা জরুরি৷ রিফ্লেকশান: আপনি যদি প্রথম তিনটে নিয়্ম
    ভ্রুনাক্ষরে পালন করে তাহলে আপনি আপনার
    অভিজ্ঞতাতেই এর প্রতিবিম্বটা খুঁজে পাবেন৷
    পুণরায় যৌন মিলনের আগ্রহ আপনার
    মনে জাগবে৷


    ♠ জিজ্ঞাসা- ১ :
    সেক্সকরতে পেনিস
    ভ্যাজাইনার কোথায়
    ঢোকাতে হবে?
    উপরে নিচে না মাঝ বরাবর?

    ♣সমাধানঃ নিচ বরাবর প্রথমবার


    জিজ্ঞাসা- ৩ : সেক্স করার সময়
    কি কি সমস্যা হবে?
    সমাধানঃ প্রথমবার সেক্স
    করার সময় মেয়েটির
    রক্তক্ষরণ শুরু হয়। অনেকেই
    এতে ভয় পেয়ে যায়।ভয় পাবার কিছু নেই। যেহেতু
    ...See More  ♠ জিজ্ঞাসা- ৪ ‍ সতিচ্ছেদ পর্দা দেখেকি আমি প্রমাণ
    করতে পারবো কোনো মেয়ে ভার্জিন
    কি না?


     সমাধানঃ না পারবেন না।
    বয়স বাড়ান
    সাথে সাথে সতিচ্ছেদ পাতলাহয়ে আপনা আপনি ই
    ছিড়েযায়। তাছাড়া যেসব
    মেয়ে দৌড়-লাফ বা অন্যন্য
    কসরত বেশী করে তাদের
    সতিচ্ছেদ ছিড়ে যায়।
    কোরো সতিচ্ছেদ ছেড়া পাওয়াগেলে কোনোভাবেই
    এটা প্রামাণিত
    হবে না সে ভার্জিন নয়।
    বিভিন্নরকম সতিচ্ছেদের নিচেছবি দেখুন  ♠ জিজ্ঞাসা- ৫ ‍ প্রথম সেক্সে কোনো মেয়ে কি ব্যাথা পায়?

    ♣সমাধানঃ বেশির ভাগ
    ক্ষেত্রেই পায়। তবে খুব
    বেশী উত্তেজিত
    থাকলে এবং প্রচুর মিউকাস
    ক্ষরণ হলে ব্যাথা পায় না। সেজন্য উচিত
    ভালোমতোউত্তেজিত করার পর
    সেক্স করা।


    যে দুইটি প্রশ্ন সব চেয়ে বেশি পাই তা হলো →

    ♠♠ যদি ভুল করে কারো সাথে অনিরাপদ
    সেক্স
    করে ফেলি এবং গর্ভবতী হবার
    আশংকা থাকে তাহলে মেয়েটি কি ফেমিকন
    পিল খাবে?

    ♣♣
    সমাধানঃ প্রথমত, ধর্মীয় বিধান মেনে চলুন।
    বিয়ে বহির্ভূতসেক্সে কোনোভাবেই
    সমর্থন যোগ্য নয়। তবে কেউ
    যদি ভুল করেইবসে প্রচলিত
    জন্মনিরোধক পিল (ফেমিকন
    জাতীয়) কোনো কাজেই আসবেনা।
    কেননাএগুলো খেতে হয় 1 মাস
    আগ থেকেই।সেক্ষেত্রে 72
    ঘন্টার
    মধ্যে “ইমার্জেন্সি পিল”
    খেতে হবে  ♠♠ Danger প্রিয়ড কি?

    ♣♣সমাধানঃ যেসময়ে সেক্স
    করলে মেয়েটি গর্ভবতী হবার
    সম্ভাবনা বেশী তাকে ডেন্জার
    প্রিয়ড বলে।মিন্সট্রুয়ে শন
    (মাসিক) শেষ হবার 10ম দিন থেকে 20তম দিন পর্যন্ত
    চান্স বেশী থাকে।অন্য
    সময়গুলোতেও গর্ভধারণ
    হবেনা এটা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না।



    ♠♠ প্রশ্নঃ মৌখিক যৌনতা (Oral Sex) কি ? এটা কি বিকৃত যৌনতার পর্যায়ে পড়ে ? নাকি স্বাভাবিক ?

    ♠♠
     উত্তরঃ মহিলার দ্বারা পুরুষের লিঙ্গ চোষন বা কোন পুরুষের জিভ দিয়ে কোন মহিলার যোনি চোষন বা লেহনকে মৌখিক যৌনতা বলা হয় । কামশাস্তবিদ বাত্সায়ন বলেছেন যে মৌখিক যৌনতার বহিঃপ্রকাশে বিকৃত মনস্কতার কোন চাহ্নই নেই । আসলে ঘনিষ্ঠতার চুড়ান্ত আত্নচাহিদায় এই ধরনের ঘটনা পুরোমাত্রায় স্বাভাবিক মিলনের এই স্তরে উভয় সঙ্গীর কাছে পরস্পরের দেহের প্রতিটি অংশকে আক্ষরিকভাবেই গ্রাস করার এটা একটা স্বাভাবিক ইচ্ছা । যেহেতু যৌনাঙ্গগুলিই এই আনন্দের উত্স, তাই প্রত্যেকেই চায় সমবেত ঘনিষ্ঠতায় একে চোষন বা লেহন করতে ।  
     সেক্স টিপস , সেক্স
    সমস্যা  
     ** উত্তেজিত অবস্থায়
    পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য কত?
    : ৫.৫ থেকে ৬.২ ইঞ্চি ** প্রিয়জন নিজের
    থেকে প্রায় ১ ফুট
    লম্বা এবং বেডরুমে সব সময়
    লাইন আপ করা যায় না । ভাল
    পজিশন কি হতে পারে?
    : পা ফাঁক করে ভাল পজিশন তৈরি করা যেতে পারে। ** পুরুষের এসটিডি টেস্ট
    করার ভাল
    পদ্ধতি কিহতে পারে?
    :
    দুজনে একসাথে এসটিডি করা। ** ওরাল করার পর
    বিরতিতে কি করা উচিত?
    : নিজের হাত চাটা এবং তার
    উরু এবং পেটে কিস
    করা যেতে পারে। ** অপ্রকাশিত অনলাইন সেক্স
    কি চ্যাটিং হিসাবে গণ্য
    হবে?
    : যদি সে না প্রকাশ
    করে তবে তার জন্য হ্যাঁ হবে। ** সেক্সের সময় যদি অরগাজম
    না হয় তার
    মানে কিবুঝতে হবে?
    : সে মনকষ্টে ভুগতে পারে।
    তাই তার মনকষ্ট লাগবে তার
    সাথে কথা বলা উচিত। ** প্রিয়জনের সাথে যৌন
    দৃশ্যের ভিডিওতে অংশ নেয়ার
    সময় কি মনে রাখা উচিত?
    : ওয়াইড শর্ট এবং শর্ট
    লাইটিং ব্যবহার
    করা দরকার। ** কনডম সাইজ কি আসলেই
    একটা বড় ব্যাপার?
    : বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সকল
    পুরুষের জন্য কনডম সাইজ একই
    হয়, তবে কমফোর্ট ফিল করার
    জন্যবড় সাইজ ব্যবহার করা যেতে পারে। ** সেক্স করার পর পুরুষের
    ঝাকুনি মারার কারণকি?
    : এটা অরগাজমের কারণে হয়। 


    ★ যৌন সমস্যাঃ হস্তমৈথুন করার
    পর অন্ডকোষে ব্যথা হয় কেন?
    কি করণীয়?




     কারণঃ হস্তমৈথুন করার সময়
    বীর্য শুধুমাত্র অন্ডকোষ
    (টেসটিক্যাল)
    থেকে আসেনা বরং সেমিনাল
    ভ্যাসিকাল, কাউপার্স গ্লান্ড,
    ভাস ডিফারেন্স, প্রোস্টেট এর সাহায্যও প্রয়োজন হয়।
    হস্তমৈথুন করার সময়
    যৌনাঙ্গে বার বার ঘর্ষণ
    এবং উত্তেজনার
    কারণে অন্ডকোয়ের প্রাসারণ ও
    সংকুচন হয়। অন্ডকোষের আকার পরিমানের
    চেয়ে বেশি হয়ে গেলে বীর্যপতের
    পর মূলতঃ সেখানে ব্যথার
    সৃষ্টি হয়। এছাড়াও প্রথম-প্রথম
    হস্তমৈথুন এবং অনেক দিন পর-পর
    করার ফলেও এই ব্যথা হতে পারে। পরবর্তীতে সাধারণতঃ হস্তমৈথুনের
    পর ব্যথা হয়না।
    ব্যথাটি ক্ষণস্থায়ী হলে চিন্তার
    কিছু নেই, এটি স্বাভাবিক।
    তবে দীর্ঘস্থায়ী, অতিরিক্ত
    অথবা নিয়মিত ব্যথা হলে অবশ্যই ডাক্তারের
    পরামর্শ নিতে হবে।
    একে অবহেলা করা মোটেই উচিত
    নয় কারণ
    ব্যথাটি অন্ডকোষে ক্যান্সারের
    লক্ষণ হতে পারে! সমাধানঃ হস্তমৈথুন
    প্রকৃয়া স্বাভাবিক এবং মশৃণ
    রাখতে হবে।
    বেশি জোরে বা প্রেশার দিয়ে,
    অতিরিক্ত বা একাধিকবার মৈথুন
    করা এবং অত্যাধিক সময় ধরে মৈথুন করা ঠিক নয়।

    মেয়েদের দুধ, মেয়ে, মেয়েদের মাসিক, লিংগ ছবি, চটি গল্প, চটি বই, গল্প, কৌতুক, নতুন চটি, বোনের সাথে সেক্সে, বাংগালী মেয়ের দুধের ছবি, choti bangla, বাঙলা চটী, বাংলা xxx, বাংলা চটি গল্প, চোদাচুদির গল্প, সানি লিওন